ছবি: সংগৃহীত
রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ নীতিমালায় রিকশা কোথায় ও কতটুকু চলতে পারবে, যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা এবং চালকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা তৈরি হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, সরকার খুব দ্রুত এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও তুলে ধরেন ডা. জাহেদ উর রহমান। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এদিন সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৩৭
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব ফোর্সেস। ধর্মীয় এ উৎসবকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, নাশকতা ও গুজব মোকাবিলায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্রোলিং। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র্যাব।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র্যাব সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত র্যাব সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় আগাম ‘স্কেলিটন ফোর্স’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পক্ষকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এলাকার মসজিদের ইমাম, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কোনো স্বার্থান্বেষী বা সন্দেহভাজন গোষ্ঠী যাতে হামলা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ওপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে—এমন গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক পোস্ট শনাক্তে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে সারাদেশে নিরাপত্তা জোরদার করেছে র্যাব ফোর্সেস। ধর্মীয় এ উৎসবকে কেন্দ্র করে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি, নাশকতা ও গুজব মোকাবিলায় নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি ও সাইবার পেট্রোলিং। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র্যাব।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) র্যাব সদর দফতর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
র্যাব জানায়, ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ এলাকার সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে পর্যাপ্ত র্যাব সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি ঝুঁকির মাত্রা বিবেচনায় আগাম ‘স্কেলিটন ফোর্স’ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা কার্যক্রমে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পক্ষকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এলাকার মসজিদের ইমাম, সামাজিক ও নাগরিক নিরাপত্তা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কোনো স্বার্থান্বেষী বা সন্দেহভাজন গোষ্ঠী যাতে হামলা বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটাতে না পারে, সে জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিতর্কিত ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের ওপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে।
জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধর্মীয় ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে পারে—এমন গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও উসকানিমূলক পোস্ট শনাক্তে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।
র্যাব ফোর্সেস দেশবাসীকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কর্মকাণ্ড চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৪
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৩৩ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) এ মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা।
এছাড়া নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মূল্যই বহাল রয়েছে।
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৩৩ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে নতুন এ মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আন্তর্জাতিক বাজার ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) এ মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৬ হাজার ১১০ টাকা। অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে দাম বেড়েছে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা।
এছাড়া নতুন দামে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম হয়েছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার দামে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। আগের মূল্যই বহাল রয়েছে।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্র যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। ঠিক তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে—যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে আর পরিবারে ফিরে আসেননি, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন—রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি এভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়ে স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল—মানুষ স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক ভাবমূর্তি পদদলিত করা হয়েছে।
‘তাই আমাদের ওপর একটা দায়িত্ব বর্তায় যে, এই যে বিশাল একটা সংখ্যা জনগোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিলেন, অত্যাচারিত হলেন, গুম হলেন, আর্থিকভাবে তারা নিঃস্ব হয়ে গেলেন, তাদের জন্য আমরা কিছু করতে পারি কি না।’ যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ‘সিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে এ নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার নীতিগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে এই কল্যাণমূলক লক্ষ্য অর্জনে তিনটি প্রধান বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা; গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন ও ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’র ‘স্কেডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য সেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ লক্ষ্যে রোববার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্র যেমন স্বীকৃতি দিয়েছে ও ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। ঠিক তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যাদের অপরিসীম ত্যাগ রয়েছে—যারা গুম হয়েছেন, নির্মমভাবে খুন বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়ে আর পরিবারে ফিরে আসেননি, দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন, পঙ্গুত্ববরণ করেছেন কিংবা শত শত মিথ্যা মামলায় নিঃস্ব হয়ে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন—রাষ্ট্র তাদের এই ত্যাগ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিতে চায়।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি এভাবে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো মা-বাবা, স্বামী-স্ত্রী বা সন্তানকে মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হয়ে স্বজন হারাতে না হয়, সেটির স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও অধিদপ্তর গঠনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল—মানুষ স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক ভাবমূর্তি পদদলিত করা হয়েছে।
‘তাই আমাদের ওপর একটা দায়িত্ব বর্তায় যে, এই যে বিশাল একটা সংখ্যা জনগোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের যে আদর্শ সেটাকে প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে জীবন দিলেন, অত্যাচারিত হলেন, গুম হলেন, আর্থিকভাবে তারা নিঃস্ব হয়ে গেলেন, তাদের জন্য আমরা কিছু করতে পারি কি না।’ যোগ করেন প্রতিমন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ‘সিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে এ নতুন দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার নীতিগত বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে এই কল্যাণমূলক লক্ষ্য অর্জনে তিনটি প্রধান বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়।
এর মধ্যে রয়েছে- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা; গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার ভুক্তভোগী ও পরিবারের পূর্ণ অধিকার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন ও ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’র ‘স্কেডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধন করে মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলিতে এ সংক্রান্ত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা
আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য সেবা, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম ও কর্মসংস্থান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৪
রাজধানী ঢাকার প্রধান সড়ক ও মহাসড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে সরকার। এ নীতিমালায় রিকশা কোথায় ও কতটুকু চলতে পারবে, যানবাহনের মান ও কারিগরি সক্ষমতা এবং চালকদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন বিষয় নির্ধারণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো বড় ও প্রধান সড়কগুলোতে চলাচল শুরু করেছে। এতে মানুষের চলাচলে কিছু সুবিধা তৈরি হলেও নানা ধরনের অসুবিধাও দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং রিকশাচালকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে। পাশাপাশি এসব যানবাহন কারিগরি দিক থেকে যথেষ্ট নিরাপদ ও মানসম্মত কি না, সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
তিনি বলেন, সরকার খুব দ্রুত এ বিষয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। কোন এলাকায় এবং কতটুকু এসব যান চলাচল করতে পারবে, যানবাহনের মান কেমন হবে এসব বিষয় নীতিমালায় নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সরকারের অন্যতম প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ফ্যামিলি কার্ডের দ্বিতীয় পর্যায় শুরুর কথাও তুলে ধরেন ডা. জাহেদ উর রহমান। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নে ৪৫৭ জন উপকারভোগীর হাতে কার্ড তুলে দেয়ার মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এদিন সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৫৯
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৩৭
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:২৪
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৩