
১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