
১২ জুলাই, ২০২৫ ১২:২৩
চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের কাছে নৃশংস হত্যকান্ডের শিকার লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের (৩৯) বাড়ি বরগুনায় চলছে স্বজনদের আহাজারি।
একদিকে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী লাকি বেগম। অপরদিকে ১০ বছরের ছেলে সোহান ও ১৪ বছরের মেয়ে সোহানাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা জানা নেই তার। এ ঘটনায় বরগুনা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা থেকে নিহত লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের মরদেহ বরগুনায় নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর নামক এলাকায় তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বয়স যখন মাত্র ৭ মাস তখন বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তার বাবা আইউব আলীর। এরপর জীবিকার তাগিদে মা আলেয়া বেগম শিশু সোহাগ ও তার আরও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বরগুনা ছেড়ে রাজধানী ঢাকায় পাড়ি দেন। ওই সময় থেকেই সোহাগ ঢাকায় বসবাস করতেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মিডফোর্ডে মেসার্স সোহানা মেটাল নামের একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিমাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করেই অভিযুক্তদের সঙ্গে দন্ধ শুরু হয় তার।
চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এক সময় সোহাগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধও করে অভিযুক্তরা। এরপর বুধবার বিকেলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে সোহাগকে আটকে রেখে দফায় দফায় চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এতেও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে পাথর মেরে হত্যা করা হয় বলে জানান স্বজনরা। নিহত সোহাগ তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকার জিঞ্জিরা কদমতলী কেরানিগঞ্জ মডেল টাউন নামক এলাকায় বসবাস করতেন।
নিহত সোহাগের মেয়ে সোহানা ও ছেলে সোহান বলেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা এখন এতিম হয়ে গেছি, আমরা এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। বাবাকে যারা হত্যা করেছে আমরা তাদের বিচার চাই।
সোহাগের বোন ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার ভাই প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে ব্যবসা করছিলেন। প্রতি মাসে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এছাড়াও তার ব্যবসাটাও নিয়ে নিতে চেয়েছেন অভিযুক্তরা। তবে আমার ভাই তাদেরকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তারা আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যা করে।”
সোহাগের মামা মোঃ মন্টু মিয়া বলেন, “সোহাগ অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে মারা হয়েছে ওইভাবে কোনো পশুর সঙ্গেও কেউ আচরণ করেনা। যারা এ ধরনের কাজ করেছে, আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ফাঁসি চাই।
নিহত সোহাগের স্ত্রী লাকি বেগম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমার স্বামীর দোকান থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন হত্যাকারীরা। আমার স্বামীর ব্যবসা তাদের সহ্য হচ্ছিল না। তারা প্রতি মাসে দুই লাখ করে টাকা চাইছিল। আমার স্বামী তা দিতে চায়নি। আর এ কারণেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছে তাকে।”
চাঁদা না দেওয়ায় ঢাকার মিডফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর ফটকের কাছে নৃশংস হত্যকান্ডের শিকার লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের (৩৯) বাড়ি বরগুনায় চলছে স্বজনদের আহাজারি।
একদিকে স্বামীকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ স্ত্রী লাকি বেগম। অপরদিকে ১০ বছরের ছেলে সোহান ও ১৪ বছরের মেয়ে সোহানাকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোনো ভাষা জানা নেই তার। এ ঘটনায় বরগুনা জুড়ে চলছে শোকের মাতম।
শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে ঢাকা থেকে নিহত লাল চাঁদ ওরফে সোহাগের মরদেহ বরগুনায় নিয়ে আসেন স্বজনরা। পরে সদর উপজেলার ৭ নম্বর ঢলুয়া ইউনিয়নের ইসলামপুর নামক এলাকায় তার মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।
স্বজন সূত্রে জানা যায়, সোহাগের বয়স যখন মাত্র ৭ মাস তখন বজ্রপাতে মৃত্যু হয় তার বাবা আইউব আলীর। এরপর জীবিকার তাগিদে মা আলেয়া বেগম শিশু সোহাগ ও তার আরও দুই কন্যা সন্তানকে নিয়ে বরগুনা ছেড়ে রাজধানী ঢাকায় পাড়ি দেন। ওই সময় থেকেই সোহাগ ঢাকায় বসবাস করতেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার মিডফোর্ডে মেসার্স সোহানা মেটাল নামের একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিমাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করেই অভিযুক্তদের সঙ্গে দন্ধ শুরু হয় তার।
চাঁদার টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় এক সময় সোহাগের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তালাবদ্ধও করে অভিযুক্তরা। এরপর বুধবার বিকেলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে চাঁদার দাবিতে সোহাগকে আটকে রেখে দফায় দফায় চাপ প্রয়োগ করা হয়।
এতেও চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে সোহাগকে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে পাথর মেরে হত্যা করা হয় বলে জানান স্বজনরা। নিহত সোহাগ তার স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকার জিঞ্জিরা কদমতলী কেরানিগঞ্জ মডেল টাউন নামক এলাকায় বসবাস করতেন।
