
১২ জুলাই, ২০২৫ ১২:২৩
চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের কাছে নৃশংস হত্যকান্ডের শিকার লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের (৩৯) বাড়ি বরগুনায় চলছে স্বজনদের আহাজারি।
একদিকে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী লাকি বেগম। অপরদিকে ১০ বছরের ছেলে সোহান ও ১৪ বছরের মেয়ে সোহানাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা জানা নেই তার। এ ঘটনায় বরগুনা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা থেকে নিহত লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের মরদেহ বরগুনায় নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর নামক এলাকায় তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বয়স যখন মাত্র ৭ মাস তখন বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তার বাবা আইউব আলীর। এরপর জীবিকার তাগিদে মা আলেয়া বেগম শিশু সোহাগ ও তার আরও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বরগুনা ছেড়ে রাজধানী ঢাকায় পাড়ি দেন। ওই সময় থেকেই সোহাগ ঢাকায় বসবাস করতেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মিডফোর্ডে মেসার্স সোহানা মেটাল নামের একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিমাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করেই অভিযুক্তদের সঙ্গে দন্ধ শুরু হয় তার।
চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এক সময় সোহাগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধও করে অভিযুক্তরা। এরপর বুধবার বিকেলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে সোহাগকে আটকে রেখে দফায় দফায় চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এতেও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে পাথর মেরে হত্যা করা হয় বলে জানান স্বজনরা। নিহত সোহাগ তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকার জিঞ্জিরা কদমতলী কেরানিগঞ্জ মডেল টাউন নামক এলাকায় বসবাস করতেন।
নিহত সোহাগের মেয়ে সোহানা ও ছেলে সোহান বলেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা এখন এতিম হয়ে গেছি, আমরা এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। বাবাকে যারা হত্যা করেছে আমরা তাদের বিচার চাই।
সোহাগের বোন ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার ভাই প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে ব্যবসা করছিলেন। প্রতি মাসে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এছাড়াও তার ব্যবসাটাও নিয়ে নিতে চেয়েছেন অভিযুক্তরা। তবে আমার ভাই তাদেরকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তারা আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যা করে।”
সোহাগের মামা মোঃ মন্টু মিয়া বলেন, “সোহাগ অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে মারা হয়েছে ওইভাবে কোনো পশুর সঙ্গেও কেউ আচরণ করেনা। যারা এ ধরনের কাজ করেছে, আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ফাঁসি চাই।
নিহত সোহাগের স্ত্রী লাকি বেগম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমার স্বামীর দোকান থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন হত্যাকারীরা। আমার স্বামীর ব্যবসা তাদের সহ্য হচ্ছিল না। তারা প্রতি মাসে দুই লাখ করে টাকা চাইছিল। আমার স্বামী তা দিতে চায়নি। আর এ কারণেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছে তাকে।”
চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের কাছে নৃশংস হত্যকান্ডের শিকার লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের (৩৯) বাড়ি বরগুনায় চলছে স্বজনদের আহাজারি।
একদিকে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী লাকি বেগম। অপরদিকে ১০ বছরের ছেলে সোহান ও ১৪ বছরের মেয়ে সোহানাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা জানা নেই তার। এ ঘটনায় বরগুনা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা থেকে নিহত লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের মরদেহ বরগুনায় নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর নামক এলাকায় তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বয়স যখন মাত্র ৭ মাস তখন বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তার বাবা আইউব আলীর। এরপর জীবিকার তাগিদে মা আলেয়া বেগম শিশু সোহাগ ও তার আরও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বরগুনা ছেড়ে রাজধানী ঢাকায় পাড়ি দেন। ওই সময় থেকেই সোহাগ ঢাকায় বসবাস করতেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মিডফোর্ডে মেসার্স সোহানা মেটাল নামের একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিমাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করেই অভিযুক্তদের সঙ্গে দন্ধ শুরু হয় তার।
চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এক সময় সোহাগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধও করে অভিযুক্তরা। এরপর বুধবার বিকেলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে সোহাগকে আটকে রেখে দফায় দফায় চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এতেও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে পাথর মেরে হত্যা করা হয় বলে জানান স্বজনরা। নিহত সোহাগ তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকার জিঞ্জিরা কদমতলী কেরানিগঞ্জ মডেল টাউন নামক এলাকায় বসবাস করতেন।
নিহত সোহাগের মেয়ে সোহানা ও ছেলে সোহান বলেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা এখন এতিম হয়ে গেছি, আমরা এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। বাবাকে যারা হত্যা করেছে আমরা তাদের বিচার চাই।
সোহাগের বোন ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার ভাই প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে ব্যবসা করছিলেন। প্রতি মাসে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এছাড়াও তার ব্যবসাটাও নিয়ে নিতে চেয়েছেন অভিযুক্তরা। তবে আমার ভাই তাদেরকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তারা আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যা করে।”
সোহাগের মামা মোঃ মন্টু মিয়া বলেন, “সোহাগ অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে মারা হয়েছে ওইভাবে কোনো পশুর সঙ্গেও কেউ আচরণ করেনা। যারা এ ধরনের কাজ করেছে, আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ফাঁসি চাই।
নিহত সোহাগের স্ত্রী লাকি বেগম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমার স্বামীর দোকান থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন হত্যাকারীরা। আমার স্বামীর ব্যবসা তাদের সহ্য হচ্ছিল না। তারা প্রতি মাসে দুই লাখ করে টাকা চাইছিল। আমার স্বামী তা দিতে চায়নি। আর এ কারণেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছে তাকে।”

২৬ মে, ২০২৬ ১৪:৪১
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।
বরগুনার পাথরঘাটায় ঘূর্ণিঝড় রিমালের তাণ্ডবের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কাটেনি ক্ষতচিহ্ন। ভাঙা বেড়িবাঁধ, লবণাক্ত জমি, ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ি আর জীবিকা সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন উপকূলের হাজারো মানুষ।
পুর্বে বিষখালী, পশ্চিমে সুন্দরবন সংলগ্ন বলেশ্বর নদী আর দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। বিষখালী ও বলেশ্বর বেষ্টিত পাথরঘাটা উপজেলা। যেখানে প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়েই থাকেন এখানকার বাসিন্দারা।
ঘূর্ণিঝড় 'রেমাল' হলো ২০২৪ সালের মে মাসে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। এটি ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে ২৭ মে সকাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূল অতিক্রম করে। ঘূর্ণিঝড় রিমালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পাথরঘাটার কয়েকটি উপকূলীয় ইউনিয়ন। জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ এলাকা। ভেঙে যায় বেড়িবাঁধ, পানিবন্দি হয়ে পড়ে শত শত পরিবার। মাছের ঘের, কৃষিজমি ও বসতঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়। সুপেয় পানির সংকট হয় তীব্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দুই বছরেও অনেক পরিবার ঘর মেরামত করতে পারেনি। অনেকের জমিতে এখনো লবণাক্ততার কারণে ফসল ফলছে না। নদীভাঙনের আতঙ্কও রয়েই গেছে।
পাথরঘাটার চরদুয়ানি ইউনিয়নের বলেশ্বর নদী সংলগ্ন দক্ষিন চরদুয়ানী গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, “রিমাল আমাদের সব শেষ করে দিয়েছে। এখনো ঋণ করে সংসার চালাতে হচ্ছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। আজও ঘর ঠিক করতে পারিনি।”
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের চরলাঠিমারা গ্রামের ইদ্রিস মিয়া বলেন, রিমালের ক্ষতি যার হয়নি সে বুঝবেনা কষ্ট কতটা। রিমালে আমাদের এখানে বেড়িবাঁধ ভেঙে তলিয়ে যায় অসংখ্য ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। লবনাক্ত পানি ঢুকে কৃষি জমিতে মনে হয় আজও লবন রয়ে গেছে। কৃষি জমিতে ফলন ভালো হচ্ছেনা।
