
১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:৩১
আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএর) নিবিড় তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তার শর্ত পূরণ করে চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পের পূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা সফলভাবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) অপারেশন টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান।
প্রকল্প সূত্র জানায়, বর্তমানে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা জাতীয় গ্রিড থেকে রূপপুর সাইটে বিদ্যুৎ গ্রহণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা কমিশনিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ এনে সাইটের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিস্টেমের স্থিতিশীল অপারেশন প্রমাণ করছে যে ভবিষ্যতে রূপপুর কেন্দ্র নিজস্ব উৎপাদিত বিদ্যুৎ ও একই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে। অর্থাৎ যে নেটওয়ার্ক এখন গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিচ্ছে, ভবিষ্যতে সেই নেটওয়ার্ক দিয়েই দেশকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ দেবে কেন্দ্রটি।
এই দ্বৈত সক্ষমতা পুরো প্রকল্পকে আরো শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।
এনসিপিবিএল-এর উপপরিচালক ড.খালেকুজ্জামান জানান, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের কমিশনিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে Power Evacuation সংশ্লিষ্ট তিনটি ফ্যাসিলিটি - 00UAB: ৪০০ কেভি জিআইএস Building, 00UAB: ২৩০ কেভি জিআইএস Building এবং 00UAG: অটোট্রান্সফরমার ষ্ট্রাকচার টেম্পোরারি অপারেশনের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। টেম্পোরারি অপারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে ফ্যাসিলিটিগুলোর সব সিস্টেমের Individual Testing I পরিদর্শন যথাযথ কমিশনিং প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়।
তিনি আরো জানান, টেম্পোরারি অপারেশন গ্রহণের পূর্বে টেষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী যেসব কার্যক্রম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছেঃ ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি জিআইএস-এর সকল ইন্ডিভিজুয়াল টেস্টিং, ইন্টারলক, প্রোটেকশন ও কন্ট্রোল সিস্টেম টেস্টিং; দুটি অটোট্রান্সফরমারের ইন্সটলেশন রেজিটেন্স, রেশিও টেস্ট, উইন্ডিং রেজিটেন্স, OLTC ফাংশোনালিটি, Relay প্রটেকশন, ইন্টারলক জিইএস কন্ট্রোল সিস্টেম পরীক্ষা; পাওয়ার সাপ্লাই, ভেন্টিলেশন, Instrumentation & Control, ফায়ার ডিটেনশন জিইএস, ওয়াটার-ফায়ার Extinguishing System-এর কার্যকারিতা পরীক্ষা; অবশিষ্ট কাজ শনাক্তকরণ করে Punch List প্রস্তুতকরণ এবং Elimination Deadline নির্ধারণ।
সমস্ত পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় ফ্যাসিলিটিগুলো টেম্পোরারি অপারেশনের জন্য গ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয় বলে জানান তিনি।
অপারেশনাল ব্যবস্থাপনায় ৫টি শিফটে মোট ২০ জন জনবল নিয়োজিত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিফটে রিয়েল-টাইম সিস্টেম মনিটরিং, ওয়াকডাউন, সুইচিং অপারেশন, গ্যাস প্রেসার ও ট্রান্সফরমার প্যারামিটার যাচাই, অ্যালার্ম স্ট্যাটাস পর্যবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডের NLDC-এর নির্দেশনা অনুযায়ী পাওয়ার সরবরাহ ও গ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ড. খালেকুজ্জামান জানান, টেম্পোরারি অপারেশন চলাকালে সব সিস্টেম ও সরঞ্জাম স্থিতিশীলভাবে চলছে এবং কোনো উল্লেখযোগ্য অপারেশনাল সমস্যা পরিলক্ষিত হয়নি। সকল প্রোটেকশন, কন্ট্রোল ও সুইচিং সিস্টেম প্রত্যাশিত মান বজায় রেখেছে। শিফট লগ, ইভেন্ট রেকর্ড ও দৈনিক রিপোর্ট যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
এনপিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, এ বছর রূপপুর প্রকল্পে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর Pre-OSART Mission সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। এসব মূল্যায়নে কেন্দ্রের নিরাপত্তা, প্রস্তুতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উত্তীর্ণ হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সব মূল্যায়নে ইতিবাচক সাফল্যের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপে অগ্রসর হচ্ছে। জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রটি এনপিসিবিএল অপারেশন টিমের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রাশিয়ার পারমাণবিক অপারেটিং সংস্থা Concern RosenergoAtom প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে।
তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সফল অপারেশন, একের পর এক ইতিবাচক আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পরিদর্শন এবং জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে কেন্দ্রটি এখন বাংলাদেশের শক্তি নিরাপত্তার এক নতুন আশার প্রতীক। অপারেটরদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ সরবরাহকে আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল করে তুলবে।
আন্তর্জাতিক নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএর) নিবিড় তত্ত্বাবধানে নিরাপত্তার শর্ত পূরণ করে চূড়ান্ত ধাপে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রকল্পের পূর্ণ বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা সফলভাবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (এনপিসিবিএল) অপারেশন টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান।
প্রকল্প সূত্র জানায়, বর্তমানে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা জাতীয় গ্রিড থেকে রূপপুর সাইটে বিদ্যুৎ গ্রহণের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা কমিশনিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। প্রতিদিন জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ এনে সাইটের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিস্টেমের স্থিতিশীল অপারেশন প্রমাণ করছে যে ভবিষ্যতে রূপপুর কেন্দ্র নিজস্ব উৎপাদিত বিদ্যুৎ ও একই নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবে। অর্থাৎ যে নেটওয়ার্ক এখন গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ নিচ্ছে, ভবিষ্যতে সেই নেটওয়ার্ক দিয়েই দেশকে পারমাণবিক বিদ্যুৎ দেবে কেন্দ্রটি।
এই দ্বৈত সক্ষমতা পুরো প্রকল্পকে আরো শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে।
এনসিপিবিএল-এর উপপরিচালক ড.খালেকুজ্জামান জানান, রূপপুর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্টের কমিশনিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে Power Evacuation সংশ্লিষ্ট তিনটি ফ্যাসিলিটি - 00UAB: ৪০০ কেভি জিআইএস Building, 00UAB: ২৩০ কেভি জিআইএস Building এবং 00UAG: অটোট্রান্সফরমার ষ্ট্রাকচার টেম্পোরারি অপারেশনের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। টেম্পোরারি অপারেশনে অন্তর্ভুক্ত করার পূর্বে ফ্যাসিলিটিগুলোর সব সিস্টেমের Individual Testing I পরিদর্শন যথাযথ কমিশনিং প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন করা হয়।
তিনি আরো জানান, টেম্পোরারি অপারেশন গ্রহণের পূর্বে টেষ্ট প্রোগ্রাম অনুযায়ী যেসব কার্যক্রম কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছেঃ ৪০০ কেভি ও ২৩০ কেভি জিআইএস-এর সকল ইন্ডিভিজুয়াল টেস্টিং, ইন্টারলক, প্রোটেকশন ও কন্ট্রোল সিস্টেম টেস্টিং; দুটি অটোট্রান্সফরমারের ইন্সটলেশন রেজিটেন্স, রেশিও টেস্ট, উইন্ডিং রেজিটেন্স, OLTC ফাংশোনালিটি, Relay প্রটেকশন, ইন্টারলক জিইএস কন্ট্রোল সিস্টেম পরীক্ষা; পাওয়ার সাপ্লাই, ভেন্টিলেশন, Instrumentation & Control, ফায়ার ডিটেনশন জিইএস, ওয়াটার-ফায়ার Extinguishing System-এর কার্যকারিতা পরীক্ষা; অবশিষ্ট কাজ শনাক্তকরণ করে Punch List প্রস্তুতকরণ এবং Elimination Deadline নির্ধারণ।
সমস্ত পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক হওয়ায় ফ্যাসিলিটিগুলো টেম্পোরারি অপারেশনের জন্য গ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয় বলে জানান তিনি।
অপারেশনাল ব্যবস্থাপনায় ৫টি শিফটে মোট ২০ জন জনবল নিয়োজিত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শিফটে রিয়েল-টাইম সিস্টেম মনিটরিং, ওয়াকডাউন, সুইচিং অপারেশন, গ্যাস প্রেসার ও ট্রান্সফরমার প্যারামিটার যাচাই, অ্যালার্ম স্ট্যাটাস পর্যবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডের NLDC-এর নির্দেশনা অনুযায়ী পাওয়ার সরবরাহ ও গ্রহণ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
