
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৭
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।
নদীঘেরা বরিশাল বিভাগের মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নৌপথ। স্কুলে যাওয়া থেকে শুরু করে চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুর প্রধান ভরসা এই নদীপথই। কিন্তু সেই নৌপথই আজ হয়ে উঠেছে ভয়ংকর ঝুঁকির নাম। সেকেলে প্রযুক্তি, অদক্ষ চালক, অবৈধ বাল্কহেড, ডুবোচর ও শীতের ঘন কুয়াশা মিলিয়ে নৌযাত্রা প্রতিদিনই রূপ নিচ্ছে মরণফাঁদে।
সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বরিশাল বিভাগের নদীগুলোতে তিন শতাধিক নৌদুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় চারশ মানুষ।
পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে ৬৫টি দুর্ঘটনায় ১১০ জন, ২০২২ সালে ৬৪টি দুর্ঘটনায় ৬৮ জন,
২০২৩ সালে ৬২টি দুর্ঘটনায় ৬২ জন, ২০২৪ সালে ৫৫টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন এবং ২০২৫ সালে ৪৭টি দুর্ঘটনায় ৬৩ জন নিহত হয়েছেন।
নৌযানের চালক ও কর্মীদের ভাষ্য, অভ্যন্তরীণ নৌরুটের বড় একটি অংশ এখনো চলছে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রযুক্তিতে। অনেক ক্ষেত্রে দক্ষ চালকের পরিবর্তে অনভিজ্ঞ লোকজন দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে।
ঢাকা-বরিশাল নৌরুটের যাত্রীবাহী সুন্দরবন লঞ্চের মাস্টার মিজানুর রহমান জানান, রাতের নদীপথে সবচেয়ে বড় হুমকি বালু বোঝাই বাল্কহেড। শীতকালে নাব্যতা কমে যাওয়ার সঙ্গে ঘন কুয়াশা যোগ হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। নদীপথ নির্দেশনার বয়া অনেক জায়গায় অকেজো হয়ে আছে।
আরেকটি লঞ্চের সুকানী আল আমিন বলেন, দক্ষ চালকের অভাব নৌপথের অন্যতম বড় সমস্যা। অনেক চালকই নিয়ম মেনে প্রশিক্ষণ না নিয়ে অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স সংগ্রহ করেন। দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর প্রতিযোগিতাও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
লঞ্চ মালিকদের মতে, পদ্মা সেতু চালুর পর নৌপথে যাত্রীর সংখ্যা কমেছে। তবু বর্ষা ও শীত মৌসুমে ঝুঁকি বাড়লেও অনেক লঞ্চ বাধ্য হয়ে চলাচল করছে। অধিকাংশ নৌযানে নেই আধুনিক রাডার, ফগ লাইট বা উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থা। ফলে কুয়াশায় দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ে।
বিআইডব্লিউটিএ বরিশালের নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সলেমান জানান, সার্ভে ও অনুমোদন ছাড়া কোনো নৌযান চলার কথা নয়। তবে বাস্তবে নিয়ম ভাঙার ঘটনা রোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে।
বরিশাল নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার নাজমুল হক বলেন, সীমিত জনবল ও সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করলেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। তবে চালক ও মালিকপক্ষের সচেতনতা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট কাটানো কঠিন।
নদীর সঙ্গে লড়াই করেই বরিশালের মানুষ বাঁচে। কিন্তু সেই নদীপথেই যখন প্রতিদিন ঝরে যায় প্রাণ, তখন প্রশ্ন ওঠে আর কত মৃত্যু হলে নৌপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৫
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.