
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ২৩:২১
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নানান সময়ে নানানভাবে ছলচাতুরির আশ্রয় নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলেন সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপির সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের মনোনয়ন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এ ধরনের ব্যক্তিরা যদি ভবিষ্যতে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হন, তাহলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
‘কারণ সংবিধান, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন নথিপত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা বাংলাদেশের নাগরিক নন বা যাদের রাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য নেই, তারা এসব তথ্য অন্য রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করবে না- এ নিশ্চয়তা কোথায়?’
হাসিব আল ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের ঋণখেলাপি প্রার্থীদের ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের শর্তে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠে, তারা সেই ঋণ পরিশোধের অর্থ কোথা থেকে আনবে? দেশের সম্পদ লুট করে কি সেই ঋণ পরিশোধ করা হবে?
তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং দেশে পুনরায় কোনো ফ্যাসিবাদ যেন ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা অপরিহার্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নির্বাচন কমিশন সেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।
এসময় সংগঠনটির মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, ঋণখেলাপি প্রার্থীদের মনোনয়ন টেকনিক্যাল অজুহাত দেখিয়ে বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এমনকি আদালতে মামলা চলমান থাকার পরও অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন বহাল রাখা হয়েছে। এটি শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের পথকে বৈধতা দেওয়ার শামিল।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নানান সময়ে নানানভাবে ছলচাতুরির আশ্রয় নিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে দ্বৈত নাগরিকত্বধারী ও ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তোলেন সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যাদের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব ও ঋণখেলাপির সুস্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে, তাদের মনোনয়ন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। এ ধরনের ব্যক্তিরা যদি ভবিষ্যতে সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হন, তাহলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।
‘কারণ সংবিধান, প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্রনীতি সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ও গোপন নথিপত্র সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে। যারা বাংলাদেশের নাগরিক নন বা যাদের রাষ্ট্রের প্রতি পূর্ণ আনুগত্য নেই, তারা এসব তথ্য অন্য রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করবে না- এ নিশ্চয়তা কোথায়?’
হাসিব আল ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি ও জামায়াতের ঋণখেলাপি প্রার্থীদের ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের শর্তে মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এতে প্রশ্ন উঠে, তারা সেই ঋণ পরিশোধের অর্থ কোথা থেকে আনবে? দেশের সম্পদ লুট করে কি সেই ঋণ পরিশোধ করা হবে?
তিনি বলেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং দেশে পুনরায় কোনো ফ্যাসিবাদ যেন ফিরে আসতে না পারে, সেজন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা জরুরি। গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে এসব প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষতা অপরিহার্য। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে নির্বাচন কমিশন সেই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে।
এসময় সংগঠনটির মুখপাত্র সিনথিয়া জাহিন আয়েশা বলেন, ঋণখেলাপি প্রার্থীদের মনোনয়ন টেকনিক্যাল অজুহাত দেখিয়ে বৈধ ঘোষণা করা হচ্ছে। এমনকি আদালতে মামলা চলমান থাকার পরও অনেক প্রার্থীর মনোনয়ন বহাল রাখা হয়েছে। এটি শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, বরং রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটের পথকে বৈধতা দেওয়ার শামিল।
বরিশাল টাইমস
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪২
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৯
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস
সিলেট-২ আসনে মিছিলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সোহেল আহমদ চৌধুরী মারা গেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্বনাথ উপজেলা শহরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাহসিনা রুশদীর লুনার জনসভায় এ ঘটনা ঘটে।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বিশ্বনাথে সিলেট-২ আসনের প্রার্থী নিখোঁজ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার শেষ নির্বাচনি জনসভা ছিল। জনসভায় মিছিল নিয়ে অংশগ্রহণ করছিলেন সোহেল চৌধুরী। মিছিলটি জনসভাস্থলে কাছাকাছি যেতেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা তাকে দ্রুত সিলেটের মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সোহেল চৌধুরীর ভাগনে মোহাম্মদ আলী শিপন বলেন, জনসভায় মিছিল নিয়ে প্রবেশ করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোহল চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেছেন।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.