বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৩৩
১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল, প্রশাসক শিরিনের উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় বিসিসির পদক্ষেপ
বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। একই সঙ্গে নগরীর ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল এবং এসব কেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও নগরবাসীর বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রকে এক বছরের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বালু সরবরাহ করা হতো।
বিসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু সরবরাহ করতে গিয়ে অনেক জলাশয় অবৈধভাবে ভরাটের পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সড়কের নিচ দিয়ে বোরিং করে পাইপলাইন নেওয়ায় রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর দিয়ে পাইপ নেওয়ায় দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশবিদ ও সাধারণ মানুষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বালু অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিল ও চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে কার্যাদেশপ্রাপ্তদের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নগরবাসীর সেবা ও পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তাঁর দপ্তর।
প্রশাসকের প্রেসসচিব সাকলাইন মোস্তাক জানান, পাইপের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাটের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসক শিরিন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বিসিসির এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে নগরীর জলাশয় রক্ষা, সড়কের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং পাইপলাইনের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল, প্রশাসক শিরিনের উদ্যোগে পরিবেশ রক্ষায় বিসিসির পদক্ষেপ
বরিশাল নগরীতে বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দিয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি)। একই সঙ্গে নগরীর ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রের কার্যাদেশ বাতিল এবং এসব কেন্দ্রের চুক্তির মেয়াদ আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও নগরবাসীর বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিনের নির্দেশনায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিসিসির দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রুম্পা সিকদারের সই করা এক চিঠিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৮টি বালু অবতরণ কেন্দ্রকে এক বছরের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। এসব কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বালু সরবরাহ করা হতো।
বিসিসির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে বালু সরবরাহ করতে গিয়ে অনেক জলাশয় অবৈধভাবে ভরাটের পাশাপাশি পরিবেশ ও কৃষিজমির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া সড়কের নিচ দিয়ে বোরিং করে পাইপলাইন নেওয়ায় রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের ওপর দিয়ে পাইপ নেওয়ায় দুর্ঘটনার ঘটনাও ঘটেছে। এসব বিষয় নিয়ে নগরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পরিবেশবিদ ও সাধারণ মানুষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বালু অবতরণ কেন্দ্রগুলোর কার্যাদেশ বাতিল ও চুক্তির মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
একই সঙ্গে কার্যাদেশপ্রাপ্তদের বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বালু সরবরাহের সব পাইপলাইন অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন নগরবাসীর সেবা ও পরিবেশ রক্ষায় বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তাঁর দপ্তর।
প্রশাসকের প্রেসসচিব সাকলাইন মোস্তাক জানান, পাইপের মাধ্যমে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাটের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে নগরীর পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসক শিরিন এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
বিসিসির এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে নগরীর জলাশয় রক্ষা, সড়কের ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং পাইপলাইনের কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের পরপরই নাজিয়া রহমান মাইশা (৩০) নামে এক নারীর মৃত্যু ঘিরে তীব্র ক্ষোভ ও অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় নগরের রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে।
স্বজনদের অভিযোগ, সুস্থ অবস্থায় অপারেশন থিয়েটারে ঢোকার পর অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার সময়ই মাইশার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তিনি বমি করতে শুরু করলে চিকিৎসকদের অবহেলায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পরে শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধেই মাইশার মৃত্যু হয়েছে।
মাইশা নগরের কালিজিরা এলাকার প্রয়াত মো. নাজমুর রহমান বাদলের মেয়ে। তিনি একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা ছিলেন। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রার ডা. তহুরা আক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর পরামর্শেই রাহাত-আনোয়ার হাসপাতালে সিজারের জন্য ভর্তি হন মাইশা।
বৃহস্পতিবার সিজারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন তিনি। স্বজনদের দাবি, এরপরই অপারেশন থিয়েটারে তাঁর অবস্থার অবনতি ঘটে।
মাইশার স্বামী হাফিজ আহমেদ বলেন, “সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে অপারেশন থিয়েটারে ঢোকা মানুষটি সেখান থেকে মৃত হয়ে বের হলেন—এটা কীভাবে সম্ভব? চিকিৎসকের অবহেলা থাকলে আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”
স্বজন সাজ্জাদ হোসেন নয়নের অভিযোগ, স্পাইনাল অ্যানেসথেসিয়া দেওয়ার পর অ্যানেসথেসিয়া চিকিৎসক রোগীর পাশে ছিলেন না। তাঁর দাবি, হাসপাতালের চারটি অপারেশন থিয়েটারের দায়িত্ব একজন চিকিৎসকের ওপর থাকায় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে মৃত্যুর পর মাইশাকে দ্রুত শেবাচিমের আইসিইউতে পাঠিয়ে ঘটনা আড়ালের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপক সাহিল আহমেদ সাকিব এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অস্ত্রোপচার শেষে মা ও সন্তান দুজনই ভালো ছিলেন। পরে মাইশার রক্তচাপ কমে যায় এবং তিনি তিনবার বমি করেন। বমি পরিষ্কার করার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে শেবাচিমে পাঠানো হয়। সেখানে জানতে পারেন, বমির সময় শ্বাসনালিতে খাবার আটকে শ্বাসরোধে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার পর ডা. তহুরা আক্তার ও ডা. সোহেল মিয়া আত্মগোপনে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। তাঁদের মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বলেন, ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।
১৮তম বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষায় সাফল্য পেয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তিন শিক্ষার্থী। তারা সিভিল জজ পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
সফল তিন শিক্ষার্থী হলেন—জান্নাতুল আইশা, জয়ন্ত হালদার এবং মো. নাইম হোসাইন।
এর মধ্যে জান্নাতুল আইশা মেধাতালিকায় ১৫তম এবং জয়ন্ত হালদার ৬৭তম স্থান অর্জন করেছেন। তিনজনই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।
১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় তাদের এই সাফল্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
বিচার বিভাগে যোগ দিয়ে তারা সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের প্রত্যাশা জানিয়েছেন।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৬
বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সাতটি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার
নাম তার আকাশ হাওলাদার। কিন্তু শহরের বাসিন্দাদের কাছে তিনি মাসুদ ওরফে কালা মাসুদ নামে পরিচিত। তবে এই পরিচিতির বাইরে তার নামের পূর্বের একটি ভয়ংকর ট্যাগ রয়েছে, ‘ধারালো দা’ চালাতে পারদর্শী হওয়ায় তিনি ‘দাও মাসুদ’ নামেই সমাধিক পরিচিত। বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা ঘেটে এমন তথ্য-উপাত্ত্ব পাওয়া যায়। বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের গিলাতলী গ্রামের এই বাসিন্দা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বদৌলতে নিজের নামের পূর্বে এমন একটি বিশেষণ যুক্ত করতে পেরেছে, যা নিয়ে তিনি দম্ভোক্তিও করেন!
