
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৭
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব, কর্মী সাবনুর এবং হোসেন ব্যাপক মারধর করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।’
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় মসজিদের দরজা ভেঙে ইমামকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের তিন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে। শুক্রবার উপজেলার গঙ্গাপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তোফায়েল মেম্বার (সাবেক) বাড়ি জামে মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে স্থানীয় ওয়ার্ড সভাপতি ছাত্রলীগের সভাপতি লাবিব, কর্মী সাবনুর এবং হোসেন ব্যাপক মারধর করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার মসজিদের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে অভিযুক্তরা মসজিদের ইমাম আল-আমীনকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ঘটনার প্রতিবাদ ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন। সমাবেশে বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
সমাবেশে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি সেলিম মেম্বার বলেন, পবিত্র মসজিদে হামলা এবং ইমামকে মারধরের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. বকুল বলেন, এ ধরনের ন্যক্কারজনক ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের বাড়িতে গেলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।’
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৭
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৪
১৮ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৬
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ভোলা জেলার সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরে জেলার পৌর মুসলিম পাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালের ভোলায় জেলা বিএনপির সমাবেশে হামলা, গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর প্রায় ৪০০ জনের বিরুদ্ধে সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ হোসাইন মামলায় করেন। ওই মামলায় আসামি হওয়ায় মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ভোলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ভোলা জেলার সাবেক সভাপতি মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জুলাই) ভোরে জেলার পৌর মুসলিম পাড়া এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০১৯ সালের ভোলায় জেলা বিএনপির সমাবেশে হামলা, গুলি ও বোমা বিস্ফোরণ এবং দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের ঘটনায় ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর প্রায় ৪০০ জনের বিরুদ্ধে সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আরিফ হোসাইন মামলায় করেন। ওই মামলায় আসামি হওয়ায় মোস্তাক আহমেদ শাহীনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ভোলা আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের সুযোগ না পেয়ে কেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুর করা হয়েছে। শনিবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা শেষে উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রের মূল ফটক ভাঙচুর করে শতাধিক পরীক্ষার্থী। এবং কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষের জানালার গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় শিক্ষক-কর্মচারীসহ অন্তত কলেজ সভাপতিসহ ১০/১৫ জন আহত হন। পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ওই কেন্দ্রে মোট ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন বাচ্চু বলেন, এমসিকিউ পরীক্ষার সময় কিছু পরীক্ষার্থী নকলের সুযোগ চেয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী তাদের সে সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে পরীক্ষা শেষে তারা হামলা ও ভাঙচুর চালায়। তবে আমরা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করতে সক্ষম হয়েছি। হামলায় কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির ইটের আঘাতে আহত হয়েছেন।
কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সিকদার হুমায়ুন কবির বলেন, শুধু পরীক্ষার্থীরাই নয় তাদের সঙ্গে বহিরাগতরাও হামলায় অংশ নেয়।
ঘটনার পর চরফ্যাশন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক জসিম উদ্দিন ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজে এলেও সাংবাদিকদের এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ সাংবাদিকদের বলেন, চরফ্যাশন সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। শুনেছি প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং নকল করতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪০
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।
স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।
চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বরিশালটাইমসকে বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।’