
০১ মে, ২০২৬ ১৪:৩০
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।
ছবি- সংগৃহীত
উনিশ শতকের শেষের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে শিল্পায়ন দ্রুত এগোলেও শ্রমিকদের সুরক্ষার জন্য তেমন কোনো নিয়মকানুন ছিল না। ফলে সেই সময়ের শ্রমিকদের শোচনীয় মজুরি ও দীর্ঘ, ক্লান্তিকর কর্মঘণ্টা সহ্য করতে হতো। ১৮৮৬ সালের মে মাসে পরিস্থিতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে, যখন হাজার হাজার শ্রমিক দৈনিক কাজের সময় নির্দিষ্ট ও মানবিক সীমায় আনার দাবিতে শিকাগোর রাস্তায় নেমে আসে।
হেমার্কেট দাঙ্গার সময় একটি ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে, যা ব্যাপক দমনপীড়নের সূচনা করে। এতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারী—উভয় পক্ষেরই প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তীতে কয়েকজন শ্রমিক নেতা মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন, যা এই আন্দোলনকে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের এক শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত করে।
উত্তর আমেরিকায় তারিখ ভিন্ন কেন?
একটি বৈপরীত্য হলো, যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই আন্দোলনের সূচনা, সেই দেশেই ১ মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয় না। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা শ্রমিক দিবস হিসেবে সেপ্টেম্বরের প্রথম সোমবারকে বেছে নিয়েছে। এটি মূলত একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল জনগণকে ১৮৮৬ সালের তুলনামূলকভাবে সংগ্রামী শ্রমিক আন্দোলনের আদর্শ থেকে দূরে রাখা।
অন্যদিকে, ফ্রান্স বা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো দেশগুলো ১ মে-কে সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গ্রহণ করে, যেখানে বর্ণাঢ্য প্যারেড ও নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কিন্তু উত্তর আমেরিকায় এই তারিখটিকে দীর্ঘদিন ধরে তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের কর্মসংস্থান চ্যালেঞ্জ
বর্তমানে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসের আলোচনা নতুন এক বাস্তবতায় পৌঁছেছে। একবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে এসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, স্বয়ংক্রিয়তা এবং অনিশ্চিত কর্মসংস্থান শ্রমবাজারের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
যদিও আট ঘণ্টার কর্মদিবসের মতো ঐতিহাসিক অর্জন এখনো বিদ্যমান, তবুও মজুরির বৈষম্য এবং অনানুষ্ঠানিক কাজের বিস্তার নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। এসব সমস্যার সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত ও আধুনিক উদ্যোগ।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সম্পর্কিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অদ্ভুত দাবি ছড়িয়ে পড়েছে—যুক্তরাষ্ট্র নাকি ‘মেঘ চুরি’ করত, আর যুদ্ধের কারণে সেই কার্যক্রম এখন বন্ধ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সম্প্রতি ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি এক টিভি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, তুরস্ক ও ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি বিমান ব্যবহার করে মেঘ ধ্বংস বা সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানকে ঘিরে সংঘাতে ব্যস্ত থাকায় ইরাকে আবার বৃষ্টি ফিরেছে। যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এ বিষয়ে ইরাকের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মুখপাত্র আমের আল-জাবিরি স্পষ্টভাবে জানান, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে অযৌক্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে ইরাকে বেশি বৃষ্টিপাত হবে এমন পূর্বাভাস অনেক আগেই দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খাইকানি আবারও ‘বায়ুমণ্ডলীয় অস্ত্র’ ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারেননি। একই ধরনের দাবি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।
তুরস্কেও কিছু ব্যবহারকারী সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির সঙ্গে ইরান যুদ্ধের সম্পর্ক টানার চেষ্টা করছেন। অথচ সরকারি তথ্য বলছে, দেশটিতে গত কয়েক দশকের মধ্যে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা প্রাকৃতিক আবহাওয়ার অংশ হিসেবেই বিবেচিত।
এ ছাড়া ইরানের দীর্ঘস্থায়ী খরা নাকি হঠাৎ কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে এমন দাবিও ঘুরে বেড়াচ্ছে অনলাইনে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কাবে মাদানি বলেন, এসব গুজবের পেছনে মূলত মানুষের অবিশ্বাস এবং জলবায়ু সম্পর্কে সীমিত জ্ঞান কাজ করছে।
এই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ‘ক্লাউড সিডিং’ নামের একটি পদ্ধতির কথা। এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে বিদ্যমান মেঘে বিশেষ কণা ছড়িয়ে বৃষ্টিপাত বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এর প্রভাব খুবই সীমিত সাধারণত সর্বোচ্চ ১০–১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বাড়ানো সম্ভব।
আবুধাবির খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডায়ানা ফ্রান্সিস বলেন, এটি মূলত মেঘকে সামান্য ‘উদ্দীপিত’ করে, পুরো আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তিশালী নয়।
কিছু মানুষ মনে করেন, এক অঞ্চলে ক্লাউড সিডিং করলে পাশের এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের প্রভাবের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা সরাসরি আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত আবহাওয়ার পেছনে বড় কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
আইপিআইসির তথ্য অনুযায়ী, মানুষের কার্যকলাপজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে, এবং বৃষ্টিপাত আরও অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। কখনো দীর্ঘ খরা, আবার হঠাৎ ভারি বৃষ্টিতে বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