২৬ টি বিচারাধীন মামলায় অভিযুক্ত মাসুদ চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বরিশাল শহরের পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে বাহিনীসমেত অস্ত্রের মহড়া দিয়ে তুমুল আলোচনা তৈরি করে। সেই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। এনিয়ে বরিশালটাইমস অনলাইন নিউজপোর্টালে মাসুদের ছবিসংবলিত একটি সংবাদ গুরুত্ব দিয়ে মোটাদাগে প্রকাশ করে। ১৭ জানুয়ারি ‘বরিশালে নয়া সন্ত্রাস কালা মাসুদের উত্থান’, গভীর রাতে বাহিনী নিয়ে অস্ত্রের মহড়া-আতঙ্ক, এই শিরোনাম সংবাদটি প্রকাশ পেলে তাকে বাগে আনতে দৌড়ঝাপ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু সংবাদ প্রকাশের খবর প্রাপ্তির পরেই তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে অন্তর্ধানে চলে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ ওরফে দা মাসুদের বিরুদ্ধে বরিশালসহ দেশের বিভিন্ন থানায় মাদক, দস্যুতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগে অন্তত ২৫টির বেশি মামলা বিচারাধীন আছে। ২০২৪ সালের শেষের দিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন গোয়েন্দাপুলিশের একটি চৌকশ টিম তাকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে আদালত মাসুদকে কারাগারে পাঠিয়ে দিলেও কিছুদিন না যেতেই জামিনে মুক্ত হয়ে ফের আগেই মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েন।
গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, সদর উপজেলার গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা কালা মাসুদ বিভিন্ন সময়ে টাকার বিনিময়ে টার্গেট ব্যক্তিকে কুপিয়ে আহত ও হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে। বরিশাল নগরীর ছিনতাইকারীদের গডফাদার ও ভাড়াটে খুনি নামে পরিচিত তিনি। তার বিরুদ্ধে হত্যা ছাড়াও ডাকাতি, চাঁদাবাজি, মাদক, ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে। এছাড়াও কালা মাসুদের রয়েছে ছিনতাইকারী কয়েকটি চক্র। সূত্রগুলো জানায়, শহরের ধোপাবাড়ির মোড়, কলেজ অ্যাভিনিউ, বৈদ্যপাড়াসহ কয়েকটি স্থানে রয়েছে কালা মাসুদের সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্যরা। তারা টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন অপরাধ করে থাকেন।
বরিশালের এই আলোচিত সন্ত্রাসীকে বৃহস্পতিবার খুব সকালে তার গ্রামের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করেছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এসময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে দুটি চাপাতিসহ ৭টি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এই সফল অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিমুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কালা মাসুদ আওয়ামী লীগের গোটা শাসনামলে বরিশাল শহরের ত্রাস চালিয়েছে। এবং বিভিন্ন ঘটনাচক্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারেও প্রেরণ করে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পরে তার যেনো নতুন ভাবে উত্থান ঘটে। এই চিহ্নিত অপরাধীকে সময় বিশেষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তথা পুলিশকে নিয়েও ‘খিস্তিখেউর’ করতে শোনা যায়!
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে মাসুদ পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাট এলাকায় গভীর রাতে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে আতঙ্ক তৈরি করেছিল। সেই ঘটনায় বরিশালটাইমস পত্রিকায় তাকে নিয়ে একটি নেতিবাচক একটি সংবাদ প্রকাশ করে। তখন তিনি গাঢাকা দেন এবং একপর্যায়ে আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় তাকে আর আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম মো. নাসিমুল হক বরিশালটাইমসকে জানান, নয়া সন্ত্রাসী দাও মাসুদের অত্যাচারে গিলাতলী গ্রামের সাধারণ মানুষও ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল। পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা পেতে তিনি শহর ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়েন্দা তথ্যে অভিযান চালিয়ে মাসুদ ওরফে দাও মাসুদকে গিলাতলী গ্রামের বাসা থেকে পুলিশের জালে নিয়ে আসা হয়।
এই ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে নতুন করে অস্ত্র আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়। এবং সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা টিপু সুলতান বরিশালটাইমসকে জানান, মাসুদকে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত মঞ্জুর করলে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে, মন্তব্য করেন পুলিশ কর্মকর্তা।
কীর্তনখোলা নদীতীর জনপদের এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে পুলিশ বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের খবর জনমনে স্বস্তি জুগিয়েছে। বিশেষ করে পোর্টরোড এবং লঞ্চঘাটসহ গিলাতলী গ্রামের বাসিন্দা-ব্যবসায়ীরা পুলিশকে সাধুবাদ জানিয়েছে।’
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪১