কুমিল্লায় মাদক কারবারে বাঁধা দেওয়ায় মা ও ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারি। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক বিল্লাল হোসেন পালিয়ে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে একটি মাদকের চালান নিয়ে বিল্লাল হোসেন বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় একটি ওয়াজ মাহফিল শেষ করে ছোট ভাই কামাল হোসেনও বাড়িতে আসেন। কামাল তার বড় ভাইকে মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বিল্লাল তার ঘরে প্রবেশ করে ছুরি এনে ছোট ভাই কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় মা রাহেলা বেগম বাঁধা দিতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল হোসেন প্রাণ হারান।
স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় রাহেলা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় বিল্লাল হোসেন আপন ভাই এবং মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লালের স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিল্লালকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।
বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে হাত বাঁধা বাবাকে নিজের হাতে চা-রুটি খাওয়ানোর দৃশ্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর আলোচনার কেন্দ্রে আসা তুবা অবশেষে ফিরেছে বিদ্যালয়ে। চার মাসের শিক্ষাবিরতি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলী সুজার হাত ধরে বামরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যায় চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার বামরাইল এলাকায় তুবার বাড়িতে যান ইউএনও। সেখান থেকে তুবাকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে পৌঁছান তিনি। দীর্ঘ বিরতির পর শ্রেণিকক্ষে ফিরে শিক্ষক ও সহপাঠীদের স্বাগত পায় শিশুটি।
তুবার মা জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, আর্থিক সংকটসহ পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার কারণে চার মাস ধরে মেয়েটির পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছিল। প্রশাসনের সহযোগিতায় আবার বিদ্যালয়ে ফিরতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
ইউএনও মো. আলী সুজা বলেন, দীর্ঘ সময় একটি শিশুর শিক্ষাজীবন থমকে থাকা উদ্বেগের বিষয়। তুবার বিষয়টি জানার পর তাকে নিজেই বিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেন তিনি। ভবিষ্যতে তার পড়াশোনায় যেন আর ছেদ না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
তুবার পরিবারের পরিস্থিতি সম্পর্কে ইউএনও বলেন, তার বাবা অনিককে ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য পুনর্বাসনকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরলে তাকে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি তুবার শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখার বিষয়টিও প্রশাসনের নজরদারিতে থাকবে।
এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর উজিরপুরের বামরাইল এলাকায় কথিত চুরির অভিযোগে অনিক সরদারকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবার কাছে যায় তুবা। হাত বাঁধা অবস্থায় থাকা বাবাকে নিজের হাতে চা ও রুটি খাওয়ায় সে। সেই মুহূর্তের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়। পরে তুবার দীর্ঘদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টিও সামনে আসে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২
বরিশাল নগরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আমেনা খানম (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোরে রোকেয়া আজিম সড়কের খালপাড় এলাকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়সুত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ওই বাসার পাশের কক্ষের ভাড়াটিয়ারা আমেনা খানমের ঘর থেকে পচা গন্ধ পান। বিষয়টি তারা বাড়ির মালিকের স্ত্রী রিনা বেগমকে অবহিত করেন। পরে তিনি আমেনার ছেলে রিফাতকে ফোন করে বিষয়টি জানান। রিফাত পুলিশকে খবর দিলে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।
পুলিশ সদস্যরা গিয়ে ঘরটির দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তালা খুলে কক্ষে ঢুকে খাটের ওপর আমেনা খানমের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তাঁর হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহত আমেনা খানমের বাড়ি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ওই উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে ভাটিখানার ওই বাসার দ্বিতীয় তলা ভাড়া নেন। সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তাঁর ছেলে রিফাত ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
