ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো পথ দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেবে না ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ হুঁশিয়ারি
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি তো নয়ই; পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো জায়গা থেকেও এক ফোঁটা তেল রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না’
রেজাই আরও বলেন, ‘ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে কোনো দেশ অংশ নিলে বা সহায়তা করলে, ইরান সেটিকে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে।’
ইরান এর আগেও বারবার বলে আসছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও পরিচালনার দায়িত্ব উপকূলীয় দেশগুলোর হাতেই থাকা উচিত।
তেহরানের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেবে বা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে, তাদেরও এর দায় নিতে হবে।
তথ্যসূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩৫
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন যে ইরান তার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো বিশদ তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি। খবর স্কাই নিউজের।
সম্প্রতি ইসরাইলের টিভি চ্যানেল ‘চ্যানেল ১৪’-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই গুরুতর দাবিটি করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে জানাননি যে কথিত এই ষড়যন্ত্রটি কখন ঘটেছিল, তার দুই ছেলের (ইয়াইর নেতানিয়াহু ও অ্যাভনার নেতানিয়াহু) মধ্যে কাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কিংবা ঘটনাটি কত দূর গড়িয়েছিল।
আগামী দেশব্যাপী নির্বাচনের আগে ইসরাইলের একটি নিরাপত্তা সংস্থা কর্তৃক তার এক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো সংক্রান্ত সংবাদের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নেতানিয়াহু এই মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমার ছেলেদের কথা যদি বলি—এখানে একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে। হ্যাঁ, ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল।’
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অভিযোগ করেছেন যে ইরান তার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো বিশদ তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি। খবর স্কাই নিউজের।
সম্প্রতি ইসরাইলের টিভি চ্যানেল ‘চ্যানেল ১৪’-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই গুরুতর দাবিটি করেন। সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে জানাননি যে কথিত এই ষড়যন্ত্রটি কখন ঘটেছিল, তার দুই ছেলের (ইয়াইর নেতানিয়াহু ও অ্যাভনার নেতানিয়াহু) মধ্যে কাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল কিংবা ঘটনাটি কত দূর গড়িয়েছিল।
আগামী দেশব্যাপী নির্বাচনের আগে ইসরাইলের একটি নিরাপত্তা সংস্থা কর্তৃক তার এক রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিরাপত্তা দিতে অস্বীকৃতি জানানো সংক্রান্ত সংবাদের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে নেতানিয়াহু এই মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমার ছেলেদের কথা যদি বলি—এখানে একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে। হ্যাঁ, ইরান আমার এক ছেলেকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। ইরান আমার এক ছেলেকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিল।’

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৯
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যেই ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র)-এর প্রধান পরাগ জৈন। চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে সরকারি সফরে তিনি ঢাকায় এসেছেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে সফরটি নিয়ে এখনো ভারত বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরাগ জৈন ‘র’-এর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভারতের স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) স্পেশাল সেক্রেটারির দায়িত্বেও রয়েছেন। তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী।
রোববার দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সফরকালে তারা ঢাকার একটি হোটেলে অবস্থান করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে ‘র’-প্রধানের এ সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, আলোচনার বিষয়বস্তু কিংবা বাংলাদেশি কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে তার বৈঠকের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের মধ্যেই ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র)-এর প্রধান পরাগ জৈন। চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে সরকারি সফরে তিনি ঢাকায় এসেছেন বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।
সূত্রের বরাত দিয়ে দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আমন্ত্রণেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে সফরটি নিয়ে এখনো ভারত বা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
পরাগ জৈন ‘র’-এর সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভারতের স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) স্পেশাল সেক্রেটারির দায়িত্বেও রয়েছেন। তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী।
রোববার দুপুরে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে প্রতিনিধি দলটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সফরকালে তারা ঢাকার একটি হোটেলে অবস্থান করবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রচেষ্টার মধ্যে ‘র’-প্রধানের এ সফরকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে সফরের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য, আলোচনার বিষয়বস্তু কিংবা বাংলাদেশি কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে তার বৈঠকের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

২৮ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৩৩
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের সমো এলাকায় একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
জানা যায়, দোকানের ভেতরের আবাসিক কক্ষে ৭ জন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে ৬ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপর একজনকে উদ্ধার করে কুইন্সটাউন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল (২৫), মো. ফাহিম (২৮), শামীম হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ আপন (২৪)-এর পরিচয় জানা গেছে। আরও দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহতদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুরুগেশ্বর এলাকায়।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠন নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
এর আগেও দেশটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একাধিক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরে একটি দোকানে আগুন লেগে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার একই পরিবারের তিনজনসহ চার বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের পিটারম্যারিটজবার্গের একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।'
দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউন (বর্তমান কোমানি) থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের সমো এলাকায় একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের সবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
জানা যায়, দোকানের ভেতরের আবাসিক কক্ষে ৭ জন বাংলাদেশি ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে হঠাৎ আগুন ছড়িয়ে পড়লে ৬ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত অপর একজনকে উদ্ধার করে কুইন্সটাউন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে মো. ফয়সাল (২৫), মো. ফাহিম (২৮), শামীম হাসান (৩০) ও মোহাম্মদ আপন (২৪)-এর পরিচয় জানা গেছে। আরও দুইজনের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহতদের সবার বাড়ি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের কুরুগেশ্বর এলাকায়।
অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠন নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।
এর আগেও দেশটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একাধিক বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের ব্রিটস শহরে একটি দোকানে আগুন লেগে ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার একই পরিবারের তিনজনসহ চার বাংলাদেশি নিহত হন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর কোয়াজুলু-নাটাল প্রদেশের পিটারম্যারিটজবার্গের একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সে অগ্নিকাণ্ডে আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়।'

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৫
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চলতে থাকলে হরমুজ প্রণালি বা পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো পথ দিয়ে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেবে না ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ হুঁশিয়ারি
তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি তো নয়ই; পারস্য উপসাগরের অন্য কোনো জায়গা থেকেও এক ফোঁটা তেল রপ্তানি হতে দেওয়া হবে না’
রেজাই আরও বলেন, ‘ইরানের জনগণের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক যুদ্ধে কোনো দেশ অংশ নিলে বা সহায়তা করলে, ইরান সেটিকে যুদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করবে।’
ইরান এর আগেও বারবার বলে আসছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও পরিচালনার দায়িত্ব উপকূলীয় দেশগুলোর হাতেই থাকা উচিত।
তেহরানের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দেবে বা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে, তাদেরও এর দায় নিতে হবে।
তথ্যসূত্র: মেহের নিউজ এজেন্সি