
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১০
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দীন মহারাজ, তার স্ত্রী উম্মে কুলসুম এবং ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় পিরোজপুরে মামলাগুলো দায়ের করা হয়। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে পিরোজপুর দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. জাকির হোসেন ও মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। মামলাগুলোর অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম। তদন্ত কর্মকর্তা পরে নিয়োগ করা হবে।
দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মো. মহিউদ্দীন মহারাজ তার নামে ১২২টি দলিলে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ক্রয় করেন। এসব স্থাবর সম্পদের মূল্য প্রায় ২৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।
এ ছাড়া ব্যাংকে সঞ্চয়, ব্যবসার মূলধন, কোম্পানির শেয়ার ক্রয় ও দুটি বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়সহ প্রায় ১৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এভাবে তার মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। একই সময়ে পারিবারিক ব্যয় হিসেবে পাওয়া যায় প্রায় ১২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয় মিলিয়ে তার সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৫৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে তার গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস পাওয়া গেছে, মাত্র ৩ কোটি ৫১ লাখ ৬৮ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৫১ কোটি ২৭ লাখ ৩২ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
এ ছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের একাধিক শাখার মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও বিনিয়োগের মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
দুদকের আরেক মামলায় মহিউদ্দীন মহারাজের স্ত্রী উম্মে কুলসুমের বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি ৫ লাখ, ৭২ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ২ কোটি ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ৬ কোটি ৯৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংকে সঞ্চয়, নগদ অর্থ ও ব্যবসার মূলধনসহ তার নামে উল্লেখযোগ্য অস্থাবর সম্পদের তথ্যও পাওয়া গেছে। ছেলে শাম্মাম জুনাইদ ইফতির বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
এর বিপরীতে তার গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া গেছে প্রায় ১ কোটি ৫১ লাখ ২৭ হাজার টাকা। ফলে প্রায় ১ কোটি ৯৫ লাখ ৫৩ হাজার টাকার সম্পদ অসংগতিপূর্ণ বলে দুদকের অনুসন্ধানে ওঠে এসেছে।
দুদক জানিয়েছে, ইফতি একজন ছাত্র হওয়ায় তার নিজস্ব আয়ের উৎস নেই। তার নামে থাকা সম্পদের বড় অংশই মহিউদ্দীন মহারাজের অবৈধ আয়ের অর্থ থেকে অর্জিত এবং অবৈধ সম্পদের উৎস গোপনের উদ্দেশ্যে তার নামে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
পিরোজপুরের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের পারমিশন পিটিশনের আদেশ অনুযায়ী মহিউদ্দীন মহারাজ ও স্ত্রী-ছেলের নামে থাকা স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ইতোমধ্যে ক্রোক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলার তদন্তে আরও সম্পদের তথ্য সামনে আসতে পারে। রাজনীতি ও ভুয়া প্রকল্পের আড়ালে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করে মহারাজ পরিবার বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছে কি না, তা তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারে অংশ নিয়ে কার্যাদেশ গ্রহণের পর কাজ না করেই প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদক পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে মহিউদ্দীন মহারাজ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ৮টি মামলা দায়ের করেন। সেসব মামলাও বর্তমানে তদন্তাধীন।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৭
সারাদেশের ন্যায় পিরোজপুরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। দিবস টি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিও অফিস উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান মামুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দীকী, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
সারাদেশের ন্যায় পিরোজপুরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। দিবস টি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিও অফিস উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান মামুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দীকী, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

০১ মে, ২০২৬ ১৭:৩৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা আধুনিক বহুতল বিপণিবিতান ‘ফিশ মার্কেট’ নির্মাণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে সরকার বছরে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে ‘ফিশ মার্কেট’ নামে পরিচিত এই আধুনিক মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় মাছ ও ফল ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ঢাকা-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা মহাসড়কের পাশে এবং ফুটপাতে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছেন। এতে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কেটটির মধ্যে মোট ৮৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতা ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একাধিকবার মার্কেটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে তা থেমে যায়। তিনি প্রায়ই পৌরসভার বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ মার্কেট চালুর লক্ষ্যে একটি নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে যানজট নিরসন এবং পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। অথচ মঠবাড়িয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে মাছ ও ফলের ব্যবসা চলছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্দিষ্ট স্থানে বসতে না পারায় প্রতিদিন তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযানে প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যেও সড়কের প্রতিটি দোকান থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে কারা এ অর্থ সংগ্রহ করছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চাননি।
তারা আরও জানান, মার্কেটটি চালুর দাবিতে একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। পৌরসভার শীর্ষ কর্মকর্তারাও একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজও মার্কেটটি খুলে দেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মার্কেটটি চালু করা হোক।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আকলিমা আক্তার বলেন, ‘মার্কেটটি উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি পরিচালনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই মার্কেটটি চালু হবে। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত হয়ে যানজট নিরসনসহ মানুষের ভোগান্তিও কমে আসবে।’
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘মার্কেট উদ্বোধনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি খুলে দেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা আধুনিক বহুতল বিপণিবিতান ‘ফিশ মার্কেট’ নির্মাণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে সরকার বছরে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে ‘ফিশ মার্কেট’ নামে পরিচিত এই আধুনিক মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় মাছ ও ফল ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ঢাকা-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা মহাসড়কের পাশে এবং ফুটপাতে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছেন। এতে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কেটটির মধ্যে মোট ৮৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতা ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একাধিকবার মার্কেটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে তা থেমে যায়। তিনি প্রায়ই পৌরসভার বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ মার্কেট চালুর লক্ষ্যে একটি নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে যানজট নিরসন এবং পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। অথচ মঠবাড়িয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে মাছ ও ফলের ব্যবসা চলছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্দিষ্ট স্থানে বসতে না পারায় প্রতিদিন তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযানে প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যেও সড়কের প্রতিটি দোকান থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে কারা এ অর্থ সংগ্রহ করছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চাননি।
তারা আরও জানান, মার্কেটটি চালুর দাবিতে একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। পৌরসভার শীর্ষ কর্মকর্তারাও একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজও মার্কেটটি খুলে দেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মার্কেটটি চালু করা হোক।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আকলিমা আক্তার বলেন, ‘মার্কেটটি উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি পরিচালনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই মার্কেটটি চালু হবে। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত হয়ে যানজট নিরসনসহ মানুষের ভোগান্তিও কমে আসবে।’
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘মার্কেট উদ্বোধনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি খুলে দেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.