
১০ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৬
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সরকারকে এ পরামর্শ দেন তিনি।
ফয়জুল করিম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো বিদেশি আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মেনে নেবে না। অতীতে জনগণ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা করেছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, ভারতের কিছু রাজনৈতিক ও মতাদর্শিক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশকে নিয়ে ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণা প্রচার করে থাকে। তার দাবি, এ ধরনের চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে চায় এবং কোনো বিদেশি শক্তির কর্তৃত্ব বা প্রভাব মেনে নেবে না। দেশের জনগণ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবসময় সচেতন থাকবে এবং প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে তা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করা। কিন্তু কিছু মহল ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে দেশে বিভাজন সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, অপমান বা বৈষম্য সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শায়েখে চরমোনাই অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও আন্দোলনের চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম বলেছেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
শুক্রবার (১০ জুলাই) জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত সমাবেশে সরকারকে এ পরামর্শ দেন তিনি।
ফয়জুল করিম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো বিদেশি আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্র দেশের জনগণ মেনে নেবে না। অতীতে জনগণ রক্ত দিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষা করেছে, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াবে।
তিনি বলেন, ভারতের কিছু রাজনৈতিক ও মতাদর্শিক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশকে নিয়ে ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণা প্রচার করে থাকে। তার দাবি, এ ধরনের চিন্তাভাবনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির বলেন, বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন দেশে স্বাধীনভাবে বসবাস করতে চায় এবং কোনো বিদেশি শক্তির কর্তৃত্ব বা প্রভাব মেনে নেবে না। দেশের জনগণ জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীনতা রক্ষায় সবসময় সচেতন থাকবে এবং প্রয়োজনে ঐক্যবদ্ধভাবে তা রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিরুদ্ধে চলমান বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করা। কিন্তু কিছু মহল ধর্মীয় ইস্যুকে সামনে এনে দেশে বিভাজন সৃষ্টি ও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করছে।
বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মাবলম্বীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ, অপমান বা বৈষম্য সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শায়েখে চরমোনাই অভিযোগ করে বলেন, কয়েকদিন আগে আবার জঙ্গি নাটক শুরু হয়েছে। এ ধরনের নাটকের মাধ্যমে দেশের আলেম-ওলামা, মাদ্রাসা ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র থাকতে পারে এবং সরকারকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান রইলো।
তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা ও আন্দোলনের চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশ পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আরও সতর্ক থাকতে হবে।’

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৪
রাজনীতি কেবল ক্ষমতা উপভোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দেশের রাজনৈতিক সংকটকালেও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং কো-চেয়ারম্যান ডা. জোবাইদা রহমান জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রচলিত ধারার রাজনীতির বাইরে উৎপাদনমুখী ও জনকল্যাণভিত্তিক রাজনীতির ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খাল খনন, সবুজায়ন এবং মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনকে রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত করেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও সামাজিক কর্মসূচি, রাজপথের আন্দোলন এবং বুদ্ধিজীবীদের সম্পৃক্ত করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ছাত্রদল নেতারা। পরে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন তিনি।
৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন আর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর গুজবের জেরে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান।
তিনি জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল।
রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

০৯ জুলাই, ২০২৬ ২০:০১
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে থানার হাজতে রাখা হলে তিনি নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিকেলে শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় গিয়ে হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম এবং বাবা সিদ্দিক ফকির অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রিয়াজ শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে তারা জানান।
তবে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান সাংবাদিকদের বলেন, চুরির মামলায় রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাজতে থাকাকালে সে নিজেই মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে শতাধিক ব্যক্তি থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের আহত করেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর থানা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’
রাজনীতি কেবল ক্ষমতা উপভোগের মাধ্যম নয়, বরং এটি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক লক্ষ্য অর্জনে সরকারের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোর ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুক্রবার সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন দেশের রাজনৈতিক সংকটকালেও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং কো-চেয়ারম্যান ডা. জোবাইদা রহমান জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত রেখেছেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রচলিত ধারার রাজনীতির বাইরে উৎপাদনমুখী ও জনকল্যাণভিত্তিক রাজনীতির ধারণা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। খাল খনন, সবুজায়ন এবং মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজনকে রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদানে পরিণত করেছিলেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও সামাজিক কর্মসূচি, রাজপথের আন্দোলন এবং বুদ্ধিজীবীদের সম্পৃক্ত করে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।
এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পৌঁছালে প্রশাসনিক ভবনের সামনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ছাত্রদল নেতারা। পরে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন তিনি।
৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমানের সঞ্চালনায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন আর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর গুজবের জেরে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান।
তিনি জানান, হামলার ঘটনার পর থেকেই থানায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে হামলায় জড়িত ১৮ জনকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে আরও কয়েকজনকে আটকের চেষ্টা চলছে। হামলায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, থানার হাজতে থাকা অবস্থায় রিয়াজ নিজেই নিজের মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিকেলে কয়েক শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ ঘটনায় পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হন। গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ছয়জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছিল।
রিয়াজ ফকিরের বাবা সিদ্দিক ফকির ও মা নাছরিন বেগম অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। তবে পুলিশ এ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, রিয়াজ নিজেই থানার হাজতে নিজের মাথায় আঘাত করে আহত হন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় চুরি ও মাদক মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার ও মৃত্যুর গুজবকে কেন্দ্র করে থানায় হামলা, ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশের ৬ সদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় একাধিক মামলার আসামি রিয়াজ ফকিরকে একটি চুরির মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাকে থানার হাজতে রাখা হলে তিনি নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে পুলিশের দাবি। পরে রাত ১১টার দিকে তাকে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে গভীর রাতে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজব এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে তার স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিকেলে শতাধিক মানুষ মিছিল নিয়ে আগৈলঝাড়া থানায় গিয়ে হামলা চালায়। এ সময় ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে লাঠিচার্জ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত ডিউটি অফিসার এএসআই আব্দুল হালিমকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া কনস্টেবল লিমন মিয়া, ফরহাদ হোসেন, মনির হোসেন, আল আমিন হোসেন ও মেহেদী হাসান আহত হন।
অন্যদিকে সংঘর্ষে রিয়াজের মা নাছরিন বেগম (৫০), বোন শারমিন আক্তার (২৮), মমতাজ বেগম (৪৭)সহ অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন এবং অন্যরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
রিয়াজ ফকিরের মা নাছরিন বেগম এবং বাবা সিদ্দিক ফকির অভিযোগ করেন, তাদের ছেলেকে বিনা অপরাধে আটক করে পুলিশ মারধর করেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত রিয়াজ শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন বলে তারা জানান।
তবে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান সাংবাদিকদের বলেন, চুরির মামলায় রিয়াজ ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। হাজতে থাকাকালে সে নিজেই মাথায় আঘাত করে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে শতাধিক ব্যক্তি থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের আহত করেছে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনার পর থানা এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’