বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:২৯
বরিশাল শহরের সাপানিয়া এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম শনিবার সন্ধ্যা রাতে শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের সাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমান সৈকতের (৩২) মালিকানাধীন ঘেরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করাসহ মো. মেহেদী হাসান (২৫) এবং মো. আব্দুর রহমানকে (২৫) আটকে সফলতা পায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত অপরাধী সৈকতের ঘেরে হানা দেওয়া হয়। এসময় সৈকত পালিয়ে গেলেও তার দুই সহযোগী মেহেদী হাসান এবং আব্দুর রহমানকে আটকে সফলতা মেলে। এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টিনের বসতঘরের অভ্যন্তরে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আটক মেহেদী হাসান কাউনিয়া থানার নগরের পোল এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জসীম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে এবং আব্দুর রহমান ভাটিখানা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খলিল মৃধার পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সাপানিয়ার বাসিন্দা সৈকত তার মালিকানাধীন ঘেরটিকে একটি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। সন্ধ্যা হলে সেখানে মাদকের আসর বসত এবং মাঝেমধ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সি সন্ত্রাসীদের দেখা যেত। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কানাঘুষা চললেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। আবার কেউ কেউ সৈকতের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেইজ্জতিও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী সৈকতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৪টি মামলা চলমান আছে, যা আদালতে বিচারাধীন। এই সন্ত্রাসী সেসব মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন এবং তার অপরাধকর্ম চলমান ছিল।
সন্ধ্যা রাতে ঘেরে আসর বসানোর বিষয়টি খুঁজতে গিয়ে কাউনিয়া পুলিশ যুবকের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান লাভ করে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসময় সহযোগী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও পালিয়ে যান মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে, জানান ওসি।’
বরিশাল শহরের সাপানিয়া এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক দেশীয় অস্ত্রসহ দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি টিম শনিবার সন্ধ্যা রাতে শহরের ৪ নং ওয়ার্ডের সাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা মজিবুর রহমান সৈকতের (৩২) মালিকানাধীন ঘেরে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রগুলো উদ্ধার করাসহ মো. মেহেদী হাসান (২৫) এবং মো. আব্দুর রহমানকে (২৫) আটকে সফলতা পায়। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছানোর আগেই মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত পালিয়ে গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্র মজুতের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চিহ্নিত অপরাধী সৈকতের ঘেরে হানা দেওয়া হয়। এসময় সৈকত পালিয়ে গেলেও তার দুই সহযোগী মেহেদী হাসান এবং আব্দুর রহমানকে আটকে সফলতা মেলে। এবং তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী টিনের বসতঘরের অভ্যন্তরে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে দুটি ধারালো ছোড়া, একটি হাসুয়া, দুটি ডেগার, পাঁচটি রামদা ও দুটি চাইনিজ কুড়ালসহ মোট ১৪টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আটক মেহেদী হাসান কাউনিয়া থানার নগরের পোল এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত জসীম উদ্দিন ভূঁইয়ার ছেলে এবং আব্দুর রহমান ভাটিখানা এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের খলিল মৃধার পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, সাপানিয়ার বাসিন্দা সৈকত তার মালিকানাধীন ঘেরটিকে একটি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত করেছিলেন। সন্ধ্যা হলে সেখানে মাদকের আসর বসত এবং মাঝেমধ্যে শহরের বিভিন্ন এলাকার উঠতি বয়সি সন্ত্রাসীদের দেখা যেত। এনিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে কানাঘুষা চললেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতেন না। আবার কেউ কেউ সৈকতের এসব অপকর্মের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বেইজ্জতিও হয়েছেন বলে জানা গেছে।
পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী সৈকতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৪টি মামলা চলমান আছে, যা আদালতে বিচারাধীন। এই সন্ত্রাসী সেসব মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন এবং তার অপরাধকর্ম চলমান ছিল।