বাড়ির মালিকের স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেনা খানম তাঁদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। বুধবার রাতে পাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকে দুর্গন্ধের কথা জানতে পেরে তিনি আমেনার ছেলেকে বিষয়টি জানান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
বরিশাল মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, রিফাতের ফোন পেয়ে পুলিশ ওই বাসায় যায়। কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরে তালা খুলে ভেতরে আমেনা খানমের মরদেহ পাওয়া যায়। তাঁর হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল।
তিনি আরও বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বরিশাল নগরের ভাটিখানা এলাকায় একটি বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আমেনা খানম (৬৫) নামে এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ভোরে রোকেয়া আজিম সড়কের খালপাড় এলাকার একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়সুত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে ওই বাসার পাশের কক্ষের ভাড়াটিয়ারা আমেনা খানমের ঘর থেকে পচা গন্ধ পান। বিষয়টি তারা বাড়ির মালিকের স্ত্রী রিনা বেগমকে অবহিত করেন। পরে তিনি আমেনার ছেলে রিফাতকে ফোন করে বিষয়টি জানান। রিফাত পুলিশকে খবর দিলে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ।
পুলিশ সদস্যরা গিয়ে ঘরটির দরজা বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে তালা খুলে কক্ষে ঢুকে খাটের ওপর আমেনা খানমের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এ সময় তাঁর হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহত আমেনা খানমের বাড়ি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি ওই উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে ভাটিখানার ওই বাসার দ্বিতীয় তলা ভাড়া নেন। সেখানে তিনি একাই থাকতেন। তাঁর ছেলে রিফাত ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত।
বাড়ির মালিকের স্ত্রী রিনা বেগম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেনা খানম তাঁদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। বুধবার রাতে পাশের বাসিন্দাদের কাছ থেকে দুর্গন্ধের কথা জানতে পেরে তিনি আমেনার ছেলেকে বিষয়টি জানান। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
বরিশাল মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার বলেন, রিফাতের ফোন পেয়ে পুলিশ ওই বাসায় যায়। কক্ষটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ ছিল। পরে তালা খুলে ভেতরে আমেনা খানমের মরদেহ পাওয়া যায়। তাঁর হাত-পা কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ছিল।
তিনি আরও বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:২৫
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধাবস্থা ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট দেখা দেওয়ার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের অবিরাম সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে যে সার সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছিল, তার ধারাবাহিকতায় এবার চরম খাদ্যসংকট তৈরি হতে চলেছে।
গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটি আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে এস জয়শঙ্কর এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সংঘাতগুলো ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর ‘তীব্র মানসিক ও অর্থনৈতিক চাপ’ তৈরি করছে।
চলমান সংঘাতের সামগ্রিক প্রভাব তুলে ধরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জন্য এটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং বর্তমানে ইরান-উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাতের দিকে তাকালেই বোঝা যায় যে এই পরিস্থিতি গ্লোবাল সাউথের উদীয়মান অর্থনীতির ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেছে।’
বিশ্বের জ্বালানিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন বর্তমানে দ্বিমুখী সংকটে পড়েছে। জ্বালানির মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার প্রবণতা সমস্যাকে জটিল করে তুলছে। তিনি বলেন, ‘সমস্যাটির একটি দিক হলো তেল সরবরাহের নিরাপত্তা বজায় রাখা, আর অন্য দিকটি হলো তেল নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। এই দুই উপাদান পরস্পরের ওপর জোরদার প্রভাব ফেলছে এবং সমস্যাটিকে দ্বিগুণ বা আরও জটিল রূপ দিচ্ছে।’ জয়শঙ্কর সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি এটা নিয়ে রাজনৈতিক খেলা খেলে, তবে তা বাজারে অস্থিরতা ও জটিলতা কেবল বাড়িয়েই তুলবে।
কৃষির অপরিহার্য উপাদান সার ও খাদ্যশস্যের পরিবহন প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের স্থবিরতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশ নিজেদের পণ্য বাইরে পাঠাতে পারছে না। বিশেষ করে কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে সমুদ্রপথ দিয়ে রপ্তানি চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের মূল সার উৎপাদনকারী কেন্দ্রগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে ‘সুপার এল নিনো’র মতো জলবায়ুর বিরূপ আচরণ যুক্ত হয়ে খাদ্যনিরাপত্তাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।