ড. খালেকুজ্জামান জানান, টেম্পোরারি অপারেশন চলাকালে সব সিস্টেম ও সরঞ্জাম স্থিতিশীলভাবে চলছে এবং কোনো উল্লেখযোগ্য অপারেশনাল সমস্যা পরিলক্ষিত হয়নি। সকল প্রোটেকশন, কন্ট্রোল ও সুইচিং সিস্টেম প্রত্যাশিত মান বজায় রেখেছে। শিফট লগ, ইভেন্ট রেকর্ড ও দৈনিক রিপোর্ট যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হচ্ছে।
এনপিসিবিএল-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসান জানান, এ বছর রূপপুর প্রকল্পে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা (IAEA)-এর Pre-OSART Mission সহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। এসব মূল্যায়নে কেন্দ্রের নিরাপত্তা, প্রস্তুতি ও অপারেশনাল সক্ষমতা আন্তর্জাতিক মানে উত্তীর্ণ হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সব মূল্যায়নে ইতিবাচক সাফল্যের ফলে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ধাপে অগ্রসর হচ্ছে। জ্বালানি লোডিং সম্পন্ন হওয়ার পর কেন্দ্রটি এনপিসিবিএল অপারেশন টিমের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে রাশিয়ার পারমাণবিক অপারেটিং সংস্থা Concern RosenergoAtom প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে।
তিনি বলেন, রূপপুর প্রকল্পের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার সফল অপারেশন, একের পর এক ইতিবাচক আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পরিদর্শন এবং জ্বালানি লোডিংয়ের প্রস্তুতি—সব মিলিয়ে কেন্দ্রটি এখন বাংলাদেশের শক্তি নিরাপত্তার এক নতুন আশার প্রতীক। অপারেটরদের বাস্তব অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ সরবরাহকে আরও নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্থিতিশীল করে তুলবে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৪
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশাল টাইমস

১২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩০
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর গ্রামের একটি পাঞ্জেগানা মসজিদে এশার আজান দেওয়ার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ইমামের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে এ ঘটনা ঘটে। আল্লাহর ঘরে মুসল্লিদের নামাজের আহ্বান জানাতে গিয়ে তাঁর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের ঘটনায় এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জানা যায়, উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপিনাথপুর কাজীবাড়ি এলাকার মরহুম শামসুল আলমের ছেলে মাওলানা মো. আমিনুল ইসলাম দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে স্থানীয় মাস্টারবাড়ি পাঞ্জেগানা মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। পাশাপাশি তিনি প্রায় এক দশক ধরে কণ্ঠনগর দক্ষিণপাড়া দারুল সুন্নাহ তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল ইসলাম ও বর্তমান ইউপি সদস্য আবু জাহের সাংবাদিকদের জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও তিনি এশার নামাজের আজান দিচ্ছিলেন। আজানের একপর্যায়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মসজিদের ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। পরে উপস্থিত মুসল্লিরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম রব্বানী সোহেল পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাওলানা আমিনুল ইসলাম ছিলেন অত্যন্ত সাদাসিধে, বিনয়ী, ধর্মপ্রাণ ও সবার প্রিয় একজন আলেম। তাঁর ইমামতি, দ্বীনি শিক্ষা ও নৈতিক আদর্শ এলাকার মানুষের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত ছিল। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে মুসল্লি, শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) বাদ জোহর কণ্ঠনগর গ্রামে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন নিহতের স্ত্রীর ভাই ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক নাজির মাহমুদ নছির।
আজানরত অবস্থায় একজন ইমামের মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয় মুসল্লি, আলেম-ওলামা ও সর্বস্তরের মানুষ তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।’
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৭
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪২
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:০৩
১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৯