নিহত সোহাগের মেয়ে সোহানা ও ছেলে সোহান বলেন, চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় বাবাকে মেরে ফেলা হয়েছে। আমরা এখন এতিম হয়ে গেছি, আমরা এখন কোথায় গিয়ে দাঁড়াব। বাবাকে যারা হত্যা করেছে আমরা তাদের বিচার চাই।
সোহাগের বোন ফাতেমা বেগম বলেন, “আমার ভাই প্রায় ১০-১৫ বছর ধরে ব্যবসা করছিলেন। প্রতি মাসে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। এছাড়াও তার ব্যবসাটাও নিয়ে নিতে চেয়েছেন অভিযুক্তরা। তবে আমার ভাই তাদেরকে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে তারা আমার ভাইকে ডেকে নিয়ে মারধর করেন এবং নির্মমভাবে পাথর মেরে হত্যা করে।”
সোহাগের মামা মোঃ মন্টু মিয়া বলেন, “সোহাগ অনেক ভালো ছেলে ছিল। তাকে যেভাবে মারা হয়েছে ওইভাবে কোনো পশুর সঙ্গেও কেউ আচরণ করেনা। যারা এ ধরনের কাজ করেছে, আমরা তাদের সঠিক বিচার চাই, ফাঁসি চাই।
নিহত সোহাগের স্ত্রী লাকি বেগম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরেই আমার স্বামীর দোকান থেকে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন হত্যাকারীরা। আমার স্বামীর ব্যবসা তাদের সহ্য হচ্ছিল না। তারা প্রতি মাসে দুই লাখ করে টাকা চাইছিল। আমার স্বামী তা দিতে চায়নি। আর এ কারণেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার হতে হয়েছে তাকে।”

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪২
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।
বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য বন্দরে ১ কেজি ৭শ’ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ মাছ বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা মণ দরে। যার খুচরা মূল্য দাঁড়ায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টাকা। পহেলা বৈশাখকে কেন্দ্র করে মাছের বাজারে ইলিশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের মুন্নি ফিশ আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে খোলা ডাকে অংশ নেন একাধিক পাইকার। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে পাইকার ও মার্চেন্ট ফিস ব্যবসায়ী জাকির হোসেন মাছটি ক্রয় করেন।
পাথরঘাটা মৎস্য বন্দরের ইমরান হোসেন জানান, বর্তমানে বাজারে ইলিশের সরবরাহ অত্যন্ত কম। সাগরে মাছ ধরা পড়ছে না বললেই চলে। আজ সকালে বলেশ্বর নদীতে ধরা পড়ে এই ইলিশ। তাই এটি বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ সামনে রেখে বড় আকারের ইলিশের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। যার কারণে দামও বেড়েছে কয়েকগুণ। একইসঙ্গে ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি মণ প্রায় ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা জাকির হোসেন বলেন, পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বড় ইলিশের চাহিদা থাকায় আমি খোলা ডাকে সর্বোচ্চ দাম দিয়ে মাছটি কিনেছি। ইতোমধ্যে এটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
সেখানে ভালো দামে বিক্রি হবে বলে আশা করছি। মৎস্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইলিশের সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাজারে এ ধরনের উচ্চমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৪৭
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেড় বছর পর বরগুনা শহরে প্রকাশ্যে মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শহরের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিল নিয়ে শহরের কয়েকটি সড়ক ঘুরে রাসেল স্কয়ার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা বলছেন, গত ১৯ মাসে প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল দেখা যায়নি। মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ফাহাদ হাসান তানিম এবং বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম ফাহাদকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিল শেষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ফাহাদ হাসান তানিম বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
দেশের স্বার্থে তাকে আবার নেতৃত্বে দেখতে চায় ছাত্রলীগ।’
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেড় বছর পর বরগুনা শহরে প্রকাশ্যে মিছিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে শহরের জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়। মিছিল নিয়ে শহরের কয়েকটি সড়ক ঘুরে রাসেল স্কয়ার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এই মিছিলকে কেন্দ্র করে শহরে রাজনৈতিক কর্মসূচির উপস্থিতি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।
স্থানীয়রা বলছেন, গত ১৯ মাসে প্রকাশ্যে এ ধরনের মিছিল দেখা যায়নি। মিছিলে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ফাহাদ হাসান তানিম এবং বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম ফাহাদকে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আরও কয়েকজন নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিল শেষে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় ফাহাদ হাসান তানিম বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।
দেশের স্বার্থে তাকে আবার নেতৃত্বে দেখতে চায় ছাত্রলীগ।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.