সামগ্রিক সংকট ব্যাখ্যা করে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আগামী মাসগুলোয় এক বিশাল খাদ্যসংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। প্রথমত জ্বালানির সংকট, তার ওপর খাদ্য ও সারের অপ্রতুলতা, আর সবশেষে মূলধনের সংকট ঘটতে চলেছে। কারণ, প্রতিবার কোনো বড় যুদ্ধ বা সংঘাত শুরু হলে বিনিয়োগের অর্থ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় এবং বর্তমানে এভাবেই গ্লোবাল সাউথ থেকে মূলধন বের হয়ে যাচ্ছে। তার সামগ্রিক প্রভাবে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন ও সংকটময় পরিস্থিতির জন্ম দিচ্ছে।’
শক্তিশালী দেশগুলোর স্বার্থপর সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর এতটা স্বার্থপর হওয়া উচিত নয় যে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত বলয়ের স্বার্থেই শুধু সিদ্ধান্ত নেবে এবং বাকি বিশ্বের প্রতি দায়িত্ব এড়ানোর সুর তুলে বলবে—আমরা তো তোমাদের জীবন কঠিন করে তোলার জন্য এমন করিনি।’ তিনি প্রভাবশালী দেশগুলোকে ন্যূনতম ‘সাধারণ বুদ্ধিমত্তা’ বজায় রেখে দরিদ্র দেশগুলোর মৌলিক চাহিদার প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
জ্বালানিসংকটের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ইতিমধ্যে যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরেই আমরা দেখেছি কীভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরাসরি তার প্রভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আমার আশঙ্কা, বর্তমানে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যা ঘটছে, তা আঞ্চলিক রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও উসকে দেবে এবং সংকটকে আরও জটিল করে তুলবে।’
উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে এই মন্দা ও সংকট কাটিয়ে উঠবে, তা নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘কিছু দেশের পক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের মতো যারা কৌশলগতভাবে স্বায়ত্তশাসিত, তারা চাই আরও অনেক দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠুক। তবে এর কোনো একক বা সোজা সমীকরণ নেই। এসব দেশ ঠিক কী পদক্ষেপ নেবে, তা নির্ভর করবে এ বিষয়ে তাদের নির্দিষ্ট সমস্যা ও স্বার্থ কতটা জড়িত, তার ওপর। এমন অনেক ঘটনা ঘটতে পারে, যা মোকাবিলা করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের নীতিতে কিছুটা নমনীয় হয়ে উঠবে অথবা পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে এমনও দেখা যাবে যে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় শক্তভাবে রুখে দাঁড়াচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধাবস্থা ও আন্তর্জাতিক উত্তেজনার প্রভাবে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ভয়াবহ খাদ্যসংকট দেখা দেওয়ার তীব্র আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের অবিরাম সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে যে সার সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছিল, তার ধারাবাহিকতায় এবার চরম খাদ্যসংকট তৈরি হতে চলেছে।
গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এশিয়া সোসাইটি আয়োজিত এক উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে এস জয়শঙ্কর এ কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক সংঘাতগুলো ‘গ্লোবাল সাউথ’ বা বিশ্বের অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর ‘তীব্র মানসিক ও অর্থনৈতিক চাপ’ তৈরি করছে।
চলমান সংঘাতের সামগ্রিক প্রভাব তুলে ধরে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের জন্য এটি একটি বড় চিন্তার বিষয়। ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং বর্তমানে ইরান-উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাতের দিকে তাকালেই বোঝা যায় যে এই পরিস্থিতি গ্লোবাল সাউথের উদীয়মান অর্থনীতির ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেছে।’
বিশ্বের জ্বালানিবাজারের অস্থিরতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, আন্তর্জাতিক সরবরাহব্যবস্থা বা সাপ্লাই চেইন বর্তমানে দ্বিমুখী সংকটে পড়েছে। জ্বালানির মূল্য স্থিতিশীল রাখার চেয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার প্রবণতা সমস্যাকে জটিল করে তুলছে। তিনি বলেন, ‘সমস্যাটির একটি দিক হলো তেল সরবরাহের নিরাপত্তা বজায় রাখা, আর অন্য দিকটি হলো তেল নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতি। এই দুই উপাদান পরস্পরের ওপর জোরদার প্রভাব ফেলছে এবং সমস্যাটিকে দ্বিগুণ বা আরও জটিল রূপ দিচ্ছে।’ জয়শঙ্কর সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি এটা নিয়ে রাজনৈতিক খেলা খেলে, তবে তা বাজারে অস্থিরতা ও জটিলতা কেবল বাড়িয়েই তুলবে।
