প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আগামী ১৩ জুলাই বরিশালে আসছেন তারেক রহমান। একদিনের সফরে এসে তিনি বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক সভাও করবেন। কীর্তনখোলা তীরে জনপদে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। একই সাথে নেতাকর্মীরাও দলের শীর্ষনেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি সভা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মো. মো. মামুন খন্দকার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর বরিশালের এই সফর নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করতে সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে সম্মতি দিয়ে কাজ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিতদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। পথিমধ্যে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এবং শহরের ত্রিশ গোডাউনেও গাছ লাগানোর সিডিউল রয়েছে। দুপুরে সার্কিট হাউজে বিরতির পর বিকেল তিনটায় তিনি বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বরিশালের আসাকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের মধ্যেকার এক ধরনের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বরিশালবাসীর মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায় এবং নাগরিক সমাজে প্রত্যাশার কথাও শোনা গেছে। বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে রূপান্তর, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) বাস্তবায়ন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের দাবিগুলো সামনে এসেছে।
নাগরিক সমাজের এই দাবিকে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উভয় নেতা বলছেন, নেতাকে স্বাগত জানাতে তাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফরে এসে হয়তো গোটা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপরেখাও দিয়ে যেতে পারেন মন্তব্য পাওয়া যায়।
বরিশাল সিটি প্রশাসক ও বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বরিশালবাসীর জন্য আর্শিবাদ হবে, মন্তব্য করেন সিটি প্রশাসক।’

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৩
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’
বরিশালের জেলা ডিবি (গোয়েন্দা পুলিশ) ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আগৈলঝাড়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি, অর্থ আদায় ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২২ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তোলেন আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: জাফর হাওলাদার ও একই এলাকার বাসিন্দা বাদশা হাওলাদার। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সম্প্রতি ডিবি পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাটকীয় মামলার সাক্ষী স্থানীয় লালমিয়া হাওলাদার।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জাফর হাওলাদার অভিযোগ করেন, জেলা ডিবি পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু কর্মকর্তা মোল্লাপাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নয়ন ঢালী এবং পাশ্ববর্তী গৈলা ইউপির ভদ্রপাড়ার সাহিন সরদারকে সোর্স হিসেবে ব্যবহার করে মানুষকে হয়রানি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। তারা প্রায় প্রতিদিনই সাদা পোশাকে উপজেলার মোল্লাপাড়া, সাহেবেরহাটসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এসে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের নামে ওই দুই সোর্সের মাধ্যমে গ্রামের স্বচ্ছল পরিবারের উঠতি বয়সী কিশোর-তরুনদের প্রথমে আটক করে। পরে তাদেরকে মাদক দিয়ে মামলায় ফাসানোর ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। যেসব পরিবার দাবি করা টাকা না দিতে পারে বা প্রতিবাদ করে তাদের সাজানো মামলায় চালান দেওয়া হয়।
তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, গত ১১ আগস্ট রাত সাড়ে ৯ টার দিকে তার ছেলে নাদিম হোসেন (২৫), প্রতিবেশি বাদশা হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বির ও শহিদুল হাওলাদারের ছেলে কলেজ শিক্ষার্থী সোহাগ বাড়ির সামনে দাড়িয়ে মোবাইল ফোন দেখছিলো। হঠাৎ সেখানে এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা নয়ন ঢালী ও ভদ্রপাড়া এলাকার সাহিনকে নিয়ে সাদা পোশাকে উপস্থিত হয় জেলা ডিবির এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল, এসআই আবজাল হোসাইনসহ ৫/৭ জন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় তার ছেলে নাদিমসহ সাব্বির ও সোহাগকে আটক করে। এরমধ্যে প্রতিবেশিরা খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই দেখেন এএসআই রাজিব পালসহ অন্যরা নাদিম, সাব্বির ও সোহাগকে নিয়ে যাচ্ছে। পরে আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানতে পারেন তার ছেলে নাদিম ও সাথে থাকা সাব্বির এবং সোহাগ কারো সাথেই কোনো মাদকদ্রব্য পায়নি। এ ঘটনার পরে গভীর রাতে প্রতিবেশী সাব্বির ও সোহাগের পরিবারের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে পূর্বে ডিবির হয়রানির প্রতিবাদ করায় ক্ষোভ থেকে তার ছেলে নাদিমকে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে গৌরনদী থানার একটি মামলায় ১০১ পিস ইয়াবাসহ তাকে আটকের ভুয়া এজাহার তৈরি করা হয়, যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।
বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, মামলার এজাহারে ডিবি পুলিশের এসআই আবজাল হোসাইন উল্লেখ করেছেন তার ছেলে নাদিমের কাছ থেকে ১০১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজার সংলগ্ন ছয়গ্রামগামী রাস্তার মুখ। যা সম্পূর্ন মিথ্যা এবং বানোয়াট। এজাহারে যাদের সাক্ষী করা হয়েছে তারা এই ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানেন না। এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ডিবি পুলিশের করা ভূয়া মামলার ১ নম্বর সাক্ষী লালমিয়া হাওলাদার বলেন ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। অথচ কিভাবে তাকে সাক্ষী দেওয়া হয়েছে সেটিও অজানা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী জাফর হাওলাদার জেলা ডিবি পুলিশের অপকর্মের ফিরিস্তি তুলে বলেন, কিছুদিন আগে রত্নপুর ইউনিয়নের বরিয়াল বারহাজার গ্রামের কাওসার নামের একজন মাছ চাষী ও খামার ব্যবসায়ীর মুরগির খামারে অভিযান চালায় একদল সাদা পোশাকধারী সদস্যরা। পরে জানা যায় তারা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্য। তারা কাওসারের মুরগীর খামারে কোনো মাদকদ্রব্য না পেলেও মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। কযেকদিন পরে আবারও সেই মুরগির খামারে অভিযানে যায় জেলা ডিবি পুলিশের সদস্যরা এবং তারাও একইভাবে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। এমনকি সেখান থেকে একটি মোবাইল ফোনও লুটে নেয়। কিন্তু ভুক্তভোগী কাওসার তাদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না৷
বিএনপি নেতা জাফর হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ইতিপূর্বে তাদের এলাকায় জেলা ডিবি পুলিশের এএসআই রাজিব চন্দ্র পাল ও মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা একাধিক ধরপাকড় বাণিজ্যের ঘটনা ঘটায়। যা নিয়ে প্রতিবাদ করায় পুলিশের ওই কর্মকর্তারা আগে থেকেই তাকে হুমকির মুখে রেখেছিলেন। ভুক্তভোগী হিসেবে তিনি এ বিষয়ে উর্ধ্বতন পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সাথে নাটকীয় ও মিথ্যা মামলা থেকে তার ছেলে নাদিমের নাম প্রত্যাহার এবং এলাকার নিরীহ মানুষকে জিম্মি করে বাণিজ্য চালানো অসাধু কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনের শেষের দিকে উপস্থিত হয়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই রাজিবের সোর্স মাদক বিক্রতা নয়ন ঢালী বলেন, গত ১১ আগস্ট রাতের ঘটনায় তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার সামনেই পুরো ঘটনা ঘটেছে। ওই রাতে আটককৃত নাদিম, সাব্বির ও সোহাগের কাছে কোনো মাদক পায় নাই। নাদিমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।
ভুক্তভোগী কলেজ শিক্ষার্থী সাব্বিবের বাবা বাদশা হাওলাদার বলেন, তার ছেলে ও প্রতিবেশী সোহাগকে আটক করার পরে ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনা হয়। তিনি এসব অসাধু কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।’

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো আগামী ১৩ জুলাই বরিশালে আসছেন তারেক রহমান। একদিনের সফরে এসে তিনি বিভিন্ন সরকারি আয়োজনে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি সাংগঠনিক সভাও করবেন। কীর্তনখোলা তীরে জনপদে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে প্রশাসন। একই সাথে নেতাকর্মীরাও দলের শীর্ষনেতা তারেক রহমানকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে আছেন। এ লক্ষে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জরুরি প্রস্তুতি সভা হয়।
বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, জেলা প্রশাসক মো. মো. মামুন খন্দকার এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমানসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর বরিশালের এই সফর নিরাপদ এবং নির্বিঘ্ন করতে সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এবং প্রশাসনের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে সম্মতি দিয়ে কাজ করতে মাঠপর্যায়ে নিয়োজিতদের নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
আগামী সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৬টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবেন। পথিমধ্যে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এবং শহরের ত্রিশ গোডাউনেও গাছ লাগানোর সিডিউল রয়েছে। দুপুরে সার্কিট হাউজে বিরতির পর বিকেল তিনটায় তিনি বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন। পরে সন্ধ্যার দিকে ফের ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে যাবেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের বরিশালের আসাকে কেন্দ্র নেতাকর্মীদের মধ্যেকার এক ধরনের উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পাশাপাশি বরিশালবাসীর মধ্যেও আগ্রহ দেখা যায় এবং নাগরিক সমাজে প্রত্যাশার কথাও শোনা গেছে। বিশেষ করে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক ৬ লেনে রূপান্তর, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) বাস্তবায়ন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ এবং পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহের দাবিগুলো সামনে এসেছে।
নাগরিক সমাজের এই দাবিকে বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। উভয় নেতা বলছেন, নেতাকে স্বাগত জানাতে তাদের সাংগঠনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই সফরে এসে হয়তো গোটা দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়নের রূপরেখাও দিয়ে যেতে পারেন মন্তব্য পাওয়া যায়।
বরিশাল সিটি প্রশাসক ও বিএনপি নেত্রী বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। আশা করা যায়, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর বরিশালবাসীর জন্য আর্শিবাদ হবে, মন্তব্য করেন সিটি প্রশাসক।’
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২০
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:০৫
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