Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ জুন, ২০২৫ ২০:৪৫
চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের একটি নাইন এমএম পিস্তল ও গুলি মিলল কাভার্ডভ্যান চালকের কাছে। সোমবার গভীর রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানার ইয়াকুব নগর লইট্টাঘাটা এলাকা থেকে এসব অস্ত্র গুলি উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকালে নগরীর দামপাড়ায় মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য জানায় পুলিশ।
উদ্ধার অস্ত্রের মধ্যে আছে একটি নাইন এমএম তরাশ পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি। গ্রেফতার কাভার্ডভ্যান চালকের নাম মো. রুবেল ওরফে রনি (১৮)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার মিঠাচর ঠাকুরদীঘি এলাকায়। তাকে নগরীর পতেঙ্গা থানার আকমল আলী ঘাট এলাকা গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যে অস্ত্রগুলো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল করিম বলেন, সোমবার রাতে সোর্সের কাছ থেকে তথ্য পাই থানার লুণ্ঠিত একটি অস্ত্র রুবেল নামে এক কাভার্ডভ্যান চালকের কাছে আছে। পুলিশ দল দ্রুত রুবেলের অবস্থান শনাক্ত করে পতেঙ্গা থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পিস্তল ও গুলির অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ।
এরপর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় পিস্তল গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর নম্বর মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় অস্ত্রটি কোতোয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন থানায় লুটপাট হয়েছিল। রুবেল কোতোয়ালী থানায় লুটপাটে অংশ নেয় বলে স্বীকার করেছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ওই দিন বিকাল থেকে সারা দেশের মতো নগরীর বিভিন্ন থানায় চড়াও হয় লোকজন। এ সময় অগ্নিসংযোগ ছাড়াও ব্যাপক লুটপাট চলে থানায়। থানা থেকে পুলিশের অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম খোয়া যায়। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় অভিযানে থানার লুণ্ঠিত কিছু অস্ত্র উদ্ধার হলেও বেশিরভাগের হদিস মেলেনি।
চট্টগ্রাম কোতোয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া পুলিশের একটি নাইন এমএম পিস্তল ও গুলি মিলল কাভার্ডভ্যান চালকের কাছে। সোমবার গভীর রাতে নগরীর কোতোয়ালী থানার ইয়াকুব নগর লইট্টাঘাটা এলাকা থেকে এসব অস্ত্র গুলি উদ্ধার করা হয়।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) বিকালে নগরীর দামপাড়ায় মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য জানায় পুলিশ।
উদ্ধার অস্ত্রের মধ্যে আছে একটি নাইন এমএম তরাশ পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলি। গ্রেফতার কাভার্ডভ্যান চালকের নাম মো. রুবেল ওরফে রনি (১৮)। তার বাড়ি চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলার মিঠাচর ঠাকুরদীঘি এলাকায়। তাকে নগরীর পতেঙ্গা থানার আকমল আলী ঘাট এলাকা গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যে অস্ত্রগুলো পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল করিম বলেন, সোমবার রাতে সোর্সের কাছ থেকে তথ্য পাই থানার লুণ্ঠিত একটি অস্ত্র রুবেল নামে এক কাভার্ডভ্যান চালকের কাছে আছে। পুলিশ দল দ্রুত রুবেলের অবস্থান শনাক্ত করে পতেঙ্গা থানা এলাকা থেকে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর পিস্তল ও গুলির অবস্থান নিশ্চিত হয় পুলিশ।
এরপর পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় পিস্তল গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর নম্বর মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় অস্ত্রটি কোতোয়ালী থানা থেকে লুট হওয়া। গত বছরের ৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন থানায় লুটপাট হয়েছিল। রুবেল কোতোয়ালী থানায় লুটপাটে অংশ নেয় বলে স্বীকার করেছে।
গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। ওই দিন বিকাল থেকে সারা দেশের মতো নগরীর বিভিন্ন থানায় চড়াও হয় লোকজন। এ সময় অগ্নিসংযোগ ছাড়াও ব্যাপক লুটপাট চলে থানায়। থানা থেকে পুলিশের অস্ত্রসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম খোয়া যায়। এর মধ্যে বিভিন্ন সময় অভিযানে থানার লুণ্ঠিত কিছু অস্ত্র উদ্ধার হলেও বেশিরভাগের হদিস মেলেনি।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫০
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট মুহূর্তে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার টন ডিজেল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে পাইপলাইনের মাধ্যমে এ তেল আনার কার্যক্রম শেষ হয়। সে সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ছুটির দিন শুক্রবারেও ডিপো খোলা রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানা গেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দপুর ১২টার দিকে ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রেলহেড অয়েল ডিপোতে ৫৭ লাখ লিটার বা ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে পার্বতীপুরে অবস্থিত ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে সম্পূর্ণ ডিজেল এসে পৌঁছে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রিসিপ্ট টার্মিনাল থেকে জ্বালানি রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিন কোম্পানিতে পাম্পগুলোতে সরবরাহের লক্ষ্যে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব জানান, শুক্রবার ৫ হাজার টন ডিজেল আসার মাধ্যমে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা জ্বালানির তৃতীয় চালান সম্পন্ন হয়েছে। ভারত থেকে তেল আনার ক্ষেত্রে ৪৮ থেকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তিন ধাপে ডিপোতে এ বছর এখন পর্যন্ত আনা হয়েছে ১৫ হাজার টন ডিজেল। সেই সঙ্গে আগামীকাল শনিবার (২৮ মার্চ) আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলের আট জেলার চাষাবাদের কাজে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেল চালিত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা নেয় সরকার। পরে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়।
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট মুহূর্তে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার টন ডিজেল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে পাইপলাইনের মাধ্যমে এ তেল আনার কার্যক্রম শেষ হয়। সে সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ছুটির দিন শুক্রবারেও ডিপো খোলা রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানা গেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দপুর ১২টার দিকে ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রেলহেড অয়েল ডিপোতে ৫৭ লাখ লিটার বা ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে পার্বতীপুরে অবস্থিত ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে সম্পূর্ণ ডিজেল এসে পৌঁছে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রিসিপ্ট টার্মিনাল থেকে জ্বালানি রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিন কোম্পানিতে পাম্পগুলোতে সরবরাহের লক্ষ্যে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব জানান, শুক্রবার ৫ হাজার টন ডিজেল আসার মাধ্যমে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা জ্বালানির তৃতীয় চালান সম্পন্ন হয়েছে। ভারত থেকে তেল আনার ক্ষেত্রে ৪৮ থেকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তিন ধাপে ডিপোতে এ বছর এখন পর্যন্ত আনা হয়েছে ১৫ হাজার টন ডিজেল। সেই সঙ্গে আগামীকাল শনিবার (২৮ মার্চ) আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলের আট জেলার চাষাবাদের কাজে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেল চালিত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা নেয় সরকার। পরে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।