কৃষির অপরিহার্য উপাদান সার ও খাদ্যশস্যের পরিবহন প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর কৃষ্ণসাগর অঞ্চলের স্থবিরতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘আজ আমরা এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছি, যেখানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি খাদ্যশস্য রপ্তানিকারক দেশ নিজেদের পণ্য বাইরে পাঠাতে পারছে না। বিশেষ করে কৃষ্ণসাগর অঞ্চলে সমুদ্রপথ দিয়ে রপ্তানি চালু রাখা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্বের মূল সার উৎপাদনকারী কেন্দ্রগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও রাশিয়ায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে ‘সুপার এল নিনো’র মতো জলবায়ুর বিরূপ আচরণ যুক্ত হয়ে খাদ্যনিরাপত্তাকে খাদের কিনারে ঠেলে দিচ্ছে।
সামগ্রিক সংকট ব্যাখ্যা করে জয়শঙ্কর বলেন, ‘আগামী মাসগুলোয় এক বিশাল খাদ্যসংকট তৈরি হতে যাচ্ছে। প্রথমত জ্বালানির সংকট, তার ওপর খাদ্য ও সারের অপ্রতুলতা, আর সবশেষে মূলধনের সংকট ঘটতে চলেছে। কারণ, প্রতিবার কোনো বড় যুদ্ধ বা সংঘাত শুরু হলে বিনিয়োগের অর্থ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয় এবং বর্তমানে এভাবেই গ্লোবাল সাউথ থেকে মূলধন বের হয়ে যাচ্ছে। তার সামগ্রিক প্রভাবে দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন ও সংকটময় পরিস্থিতির জন্ম দিচ্ছে।’
শক্তিশালী দেশগুলোর স্বার্থপর সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের প্রভাবশালী দেশগুলোর এতটা স্বার্থপর হওয়া উচিত নয় যে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত বলয়ের স্বার্থেই শুধু সিদ্ধান্ত নেবে এবং বাকি বিশ্বের প্রতি দায়িত্ব এড়ানোর সুর তুলে বলবে—আমরা তো তোমাদের জীবন কঠিন করে তোলার জন্য এমন করিনি।’ তিনি প্রভাবশালী দেশগুলোকে ন্যূনতম ‘সাধারণ বুদ্ধিমত্তা’ বজায় রেখে দরিদ্র দেশগুলোর মৌলিক চাহিদার প্রতি সংবেদনশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
জ্বালানিসংকটের ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ইতিমধ্যে যে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন যুদ্ধের পরেই আমরা দেখেছি কীভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে সরাসরি তার প্রভাবে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আমার আশঙ্কা, বর্তমানে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যা ঘটছে, তা আঞ্চলিক রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও উসকে দেবে এবং সংকটকে আরও জটিল করে তুলবে।’
উন্নয়নশীল দেশগুলো কীভাবে এই মন্দা ও সংকট কাটিয়ে উঠবে, তা নিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, ‘কিছু দেশের পক্ষে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়বে। তাই আমাদের মতো যারা কৌশলগতভাবে স্বায়ত্তশাসিত, তারা চাই আরও অনেক দেশ স্বনির্ভর হয়ে উঠুক। তবে এর কোনো একক বা সোজা সমীকরণ নেই। এসব দেশ ঠিক কী পদক্ষেপ নেবে, তা নির্ভর করবে এ বিষয়ে তাদের নির্দিষ্ট সমস্যা ও স্বার্থ কতটা জড়িত, তার ওপর। এমন অনেক ঘটনা ঘটতে পারে, যা মোকাবিলা করতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো তাদের নীতিতে কিছুটা নমনীয় হয়ে উঠবে অথবা পরিবর্তিত পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে শিখবে। আবার কিছু ক্ষেত্রে এমনও দেখা যাবে যে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় শক্তভাবে রুখে দাঁড়াচ্ছে।’

১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৩
কুমিল্লায় মাদক কারবারে বাঁধা দেওয়ায় মা ও ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারি। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক বিল্লাল হোসেন পালিয়ে গেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন- বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে একটি মাদকের চালান নিয়ে বিল্লাল হোসেন বাড়িতে প্রবেশ করে। এ সময় একটি ওয়াজ মাহফিল শেষ করে ছোট ভাই কামাল হোসেনও বাড়িতে আসেন। কামাল তার বড় ভাইকে মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ করতে নিষেধ করলে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বড় ভাই বিল্লাল তার ঘরে প্রবেশ করে ছুরি এনে ছোট ভাই কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় মা রাহেলা বেগম বাঁধা দিতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই কামাল হোসেন প্রাণ হারান।
স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় রাহেলা বেগমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেওয়ায় বিল্লাল হোসেন আপন ভাই এবং মাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত বিল্লালের স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিল্লালকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।