
১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
ফেনীতে সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের চা-দোকানে আড্ডা দেওয়া এবং অকারণে ঘোরাঘুরি সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন। শৃঙ্খলা, জননিরাপত্তা ও শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, নির্দেশনাটি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।
জেলা প্রশাসনের এ নির্দেশনা কার্যকর করতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জনসচেতনতা বাড়াতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিংও করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপদ, শৃঙ্খলাপূর্ণ ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলতে হবে এবং অপ্রয়োজনীয় আড্ডা এড়িয়ে চলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের জন্য আড্ডা নয় বরং শিক্ষাই হোক প্রধান অগ্রাধিকার।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৬
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪১
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১১