বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬
বরিশাল নগরীর বক্ষব্যাধি (টিবি) হাসপাতালের পেছনে প্রায় ৭০ শতাংশ সরকারি খাসজমির জলাশয় ভরাট করে দখলের অভিযোগে অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে দখলের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাস্থলে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। একই সঙ্গে জমিটি উদ্ধারে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছে সদর উপজেলা ভূমি অফিস।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সংশ্লিষ্টতায় একটি চক্র সরকারি এই জলাশয় ভরাট করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয় পর্যায়ে জমিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা বলে দাবি করা হচ্ছে।
বরিশাল নগরীর বক্ষব্যাধি (টিবি) হাসপাতালের পেছনে প্রায় ৭০ শতাংশ সরকারি খাসজমির জলাশয় ভরাট করে দখলের অভিযোগে অবশেষে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। দীর্ঘদিন ধরে দখলের অভিযোগ ওঠার পর ঘটনাস্থলে সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন। একই সঙ্গে জমিটি উদ্ধারে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছে সদর উপজেলা ভূমি অফিস।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীর সংশ্লিষ্টতায় একটি চক্র সরকারি এই জলাশয় ভরাট করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয় পর্যায়ে জমিটির সম্ভাব্য মূল্য প্রায় সাড়ে ১০ কোটি টাকা বলে দাবি করা হচ্ছে।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩২
সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহতের প্রতিবাদে এবং তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ককে অবরোধ ছিল।
এর আগে দুপুরে ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুর্ঘটনার পর সঠিক সময়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নিহত ইয়াসিনের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলেন তারা।
বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই ক্ষতিপূরণ প্রত্যাখ্যান করে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, আমরা দুপুরে আলোচনা করে ভেবেছিলাম, প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আবার নামে মাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন আর রশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা। তারপরও আমি ১০ লাখ টাকার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া বিআরটিসি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ মিলে আরও সাত লাখ টাকা দিতে চেয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের কারণে সড়কের উভয় পাশে বিপুলসংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।
সড়ক দুর্ঘটনায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত নিহতের প্রতিবাদে এবং তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা থেকে শিক্ষার্থীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সড়ককে অবরোধ ছিল।
এর আগে দুপুরে ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় দুর্ঘটনার পর সঠিক সময়ে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় তাদের শাস্তির দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি নিহত ইয়াসিনের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিও তোলেন তারা।
বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরের সামনে ইয়াসিন আরাফাতের গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগ ও বিআরটিসির পক্ষ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এই ক্ষতিপূরণ প্রত্যাখ্যান করে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ইয়াসিন আরাফাতের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে দুর্ঘটনার পর প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বশীলদের ভূমিকা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী মো. রাজিব বলেন, আমরা দুপুরে আলোচনা করে ভেবেছিলাম, প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো মেনে নেবে। প্রক্টরিয়াল বডির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয়, দুপুর গড়িয়ে রাত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হয়নি। আবার নামে মাত্র ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মামুন আর রশিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার কথা। তারপরও আমি ১০ লাখ টাকার ব্যবস্থা করেছি। এছাড়া বিআরটিসি ও সড়ক ও জনপথ বিভাগ মিলে আরও সাত লাখ টাকা দিতে চেয়েছে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধের কারণে সড়কের উভয় পাশে বিপুলসংখ্যক যানবাহন আটকা পড়ে। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

১০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৩
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের দপদপিয়া সেতুর ঢালে বাস ও থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থী ইয়াসিন আরাফাত (২১) নিহত হয়েছেন। রোববার (৯ আগস্ট) রাত সোয়া ১০টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
তবে ইয়াসিনের মৃত্যুর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করে সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে হট্টগোল করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ইয়াসিনকে ঢাকায় নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সময়মতো এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা না করার অভিযোগ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনার পর আহত ইয়াসিনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। এরপর শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করে দ্রুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করার দাবি জানান। কিন্তু দুর্ঘটনার প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা হাসপাতালে পৌঁছান। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের পরিবর্তে একটি সাধারণ অ্যাম্বুলেন্সে ইয়াসিনকে ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। পথে তার মৃত্যু হয় বলে জানান সহপাঠীরা।
ইয়াসিনের সিনিয়র বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব অভিযোগ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যাওয়ার পর একাধিকবার প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার স্যারকে ফোন করেছি। রেজিস্ট্রার স্যার আমাকে বলেছেন, অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন করছে। কিন্তু এরপর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর প্রশাসন হাসপাতালে যায়। আমার ভাইয়ের জন্য বারবার এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের কথা বলার পরও তারা সেটির ব্যবস্থা করতে পারেনি। আমার ভাইয়ের মৃত্যুর দায় এই প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’
আবু বক্কর নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমি নিজে উপাচার্যকে ফোন করে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্য বলেছি। কিন্তু আমাদের দুঃখ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পারলেও আমাদের প্রশাসন সেটা করতে পারেনি।’
এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল আলিম বছির প্রশাসনের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘যে ক্ষতি হয়ে গেছে, সেটার ক্ষতিপূরণ করা সম্ভব নয়। এটার ব্যর্থতা, দায়—যাই বলেন, সবই আমাদের।’
প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা কেন সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেননি—এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর আশিকুর রহমান বলেন, ‘গত এক মাস ধরে আমাদের প্রক্টরিয়াল বডির মধ্যে কোনো সমন্বয় নেই। আমি আমার জায়গা থেকে সময়মতো গিয়েছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আর রশিদ বলেন, ‘রাস্তার জ্যাম থাকার কারণে আমরা সঠিক সময়ে পৌঁছাতে পারিনি। আর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের যে বিষয়, সেটা তখন আমার মাথায় ছিল না।’
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তারা ইয়াসিনের মৃত্যুর ঘটনায় দায় নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