
১০ মে, ২০২৬ ২৩:০৩
বরিশালের অব্যবহৃত শিশু হাসপাতালটি দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শহরের আমানতগঞ্জ টিবির মাঠে নির্মিত এই হাসপাতালটি বেশকিছু দিন ধরে অলস পড়ে থাকা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্র-পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়। সেই সংবাদটি খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয় এবং তিনি শিগগিরই হাসপাতালটি চালু করার নির্দেশ দেন। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত আরও ৫ শিশু হাসপাতাল চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, পত্রিকায় প্রকাশিত এমন খবর পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন দ্রুত বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানের এই অব্যবহৃত ৬টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে চালু করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আগামী ২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
আমানতগঞ্জ এলাকায় শিশুদের জন্য বিশেষায়িত ২০০ শয্যার এই হাসপাতাল নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্রায় ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা হাসপাতালটির কার্যক্রম ২০১৯ সালেই চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
তবে সপ্তাহ দুয়েক পূর্বে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি সেই সময় সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন, হাসপাতালটি সপ্তাহখানেকের মধ্যে চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে পত্র-পত্রিকায় ইতিবাচক লেখালেখিও হয়। অবশ্য এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে কেউ কেউ শঙ্কা এবং সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
সপ্তাহখানে আগে হাসপাতালটি বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান পরিদর্শন করেন। এবং তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ, অক্সিজেন লাইন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সংযোগের কার্যকারিতা পরিদর্শন করেন। হামের রোগীদের আইসোলেশনের জন্য দ্রুত হাসপাতালটি প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গণপূর্ত বিভাগকে দ্রুত বিদ্যুৎ-সংযোগ ও সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ শেষ করতে, ফায়ার সার্ভিসকে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ও সিটি করপোরেশনকে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেই হাসপাতালটি এবার দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিলেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। রোববার রাতের জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ইতিবাচক এবং সময়যোগী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বরিশালবাসী।
তবে বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. এসএম মঞ্জুর ই-ইলাহী বলছেন, শিশু হাসপাতালের জন্য এখনো চিকিৎসক, নার্স কিংবা প্রশাসনিক জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যেহেতু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থান থেকে নির্দেশনা এসেছে, এখন আরও দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অবশ্য এর আগে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়ে বিভাগীয় বিভাগীয় কমিশনারও অনুরূপ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’
বরিশালের অব্যবহৃত শিশু হাসপাতালটি দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শহরের আমানতগঞ্জ টিবির মাঠে নির্মিত এই হাসপাতালটি বেশকিছু দিন ধরে অলস পড়ে থাকা নিয়ে স্থানীয় ও জাতীয় পত্র-পত্রিকায় ব্যাপক লেখালেখি হয়। সেই সংবাদটি খোদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয় এবং তিনি শিগগিরই হাসপাতালটি চালু করার নির্দেশ দেন। একই সাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে অব্যবহৃত আরও ৫ শিশু হাসপাতাল চালুর তাগিদ দিয়েছেন।
সূত্র জানিয়েছে, পত্রিকায় প্রকাশিত এমন খবর পড়ার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী ডা. এমএ মুহিত এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক নির্দেশ দেন দ্রুত বরিশালসহ বিভিন্ন স্থানের এই অব্যবহৃত ৬টি হাসপাতাল পরিদর্শন করে চালু করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন, আগামী ২ জুন ২০২৬ তারিখের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে সার্বিক প্রতিবেদন পেশ করতে। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
আমানতগঞ্জ এলাকায় শিশুদের জন্য বিশেষায়িত ২০০ শয্যার এই হাসপাতাল নির্মাণ শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। প্রায় ১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত চারতলা হাসপাতালটির কার্যক্রম ২০১৯ সালেই চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০২৬ সালেও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
