
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪১
একই দিনে জন্ম, একই ছন্দে বেড়ে ওঠা। আর এবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিন বোন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর গ্রামের স্বপ্নীল বর্মন, স্বর্ণালী বর্মন ও সেঁজুতি বর্মন ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে জন্ম নেন। ছোটোবেলা থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা এই তিন বোন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
তাদের বাবা ঠান্ডারাম বর্মন ও মা ময়না রানী সেন। পরিবারে বড় মেয়ে মৃদুলা বর্মন ও ছোট ছেলে প্রদ্যুৎ বর্মনের পাশাপাশি এই তিন বোনই পরিবারের মূল আকর্ষণ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পড়ার টেবিলে পাশাপাশি বসে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে তারা। লক্ষ্য একটাই, ভালো ফল করে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিন বোন জানান, ছোটোবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করছেন। প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে পরে স্থানীয় আরাজী কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে শিক্ষক-সহপাঠীদের জন্য তাদের আলাদা করে চেনা ছিল বেশ কঠিন।
২০১৮ সালে স্বপ্নীল ও স্বর্ণালী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরে একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হন সেঁজুতি। তিনজনই একই শিফটে পড়লেও স্বর্ণালীকে পড়তে হয়েছে আলাদা শাখায়। এবার তারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
পড়াশোনায় তিনজনই মনোযোগী এবং বরাবরই ভালো ফল করে এসেছেন। তবে পছন্দের বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। স্বপ্নীলের প্রিয় জীববিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্য, স্বর্ণালীর জীববিজ্ঞান ও রসায়ন, আর সেঁজুতির পছন্দ জীববিজ্ঞান। খাবারের ক্ষেত্রে তিনজনেরই প্রিয় বিরিয়ানি। যদিও অন্যান্য খাবারে ভিন্নতা আছে। পোশাকে আগে একরকম হলেও এখন আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছে। থ্রি-পিস তাদের সবার প্রিয়, আর বিশেষ আয়োজনে শাড়ি পরতে ভালোবাসেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয় তারা। তিনজনই বেতারের ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিশুশিল্পী এবং দেশাত্মবোধক গান গাইতে পছন্দ করেন। অবসর সময়ে উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন বই পড়া, গান শোনা ও গাওয়া—এসবই তাদের প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্নও আলাদা। স্বপ্নীল চায় বিসিএস ক্যাডার হতে, স্বর্ণালীর লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া এবং সেঁজুতি হতে চান শিক্ষক। তাদের জীবনযাপনও অনেকটাই একসঙ্গে। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে স্কুলে যাওয়া, পড়াশোনা করা ও খেলাধুলা। ছোটোখাটো ঝগড়া হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, মুহূর্তেই মিল হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ জানান, একই ইউনিফর্মে তাদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যেত। তাই মাঝে মাঝে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করতে হতো।
মা ময়না রানী সেন বলেন, ‘একসঙ্গে তিন মেয়েকে বড় করা সহজ ছিল না। তবে, তাদের ভালোবাসা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।’ বাবা ঠান্ডারাম বর্মন জানান, প্রথমে যমজ সন্তান হবে ভেবেছিলেন। কিন্তু তিন মেয়ে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ছিল। এখন তাদের সাফল্যে গর্ব অনুভব করেন এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ দিতে চান।
একই দিনে জন্ম, একই ছন্দে বেড়ে ওঠা। আর এবার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাতেও একসঙ্গে অংশ নিচ্ছেন তিন বোন। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সালন্দর গ্রামের স্বপ্নীল বর্মন, স্বর্ণালী বর্মন ও সেঁজুতি বর্মন ২০০৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর একসঙ্গে জন্ম নেন। ছোটোবেলা থেকে একসঙ্গে পড়াশোনা আর বেড়ে ওঠা এই তিন বোন মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
তাদের বাবা ঠান্ডারাম বর্মন ও মা ময়না রানী সেন। পরিবারে বড় মেয়ে মৃদুলা বর্মন ও ছোট ছেলে প্রদ্যুৎ বর্মনের পাশাপাশি এই তিন বোনই পরিবারের মূল আকর্ষণ।
সোমবার (২০ এপ্রিল) তাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তিনজনই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। পড়ার টেবিলে পাশাপাশি বসে মনোযোগ দিয়ে পড়ছে তারা। লক্ষ্য একটাই, ভালো ফল করে বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করা।
