
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৪
বরিশাল সমাজসেবা অফিসের আলোচিত দুই কর্মকর্তা উপ-পরিচালক একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সহকারি পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজকে সংবর্ধনা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২৬’ উপলক্ষে তাদের দুজনকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে মূল্যায়ন করায় মুক্তিযোদ্ধাদের তরফ থেকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জেলা এবং মহানগর ইউনিটের বীর মুক্তিযোদ্ধারা আয়োজন করে সোমবার তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন।
জানা গেছে, বিগত সময়ে একাধিকবার পুরস্কৃত বরিশাল সমাজসেবা অফিসের আলোচিত দুই কর্মকর্তা একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সাজ্জাদ পারভেজ ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২৬’ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হন। কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় তাদের দুজনকে সমাজসেবা অধিদপ্তর এবারও পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
আরও পড়ুন
কর্মক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখে প্রশংসিত বরিশাল সমাজসেবার দুই কর্মকর্তা
সরকারের তরফ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তির আগেই এই দুই কর্মকর্তার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান দেখালেন বরিশালের মুক্তিযোদ্ধারা। এই আয়োজনে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি নুরুল আলম ফরিদ, সদস্যসচিব ও বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুল হক আক্কাস, বীর মুক্তিযেদ্ধা মহসীন মোর্শেদ তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মর্তুজার রহমান মানিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নওশের আলী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল পন্ডিত প্রমুখ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বরিশাল সমাজসেবার দুই কর্মকর্তা একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সাজ্জাদ পারভেজ সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলো ছড়িয়েছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ উদ্ভাসিত হয়েছেন। এই দুজন কর্মকর্তাকে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচন করা বরিশালবাসীর জন্য গর্বের, সমাজসেবা অধিদপ্তরও সেটিই করেছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনায় তাপিত বরিশাল সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ আগামী দিনগুলোতে সেবার পরিধি বর্ধিত করার ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।’

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৯

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৭
মেঘনা নদীর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। জেলেদের ট্রলারে থাকা পাঁচজনের মধ্যে একজন প্রাণে বেঁচে ফিরলেও বাকি চারজনের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পালপাড়া গ্রামের শাহীন মীর (১৭), আরিফ হোসেন (১৯), শাহীন (১৭) ও নয়ন (১৯)।
গতকাল দুপুরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের শামিম হোসেন (২৫) জানান, তিনিসহ ওই পাঁচ জেলে একটি ট্রলারে করে মাছ ধরতে যান। রাতে নদীতে জাল পেতে রেখে ট্রলার নোঙর করে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ধাক্কা ও বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে। মুহূর্তেই ট্রলারটি উল্টে গিয়ে তারা সবাই নদীতে ছিটকে পড়েন। পাঁচজনই সাঁতরে তীরে ওঠার চেষ্টা করলেও তিনি ছাড়া অন্য কোনো জেলে তীরে পৌঁছতে পারেননি। হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের বাথুয়ারচরসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শামিম বলেন, ‘ধারণা করছি, কোনো লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে গেছে। তবে নিশ্চিতভাবে দুর্ঘটনার কারণ বলতে পারছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা হারুন-অর রশিদ মৃধা জানান, রাতেই একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও চার জেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নৌ-পুলিশের কালীগঞ্জ স্টেশনের ইনচার্জ মো. এনামুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। হিজলার ইউএনও মো. ইলিয়াস সিকদার জানিয়েছেন, নৌ-পুলিশকে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল সমাজসেবা অফিসের আলোচিত দুই কর্মকর্তা উপ-পরিচালক একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সহকারি পরিচালক সাজ্জাদ পারভেজকে সংবর্ধনা দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২৬’ উপলক্ষে তাদের দুজনকে শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে মূল্যায়ন করায় মুক্তিযোদ্ধাদের তরফ থেকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জেলা এবং মহানগর ইউনিটের বীর মুক্তিযোদ্ধারা আয়োজন করে সোমবার তাদের ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন।
জানা গেছে, বিগত সময়ে একাধিকবার পুরস্কৃত বরিশাল সমাজসেবা অফিসের আলোচিত দুই কর্মকর্তা একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সাজ্জাদ পারভেজ ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২৬’ উপলক্ষে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচিত হন। কর্মক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় তাদের দুজনকে সমাজসেবা অধিদপ্তর এবারও পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।
আরও পড়ুন
কর্মক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখে প্রশংসিত বরিশাল সমাজসেবার দুই কর্মকর্তা
সরকারের তরফ থেকে পুরস্কারপ্রাপ্তির আগেই এই দুই কর্মকর্তার প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মান দেখালেন বরিশালের মুক্তিযোদ্ধারা। এই আয়োজনে অংশ নেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি নুরুল আলম ফরিদ, সদস্যসচিব ও বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুল হক আক্কাস, বীর মুক্তিযেদ্ধা মহসীন মোর্শেদ তালুকদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মর্তুজার রহমান মানিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নওশের আলী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল পন্ডিত প্রমুখ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, বরিশাল সমাজসেবার দুই কর্মকর্তা একেএম আখতারুজ্জামান তালুকদার এবং সাজ্জাদ পারভেজ সত্যিকার অর্থে প্রতিষ্ঠানটি থেকে আলো ছড়িয়েছেন। এতে হাজার হাজার মানুষ উদ্ভাসিত হয়েছেন। এই দুজন কর্মকর্তাকে শ্রেষ্ঠ অফিসার নির্বাচন করা বরিশালবাসীর জন্য গর্বের, সমাজসেবা অধিদপ্তরও সেটিই করেছে।
মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনায় তাপিত বরিশাল সমাজসেবা কর্মকর্তা সাজ্জাদ পারভেজ আগামী দিনগুলোতে সেবার পরিধি বর্ধিত করার ক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।’
বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে ৫-১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে সবধরনের সবজির দাম। এসব সবজি খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আরও বেশকিছু দিন সবজির দাম বেশি থাকবে। পরে আস্তে আস্তে কমবে।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ৮-১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি গত সপ্তাহে ১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২-১৫ টাকা, ফুলকপি গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ৭০-৭৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। করলা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা, শসা গত সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া গত ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা, লাউ গত সপ্তাহের দামে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, কাঁচাকলা হালি ২৫ টাকা, লেবু হালি ১২-১৫ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশ কিছু খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, শসা ৭০-৭৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ৩০ টাকা, লেবু হালি ১৫-২০ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ১৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা, ফুলকপি ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০-২৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ১৮০-২২০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা, মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা সবজির দাম কিছুটা বেশি হবে। কারণ পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে সবজি আনতে হয়। তার মধ্যে বৃষ্টির কারণে সবজায়গাতেই খরচ কিছুটা বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক মো. আমিন শুভ জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সবজির সরবরাহ কম, তাই দাম কিছুটা বেশি। কিছু দিনের মধ্যে সবজির দাম কমে আসবে। তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরো বেশি দামে বিক্রি করছে।
বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে ৫-১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে সবধরনের সবজির দাম। এসব সবজি খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আরও বেশকিছু দিন সবজির দাম বেশি থাকবে। পরে আস্তে আস্তে কমবে।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ৮-১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি গত সপ্তাহে ১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২-১৫ টাকা, ফুলকপি গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ৭০-৭৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। করলা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা, শসা গত সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া গত ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা, লাউ গত সপ্তাহের দামে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, কাঁচাকলা হালি ২৫ টাকা, লেবু হালি ১২-১৫ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশ কিছু খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, শসা ৭০-৭৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ৩০ টাকা, লেবু হালি ১৫-২০ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ১৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা, ফুলকপি ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০-২৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ১৮০-২২০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা, মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা সবজির দাম কিছুটা বেশি হবে। কারণ পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে সবজি আনতে হয়। তার মধ্যে বৃষ্টির কারণে সবজায়গাতেই খরচ কিছুটা বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক মো. আমিন শুভ জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সবজির সরবরাহ কম, তাই দাম কিছুটা বেশি। কিছু দিনের মধ্যে সবজির দাম কমে আসবে। তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরো বেশি দামে বিক্রি করছে।
মেঘনা নদীর বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা উপজেলার মধ্যবর্তী স্থানে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। জেলেদের ট্রলারে থাকা পাঁচজনের মধ্যে একজন প্রাণে বেঁচে ফিরলেও বাকি চারজনের এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পালপাড়া গ্রামের শাহীন মীর (১৭), আরিফ হোসেন (১৯), শাহীন (১৭) ও নয়ন (১৯)।
গতকাল দুপুরে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জেলে ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের শামিম হোসেন (২৫) জানান, তিনিসহ ওই পাঁচ জেলে একটি ট্রলারে করে মাছ ধরতে যান। রাতে নদীতে জাল পেতে রেখে ট্রলার নোঙর করে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে ধাক্কা ও বিকট শব্দে ঘুম ভাঙে। মুহূর্তেই ট্রলারটি উল্টে গিয়ে তারা সবাই নদীতে ছিটকে পড়েন। পাঁচজনই সাঁতরে তীরে ওঠার চেষ্টা করলেও তিনি ছাড়া অন্য কোনো জেলে তীরে পৌঁছতে পারেননি। হিজলা উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের বাথুয়ারচরসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শামিম বলেন, ‘ধারণা করছি, কোনো লঞ্চের ধাক্কায় ট্রলারটি ডুবে গেছে। তবে নিশ্চিতভাবে দুর্ঘটনার কারণ বলতে পারছি না।’
স্থানীয় বাসিন্দা হারুন-অর রশিদ মৃধা জানান, রাতেই একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও চার জেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নৌ-পুলিশের কালীগঞ্জ স্টেশনের ইনচার্জ মো. এনামুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে নিখোঁজ জেলেদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়েছে। হিজলার ইউএনও মো. ইলিয়াস সিকদার জানিয়েছেন, নৌ-পুলিশকে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২২:৩৬
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৪
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০১
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৬