জর্ডানের এক গবেষক ড. এসরা তারাওনেহ বলেন, এসব কারণে মানুষের মধ্যে পানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আর এই অনিশ্চয়তার সুযোগেই নানা ষড়যন্ত্রমূলক ব্যাখ্যা সহজে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. সারা স্মিথের মতে, জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে মানুষ সহজ ব্যাখ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা প্রায়ই বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সম্পর্কিত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অদ্ভুত দাবি ছড়িয়ে পড়েছে—যুক্তরাষ্ট্র নাকি ‘মেঘ চুরি’ করত, আর যুদ্ধের কারণে সেই কার্যক্রম এখন বন্ধ। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসবের কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
সম্প্রতি ইরাকের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল-খাইকানি এক টিভি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, তুরস্ক ও ইরান অভিযোগ করেছে যে যুক্তরাষ্ট্র নাকি বিমান ব্যবহার করে মেঘ ধ্বংস বা সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ইরানকে ঘিরে সংঘাতে ব্যস্ত থাকায় ইরাকে আবার বৃষ্টি ফিরেছে। যদিও এসব দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।
এ বিষয়ে ইরাকের আবহাওয়া অধিদপ্তরের মুখপাত্র আমের আল-জাবিরি স্পষ্টভাবে জানান, এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে অযৌক্তিক। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালে ইরাকে বেশি বৃষ্টিপাত হবে এমন পূর্বাভাস অনেক আগেই দেওয়া হয়েছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-খাইকানি আবারও ‘বায়ুমণ্ডলীয় অস্ত্র’ ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারেননি। একই ধরনের দাবি সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্নভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।
তুরস্কেও কিছু ব্যবহারকারী সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির সঙ্গে ইরান যুদ্ধের সম্পর্ক টানার চেষ্টা করছেন। অথচ সরকারি তথ্য বলছে, দেশটিতে গত কয়েক দশকের মধ্যে এ বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা প্রাকৃতিক আবহাওয়ার অংশ হিসেবেই বিবেচিত।
এ ছাড়া ইরানের দীর্ঘস্থায়ী খরা নাকি হঠাৎ কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে গেছে এমন দাবিও ঘুরে বেড়াচ্ছে অনলাইনে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের পানি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কাবে মাদানি বলেন, এসব গুজবের পেছনে মূলত মানুষের অবিশ্বাস এবং জলবায়ু সম্পর্কে সীমিত জ্ঞান কাজ করছে।
এই আলোচনায় বারবার উঠে আসছে ‘ক্লাউড সিডিং’ নামের একটি পদ্ধতির কথা। এটি এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে বিদ্যমান মেঘে বিশেষ কণা ছড়িয়ে বৃষ্টিপাত বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ এই পদ্ধতি ব্যবহার করে। তবে বিজ্ঞানীদের মতে, এর প্রভাব খুবই সীমিত সাধারণত সর্বোচ্চ ১০–১৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত বাড়ানো সম্ভব।
আবুধাবির খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডায়ানা ফ্রান্সিস বলেন, এটি মূলত মেঘকে সামান্য ‘উদ্দীপিত’ করে, পুরো আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করার মতো শক্তিশালী নয়।
কিছু মানুষ মনে করেন, এক অঞ্চলে ক্লাউড সিডিং করলে পাশের এলাকায় বৃষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এ ধরনের প্রভাবের কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বর্তমানে এমন কোনো প্রযুক্তি নেই যা সরাসরি আবহাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বরং মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত আবহাওয়ার পেছনে বড় কারণ হলো জলবায়ু পরিবর্তন।
আইপিআইসির তথ্য অনুযায়ী, মানুষের কার্যকলাপজনিত জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে তাপপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী ও তীব্র হচ্ছে, এবং বৃষ্টিপাত আরও অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। কখনো দীর্ঘ খরা, আবার হঠাৎ ভারি বৃষ্টিতে বন্যার মতো পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।
জর্ডানের এক গবেষক ড. এসরা তারাওনেহ বলেন, এসব কারণে মানুষের মধ্যে পানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। আর এই অনিশ্চয়তার সুযোগেই নানা ষড়যন্ত্রমূলক ব্যাখ্যা সহজে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ড. সারা স্মিথের মতে, জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে মানুষ সহজ ব্যাখ্যার দিকে ঝুঁকে পড়ে, যা প্রায়ই বাস্তবতা থেকে দূরে থাকে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে এরই মধ্যে নতুন করে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গতকাল সোমবার আচমকা পাকিস্তানের বিমান হামলায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সীমান্তে। এই হামলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি কেঁপে ওঠে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা ৮৫।
তালেবান প্রশাসনের দাবি, চীনের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার পর এটাই পাকিস্তানের প্রথম বড় ধরনের হামলা। গত অক্টোবর থেকে দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছিল। কিছুদিন পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ফেব্রুয়ারি থেকে আবার নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে।
তালেবান মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের আসাদাবাদে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর এবং ‘সৈয়দ জামালউদ্দিন আফগানি বিশ্ববিদ্যালয়’কে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে আফগানিস্তান।
আহতদের মধ্যে বহু মহিলা, শিশু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন। দেশটির উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, অন্তত ৩০ জন ছাত্র ও শিক্ষক এই হামলায় আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, তালেবানের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’। তাদের দাবি, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে এবং কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়নি।
উল্লেখ্য, তুরস্কসহ একাধিক দেশের উদ্যোগে ঈদের সময় দুই দেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এর আগে কাবুলে পাকিস্তানের এক হামলায় ৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
বরিশাল টাইমস
ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। তবে এরই মধ্যে নতুন করে আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গতকাল সোমবার আচমকা পাকিস্তানের বিমান হামলায় ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে সীমান্তে। এই হামলায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি কেঁপে ওঠে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছেন এবং আহতের সংখ্যা ৮৫।
তালেবান প্রশাসনের দাবি, চীনের মধ্যস্থতায় শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার পর এটাই পাকিস্তানের প্রথম বড় ধরনের হামলা। গত অক্টোবর থেকে দুই দেশের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছিল। কিছুদিন পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ফেব্রুয়ারি থেকে আবার নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করে।
তালেবান মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানিয়েছেন, কুনার প্রদেশের আসাদাবাদে সাধারণ মানুষের বাড়িঘর এবং ‘সৈয়দ জামালউদ্দিন আফগানি বিশ্ববিদ্যালয়’কে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এই ঘটনাকে ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেছে আফগানিস্তান।
আহতদের মধ্যে বহু মহিলা, শিশু এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন। দেশটির উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, অন্তত ৩০ জন ছাত্র ও শিক্ষক এই হামলায় আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য, তালেবানের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’। তাদের দাবি, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়েছে এবং কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়নি।
উল্লেখ্য, তুরস্কসহ একাধিক দেশের উদ্যোগে ঈদের সময় দুই দেশ সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এর আগে কাবুলে পাকিস্তানের এক হামলায় ৪০০-র বেশি মানুষের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে।
বরিশাল টাইমস

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস
ইরানের নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে কঠোর মন্তব্য করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ ম্যার্ৎস।
সোমবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, তেহরান মার্কিন কর্মকর্তাদের আলোচনার অজুহাতে পাকিস্তানে নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ধরনের ফলাফল ছাড়াই তাদের খালি হাতে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সামনে এই যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার কোনো কার্যকর পথ তিনি দেখছেন না।
জার্মানির নর্থ রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের মার্সবার্গ শহরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলাপকালে ম্যার্ৎস বলেন, ‘ইরানিরা আলোচনায় খুবই দক্ষ, অথবা বলা যায় আলোচনা না করার কৌশলে তারা বেশি পারদর্শী। তারা আমেরিকানদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিয়ে যাচ্ছে এবং কোনো ফল ছাড়াই ফিরিয়ে দিচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি পুরো জাতি (যুক্তরাষ্ট্র) ইরানি নেতৃত্ব, বিশেষ করে তাদের রেভল্যুশনারি গার্ডসের হাতে অপমানিত হচ্ছে। আমি আশা করি এই পরিস্থিতির দ্রুত অবসান ঘটবে।’
ইউক্রেনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও ইউরোপের সম্পর্ক আগে থেকেই টানাপড়েনে ছিল। ইরান যুদ্ধ সেই দূরত্বকে আরও বাড়িয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ন্যাটো মিত্রদের সমালোচনা করে বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে তারা নৌবাহিনী পাঠিয়ে সহযোগিতা করছে না।
যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি বর্তমানে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নজিরবিহীন অস্থিরতা তৈরি করেছে।
জার্মান চ্যান্সেলর ম্যার্ৎস আরও স্মরণ করিয়ে দেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানে হামলা শুরু করে, তখন জার্মানি বা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে কোনো পরামর্শ করা হয়নি।
তিনি জানান, হামলার পরপরই তিনি ট্রাম্পকে এ বিষয়ে তার সংশয়ের কথা জানিয়েছিলেন।
বর্তমান পরিস্থিতিকে ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘যদি জানতাম পরিস্থিতি পাঁচ-ছয় সপ্তাহ ধরে এভাবে চলবে এবং ক্রমেই খারাপ হবে, তাহলে আমি ট্রাম্পকে আরও জোরালোভাবে হামলা না করার কথা বলতাম।’
সম্প্রতি ট্রাম্প তার দুই বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের ইসলামাবাদ সফর বাতিল করার পর শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
অন্যদিকে, পাকিস্তান ও ওমানে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সোমবার রাশিয়া সফরে যান।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন পাতা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যার্ৎস। তিনি বলেন, ‘আমরা ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে জার্মানির মাইনসুইপার জাহাজ পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছি, যাতে জলপথটি পরিষ্কার করা যায়।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই যুদ্ধের কারণে জার্মানিকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা করদাতাদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে এবং দেশের অর্থনৈতিক শক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.