
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৬
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি ২য় পত্রে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা স্বাক্ষরিত দৈনিক তথ্য বিবরণীতে বুধবার বিকালে এ তথ্য জানানো হয়।
সূত্র জানায়, বিভাগের ৬ জেলার ১৪২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৪ হাজার ৬৫৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫২ হাজার ৯৯৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭১৯ জন।
ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে একজন এবং পটুয়াখালী জেলায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শক বা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা দৈনিক তথ্য বিবরণীতে জানান, পরীক্ষা সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি ২য় পত্রে ১০ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদের বহিষ্কার করা হয়। বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা স্বাক্ষরিত দৈনিক তথ্য বিবরণীতে বুধবার বিকালে এ তথ্য জানানো হয়।
সূত্র জানায়, বিভাগের ৬ জেলার ১৪২টি পরীক্ষাকেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৫৪ হাজার ৬৫৮ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ৫২ হাজার ৯৯৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ১ হাজার ৭১৯ জন।
ইংরেজি ২য় পত্র পরীক্ষায় বরিশাল জেলায় ৩ জন, ঝালকাঠিতে একজন এবং পটুয়াখালী জেলায় ৬ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে কোনো পরিদর্শক বা শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা দৈনিক তথ্য বিবরণীতে জানান, পরীক্ষা সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫১
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিমকে প্রকাশ্যে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলাটির কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকনের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের এই ঘটনার একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তোভোগী বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, “অফিসে এসে বিএনপি নেতা হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকন প্রথমেই আমাকে বলে এলাকায় ওনাকে আমরা জিরো করে ফেলেছি। একটা রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উনি এলাকায় বলেছেন হবে না। এরপর নাকি উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলেছে হবে। এ ঘটনায় তিনি বিব্রত। এ সময় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে একই রাস্তা নির্মানের জন্য ২ বার আবেদন হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে।”
এমামুল হক আলিম আরও বলেন, “এখানে কাউকে ছোট করার কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। এ ঘটনায় উনি হঠাৎ রেগে যায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে। এ সময় তাকে আমরা আশ্বস্ত করছি যদি অনিয়ম হয় তাহলে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ সময় তিনি উচ্চবাচ্য করে প্রকাশ্যে শাসিয়ে অফিসের পরিবেশ ঘোলাটে করে বের হয়ে যায়। পাশাপাশি আরও বলেন যদি কোন কাজ করতে হয় স্থানীয় জনগনকে সাথে নিয়ে ঠিকাদারকে কাজ করতে হবে। তা না হলে নানা বাধা বিঘ্নের সৃষ্টি করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন। তিনি দাবি করেন, রাস্তা নির্মাণের কাজ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে মাত্র। কারোর সাথে কোন ধরনের উচ্চবাচ্য কথাবার্তা অথবা শাসানো হয়নি। এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “ভুক্তোভোগী যদি আমাদের কাছে অভিযোগ করে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।”
বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা বলেন, ‘এখানে এসেছি বাবুগঞ্জের মানুষকে সেবা দিতে। সেখানে হেনস্থা হতে হচ্ছে, যা প্রত্যাশা করা যায় না। যদি অভিযোগ পাই অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১
ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসআই পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করা হয়, মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অনিয়ম সম্পর্কে নিশ্চিত হন। দুর্নীতির প্রমাণ প্রাপ্তির পরে কনস্টেবল মারুফ হাসান, কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদার এবং কনস্টেবল সজীব মিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হিসাব শাখায় তিন কনস্টেবল কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এক কর্মকর্তা কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে সর্বমোট মাট ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনজন। সম্প্রতি টাকার হিসাব না মিললে ওই কর্মকর্তার সন্দেহ হয়, এরপর টাকা আত্মসাতের সাথে কারা জড়িত তার অনুসন্ধান চালানো হয়। তখন উল্লেখিত তিনজনের নাম প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়ে গেল ৭ জুলাই ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর দপ্তর) আব্দুল হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তারা এক পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে ওই তদন্তের প্রতিবেদন ও প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫২
