বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চরসাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান খোকনের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর উত্তরার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে বুধবার তার হার্টে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এসময় হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার হার্টে ৩টি রিং পরানো হয়। শুক্রবার তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, মনিরুজ্জামান খোকনের হার্টে ৪টি বড় ধরনের ব্লক ধরা পড়েছে। এছাড়াও কয়েকটি রক্তনালী সরু হয়ে গিয়েছে এবং রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে তিনি আশংকামুক্ত থাকলেও তাকে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। গত ১০ নভেম্বর (সোমবার) তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানী ঢাকার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন শিক্ষকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরিশাল জেলা সেক্রেটারি ছাড়াও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস নেতা, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সদস্য এবং সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার রোগমুক্তি ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে বিমানবন্দর প্রেসক্লাব ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা। #

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩১
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৫৮
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মাদক সেবনের অপরাধে ৯ শিক্ষার্থীকে মোট ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটক শিক্ষার্থীরা ঢাকা, বরিশাল ও স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত হিজলা থানা-পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের বোম্বাই শহর এলাকা থেকে ৬ জন এবং গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়।
আজ শনিবার সকালে আটক শিক্ষার্থীদের হিজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়ালের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদক সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে ৪ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
হিজলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান বরিশালটাইমসকে জানান, জরিমানা পরিশোধের পর ভবিষ্যতে এমন অপরাধে না জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলায় মাদক সেবনের অপরাধে ৯ শিক্ষার্থীকে মোট ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে পুলিশ।
আটক শিক্ষার্থীরা ঢাকা, বরিশাল ও স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত হিজলা থানা-পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে উপজেলার বড়জালিয়া ইউনিয়নের বোম্বাই শহর এলাকা থেকে ৬ জন এবং গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর এলাকা থেকে ৩ জনকে আটক করা হয়।
আজ শনিবার সকালে আটক শিক্ষার্থীদের হিজলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভ্র জ্যোতি বড়ালের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদক সেবনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে ৪ হাজার টাকা করে মোট ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
হিজলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান বরিশালটাইমসকে জানান, জরিমানা পরিশোধের পর ভবিষ্যতে এমন অপরাধে না জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক করে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ অভিভাবকদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩২
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।
তিনি জানান, সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এই উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ— দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদসূত্র: বাসস।
দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান।
তিনি জানান, সভায় ভোলার সঙ্গে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনে তিনটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটি বেছে নেওয়া হয়েছে। এই রুটে মহাসড়ক নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা দূর করে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ বাড়াতে সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার এই উদ্যোগ দ্রুত এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।
প্রকল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন সড়ক নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু নির্মাণ করতে হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা দ্রুত যাচাই করা হবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভোলার সঙ্গে বরিশাল, ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ তৈরি হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ— দুটিই কমবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
নদীবেষ্টিত হওয়ায় ভোলার মানুষের যোগাযোগে দীর্ঘদিন ধরে নৌপথের ওপর নির্ভরতা রয়েছে। নতুন সড়ক সংযোগ তৈরি হলে সেই নির্ভরতা কমবে।
সভায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের বড় সুবিধা হলো দূরত্ব, সময় ও ব্যয় সাশ্রয়।
বিশেষ করে ঢাকা ও বরিশালের সঙ্গে ভোলার যোগাযোগে এটি একটি কার্যকর বিকল্প পথ হয়ে উঠতে পারে।
সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোহাম্মদ জিয়াউল হক, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদসূত্র: বাসস।

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:০৩
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চরসাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সদস্য মনিরুজ্জামান খোকনের সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীর উত্তরার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে বুধবার তার হার্টে সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়। এসময় হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার হার্টে ৩টি রিং পরানো হয়। শুক্রবার তাকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, মনিরুজ্জামান খোকনের হার্টে ৪টি বড় ধরনের ব্লক ধরা পড়েছে। এছাড়াও কয়েকটি রক্তনালী সরু হয়ে গিয়েছে এবং রক্তপ্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বর্তমানে তিনি আশংকামুক্ত থাকলেও তাকে বেশ কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে। গত ১০ নভেম্বর (সোমবার) তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের শিকার হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজধানী ঢাকার শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকন শিক্ষকতার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ মাদ্রাসা জেনারেল টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের বরিশাল জেলা সেক্রেটারি ছাড়াও জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক সংগঠন জাসাস নেতা, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সদস্য এবং সুজন বাবুগঞ্জ উপজেলা কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার রোগমুক্তি ও দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বিবৃতি দিয়েছে বিমানবন্দর প্রেসক্লাব ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)সহ বিভিন্ন পেশাজীবী সামাজিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সংগঠনের নেতারা। #
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