
১০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:০৩

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
টানা ভারীবর্ষণসহ বৈরী আবহাওযার প্রভাবে চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী পাশবর্তী গ্রামে জোয়ারের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এসে উপকূলে আছড়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। আসলামপুর, মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ, জাহানপুর, চরমানিকা, নীলকমল বাংলাবাজার, ঘোষেরহাট ও নজরুল নগরসহ ঢালচর, কুকরি-মুকরি এবং চরপাতিলা ও চর নিজাম প্লাবিত হওয়ায় বেড়েছে জনভোগান্তি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা যায়, উল্লেখিত এলাকাসমূহে ভারীবর্ষণের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় খাল বিল, পুকুর জলাশয় মাছের ঘের কৃষি ফসল তলিয়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার অনেক ঘরবাড়িতে। যার ফলে হাঁস মুরগীর খামারসহ গবাদিপশুর খামার পানিতে ডুবে আছে।
ধারাবাহিক এই ভারী বর্ষণের কারণে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা থমকে গেছে। জোয়ারের পানির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা-তেতুলিয়া বেষ্ঠিত উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ১০০কি:মি:বেড়িবাঁধের ঢালে অতিবর্ষণে কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেতুয়া থেকে মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় বাঁধের ঢালে নারী ও শিশু নিয়ে বসবাস করা দরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। এসময় তিনি কাছ থেকে ভাসমান এসব অসহায় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনওর দেওয়া এ মানবিক খাদ্য সহায়তা পেয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চোখেমুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, আমার কাছে তথ্য ছিল- বেড়িবাঁধ এলাকায় ভাসমান ছিন্নমূল পরিবার রয়েছে। এদের দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শিশু খাদ্যের তীব্র সংকট। এসব অসহায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছি। এক সপ্তাহের ধারাবাহিক বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের এসব দরিদ্র মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানবিক খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই বৃষ্টিতে অনেক দরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম সদস্য জীবিকা নির্বাহ করতে পারেনি। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে মৌসুমি ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এসব মানুষের মধ্যে চাল,ডাল, তেল, লবন, চিনি ও হলুদ, মরিচেরগুঁড়াসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’
টানা ভারীবর্ষণসহ বৈরী আবহাওযার প্রভাবে চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী পাশবর্তী গ্রামে জোয়ারের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এসে উপকূলে আছড়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। আসলামপুর, মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ, জাহানপুর, চরমানিকা, নীলকমল বাংলাবাজার, ঘোষেরহাট ও নজরুল নগরসহ ঢালচর, কুকরি-মুকরি এবং চরপাতিলা ও চর নিজাম প্লাবিত হওয়ায় বেড়েছে জনভোগান্তি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা যায়, উল্লেখিত এলাকাসমূহে ভারীবর্ষণের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় খাল বিল, পুকুর জলাশয় মাছের ঘের কৃষি ফসল তলিয়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার অনেক ঘরবাড়িতে। যার ফলে হাঁস মুরগীর খামারসহ গবাদিপশুর খামার পানিতে ডুবে আছে।
ধারাবাহিক এই ভারী বর্ষণের কারণে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা থমকে গেছে। জোয়ারের পানির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা-তেতুলিয়া বেষ্ঠিত উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ১০০কি:মি:বেড়িবাঁধের ঢালে অতিবর্ষণে কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেতুয়া থেকে মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় বাঁধের ঢালে নারী ও শিশু নিয়ে বসবাস করা দরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। এসময় তিনি কাছ থেকে ভাসমান এসব অসহায় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনওর দেওয়া এ মানবিক খাদ্য সহায়তা পেয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চোখেমুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, আমার কাছে তথ্য ছিল- বেড়িবাঁধ এলাকায় ভাসমান ছিন্নমূল পরিবার রয়েছে। এদের দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শিশু খাদ্যের তীব্র সংকট। এসব অসহায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছি। এক সপ্তাহের ধারাবাহিক বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের এসব দরিদ্র মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানবিক খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই বৃষ্টিতে অনেক দরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম সদস্য জীবিকা নির্বাহ করতে পারেনি। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে মৌসুমি ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এসব মানুষের মধ্যে চাল,ডাল, তেল, লবন, চিনি ও হলুদ, মরিচেরগুঁড়াসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’