তবে সপ্তাহ দুয়েক পূর্বে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি সেই সময় সাংবাদিকদের জানিয়ে ছিলেন, হাসপাতালটি সপ্তাহখানেকের মধ্যে চালু করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এনিয়ে পত্র-পত্রিকায় ইতিবাচক লেখালেখিও হয়। অবশ্য এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে কেউ কেউ শঙ্কা এবং সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।
সপ্তাহখানে আগে হাসপাতালটি বরিশালের নবাগত বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান পরিদর্শন করেন। এবং তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ, অক্সিজেন লাইন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক সংযোগের কার্যকারিতা পরিদর্শন করেন। হামের রোগীদের আইসোলেশনের জন্য দ্রুত হাসপাতালটি প্রস্তুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গণপূর্ত বিভাগকে দ্রুত বিদ্যুৎ-সংযোগ ও সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ শেষ করতে, ফায়ার সার্ভিসকে অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ও সিটি করপোরেশনকে হাসপাতাল চত্বর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সেই হাসপাতালটি এবার দ্রুত চালুর নির্দেশনা দিলেন সরকারপ্রধান তারেক রহমান। রোববার রাতের জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর এমন ইতিবাচক এবং সময়যোগী সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বরিশালবাসী।
তবে বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. এসএম মঞ্জুর ই-ইলাহী বলছেন, শিশু হাসপাতালের জন্য এখনো চিকিৎসক, নার্স কিংবা প্রশাসনিক জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। যেহেতু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ স্থান থেকে নির্দেশনা এসেছে, এখন আরও দ্রুত চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে। অবশ্য এর আগে হাসপাতালটি পরিদর্শনে গিয়ে বিভাগীয় বিভাগীয় কমিশনারও অনুরূপ নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৫
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটে দক্ষিণবাংলা তথা বরিশাল বিভাগকে চরমভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণবাংলা ফোরাম ও বরিশাল জেলা সমিতিসহ প্রায় ১০টি সংগঠনের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, এর আগে একনেকে অনুমোদিত হওয়া সত্ত্বেও ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত করার জন্য নতুন বাজেটে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। অথচ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দুই লেনের মহাসড়কে প্রতিদিনই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন মানুষ।
দক্ষিণবাংলা ফোরামের মুখপাত্র সাংবাদিক বদরুল আলম নাবিল বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চট্টগ্রামের ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য মোট ১১ হাজার ৬২৮ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু বরিশাল বিভাগ তথা দক্ষিণবাংলার জন্য বাজেটে কোনো বিশেষ বরাদ্দের প্রস্তাব নেই।
বিশিষ্ট শিল্পপতি ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্যের চাপ সামলাতে বিকল্প বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর সচল করার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, নতুন এই বন্দরটির ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করলে বছরে ৫০ হাজার কোটি টাকা সরকারের আয় হবে—এমন তথ্য দিয়েছেন খোদ পায়রা বন্দরের চেয়ারম্যান।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে দক্ষিণাঞ্চলের সব জেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ভোলার অব্যবহৃত গ্যাস দিয়ে ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী অঞ্চলে শিল্পকারখানা গড়ে তোলা, শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর ও উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন এবং ভাঙ্গা-কুয়াকাটা রেললাইন নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনদাবিগুলো বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
প্রস্তাবিত বাজেটে সংশোধনী এনে এসব প্রকল্পে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার মাধ্যমে পিছিয়ে থাকা দক্ষিণবাংলার সামগ্রিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন দক্ষিণের ৬টি জেলা থেকে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
মানববন্ধনে দক্ষিণবাংলা ফোরাম ছাড়াও বরিশাল বিভাগ সমিতি, বরিশাল জেলা সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সমিতি, বরগুনা জেলা সমিতি, বরিশাল বিভাগ সাংবাদিক সমিতি, পটুয়াখালী জেলা সাংবাদিক ফোরামসহ দক্ষিণবাংলার বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা সমিতি, সাংবাদিক এবং শিক্ষার্থী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.