‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৮
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:৩২
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।

১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:২৫
‘আইন অমান্য করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব, নিধনবিরোধী অভিযান দেখলেই জেলেরা হামলে পড়ছে অস্ত্রসমেত।
বরিশালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইলিশ শিকারে মহোৎসব চলছে। প্রশাসন ৪ অক্টোবর থেকে এই জাতীয় সম্পদ রক্ষায় ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে নদীতে পাহারা বসালেও ইলিশ নিধন রোধ করতে পারছে না। বরং প্রতিনিয়ত জেলেদের ছোট-বড় হামলার শিকার হতে হচ্ছে, এতে প্রশাসনের শীর্ষসারির কর্মকর্তারা গুরুতর আহত হওয়ার খবরও রয়েছে। ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে বারংবার অস্ত্রধারী জেলেদের হামলা প্রশাসনের এক ধরনের অসহায়ত্বের কথা জানান দিচ্ছে, যা নিয়ে স্থানীয় মৎস্য প্রশাসন নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ অক্টোবর থেকে চলমান ইলিশ নিধনবিরোধী প্রশাসনের অভিযানিক টিমের ওপর বিভিন্ন স্থানে অর্ধশত হামলা হয়েছে। ট্রলার, স্পিডবোর্ট নিয়ে অভিযানে অংশ নিতে গেলে সংঙ্ঘবদ্ধ জেলেরা দূর থেকে ইট-পাথর ছুড়ে মারাসহ ধারালো অস্ত্রসমেত তেড়ে আসনে। সপ্তাহখানেকের ব্যবধানে হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সূত্র জানায়, সর্বশেষ শনিবার সন্ধ্যার দিকে ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিত বরিশাল জেলার হিজলা এবং মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলাসংলগ্ন মেঘনা নদীতে অভিযানিক টিমের ওপর হামলা হয়। এই হামলায় ভোলার এনডিসি, এসিল্যান্ড, মৎস্য কর্মকর্তাসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার এনডিসি তানজিবুল ইসলাম শনিবার বিকেলে কোস্টগার্ড এবং মৎস্য প্রশাসন নিয়ে ইলিশ নিধনবিরোধী অভিযানে অংশ নেন। একপর্যায়ে তাদের কাছে খবর ষষ্ঠ অভয়াশ্রমের আশেপাশে অন্তত অর্ধশত জেলে নৌকা নিয়ে ইলিশ নিধন করছেন। অভিযানিক টিম নিয়ে তিনি সেদিকে অগ্রসর হলে জেলেরা ইট-পাথর ছুড়ে মারতে থাকেন। এবং পর্যায়ে প্রশাসনের নৌযানটি জেলে ট্রলারের কাছাকাছি গেলে মৎস্যজীবীরা লাঠিসোটা নিয়ে হামলে পড়েন। এতে এনডিসিসহ অন্তত ১০ জন আহত হলে তাদের রাতেই উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এর আগে গত ০৭ অক্টোবর বরিশালের মেঘনা নদীতে মা ইলিশ রক্ষার অভিযানে জেলেদের হামলায় মৎস্য কর্মকর্তা ও কোস্টগার্ডের তিন সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় হামলাকারী সাত জেলেকে আটক করা হয়। স্থানীয় আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায় সেই হামলায় ঘটনায় একটি মামলাপরবর্তী সাত জেলেকে গ্রেপ্তারও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই দুটি বড় সহিংসতার ঘটনায় ছাড়াও বরিশালে প্রশাসনের ওপর জেলেদের অসংখ্য হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এই হামলার কথা স্বীকার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৎস্য প্রশাসনের ডাকে সাড়া দিয়ে ইলিশ নিধন রোধে নদীতে নেমে জেলেদের কাছে এক ধরনের অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হচ্ছে। সারিবদ্ধভাবে জেলেরা জাল ফেলে ইলিশ শিকার করছে, তাদের রুখতে গেলে হামলার শিকার হতে হচ্ছে। এসময় নিজেদের কাছে থাকা অস্ত্রও আত্মরক্ষার্থে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ফলে জেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন, নিজেদের অসহায় মনে হচ্ছে।
অভিযানে গিয়ে বারংবার জেলেদের হামলার ঘটনায় মৎস্য প্রশাসনের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। জনবল এবং আধুনিক নৌযানসংকটের একটি বিষয় প্রকাশ্যে এসেছে। বিশেষ করে পটুয়াখালীর পায়রা নদীতে ইলিশ শিকার এবং সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিহীন একটি নৌযান নিয়ে হানা দেওয়ার একটি ভিডিও সমাজপাতায় রীতিমত আলোচনার ঝড় তুলেছে।
ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, পায়রা নদীতে দিনের বেলা শত শত ইঞ্জিন সংযোজিত নৌকা নিয়ে জেলেরা ইলিশ শিকার করছেন। দুর্বল গতির একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে সেখানে হানা দিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। কিন্তু নাগালে যাওয়ার আগেই জেলে নৌকাগুলো দ্রুতগতির ইঞ্জিন চালু দিয়ে স্থান ত্যাগ করে, যা নির্বাক হয়ে দেখেছেন কর্মকর্তারা। নদীতে প্রশাসনের এই অসহায়ত্ব নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। শুধু পটুয়াখালী নয়, বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের সবকটি জেলা মৎস্য প্রশাসনই নদীতে কচ্ছপের মতো নৌযান নিয়ে টহল দিচ্ছে, আর জেলেরা গতিসম্পন্ন নৌকা নিয়ে নির্ভয়ে ইলিশ শিকার করছেন।
নৌযান সংকট এবং হামলার সম্ভব্য আশঙ্কা থাকলেও ইলিশ নিধন রোধে বরিশাল মৎস্য বিভাগ সর্বদা নদীতে সরব রয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, ৪ অক্টোবর থেকে রোববার ১২ অক্টোবর পর্যন্ত দপ্তরটি ৩৬৬ টি অভিযানে অংশ নিয়েছে। পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার এবং জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট গঠন করে অভিযান চালানো হয়। এখন পর্যন্ত ১৩৬টি মোবাইল কোর্ট করে ২৪২ জনকে সাজা দেওয়াসহ ৫ লাখ ৮৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
এই কর্মকর্তা বলেন, অভিযান চালাতে গিয়ে এখন পর্যন্ত অর্ধশত স্থানে হামলার খবর পাওয়া গেছে। তবে দুটি বড় হামলা হয়েছে, একটি শনিবার সন্ধ্যার দিকে হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জসংলগ্ন অভয়াশ্রমে, অপরটি ০৭ অক্টোবর হিজলার আলীগঞ্জসংলগ্ন এলাকায়। এই দুটি সশস্ত্র হামলায় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ অন্তত ২০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। বরিশালে জেলেদের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হামলা প্রশাসনের মনে ভয় ধরিয়ে দেয় এবং তাদের নির্লুপ্ত করে তোলার করে। এই সুযোগে বরিশালের কীর্তনখোলা, তেঁতুলিয়া, কালাবদর এবং মেঘনাসহ বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে ইলিশ শিকারে মেতে উঠেছে জেলেরা।
প্রশাসন কি ভয়ে অসাধু জেলেদের কাছে নতি স্বীকার করল? এমন প্রশ্নের উত্তরে মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপ-পরিচালক কামরুল ইসলাম বলেন, লোকবলের পাশাপাশি আধুনিক নৌযান সংকট তাদের ভোগাচ্ছে। তাছাড়া এক শ্রেণির জেলেরা আইন মানতে চাইছেন না। এমনকি নিষেধাজ্ঞার সময়ে তাদের চালসহ সহযোগিতা করেও ঘরে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে মৌসুমি জেলেরাও সক্রিয় হয়েছেন। তাদের রুখতে গিয়ে নদীতে একাধিকবার প্রশাসন আঘাতপ্রাপ্ত হতে হচ্ছে।
নদীতে প্রশাসন যে কতুটুক অসহায় তা এই কর্মকর্তার কথাও অনুমান করা যায়। ফলে এবারের মৌসুম ইলিশ প্রজননে সরকার কতটা সফল হবে তা নিয়েও থেকে যাচ্ছে সংশয়।’
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ (৩৫) নামে উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের বারপাইকা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সঞ্জয় কুমার বাড়ৈ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি উপজেলার সেরাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সড়কে মিছিলের প্রস্তুতি নেন। এতে সঞ্জয় কুমার বাড়ৈও অংশ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আসামি হিসেবে তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সঞ্জয় কুমার বাড়ৈকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিচ্ছে ‘অর্ণব’। এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টি বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পটুয়াখালীর পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ দেশের চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত আবহাওয়াবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, ঝড়টির কেন্দ্রের কাছাকাছি সাগর উত্তাল রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পায়রা, মোংলা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল রাখা হয়েছে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন ও সাগরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
পূর্বাভাসে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব নির্ভর করবে। তাই জেলে, ট্রলারচালক ও উপকূলীয় বাসিন্দাদের আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সূত্র: বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের বুলেটিনের ভিত্তিতে প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন।