
০৩ আগস্ট, ২০২৫ ২০:০৭
সংবাদমাধ্যম দৈনিক জনকণ্ঠের মালিকের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থাকায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।
তিনি বলেন, শনিবার (২ আগস্ট) রাতে মামলাটি দায়ের হয়। এর আগে জুলাই বিপ্লবের পক্ষে থাকা দৈনিক জনকণ্ঠের ২০ জন সাংবাদিককে হঠাৎ করে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় পত্রিকাটির সব ধরনের সংবাদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে পত্রিকাটির সাংবাদিকরা। শনিবার (২ আগস্ট) বিকেলে পত্রিকাটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, আগস্ট উপলক্ষে স্বৈরাচারের দোসর জনকণ্ঠ পত্রিকা গতকাল কালো রঙ ধারণ করেছিল। তার প্রতিবাদে আমরা লাল রঙ দিয়ে আজ পত্রিকাটি বের করার কারণে জুলাই বিপ্লবের পক্ষে থাকা সকল সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করেছে পত্রিকাটির সম্পাদক শামিমা এ খান।
পোস্টে আরও বলা হয়, এই বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত জনকণ্ঠের সকল কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করছি। এরপরও যদি কেউ দায়িত্ব নিয়ে পত্রিকা বের করেন তাহলে অবশ্যই নিজ দায়িত্বে বের করবেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পত্রিকাটি আপাতত বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে পত্রিকাটির ২০ জন সাংবাদিককে হঠাৎ করে চাকরিচ্যুত করার পর এর সম্পাদক শামিমা খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ৬ সদস্যের এডিটোরিয়াল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
এছাড়া অন্যান্য সদস্যরা হলেন, পত্রিকাটির প্ল্যানিং এডিটর জয়নাল আবেদীন শিশির, অ্যাডভাইজার (অনলাইন) সাবরিনা বিনতে আহমেদ, ডেপুটি চিফ রিপোর্টার ইস্রাফিল ফরায়েজী এবং মীর জসিম উদ্দিন।
সংবাদমাধ্যম দৈনিক জনকণ্ঠের মালিকের বিরুদ্ধে হাতিরঝিল থাকায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।
তিনি বলেন, শনিবার (২ আগস্ট) রাতে মামলাটি দায়ের হয়। এর আগে জুলাই বিপ্লবের পক্ষে থাকা দৈনিক জনকণ্ঠের ২০ জন সাংবাদিককে হঠাৎ করে চাকরিচ্যুত করার ঘটনায় পত্রিকাটির সব ধরনের সংবাদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা করেছে পত্রিকাটির সাংবাদিকরা। শনিবার (২ আগস্ট) বিকেলে পত্রিকাটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে বিষয়টি জানানো হয়।
পোস্টে বলা হয়, আগস্ট উপলক্ষে স্বৈরাচারের দোসর জনকণ্ঠ পত্রিকা গতকাল কালো রঙ ধারণ করেছিল। তার প্রতিবাদে আমরা লাল রঙ দিয়ে আজ পত্রিকাটি বের করার কারণে জুলাই বিপ্লবের পক্ষে থাকা সকল সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত করেছে পত্রিকাটির সম্পাদক শামিমা এ খান।
পোস্টে আরও বলা হয়, এই বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত জনকণ্ঠের সকল কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা করছি। এরপরও যদি কেউ দায়িত্ব নিয়ে পত্রিকা বের করেন তাহলে অবশ্যই নিজ দায়িত্বে বের করবেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পত্রিকাটি আপাতত বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে পত্রিকাটির ২০ জন সাংবাদিককে হঠাৎ করে চাকরিচ্যুত করার পর এর সম্পাদক শামিমা খানকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে ৬ সদস্যের এডিটোরিয়াল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন।
এছাড়া অন্যান্য সদস্যরা হলেন, পত্রিকাটির প্ল্যানিং এডিটর জয়নাল আবেদীন শিশির, অ্যাডভাইজার (অনলাইন) সাবরিনা বিনতে আহমেদ, ডেপুটি চিফ রিপোর্টার ইস্রাফিল ফরায়েজী এবং মীর জসিম উদ্দিন।

১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।

১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।

১৬ মে, ২০২৬ ১৫:০২
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.