তিন বোন জানান, ছোটোবেলা থেকেই তারা একসঙ্গে পড়াশোনা করছেন। প্রথমে একটি কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি হয়ে পরে স্থানীয় আরাজী কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেখানে শিক্ষক-সহপাঠীদের জন্য তাদের আলাদা করে চেনা ছিল বেশ কঠিন।
২০১৮ সালে স্বপ্নীল ও স্বর্ণালী ঠাকুরগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে ভর্তি হন। পরে একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হন সেঁজুতি। তিনজনই একই শিফটে পড়লেও স্বর্ণালীকে পড়তে হয়েছে আলাদা শাখায়। এবার তারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।
পড়াশোনায় তিনজনই মনোযোগী এবং বরাবরই ভালো ফল করে এসেছেন। তবে পছন্দের বিষয়ে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। স্বপ্নীলের প্রিয় জীববিজ্ঞান ও বাংলা সাহিত্য, স্বর্ণালীর জীববিজ্ঞান ও রসায়ন, আর সেঁজুতির পছন্দ জীববিজ্ঞান। খাবারের ক্ষেত্রে তিনজনেরই প্রিয় বিরিয়ানি। যদিও অন্যান্য খাবারে ভিন্নতা আছে। পোশাকে আগে একরকম হলেও এখন আলাদা পছন্দ তৈরি হয়েছে। থ্রি-পিস তাদের সবার প্রিয়, আর বিশেষ আয়োজনে শাড়ি পরতে ভালোবাসেন।
পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও সক্রিয় তারা। তিনজনই বেতারের ঠাকুরগাঁও কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত শিশুশিল্পী এবং দেশাত্মবোধক গান গাইতে পছন্দ করেন। অবসর সময়ে উপন্যাস ও সায়েন্স ফিকশন বই পড়া, গান শোনা ও গাওয়া—এসবই তাদের প্রিয় সময় কাটানোর মাধ্যম।
ভবিষ্যৎ নিয়ে তাদের স্বপ্নও আলাদা। স্বপ্নীল চায় বিসিএস ক্যাডার হতে, স্বর্ণালীর লক্ষ্য চিকিৎসক হওয়া এবং সেঁজুতি হতে চান শিক্ষক। তাদের জীবনযাপনও অনেকটাই একসঙ্গে। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে স্কুলে যাওয়া, পড়াশোনা করা ও খেলাধুলা। ছোটোখাটো ঝগড়া হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না, মুহূর্তেই মিল হয়ে যায়।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক তাপস দেবনাথ জানান, একই ইউনিফর্মে তাদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যেত। তাই মাঝে মাঝে আলাদা চিহ্ন ব্যবহার করতে হতো।
মা ময়না রানী সেন বলেন, ‘একসঙ্গে তিন মেয়েকে বড় করা সহজ ছিল না। তবে, তাদের ভালোবাসা সব কষ্ট ভুলিয়ে দেয়।’ বাবা ঠান্ডারাম বর্মন জানান, প্রথমে যমজ সন্তান হবে ভেবেছিলেন। কিন্তু তিন মেয়ে হওয়ায় দুশ্চিন্তা ছিল। এখন তাদের সাফল্যে গর্ব অনুভব করেন এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ দিতে চান।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।
দুই সন্তান রেখে সম্প্রতি মারা গেছেন সুজন মাহমুদ। কিন্তু স্বামীর পৈতৃক বাড়িতে মাথা গোজার ঠাঁই জোটেনি স্ত্রী সোনিয়া আক্তারের। তাই নাবালক দুই সন্তানকে নিয়ে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল থেকে স্বামীর কবরের পাশে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তর লস্করচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৯ বছরের মেয়ে ছোঁয়া আর দেড় বছরের ছেলেকে নিয়ে অন্যের বাড়িতে দিন কাটছে সোনিয়া আক্তারের। এরই মধ্যে স্বামীর কবরের পাশে দুই সন্তান নিয়ে বসে থাকার এমন হৃদয়বিদারক দৃশ্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্বামী সুজন মাহমুদের অকাল মৃত্যুর পর থেকেই বিপাকে পড়েন সোনিয়া আক্তার। সোনিয়ার অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির আর্থিক সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যথাযথ চিকিৎসার অভাবে তার স্বামী ধুঁকে ধুঁকে মারা যান। স্বামীর মৃত্যুর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই তিনি জানতে পারেন, শ্বশুরবাড়িতে তার এবং সন্তানদের জন্য আর কোনো জায়গা নেই। শ্বশুর কফিল উদ্দিন ও শাশুড়ি তাদের মেনে নিতে রাজি নন।
তার অসহায় অবস্থা দেখে স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের পরিবার মানবিক কারণে কিছুদিন আশ্রয় দেয়। তবে সেই আশ্রয়ও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কোথাও ঠাঁই না পেয়ে শেষ পর্যন্ত স্বামীর কবরের পাশেই অবস্থান নেন সোনিয়া। বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ৯ বছরের শিশু ছোঁয়ার কান্না ও আর্তনাদ উপস্থিত অনেকের চোখে জল এনে দেয়।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোনিয়া আক্তার বলেন, আমি এই দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব? আমার তো যাওয়ার কোনো জায়গা নেই। শ্বশুরবাড়িতে থাকার অধিকারটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে স্বামীর কবরের পাশে বসে আছি, আল্লাহ যদি কোনো ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক বিরোধ ভুলে শিশুদের কথা ভেবে তাদের পাশে দাদা-দাদির দাঁড়ানো উচিত। এ বিষয়ে সুজনের বাবা কফিল উদ্দিন ও মায়ের সঙ্গে সাংবাদিকরা কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।
এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, যেহেতু বিষয়টি তাদের পারিবারিক, তারপরও দুপক্ষকে নিয়েই মীমাংসা করার চেষ্টা হচ্ছে। মীমাংসা না হলে আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বিষয়টি সুরাহা করার সবরকম চেষ্টা করছে।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বারাখওয়ানাত নামক জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু নাসের শামীম (বারা শামীম)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। বাড়িতে তার স্ত্রী ও চার ছেলে রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা এক ব্যক্তি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, একদল ডাকাত তার দোকানের কনটেইনার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় নগদ টাকা ও মালামাল লুটের সময় বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান ও সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। সরকারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।
দক্ষিণ আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে এক আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে বারাখওয়ানাত নামক জায়গায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তির নাম আবু নাসের শামীম (বারা শামীম)। তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আব্দুল রশিদের ছেলে। বাড়িতে তার স্ত্রী ও চার ছেলে রয়েছে। তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় প্রবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বিকেলে ফোর্ডসবার্গ থেকে বাজার করে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পৌঁছান শামীম। এ সময় আগে থেকে ওঁৎপেতে থাকা এক ব্যক্তি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে ৫ রাউন্ড গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
জানা যায়, একদল ডাকাত তার দোকানের কনটেইনার কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় নগদ টাকা ও মালামাল লুটের সময় বাধা দিলে ডাকাতরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান ও সোনাইমুড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাছরিন আক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তারা বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক।
এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। সরকারের পক্ষ থেকে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা প্রদানে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১১
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট নুরুল আলম জানান, জাল সনদের চাকরি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ। এ কারণেই আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জাল সনদ ব্যবহার করে মাদ্রাসায় চাকরি নেওয়ার অভিযোগে দুই শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসার অভিযুক্ত দুই শিক্ষক আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। তবে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
কারাগারে প্রেরিত অভিযুক্তরা হলেন— মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক ও ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার তেলুয়ারী গ্রামের বাসিন্দা মো. অলি উল্লাহ (৪২) এবং একই মাদ্রাসার জুনিয়র শিক্ষক ও মনকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুলতানা পারভীন (৪২)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মনকান্দা এমইউ আলিম মাদ্রাসায় জাল সনদের মাধ্যমে প্রভাষক পদে অলি উল্লাহ (৪২) ও আবু সালেহ (৪৪) এবং জুনিয়র শিক্ষক পদে সুলতানা পারভীন (৪২) নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএমএম মহিবুল্লাহ ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর নেত্রকোনা আদালতে তাদের বিরুদ্ধে এজাহার করেন।
আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দুয়া থানায় মামলা রেকর্ড করার নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী ওই দিনই মামলাটি রেকর্ড করা হয় এবং তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
চলতি বছরের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার অলি উল্লাহ ও সুলতানা পারভীন আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অভিযুক্তদের জামিন নামঞ্জুরের বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট নুরুল আলম জানান, জাল সনদের চাকরি একটি গর্হিত অন্যায় কাজ। এ কারণেই আদালত তাদের আবেদন নাকচ করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.