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিমকে প্রকাশ্যে শাসানোর অভিযোগ উঠেছে উপজেলাটির কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকনের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের এই ঘটনার একটি ভিডিও এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, যা নিয়ে রাীতিমত তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভুক্তোভোগী বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী কাজী এমামুল হক আলিম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, “অফিসে এসে বিএনপি নেতা হাসানুজ্জামান খোকন ওরফে আর্মি খোকন প্রথমেই আমাকে বলে এলাকায় ওনাকে আমরা জিরো করে ফেলেছি। একটা রাস্তা নির্মাণের বিষয়ে উনি এলাকায় বলেছেন হবে না। এরপর নাকি উপ-সহকারী প্রকৌশলী বলেছে হবে। এ ঘটনায় তিনি বিব্রত। এ সময় তাকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে একই রাস্তা নির্মানের জন্য ২ বার আবেদন হওয়ায় এমন ঘটনা ঘটেছে।”
এমামুল হক আলিম আরও বলেন, “এখানে কাউকে ছোট করার কোনো উদ্দেশ্য ছিলো না। এ ঘটনায় উনি হঠাৎ রেগে যায় ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলে। এ সময় তাকে আমরা আশ্বস্ত করছি যদি অনিয়ম হয় তাহলে অবশ্যই সেটা খতিয়ে দেখা হবে। এ সময় তিনি উচ্চবাচ্য করে প্রকাশ্যে শাসিয়ে অফিসের পরিবেশ ঘোলাটে করে বের হয়ে যায়। পাশাপাশি আরও বলেন যদি কোন কাজ করতে হয় স্থানীয় জনগনকে সাথে নিয়ে ঠিকাদারকে কাজ করতে হবে। তা না হলে নানা বাধা বিঘ্নের সৃষ্টি করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।”
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছে কেদারপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামান খোকন। তিনি দাবি করেন, রাস্তা নির্মাণের কাজ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে মাত্র। কারোর সাথে কোন ধরনের উচ্চবাচ্য কথাবার্তা অথবা শাসানো হয়নি। এমন অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যে।
বরিশাল জেলা বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “ভুক্তোভোগী যদি আমাদের কাছে অভিযোগ করে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব।”
বাবুগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা বলেন, ‘এখানে এসেছি বাবুগঞ্জের মানুষকে সেবা দিতে। সেখানে হেনস্থা হতে হচ্ছে, যা প্রত্যাশা করা যায় না। যদি অভিযোগ পাই অবশ্যই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ভুয়া বিল-ভাউচার দেখিয়ে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের তিন কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এসআই পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে এই জালিয়াতি করা হয়, মেট্রোপলিটন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই অনিয়ম সম্পর্কে নিশ্চিত হন। দুর্নীতির প্রমাণ প্রাপ্তির পরে কনস্টেবল মারুফ হাসান, কনস্টেবল জয়দেব কুমার মজুমদার এবং কনস্টেবল সজীব মিয়াকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের হিসাব শাখায় তিন কনস্টেবল কর্মরত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের এক কর্মকর্তা কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে সর্বমোট মাট ১৮ লাখ ৬০ হাজার ৯৮৪ টাকা আত্মসাৎ করেন তিনজন। সম্প্রতি টাকার হিসাব না মিললে ওই কর্মকর্তার সন্দেহ হয়, এরপর টাকা আত্মসাতের সাথে কারা জড়িত তার অনুসন্ধান চালানো হয়। তখন উল্লেখিত তিনজনের নাম প্রকাশ্যে আসে। বিষয়টি উর্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হয়ে গেল ৭ জুলাই ওই তিনজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (সদর দপ্তর) আব্দুল হান্নান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। তারা এক পুলিশ কর্মকর্তার কম্পিউটার আইডি ব্যবহার করে টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে ওই তদন্তের প্রতিবেদন ও প্রমাণ সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিভাগীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়কের সংস্কারকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় মানুষের হাতের স্পর্শেই সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং বৃষ্টির পর কার্পেটিং করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার মাহিলাড়া-আম্বুলা-ছয়গ্রাম-পয়সারহাট সড়কের বাগধা ইউনিয়নের তালবাড়ি এলাকার ৫৪০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের মাধ্যমে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার মো. আসাদুজ্জামানের মালিকানাধীন মেসার্স সরদার ট্রেডিং কাজটি লাভ করে। পরবর্তীতে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয়ভাবে কাজটি অন্য একজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টরা প্রকৌশলগত নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির পরপরই সড়কে কার্পেটিং করা হয় এবং এ সময় এলাকাবাসী আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই পিচ ও পাথরের আস্তরণ উঠে আসছে। এতে করে সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের আগে রাস্তা যথাযথভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। এমনকি কোথাও কোথাও ময়লা ও ধুলাবালির ওপরই কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন ব্যবহারের কারণেও সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনগণের করের টাকায় উন্নয়নকাজ হলেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে বারবার নিম্নমানের কাজের শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ওই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ভ্যানচালক আহসান ইসলাম বলেন, সরকার উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তার কারণে সেই উন্নয়নের সুফল মানুষ পাচ্ছে না। রাস্তার কাজ যদি সঠিকভাবে হতো, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই এভাবে কার্পেটিং উঠে যেত না।
কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাকির মোল্লা বলেন, বৃষ্টির সময় এক গাড়ি মালামাল আনা হয়েছিল। তখন আমি কাজ না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। তাদের নির্দেশেই কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি কাজ শুরু করিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছি। পরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই। যেখানে কার্পেটিং উঠে গেছে, সেখানে পুনরায় কাজ করে সমস্যার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য বরিশাল এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে আসবেন। এখন পর্যন্ত কাজের কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং ত্রুটি সংশোধন না করা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজ অপসারণ করে নতুন করে মানসম্মত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে বাস্তবায়নাধীন একটি সড়কের সংস্কারকাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন দিনের মাথায় মানুষের হাতের স্পর্শেই সড়কের কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার, প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুসরণ না করা এবং বৃষ্টির পর কার্পেটিং করার কারণে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার মাহিলাড়া-আম্বুলা-ছয়গ্রাম-পয়সারহাট সড়কের বাগধা ইউনিয়নের তালবাড়ি এলাকার ৫৪০ মিটার সড়ক সংস্কারের জন্য ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে ২৪ লাখ ৫৯ হাজার ৮০০ টাকা ব্যয়ে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের মাধ্যমে বাবুগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার মো. আসাদুজ্জামানের মালিকানাধীন মেসার্স সরদার ট্রেডিং কাজটি লাভ করে। পরবর্তীতে একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠানটিকে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে স্থানীয়ভাবে কাজটি অন্য একজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টরা প্রকৌশলগত নিয়মনীতি যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই সড়কের কার্পেটিংয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। স্থানীয়দের দাবি, বৃষ্টির পরপরই সড়কে কার্পেটিং করা হয় এবং এ সময় এলাকাবাসী আপত্তি জানালেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাজ শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং উঠে যেতে শুরু করেছে। কোথাও কোথাও হাত দিয়ে টান দিলেই পিচ ও পাথরের আস্তরণ উঠে আসছে। এতে করে সংস্কারকাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কার্পেটিংয়ের আগে রাস্তা যথাযথভাবে পরিষ্কার করা হয়নি। এমনকি কোথাও কোথাও ময়লা ও ধুলাবালির ওপরই কার্পেটিং করা হয়েছে। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় কম বিটুমিন ব্যবহারের কারণেও সড়কের স্থায়িত্ব নষ্ট হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনগণের করের টাকায় উন্নয়নকাজ হলেও সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতা ও তদারকির অভাবে বারবার নিম্নমানের কাজের শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ওই সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী ভ্যানচালক আহসান ইসলাম বলেন, সরকার উন্নয়নের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে। কিন্তু কিছু অসাধু ব্যক্তি ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তার কারণে সেই উন্নয়নের সুফল মানুষ পাচ্ছে না। রাস্তার কাজ যদি সঠিকভাবে হতো, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই এভাবে কার্পেটিং উঠে যেত না।
কাজ বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা জাকির মোল্লা বলেন, বৃষ্টির সময় এক গাড়ি মালামাল আনা হয়েছিল। তখন আমি কাজ না করার জন্য বলেছিলাম। কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ চালিয়ে যেতে বলেন। তাদের নির্দেশেই কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন সমস্যা দেখা দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি কাজ শুরু করিয়ে সেখান থেকে চলে এসেছি। পরে কী হয়েছে তা আমার জানা নেই। যেখানে কার্পেটিং উঠে গেছে, সেখানে পুনরায় কাজ করে সমস্যার কারণ খতিয়ে দেখা হবে।
উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী রবীন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, কাজে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তের জন্য বরিশাল এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শনে আসবেন। এখন পর্যন্ত কাজের কোনো বিল পরিশোধ করা হয়নি। অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে এবং ত্রুটি সংশোধন না করা হলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে নিম্নমানের কাজ অপসারণ করে নতুন করে মানসম্মত সংস্কারকাজ সম্পন্ন করারও দাবি জানিয়েছেন তারা।