ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবুল আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আহমেদ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন।
জানা গেছে, লুসাইল থেকে ফেরার পথে বাবুল আহমেদের ব্যবহৃত গাড়িতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে তিনি গাড়িটি সড়কের পাশে থামিয়ে সমস্যাটি পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাবুল আহমেদকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরীয় নাগরিক চালাচ্ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহত বাবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে কাতারে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে তিনি কাতারে বসবাস করছিলেন।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুবাদে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ ছিল। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
দুর্ঘটনার পর বাবুল আহমেদের মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কাতার থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে স্বজনরা প্রিয়জনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
বাবুল আহমেদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে বর্তমানে কাতারেই প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
প্রায় দুই দশক ধরে প্রবাসে জীবন কাটানোর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্বজন ও পরিচিতজনরা জানান, কর্মজীবনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কাতারের বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বাবুল আহমেদ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
কাতারের লুসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মো. বাবুল আহমেদ নামে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আহমেদ ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার বাসিন্দা। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে কাতারে বসবাস করছিলেন।
জানা গেছে, লুসাইল থেকে ফেরার পথে বাবুল আহমেদের ব্যবহৃত গাড়িতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে তিনি গাড়িটি সড়কের পাশে থামিয়ে সমস্যাটি পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বাবুল আহমেদকে ধাক্কা দেওয়া গাড়িটি একজন মিশরীয় নাগরিক চালাচ্ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নিহত বাবুল আহমেদ দীর্ঘদিন ধরে কাতারে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছিলেন। বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা মাহবুব আলমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রায় দুই দশক ধরে তিনি কাতারে বসবাস করছিলেন।
দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার সুবাদে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির অনেকের সঙ্গে তার পরিচয় ও যোগাযোগ ছিল। হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
দুর্ঘটনার পর বাবুল আহমেদের মরদেহ কাতারের হামাদ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে।
সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে কাতার থেকে তার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গেছে। এদিকে স্বজনরা প্রিয়জনের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষায় রয়েছেন।
বাবুল আহমেদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে বর্তমানে কাতারেই প্রবাসী হিসেবে বসবাস করছেন। বাবার আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
প্রায় দুই দশক ধরে প্রবাসে জীবন কাটানোর পর সড়ক দুর্ঘটনায় বাবুল আহমেদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। একই সঙ্গে কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের মধ্যেও শোকের সৃষ্টি হয়েছে।
স্বজন ও পরিচিতজনরা জানান, কর্মজীবনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কাতারের বাংলাদেশি কমিউনিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বাবুল আহমেদ। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:১৬
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি (পাস) পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা ঠেকানোকে কেন্দ্র করে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য ও কেন্দ্র পরিদর্শকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে ২০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। ইতোমধ্যে জাহিদ (২২) ও রাসেল (২০) নামে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুলারহাট মডেল কলেজে ডিগ্রি পরীক্ষা চলাকালে কয়েকজন পরীক্ষার্থী নকলের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করেন। দায়িত্ব পালনরত কেন্দ্র পরিদর্শকরা বিষয়টি শনাক্ত করে নকলের খাতা জব্দ করেন। এ সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরাও তাদের সহযোগিতা করেন।
পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নকল করতে বাধা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কয়েকজন পরীক্ষার্থী ও তাদের সঙ্গে থাকা বহিরাগত যুবকরা কলেজের বাইরে জড়ো হন। পরে কেন্দ্র থেকে দায়িত্ব শেষে বেরিয়ে আসা পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়া হয় এবং লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে এক পুলিশ সদস্য আহত হন।
ঘটনার খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহত পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।
দুলারহাট থানা পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়া এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে থানার পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা মিলিয়ে মোট ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
দুলারহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিন আলম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে গিয়ে পুলিশের ওপর পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে এবং পরীক্ষার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
ভোলার বোরহানউদ্দিনে নিখোঁজের দুই দিন পর সাত বছরের শিশু মো. ইসমাইল হোসেনের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক শিশুটিকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া রোকনের (২২) বাড়ি বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নান্নু মিয়ার ছেলে। বুধবার দুপুরে ভোলা জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবার বোরহানউদ্দিন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। নিখোঁজের দুই দিন পর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি খালে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য সেটি ভোলা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
ঘটনার পর শিশুটির বাবা মো. আকবর হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শুরু করে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রোকনকে আটক করে।
জেলা পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদে রোকন জানান, পূর্বশত্রুতা ও পাওনা টাকা নিয়ে ক্ষোভের জেরে তিনি ইসমাইলকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে খালের পানিতে ফেলে দেন।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই নির্মম হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ রহস্য উদ্ঘাটনে বোরহানউদ্দিন থানা-পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একাধিক দল তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

২১ জুন, ২০২৬ ১৯:৫১
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে জলিল পণ্ডিত নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর তিন স্থানে কবর খোঁড়া হলেও অসিয়ত করে যাওয়ার স্থানে দাফন করতে দেননি সন্তানরা।
এমন অভিযোগ উঠেছে কয়েকজন সন্তানের বিরুদ্ধে। নজিরবিহীন এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার শশীভূষণ থানাধীন রসুলপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জলিল পণ্ডিত তার জীবদ্দশায় ৫টি বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তার দুই স্ত্রী ও বিভিন্ন স্ত্রীদের ১০ জন ছেলে-মেয়ে রয়েছেন।
সন্তানদের অভিযোগ, তিনি রেখে যাওয়া সম্পত্তি ছোট স্ত্রীর মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে দলিল করে যান। এ সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জের ধরেই মরদেহ দাফনে এমন বাধা সৃষ্টি করেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল বারেক বলেন, ভাই-বোনদের মধ্যে সম্পত্তি নিয়ে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল। মৃত্যুর আগে তাদের বাবা জলিল পণ্ডিত মীমাংসা করে দিতে পারেনি, তাই মৃত্যুর পরে এ জটিলাতার সৃষ্টি হয়।
পরবর্তীতে এলাকাবাসী সন্তানদের বুঝিয়ে মৃত জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানের এক কোণায় জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এদিকে এ ঘটনায় সন্তানদের একপক্ষের অভিযোগ, জলিল পণ্ডিতের চতুর্থ স্ত্রীর ছোট মেয়ে খাদিজা আক্তারের নামে গোপনে দলিল করে অধিকাংশ সম্পত্তি দিয়ে গেছেন এবং সে জমিতেই তাকে দাফন করতে হবে।
আর এতেই বাধে বিপত্তি। আরেকপক্ষ সে দাবি মানেনি। কবরের জন্য অসিহত করা স্থান নির্ধারণ নিয়েই মূলত বাবার মরদেহ দাফনের পরিবর্তে উঠানে রেখেই সন্তানদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে শশীভূষণ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও উত্তেজনা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি।
পুলিশের সামনেই কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে এলাকাবাসী পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে সন্তানদের বুঝিয়ে জলিল পণ্ডিতের মরদেহ নিজ বাড়ির উঠানে নামমাত্র জানাজা শেষে তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে শশীভূষণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ আহমেদ বলেন, বর্তমানে জলিল পণ্ডিতের ২ স্ত্রী রয়েছেন। তাদের ১০ সন্তান।
সন্তানদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত। পরবর্তীতে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার সন্তানদের শান্ত করে মরদেহটি দাফন করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি।
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪১