
১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৩
কুমিল্লায় মাদক কারবারে বাঁধা দেওয়ায় মা ও ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারি। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক বিল্লাল হোসেন পালিয়ে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে একটি মাদকের চালান নিয়ে বিল্লাল হোসেন বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় একটি ওয়াজ মাহফিল শেষ করে ছোট ভাই কামাল হোসেনও বাড়িতে আসেন। কামাল তার বড় ভাইকে মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বিল্লাল তার ঘরে প্রবেশ করে ছুরি এনে ছোট ভাই কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় মা রাহেলা বেগম বাঁধা দিতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল হোসেন প্রাণ হারান।
স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় রাহেলা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় বিল্লাল হোসেন আপন ভাই এবং মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লালের স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিল্লালকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।
কুমিল্লায় মাদক কারবারে বাঁধা দেওয়ায় মা ও ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারি। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক বিল্লাল হোসেন পালিয়ে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে একটি মাদকের চালান নিয়ে বিল্লাল হোসেন বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় একটি ওয়াজ মাহফিল শেষ করে ছোট ভাই কামাল হোসেনও বাড়িতে আসেন। কামাল তার বড় ভাইকে মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বিল্লাল তার ঘরে প্রবেশ করে ছুরি এনে ছোট ভাই কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় মা রাহেলা বেগম বাঁধা দিতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল হোসেন প্রাণ হারান।
স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় রাহেলা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় বিল্লাল হোসেন আপন ভাই এবং মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লালের স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিল্লালকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২১
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো. জিহাদ হোসেন (২৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। জিহাদ ওই গ্রামের হারুন মৃধার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জিহাদ এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সোমবার রাতে তার কাছে ইয়াবার একটি চালান এসেছে এমন খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে গ্রামপুলিশ ও স্থানীয় লোকজন তাকে তার ফুফু, স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য মোসা: রোকেয়া বেগমের বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে বাউফল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ৩৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আলমামুন বলেন, এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে জিহাদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগ ছিল। সর্বশেষ ইয়াবার চালান আসার খবর পেয়ে এলাকা বাসী তাকে নজর দারিতে রাখেন। পরে পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে ইয়াবাসহ তাকে আটক করে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উদ্ধার হওয়া ইয়াবাজব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৬
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তের বিচার দাবি করেছেন।
ম্যানেজারের নাম মো.আব্বাস খান। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’পদক্ষেপ’এর বাউফল শাখা ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, মানবিক উন্নয়ন সংস্থা "পদক্ষেপ" বাউফল শাখা থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। ঋণ গ্রহণের পর থেকেই শাখা ম্যানেজার আব্বাস আলী খান বিভিন্ন অজুহাতে তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। স্বামী বাড়িতে না থাকলে তিনি একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন, রাজি না হলে কিস্তি নিয়ে হয়রানির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযোগকারী বাড়ির সামনে অবস্থানকালে ম্যানেজার আব্বাস খান ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর তিনি থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে, তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের এমন আচরণে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস আলী বলেন, সংস্থার টাকা চাওয়ায় তিনি আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করেছেন। যা কোন ভাইে কাম্য না। আমি ন্যার বিচার চাই।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ গুরুত্বসহকারে দেখে বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার শাখা ম্যানেজারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে মামলা দায়ের করে অভিযুক্তের বিচার দাবি করেছেন।
ম্যানেজারের নাম মো.আব্বাস খান। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’পদক্ষেপ’এর বাউফল শাখা ম্যানেজারে দায়িত্বে আছেন।
আদালতে দাখিল করা অভিযোগে ওই নারী উল্লেখ করেন, মানবিক উন্নয়ন সংস্থা "পদক্ষেপ" বাউফল শাখা থেকে ১ লাখ টাকা ঋণ নেন। নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে ইতোমধ্যে প্রায় ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। ঋণ গ্রহণের পর থেকেই শাখা ম্যানেজার আব্বাস আলী খান বিভিন্ন অজুহাতে তার বাড়িতে যাতায়াত শুরু করেন। স্বামী বাড়িতে না থাকলে তিনি একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেন, রাজি না হলে কিস্তি নিয়ে হয়রানির হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ২৭ এপ্রিল ২০২৬ সোমবার সকাল প্রায় ১১টার দিকে অভিযোগকারী বাড়ির সামনে অবস্থানকালে ম্যানেজার আব্বাস খান ঘরে ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযুক্ত দ্রুত মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার পর তিনি থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দিলে, তিনি আদালতে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অভিযুক্তের এমন আচরণে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্বাস আলী বলেন, সংস্থার টাকা চাওয়ায় তিনি আমার উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি সাজানো মামলা করেছেন। যা কোন ভাইে কাম্য না। আমি ন্যার বিচার চাই।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, আদালতের আদেশ গুরুত্বসহকারে দেখে বিষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’