সন্ধ্যা রাতে ঘেরে আসর বসানোর বিষয়টি খুঁজতে গিয়ে কাউনিয়া পুলিশ যুবকের অস্ত্র ভান্ডারের সন্ধান লাভ করে। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কাউনিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজিৎ নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। এসময় সহযোগী দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হলেও পালিয়ে যান মূলহোতা ঘের মালিক সৈকত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে, জানান ওসি।’

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:২৩
বরিশাল নগরীতে যে মাদকের বিস্তার ঘটেছে তা খোদ নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ নিজেও অনুমান করতে পেরেছেন। এবং এই মাদকের ভয়াবহতা রুখে দিতে তিনি এক ধরনের জিহাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মস্থলে যোগদান পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় বরিশাল শহরের মাদক ইস্যুটি নিয়ে এই শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খোলামেলা আলোচনা করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মীরা অংশ নেন।
নয়া পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ কমিশনার বলেন, আমি আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা চাই। আজ আপনারা যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এই সহযোগিতা যেন ভবিষ্যতে আরও বাড়ে, কমে না সেটাই প্রত্যাশা করি।
পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে পুলিশি কার্যক্রম আরও সহজ হবে। এবং জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদা পূরণ করা সহজতর হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরফুদ্দিন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।’
বরিশাল নগরীতে যে মাদকের বিস্তার ঘটেছে তা খোদ নতুন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ নিজেও অনুমান করতে পেরেছেন। এবং এই মাদকের ভয়াবহতা রুখে দিতে তিনি এক ধরনের জিহাদের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। কর্মস্থলে যোগদান পরবর্তী সাংবাদিকদের সাথে আলোচনায় বরিশাল শহরের মাদক ইস্যুটি নিয়ে এই শীর্ষস্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা খোলামেলা আলোচনা করেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ে আয়োজিত ‘মিট দ্যা প্রেস’ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কর্মীরা অংশ নেন।
নয়া পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেছেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে পুলিশ কমিশনার বলেন, আমি আপনাদের ভালোবাসা ও সহযোগিতা চাই। আজ আপনারা যেভাবে আন্তরিকতা নিয়ে আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন, এই সহযোগিতা যেন ভবিষ্যতে আরও বাড়ে, কমে না সেটাই প্রত্যাশা করি।
পুলিশ ও সাংবাদিকদের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, তারা একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করলে পুলিশি কার্যক্রম আরও সহজ হবে। এবং জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদা পূরণ করা সহজতর হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) আব্দুল হান্নান, উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. সরফুদ্দিন এবং উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) পলাশ কান্তি নাথ প্রমুখ।’

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ০১:১২
বরিশালে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করতে গিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়ানোসহ হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা। উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান শুক্রবার সকালে লাল ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সাঁকোটি উদ্বোধন করেন, তার এই মহৎ কর্মের খবর সমাজপাতায় ছড়িয়ে পড়লে দিনভর চলে আলোচনা-সমালোচনা এবং হাস্যরস-উপহাস। বিশেষ করে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের কয়েকটিতে এই খবর ফলাও করে প্রকাশ হওয়ায় ফেসবুকে নেটিজেনদেরও সরব হতে দেখা গেছে, বিভিন্ন নেতিবাচক কমেন্টে পোস্টের নিচে প্রকারান্তে সাইবারযুক্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, উজিরপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয়দের অর্থায়নে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। আনুমানিক ২০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সাঁকোটি উদ্বোধনে শুক্রবার সকালে ওয়ার্ডটিতে যান পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান। একপর্যায়ে তিনি বেশকিছু নারী-পুরুষকে সাথে নিয়ে লাল ফিতা কেটে সাঁকোটি উদ্বোধন করেন।
শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতার এই বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন আয়োজনের বেশকিছু ভিডিওচিত্র এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। পাশাপাশি নেটিজেনদের বিষয়টি নিয়ে বা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতেও দেখা গেছে। অনলাইন মিডিয়ায় প্রকাশিত এই খবর ফলাও করে প্রকাশ হলে সোশ্যালমাধ্যম ফেসবুক আরও সগরম হয়ে ওঠে। একাধিক পত্রিকার ফেসবুক পেইজ প্রকাশিত সংবাটির কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসলে বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্যও পাওয়া যায়। অবশ্য কেউ কেউ আবার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেও দেখছেন, তবে এই সংখ্যা অনেকাংশে কম।
