
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৯
১৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:২৮
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৩
১৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪১

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৪
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিক মো. জাহাঙ্গীরের (৫০) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন বলেশ্বর নদী থেকে ওই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন বেলা ১১টার দিকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাথরঘাটার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে বনবিভাগে কর্মরত এক কর্মীসহ কয়েকজন শ্রমিক একটি ছোট ট্রলার নিয়ে রওনা করেন। পরে ট্রলারটি পাথরঘাটা এলাকার বলেশ্বর নদীতে প্রবেশ করলে উত্তাল ঢেউয়ে উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। তবে এ সময় ট্রলারে থাকা ৯ জনের মধ্যে বনকর্মীসহ ৮ জন স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় নিরাপদে নদীর তীরে আসতে পারলেও জাহাঙ্গীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ ওই শ্রমিকের সন্ধান পেতে অভিযান শুরু করেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নদী থেকে জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও কোনো অভিযোগ পাইনি। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ শ্রমিক মো. জাহাঙ্গীরের (৫০) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পাথরঘাটা উপজেলার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন বলেশ্বর নদী থেকে ওই শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই দিন বেলা ১১টার দিকে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বনবিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পাথরঘাটার পদ্মা নামক এলাকা সংলগ্ন একটি সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের উদ্দেশে বনবিভাগে কর্মরত এক কর্মীসহ কয়েকজন শ্রমিক একটি ছোট ট্রলার নিয়ে রওনা করেন। পরে ট্রলারটি পাথরঘাটা এলাকার বলেশ্বর নদীতে প্রবেশ করলে উত্তাল ঢেউয়ে উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। তবে এ সময় ট্রলারে থাকা ৯ জনের মধ্যে বনকর্মীসহ ৮ জন স্থানীয় জেলেদের সহযোগিতায় নিরাপদে নদীর তীরে আসতে পারলেও জাহাঙ্গীর পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।
পরবর্তীতে বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোঁজ ওই শ্রমিকের সন্ধান পেতে অভিযান শুরু করেন তারা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নদী থেকে জাহাঙ্গীরের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীম বরিশালটাইমসকে বলেন, বন বিভাগের বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কারও কোনো অভিযোগ পাইনি। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’

২৩ জুন, ২০২৬ ২২:৫৪
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের ছকিনাখাল এলাকায় বালুবাহী জাহাজের নিচে আটকে থাকা এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। মঙ্গলবার রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের একটি বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মুসা (১৭) উপজেলার নিদ্রার চর ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি চান মিয়া ও পাখি বেগমের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুসা ইদুপাড়া গ্রামের শিশু জালাল উদ্দিন রুমির (৬) সঙ্গে সোনাকাটা ইউনিয়নের ছকিনাখালে গোসল করতে নামে। কিছুক্ষণ পর রুমি বাড়ি ফিরে যায়। তার ধারণা ছিল, মুসাও বাড়িতে ফিরে গেছে। কিন্তু রাত ৯টার দিকে পরিবারের সদস্যরা মুসার খোঁজ করলে রুমি জানায়, গোসলের সময় মুসাকে পানিতে ডুব দেওয়ার পর আর ওপরে উঠতে দেখেনি। সে ভেবেছিল মুসা হয়তো অন্য দিক দিয়ে বাড়িতে চলে গেছে।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে ছকিনা কোস্ট গার্ড ও স্থানীয় জেলে ফারুক, জামাল, বেল্লালসহ কয়েকজন জেলে খালে জাল ফেলেন। পরে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এমভি ইসলাম মোল্লা নামের বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে মুসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, পানির স্রোতে মুসা জাহাজের নিচে আটকে পড়ে মারা যেতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তালতলী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাগর ভদ্র জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

২০ জুন, ২০২৬ ১৭:৩১
নারী বাদীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা বরগুনার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে (ক্লোজড) প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সরকারি নম্বরে যোগাযোগ না করার অভিযোগের মধ্যেই এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ও পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এফ. এম. ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. এনামুল হককে প্রশাসনিক কারণে তার বর্তমান কর্মস্থল পাথরঘাটা থানা থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরগুনায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, অফিস আদেশ অনুযায়ী ওসি মো. এনামুল হককে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে পাথরঘাটার এক নারী স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়ে ওসির কাছে অপদস্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, মামলা গ্রহণে টালবাহানা করা হয় এবং ন্যায়বিচার পেতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হন।
ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি মোহাম্মদ এনাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি কি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার’। এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও বিব্রত বোধ করেন। ওই সময় সাবেক পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে মরিয়ম চৌধুরী জেবু বলেন, ‘আমার উপস্থিতিতে ওসি মামলার বাদীকে উদ্দেশ করে ‘আপনি কি সেই মাল?’ বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছিল— ওসি এনামুল হক সরকারি মোবাইল নম্বরে অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ করতেন না। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও একটি মামলা গ্রহণ না করা, নারী বাদীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা এবং এক নারীকে ফেরাউনের সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
তবে ওসি মো. এনামুল হকের প্রত্যাহার ও সংযুক্তির বিষয়ে অফিস আদেশে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।’
নারী বাদীকে ‘আপনি কি সেই মাল’ বলা বরগুনার পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল হককে বর্তমান কর্মস্থল থেকে (ক্লোজড) প্রত্যাহার করে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণে গড়িমসি, ভুক্তভোগীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং সরকারি নম্বরে যোগাযোগ না করার অভিযোগের মধ্যেই এ আদেশ জারি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ও পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) এফ. এম. ফয়সাল স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জেলা কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) মো. এনামুল হককে প্রশাসনিক কারণে তার বর্তমান কর্মস্থল পাথরঘাটা থানা থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পুলিশ সুপারের কার্যালয়, বরগুনায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরগুনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) মোহাম্মদ শাহেদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, অফিস আদেশ অনুযায়ী ওসি মো. এনামুল হককে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর আগে পাথরঘাটার এক নারী স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা করতে গিয়ে ওসির কাছে অপদস্ত হওয়ার অভিযোগ তোলেন। তার দাবি, মামলা গ্রহণে টালবাহানা করা হয় এবং ন্যায়বিচার পেতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের হয়রানির শিকার হন।
ওই নারীর ভাষ্য অনুযায়ী, ওসি মোহাম্মদ এনাম তাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনি কি সেই মাল? ইবলিস যেন কোথাকার’। এ ঘটনায় তিনি নিজেকে অপমানিত ও বিব্রত বোধ করেন। ওই সময় সাবেক পাথরঘাটা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির নেত্রী মরিয়ম চৌধুরী জেবু উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে মরিয়ম চৌধুরী জেবু বলেন, ‘আমার উপস্থিতিতে ওসি মামলার বাদীকে উদ্দেশ করে ‘আপনি কি সেই মাল?’ বলে মন্তব্য করেন।
এছাড়াও স্থানীয় সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছিল— ওসি এনামুল হক সরকারি মোবাইল নম্বরে অধিকাংশ সময় ফোন রিসিভ করতেন না। জরুরি প্রয়োজনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে অনেকেই ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও একটি মামলা গ্রহণ না করা, নারী বাদীদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা এবং এক নারীকে ফেরাউনের সঙ্গে তুলনা করার অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
তবে ওসি মো. এনামুল হকের প্রত্যাহার ও সংযুক্তির বিষয়ে অফিস আদেশে নির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র ‘প্রশাসনিক কারণ’ দেখিয়ে তাকে বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার কথা বলা হয়েছে।’