পটুয়াখালীর বাউফল বিএনপি নেতার নেতৃত্বে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক উদ্যোক্তাকে মারধর করে তাঁর ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে উপজেলার দাসপাড়া ইউপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, ইউপি কার্যালয়টির একটি কক্ষ ও মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেন অভিযুক্ত দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী।
হামলার শিকার ব্যক্তির নাম সাইফুল হাসান (৪৫)। তিনি ওই ইউপির উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মরত ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের শ্যালক।
অভিযোগ আছে, গতকাল সোমবার কয়েকজন ইউপি সদস্যের কাছ থেকে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে জোর করে অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর নেন আলী আজম চৌধুরী ও তাঁর সমর্থকেরা। উভয় ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানায়, দাসপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক কোষাধ্যক্ষ। অভিযোগ আছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন আলী আজম চৌধুরী।
একই ইউপি উদ্যোক্তা সাইফুল হাসান ইউপি চেয়ারম্যানের শ্যালক হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাঁর কক্ষ ও ইউপি কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
সাইফুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনের মতো তিনি আজ নিজের কার্যালয়ে বসে নাগরিক সেবা দিচ্ছিলেন। বেলা একটার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫–২০ জনের একটি দল সেখানে ঢুকে তাঁকে কক্ষ ছাড়তে বলে।
ইউএনওর অনুমতি ছাড়া বের হবেন না জানালে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন এবং তাঁর ল্যাপটপ নিয়ে যান।
এদিকে দাসপাড়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, গতকাল সকাল ১০টার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ৪০–৪৫ জনের একটি দল কালাইয়া বাজারে তাঁর বাসায় গিয়ে একটি কাগজে সই করতে বলে।
কাগজে কী লেখা আছে, জানতে চাইলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে জোরপূর্বক তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য কুলসুম বেগম। তিনি বলেন, ওই কাগজে স্বাক্ষর করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। আগের দিন চোখের অস্ত্রোপচার করিয়ে বিশ্রামে থাকায় ভীত হয়ে তিনি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।
তবে আলী আজম চৌধুরী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘যা কিছু ঘটেছে, তা ইউপি সদস্যরা করেছেন। কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নাম জড়ানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ওই উদ্যোক্তাকে মারধরের খবর তিনি পেয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েকজন সদস্যের দেওয়া অনাস্থা আবেদন পেয়েছেন।
পাশাপাশি দুই ইউপি সদস্যের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৪
বুধবার (৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করে তার এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করাচ্ছেন। পরে জানা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক মো. রিপন হোসেন।
বিষয়টি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নজরে এলে তিনি এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পর পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট মো. রিপন হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
বরিশাল টাইমস
বুধবার (৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করে তার এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করাচ্ছেন। পরে জানা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক মো. রিপন হোসেন।
বিষয়টি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নজরে এলে তিনি এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পর পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট মো. রিপন হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
বরিশাল টাইমস

০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৭
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বর্তমান এবং সাবেক নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নে গণঅধিকার পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সোমবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে গেলে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা, পরে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বাকি আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত ৩১ জুলাই উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রণগোপালদী ইউনিয়নের এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উপজেলা কমিটি তাকে সভাপতি করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়। তিনি বলেন, আমরা অফিসে গেলে মুছা মাঝি ও তার সমর্থকরা আমাদের প্রবেশে বাধা দেয়। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমি মাথায় গুরুতর আঘাত পাই।
বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন তালুকদার বলেন, মুছা মাঝি নতুন কমিটি মেনে নিতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সোমবার পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝি দাবি করেন, আমরা কার্যালয়ে বসে আলোচনা করছিলাম। এ সময় মাইদুল ইসলাম ও মামুন তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের পক্ষেরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাফ আকন ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এ ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান,, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বর্তমান এবং সাবেক নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নে গণঅধিকার পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সোমবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে গেলে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা, পরে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বাকি আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত ৩১ জুলাই উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রণগোপালদী ইউনিয়নের এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উপজেলা কমিটি তাকে সভাপতি করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়। তিনি বলেন, আমরা অফিসে গেলে মুছা মাঝি ও তার সমর্থকরা আমাদের প্রবেশে বাধা দেয়। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমি মাথায় গুরুতর আঘাত পাই।
বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন তালুকদার বলেন, মুছা মাঝি নতুন কমিটি মেনে নিতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সোমবার পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝি দাবি করেন, আমরা কার্যালয়ে বসে আলোচনা করছিলাম। এ সময় মাইদুল ইসলাম ও মামুন তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের পক্ষেরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাফ আকন ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এ ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান,, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪১
পটুয়াখালীর বাউফল বিএনপি নেতার নেতৃত্বে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক উদ্যোক্তাকে মারধর করে তাঁর ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুরে উপজেলার দাসপাড়া ইউপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। সংশ্লিষ্ট ও স্থানীয়দের সূত্রে জানাগেছে, ইউপি কার্যালয়টির একটি কক্ষ ও মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেন অভিযুক্ত দাসপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আজম চৌধুরী।
হামলার শিকার ব্যক্তির নাম সাইফুল হাসান (৪৫)। তিনি ওই ইউপির উদ্যোক্তা হিসেবে কর্মরত ও চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের শ্যালক।
অভিযোগ আছে, গতকাল সোমবার কয়েকজন ইউপি সদস্যের কাছ থেকে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে জোর করে অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষর নেন আলী আজম চৌধুরী ও তাঁর সমর্থকেরা। উভয় ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানায়, দাসপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন উপজেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক কোষাধ্যক্ষ। অভিযোগ আছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে ইউনিয়ন পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছেন আলী আজম চৌধুরী।
একই ইউপি উদ্যোক্তা সাইফুল হাসান ইউপি চেয়ারম্যানের শ্যালক হওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ল্যাপটপ ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং তাঁর কক্ষ ও ইউপি কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।
সাইফুল হাসান অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিনের মতো তিনি আজ নিজের কার্যালয়ে বসে নাগরিক সেবা দিচ্ছিলেন। বেলা একটার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ১৫–২০ জনের একটি দল সেখানে ঢুকে তাঁকে কক্ষ ছাড়তে বলে।
ইউএনওর অনুমতি ছাড়া বের হবেন না জানালে তাঁকে মারধর করা হয়। একপর্যায়ে উপস্থিত ব্যক্তিরা তাঁকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করেন এবং তাঁর ল্যাপটপ নিয়ে যান।
এদিকে দাসপাড়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম হাওলাদার বলেন, গতকাল সকাল ১০টার দিকে আলী আজম চৌধুরীর নেতৃত্বে ৪০–৪৫ জনের একটি দল কালাইয়া বাজারে তাঁর বাসায় গিয়ে একটি কাগজে সই করতে বলে।
কাগজে কী লেখা আছে, জানতে চাইলে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলা হয়। তিনি স্বাক্ষর দিতে অস্বীকৃতি জানালে জোরপূর্বক তাঁর স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এ বিষয়ে তিনি ইউএনওর কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
একই ধরনের অভিযোগ করেছেন ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য কুলসুম বেগম। তিনি বলেন, ওই কাগজে স্বাক্ষর করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়। আগের দিন চোখের অস্ত্রোপচার করিয়ে বিশ্রামে থাকায় ভীত হয়ে তিনি স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।
তবে আলী আজম চৌধুরী এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘যা কিছু ঘটেছে, তা ইউপি সদস্যরা করেছেন। কোনো ঘটনার সঙ্গে আমার সংশ্লিষ্টতা নেই। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নাম জড়ানো হচ্ছে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, ওই উদ্যোক্তাকে মারধরের খবর তিনি পেয়েছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কয়েকজন সদস্যের দেওয়া অনাস্থা আবেদন পেয়েছেন।
পাশাপাশি দুই ইউপি সদস্যের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