তবে এই গোটা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অনেকে। তাদের দাবি, এলাকার খালটির ওপর সেতু না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষের চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষা মৌসুমে এই যাত্রা আরও ভয়ানক হয়ে ওঠে। এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। পরিশেষে বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা ফান্ডসংগ্রহ করে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণে উদ্যোগ নেয়, যা শুক্রবার উদ্বোধন করেছেন উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান। এই বিষয়টিকে নিয়ে ফেসবুকে নোংরামী চলছে। এতে নিজ দলীয় কতিপয় কর্মীরও আস্কারা আছে, অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা।
তবে এই ধরনের সমালোচনা ও অপপ্রচারে তিনি মোটেও বিচলিত নন এবং আগামীতে জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে আরও বিস্তৃত করতে চাইছেন।
আত্মপক্ষ সমর্থনে বিএনপি নেতার সরল স্বীকারোক্তি পাওয়া গেলেও ফেসবুকে বিতর্ক কমছে না, বরং ক্ষণেক্ষণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ হাস্যরসের ছলে সাঁকো উদ্বোধনকে বৃহৎ এবং মহৎ কর্ম উল্লেখ করে নেতিবাচক কমেন্ট করেন। পাশাপাশি আরও বিস্তর কমেন্ট দেখা যায়, যা অশ্লীয় ভাষার সংমিশ্রণ এবং বরিশালটাইমসের সম্পাদকীয় নীতিপরিপন্থী হওয়ায় প্রকাশযোগ্য নয়।’
বরিশালে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করতে গিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়ানোসহ হাস্যরসের জন্ম দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা। উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান শুক্রবার সকালে লাল ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে সাঁকোটি উদ্বোধন করেন, তার এই মহৎ কর্মের খবর সমাজপাতায় ছড়িয়ে পড়লে দিনভর চলে আলোচনা-সমালোচনা এবং হাস্যরস-উপহাস। বিশেষ করে অনলাইন সংবাদমাধ্যমের কয়েকটিতে এই খবর ফলাও করে প্রকাশ হওয়ায় ফেসবুকে নেটিজেনদেরও সরব হতে দেখা গেছে, বিভিন্ন নেতিবাচক কমেন্টে পোস্টের নিচে প্রকারান্তে সাইবারযুক্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, উজিরপুর পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয়দের অর্থায়নে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। আনুমানিক ২০০ ফুট দৈর্ঘ্যের সাঁকোটি উদ্বোধনে শুক্রবার সকালে ওয়ার্ডটিতে যান পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান। একপর্যায়ে তিনি বেশকিছু নারী-পুরুষকে সাথে নিয়ে লাল ফিতা কেটে সাঁকোটি উদ্বোধন করেন।
শীর্ষস্থানীয় বিএনপি নেতার এই বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন আয়োজনের বেশকিছু ভিডিওচিত্র এবং ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। পাশাপাশি নেটিজেনদের বিষয়টি নিয়ে বা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করতেও দেখা গেছে। অনলাইন মিডিয়ায় প্রকাশিত এই খবর ফলাও করে প্রকাশ হলে সোশ্যালমাধ্যম ফেসবুক আরও সগরম হয়ে ওঠে। একাধিক পত্রিকার ফেসবুক পেইজ প্রকাশিত সংবাটির কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসলে বিভিন্ন নেতিবাচক মন্তব্যও পাওয়া যায়। অবশ্য কেউ কেউ আবার বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবেও দেখছেন, তবে এই সংখ্যা অনেকাংশে কম।
তবে এই গোটা বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয় অনেকে। তাদের দাবি, এলাকার খালটির ওপর সেতু না থাকায় প্রতিদিন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী, বৃদ্ধ ও কর্মজীবী মানুষের চলাচল ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। বর্ষা মৌসুমে এই যাত্রা আরও ভয়ানক হয়ে ওঠে। এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। পরিশেষে বাধ্য হয়ে স্থানীয়রা ফান্ডসংগ্রহ করে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণে উদ্যোগ নেয়, যা শুক্রবার উদ্বোধন করেছেন উজিরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম খান। এই বিষয়টিকে নিয়ে ফেসবুকে নোংরামী চলছে। এতে নিজ দলীয় কতিপয় কর্মীরও আস্কারা আছে, অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা।
তবে এই ধরনের সমালোচনা ও অপপ্রচারে তিনি মোটেও বিচলিত নন এবং আগামীতে জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে আরও বিস্তৃত করতে চাইছেন।
আত্মপক্ষ সমর্থনে বিএনপি নেতার সরল স্বীকারোক্তি পাওয়া গেলেও ফেসবুকে বিতর্ক কমছে না, বরং ক্ষণেক্ষণে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নেটিজেনদের বড় একটি অংশ হাস্যরসের ছলে সাঁকো উদ্বোধনকে বৃহৎ এবং মহৎ কর্ম উল্লেখ করে নেতিবাচক কমেন্ট করেন। পাশাপাশি আরও বিস্তর কমেন্ট দেখা যায়, যা অশ্লীয় ভাষার সংমিশ্রণ এবং বরিশালটাইমসের সম্পাদকীয় নীতিপরিপন্থী হওয়ায় প্রকাশযোগ্য নয়।’

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