
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৫
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার ওপর হামলা চালিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পাথরঘাটা শহরে লাঠি হাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জামায়াত সমর্থকরা।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার শিকার ওই নেতার নাম, নাসির উদ্দিন। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের অর্থ সম্পাদক। পরে রাতে পাথরঘাটা পৌরশহরে হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে মিছিল করা হয়।
জামায়াত নেতাকর্মীদের দাবি, হামলাকারী নুর আলম স্থানীয় বিএনপির সমর্থক, তবে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিএনপির কোনো পদে নেই বলে জানিয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী দলীয় কাজে পাথারঘাটার হাড়িটানা এলাকায় যান। এসময় নুর আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তিনি তাদের ধাওয়া করেন। পরে বিষয়টি জানতে নাসির উদ্দিন এগিয়ে এলে তার ওপরও হামলা চালান নুর আলম।
এতে নাসিরে পা ভেঙে যায়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নাসির উদ্দিনকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই রাতে পাথারঘাটা শহরে জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে লাঠি মিছিল করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ধরনের লাঠিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বেঁধে মিছিল করেন তারা।
নির্বাচনের আগমুহূর্তে লাঠি হাতে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে জানতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাসুদুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, নাসিরের ওপর হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি নুর আলম বিএনপির কর্মী। ক্ষমতার মোহে জামায়াতকে নির্মূল করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আহত নাসিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
লাঠি হাতে প্রতিবাদ মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিনের স্বজন ও এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা এ মিছিল করে। মিছিলে দলের কোনো ব্যানার ছিল না।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলীয় কোনো বিষয় নেই। হয়ত ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নুর আলম আমাদের দলীয় কেউ না। সে বিএনপির সমর্থক হতে পারে, তবে কোনো কমিটিতে তার নাম নেই।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি জামায়াতের কার্যক্রম প্রচারণাকালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার ওপর হামলা চালিয়ে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পাথরঘাটা শহরে লাঠি হাতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন জামায়াত সমর্থকরা।
পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হামলার শিকার ওই নেতার নাম, নাসির উদ্দিন। তিনি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের অর্থ সম্পাদক। পরে রাতে পাথরঘাটা পৌরশহরে হামলাকারীর শাস্তির দাবিতে মিছিল করা হয়।
জামায়াত নেতাকর্মীদের দাবি, হামলাকারী নুর আলম স্থানীয় বিএনপির সমর্থক, তবে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি বিএনপির কোনো পদে নেই বলে জানিয়েছেন পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নারী কর্মী দলীয় কাজে পাথারঘাটার হাড়িটানা এলাকায় যান। এসময় নুর আলমের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তিনি তাদের ধাওয়া করেন। পরে বিষয়টি জানতে নাসির উদ্দিন এগিয়ে এলে তার ওপরও হামলা চালান নুর আলম।
এতে নাসিরে পা ভেঙে যায়। পরে আহত অবস্থায় স্থানীয়রা নাসির উদ্দিনকে উদ্ধার করে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে এ ঘটনার পরপরই রাতে পাথারঘাটা শহরে জামায়াত নেতা নাসির উদ্দিনের ওপর হামলার প্রতিবাদে লাঠি মিছিল করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ধরনের লাঠিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বেঁধে মিছিল করেন তারা।
নির্বাচনের আগমুহূর্তে লাঠি হাতে স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে জানতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে তার মোবাইলে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মাসুদুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, নাসিরের ওপর হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি নুর আলম বিএনপির কর্মী। ক্ষমতার মোহে জামায়াতকে নির্মূল করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। বর্তমানে আহত নাসিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
লাঠি হাতে প্রতিবাদ মিছিলের বিষয়ে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিনের স্বজন ও এলাকার বিক্ষুব্ধ জনতা এ মিছিল করে। মিছিলে দলের কোনো ব্যানার ছিল না।
হামলার বিষয়ে পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক জাগো নিউজকে বলেন, এটি সম্পূর্ণ সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলীয় কোনো বিষয় নেই। হয়ত ব্যক্তিগত কোনো আক্রোশ থেকে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযুক্ত নুর আলম আমাদের দলীয় কেউ না। সে বিএনপির সমর্থক হতে পারে, তবে কোনো কমিটিতে তার নাম নেই।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, প্রাথমিকভাবে জেনেছি জামায়াতের কার্যক্রম প্রচারণাকালে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'

০৫ জুন, ২০২৬ ১৩:২১
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.