স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনএসএস'র নির্বাহী পরিচালক সাহাবুদ্দিন পান্না বলেন, ঘূর্নিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তাৎক্ষণিক সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং দীর্ঘদিন সুপেয় পানি সরবরাহ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় এমনিতেই সুপেয় পানির সংকট থাকে তারপর আবার ঘূর্নিঝড়ের সময় আরও তীব্র হয়। সুপেয় পানি সংকটে সরকারি-বেসরকারিভাবে সমন্বিত উদ্যোগ দরকার যা হতে হবে স্থায়ী।
বরগুনার আরডিএফ'র পরিচালক এনামুল হোসেন বলেন, রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের কয়েকশ পরিবারকে টয়লেট এবং শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা বেশি বেড়িবাঁধ সংলগ্ন। এ ক্ষেত্রে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা দরকার।
উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, সিডর থেকে শুরু করে বিগত দিনের যতগুলো ঘূর্ণিঝড় বা জলোচ্ছ্বাস হয়েছে তার চেয়ে বেশি সময় ধরে উপকূলে পানি স্থায়ী রয়েছে। যে পানি ছিলো লবনাক্ত তাতে উপকূলের ফসল ও ফসলের মাটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষকরা যে ক্ষতি আজও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, একটি রাষ্ট্র বা দেশকে স্থায়ীভাবে টেকসই করতে হলে উপকূলকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য উপকূলের বেরিবাঁধ, উপকূলের বনায়ন টেকসই করার বিকল্প নেই।

২৫ মে, ২০২৬ ১৪:৩৭
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার চারবারের সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আকনকে (৭৮) গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৪ মে) রাত ২টার দিকে পাথরঘাটা পৌর শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বরগুনা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তাকে বরগুনা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আনোয়ার হোসেন আকন আত্মগোপনে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে পাথরঘাটা পৌরসভার ঠিকাদারি কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পাথরঘাটা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তিনটি মামলা রয়েছে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থার তদন্তাধীন আছে। দুজন ঠিকাদার তার বিরুদ্ধে মামলাগুলো দায়ের করেন।
বরগুনা সদর থানার ওসি আব্দুল আলিম জানান, সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন বর্তমানে বরগুনা সদর থানায় পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে। এদিকে সাবেক মেয়রকে আটকের ঘটনা পাথরঘাটার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

২২ মে, ২০২৬ ১৪:২৮
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
বরগুনায় অবৈধভাবে গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের সময় দুটি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের অভিযানে ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়। এ সময় প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয় একটি নদীতে উদ্ধারকৃত ওই পোনা অবমুক্ত করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলার পৌর বাস টার্মিনাল-সংলগ্ন এলাকা থেকে রেণু পোনার ওই ট্রাক দুটি জব্দ করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই বরগুনার বিভিন্ন রুট ব্যবহার করে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহন করছিলেন কিছু অসাধু চক্র। ওই চক্রগুলোকে ধরতে গোপনে বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি শুরু করেন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) সদস্যরা।
পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনার পৌর বাস টার্মিনাল এলাকায় দুটি ট্রাকে অবৈধভাবে চিংড়ির রেণু পোনা পরিবহনের খবর জানতে পায় তারা।
বিষয়টি জেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ১ কোটি টাকা মূল্যের ২২৭ ড্রাম রেণু পোনা উদ্ধার করা হয়।
পরে উদ্ধারকৃত রেণু পোনা বরগুনার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকার বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তবে এ সময় জড়িত কাউকে আটক করতে না পারলেও ট্রাকের দুই চালককে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত আমাদে মৎস্য অভিযান চলমান রয়েছে। জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে এসব অভিযান চলছে।
এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকার অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে উদ্ধারকৃত রেণু পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স আমরা পাইনি। অভিযানে আটক দুই ট্রাক চালকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.