
১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:১০
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস হলেন ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম। বুধবার (৮ জুলাই) সংসদ অধিবেশনে সংসদ নেতার পক্ষে চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম এই কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আসীন হওয়ায় সংসদীয় এলাকায় তার অনুগত বিএনপি নেতাকর্মী নেতাকর্মীরা বিশেষ করে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনবাসী অভিনন্দন জানিয়েছে।
সংসদীয় এই কমিটি মূলত সরকারি বিভিন্ন হিসাব-নিকাশ এবং ব্যয়ের স্বচ্ছতা তদারকির দায়িত্ব পালন করবে বলে কার্যপ্রণালী বিধিতে উল্লেখ রয়েছে।
ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য হাফিজ ইব্রাহিম সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদ্যস নির্বাচিত হওয়ায় দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ শুভেচ্ছা জানান।

১০ জুলাই, ২০২৬ ০১:০৩
টানা ভারীবর্ষণসহ বৈরী আবহাওযার প্রভাবে চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী পাশবর্তী গ্রামে জোয়ারের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এসে উপকূলে আছড়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। আসলামপুর, মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ, জাহানপুর, চরমানিকা, নীলকমল বাংলাবাজার, ঘোষেরহাট ও নজরুল নগরসহ ঢালচর, কুকরি-মুকরি এবং চরপাতিলা ও চর নিজাম প্লাবিত হওয়ায় বেড়েছে জনভোগান্তি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা যায়, উল্লেখিত এলাকাসমূহে ভারীবর্ষণের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় খাল বিল, পুকুর জলাশয় মাছের ঘের কৃষি ফসল তলিয়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার অনেক ঘরবাড়িতে। যার ফলে হাঁস মুরগীর খামারসহ গবাদিপশুর খামার পানিতে ডুবে আছে।
ধারাবাহিক এই ভারী বর্ষণের কারণে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা থমকে গেছে। জোয়ারের পানির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা-তেতুলিয়া বেষ্ঠিত উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ১০০কি:মি:বেড়িবাঁধের ঢালে অতিবর্ষণে কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেতুয়া থেকে মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় বাঁধের ঢালে নারী ও শিশু নিয়ে বসবাস করা দরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। এসময় তিনি কাছ থেকে ভাসমান এসব অসহায় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনওর দেওয়া এ মানবিক খাদ্য সহায়তা পেয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চোখেমুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, আমার কাছে তথ্য ছিল- বেড়িবাঁধ এলাকায় ভাসমান ছিন্নমূল পরিবার রয়েছে। এদের দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শিশু খাদ্যের তীব্র সংকট। এসব অসহায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছি। এক সপ্তাহের ধারাবাহিক বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের এসব দরিদ্র মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানবিক খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই বৃষ্টিতে অনেক দরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম সদস্য জীবিকা নির্বাহ করতে পারেনি। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে মৌসুমি ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এসব মানুষের মধ্যে চাল,ডাল, তেল, লবন, চিনি ও হলুদ, মরিচেরগুঁড়াসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’
টানা ভারীবর্ষণসহ বৈরী আবহাওযার প্রভাবে চরফ্যাশনের মেঘনা ও তেতুলিয়া নদী পাশবর্তী গ্রামে জোয়ারের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তাল বঙ্গোপসাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এসে উপকূলে আছড়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে উৎকণ্ঠা তৈরি করেছে। আসলামপুর, মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ, জাহানপুর, চরমানিকা, নীলকমল বাংলাবাজার, ঘোষেরহাট ও নজরুল নগরসহ ঢালচর, কুকরি-মুকরি এবং চরপাতিলা ও চর নিজাম প্লাবিত হওয়ায় বেড়েছে জনভোগান্তি।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা যায়, উল্লেখিত এলাকাসমূহে ভারীবর্ষণের প্রভাবে নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় খাল বিল, পুকুর জলাশয় মাছের ঘের কৃষি ফসল তলিয়ে যায়। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়নের স্লুইসগেট বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার কারণে পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার অনেক ঘরবাড়িতে। যার ফলে হাঁস মুরগীর খামারসহ গবাদিপশুর খামার পানিতে ডুবে আছে।
ধারাবাহিক এই ভারী বর্ষণের কারণে উপকূলীয় মানুষের জীবন জীবিকা থমকে গেছে। জোয়ারের পানির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে চরফ্যাশন উপজেলার মেঘনা-তেতুলিয়া বেষ্ঠিত উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ১০০কি:মি:বেড়িবাঁধের ঢালে অতিবর্ষণে কষ্টে আছে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেতুয়া থেকে মাদ্রাজ, হাজারিগঞ্জ বেড়িবাঁধ এলাকায় বাঁধের ঢালে নারী ও শিশু নিয়ে বসবাস করা দরিদ্র পরিবার ও বিভিন্ন ছিন্নমূল অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ। এসময় তিনি কাছ থেকে ভাসমান এসব অসহায় মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। ইউএনওর দেওয়া এ মানবিক খাদ্য সহায়তা পেয়ে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের চোখেমুখে আনন্দের হাসি ফুটে ওঠে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, আমার কাছে তথ্য ছিল- বেড়িবাঁধ এলাকায় ভাসমান ছিন্নমূল পরিবার রয়েছে। এদের দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও শিশু খাদ্যের তীব্র সংকট। এসব অসহায় পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখের অংশীদার হওয়ার চেষ্টা করেছি। এক সপ্তাহের ধারাবাহিক বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলের এসব দরিদ্র মানুষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মানবিক খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি এই বৃষ্টিতে অনেক দরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম সদস্য জীবিকা নির্বাহ করতে পারেনি। দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও শ্রমজীবী মানুষ কাজ করতে না পেরে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে মৌসুমি ফসল পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষি খাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই এসব মানুষের মধ্যে চাল,ডাল, তেল, লবন, চিনি ও হলুদ, মরিচেরগুঁড়াসহ অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।’

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩৭
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
ভোলার মনপুরায় পল্লী জীবিকায়ন প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫৭ লাখ ২২ হাজার ৭২৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে বিষয়টি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন ভোলা জেলা পল্লী উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজাদুর রহমান।
তিনি বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে ভোলা জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ হলে সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনায় প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, লালমোহন উপজেলায় কর্মরত থাকাকালে মো. কামরুজ্জামান বিভিন্ন সমবায় সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের ঋণের অর্থ, সদস্যদের জমা দেওয়া কিস্তি এবং প্রকল্পের তহবিল থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন।
ইসলামপুর, দক্ষিণ তারাগঞ্জ, মঙ্গল সিকদার, রায়চাঁদ, মধ্য তারাগঞ্জ খানবাড়ি, রহিমপুর, ধলিগৌরনগর জেবলরাজ, বগিরচর, চরকালাচাঁদ, ভাঙ্গাপুল, দক্ষিণ বালুচর ও পূর্ব কিশোরগঞ্জ মৃধাপাড়া বিত্তিহীন মহিলা সমবায় সমিতিসহ একাধিক সমিতি থেকে মোট ৩৭ লাখ ২৮ হাজার ৭০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
পরবর্তীতে মনপুরায় যোগদানের পর মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের সহযোগিতায় বিভিন্ন সমিতি ও পল্লী উন্নয়ন দলের অর্থ থেকে আনুমানিক ৬১ লাখ ৭৬ হাজার ৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রকল্পের প্রকৃত আয়ের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয় দেখিয়ে আরও ৫৮ লাখ ১৭ হাজার ৯৪৮ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মনপুরায় ২৭ জনের নামে-বেনামে ৩৬ লাখ ২০ হাজার ৬৫০ টাকা ঋণ বিতরণে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকারের মাধ্যমে ১৭ লাখ ৩৭ হাজার ৭১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. কামরুজ্জামান। তার ভাষ্য, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি বলেন, মাঠকর্মী পবিত্র কুমার সরকার ২০২৫ সালের জুন মাসে মনপুরা থেকে বদলি হয়ে যান। তার দায়িত্বাধীন এলাকায় এখনো বিপুল পরিমাণ ঋণ আদায় বাকি রয়েছে। সেই বিষয়কে কেন্দ্র করেই তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে।
মনপুরা উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) মাহে আলম বলেন, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে জেলা কার্যালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিআরডিবি) রীমা আক্তার জানান, লালমোহনে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন সমিতির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ার পর মো. কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।’

০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’
ভোলার তজুমদ্দিনে চাঁদা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে মিথ্যা অপবাদে জুতার মালা দিয়ে প্রকাশ্যে হেনস্তার ঘটনায় নেট দুনিয়ায় প্রতিবাদের ঝড় উঠে। এ ঘটনায় তজুমদ্দিন থানায় মামলা করা হলে পুলিশ ৪ চাঁদাবাজ সন্ত্রাসকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন, সজিব (২৮), রাকিব ভুট্টো, রায়হান (১৯) এবং রাসেল (২১)। তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, এক সময়ের মেঘনার জলদস্যু দুলাল বাহিনীর প্রধান দুলাল প্রধানের ছেলে সজিব উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড নিশ্চিন্তপুর গ্রামের শাহে আলমকে সরকারি আবাসনের ঘর দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা চাঁদা চান। শাহে আলম চাঁদা দিয়ে ঘর নেয়ায় ডাকাত সজিব তার ওপর ক্ষিপ্ত হতে থাকেন। একপর্যায়ে গতকাল ৬ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শাহে আলম (৫৮) ব্যক্তিগত কাজে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদ মেম্বারের বাসায় যান। একই সময় ভুক্তভোগী নারী তাসলিমা বেগম (৫০) ব্যক্তিগত কাজে মেম্বারের বাসায় গেলে সজিবের নেতৃত্বে শরীফ জমাদার, ভুট্টো, সুমন ভূলাই, মহিউদ্দিন মাঝি, সবুজ ভূলাই, রুবেল, সিদ্দিক ও জুয়েল নারী-পুরুষকে অসামাজিক কার্যকলাপের অপবাদ দিয়ে পুনরায় ১লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এই চাঁদা না দেওয়ায় তাদেরকে এলোপাতাড়ি মারপিট করা হয়। এবং তাদের জোরপূর্বক জুতার মালা পরিয়ে জনসম্মুখে অপমান ও হেনস্তা করা হয়। এই ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেট দুনিয়ায় নিন্দার ঝড় উঠে এবং এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শাহে আলম বাদী হয়ে ৯জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৮/১০ জনকে আসামী করে তজুমদ্দিন থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
কোরবানীর ঈদের আগে বোরহানউদ্দিন উপজেলার হাসারনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা জিল্লুর রহমানকে চাঁদার দাবিতে প্রকাশ্যে মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করে সেই ভিডিও এখন নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। কিন্তু তাদের অপকর্ম এখানেই শেষ হয়নি।
২০২৫ সালে সোনপুর আবাসনের বাসিন্দা এক নারীকে কু-প্রস্তাব দেন সজিব। তাতে মহিলা রাজি না হওয়ায় গর্ভবতী সেই মহিলাকেও সেই সময় মধ্যযুগীয় কায়দায় মারপিট করেন। সজিবের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ মোট ৬টি মামলা রয়েছে। সে মেঘনার কুখ্যাত জলদস্যু দুলাল বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পালন করতেন।
তজুমদ্দিন থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার বিষয়ে মামলা রুজু হয়েছে। ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।’