ফরিদপুরের মধুখালীতে অবস্থিত ফরিদপুর চিনিকলের শ্রমিক আলোচিত শাহ মোহাম্মদ রাজন হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মির্জা মাঝহারুল ইসলাম ওরফে মিলন কারারুদ্ধ অবস্থায় থেকে ‘মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ’ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
পাশাপাশি ‘Mirza Milon’ নামে তার ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে কারাগারে থাকার পরও প্রচারণা চালানোর বিষয়টি আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ফরিদপুরের বিশিষ্ট আইনজীবীরা একজন দণ্ডিত ব্যক্তির কাছে ফরম বিক্রি ও ফেসবুক প্রচারণাকে আইনের দৃষ্টিতে বেআইনি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ ও কারা বিধি- ১৮৯৪ অনুযায়ী বিচারযোগ্য অপরাধ বলে জানিয়েছেন।
তিনি চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়ন এবং মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। গত ১০ জুলাই ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত চিনিকল শ্রমিক রাজন হত্যায় দোষী সাব্যস্ত করে মাজহারুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর তাকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারারুদ্ধ হওয়ার দিন তার "Mirza Milon" নামের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট দিয়ে রায় সম্পর্কে তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করেন।
মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলে গত সোমবার (২৫ আগস্ট) ফেসবুকে পরপর তিনটি পোস্ট দেন। সেই পোস্ট আবার নিজ আইডি থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেয়ার দেন তিনি। পোস্টগুলিতে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী সমাজের কাছে ‘দোয়া, আশীর্বাদ ও সমর্থন’ প্রত্যাশা করেন।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ছিল মনোনয়নপত্র কেনার শেষ দিন। সাধারণ সম্পাদক পদে মাঝহারুলের মনোনয়নপত্র কেনেন তার বড় ভাই মির্জা শাহরিয়া লোটাস।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার ছবিটাও মির্জা মিলনের ফেসবুক আইডিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আপলোড করা হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রিয় মধুখালী বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ।
আসন্ন বাজার পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন কিনতে বাধা দেওয়ার পরে আপনাদের দোয়া-আশীর্বাদে শেষপর্যন্ত মনোনয়ন কিনতে পেরেছি। সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি, আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ভোটের মাধ্যমেই আপনাদের মাঝে ফিরে আসব, ইনশাআল্লাহ।’
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির কাছে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিক্রি কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে জানতে চাইলে মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মিয়া বলেন, পরিষদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফৌজদারি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তবে নিম্ন আদালতের রায় উচ্চতর আদালতে আপিলের মাধ্যমে স্থগিত করলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন রায়ের স্থগিতাদেশ না পেলে বাছাইপর্বে ওই মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।
কারাগারে থেকে মির্জা মিলন কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছেন জানতে চাইলে ফরিদপুর কারাগারের সুপার নজরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কারাগারে থেকে কোনো কয়েদির ফেসবুক ব্যবহার করার সুযোগ নেই। সে চালাচ্ছেও না। এটা কীভাবে চলছে আমার জানা নেই।
মাঝহারুলের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ভাই মির্জা শাহরিয়া লোটাস বলেন, মাঝহারুল এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তাই এ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো বাধা নেই।
"মির্জা মিলন" নামে ফেসবুক আইডি ব্যবহার করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিলনের ফেসবুক আইডিটি বর্তমানে ব্যবহার করছে তার ছেলে মুগ্ধ। বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলে বাবার আইডি ব্যবহারে কোনো বাধা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
কারাগারে থেকেও নিজ ফেসবুক আইডি ব্যবহারের দাবির বৈধতা নাকচ করে দিয়েছেন ফরিদপুর জজ কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, কারা বিধি (প্রিজন অ্যাক্ট) অনুযায়ী কারাগারের শৃঙ্খলাভঙ্গ করার দায়ে ওই ব্যক্তি শাস্তি পেতে পারে। পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুযায়ী ইন্টারনেটের অবৈধ প্রবেশাধিকার/অবৈধ ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত মামলাও হতে পারে।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫২
রাজধানীর মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী মাহিমার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পরও সময়মতো অস্ত্রোপচার না করায় মাহিমার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালে আনার সময়ই তার অবস্থা গুরুতর ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তীব্র পেটব্যথা নিয়ে মাহিমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চললেও শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, মাহিমার মৃত্যুর পর রাতে শাহরিয়ার সবুজ নামে এক ব্যক্তি যুবদল নেতা পরিচয়ে হাসপাতালে এসে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে বিকেলে প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে হাসপাতালে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
তবে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহরিয়ার সবুজ। তিনি মাহিমার চাচাতো ভাই দাবি করে বলেন, চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার বিচার চাইতে গেলে হাসপাতালের লোকজন তাদের ওপর হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন তৌফিক মেজবাহ বলেন, প্রথমে কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে ভাঙচুর শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মাহিমার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা এবং হামলা-ভাঙচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
রাজধানীর মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী মাহিমার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পরও সময়মতো অস্ত্রোপচার না করায় মাহিমার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালে আনার সময়ই তার অবস্থা গুরুতর ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তীব্র পেটব্যথা নিয়ে মাহিমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চললেও শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, মাহিমার মৃত্যুর পর রাতে শাহরিয়ার সবুজ নামে এক ব্যক্তি যুবদল নেতা পরিচয়ে হাসপাতালে এসে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে বিকেলে প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে হাসপাতালে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
তবে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহরিয়ার সবুজ। তিনি মাহিমার চাচাতো ভাই দাবি করে বলেন, চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার বিচার চাইতে গেলে হাসপাতালের লোকজন তাদের ওপর হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন তৌফিক মেজবাহ বলেন, প্রথমে কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে ভাঙচুর শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মাহিমার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা এবং হামলা-ভাঙচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তার আগে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।
এদিকে সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চালানো হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ২৩টি দল একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।
অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সিলিন্ডারের নিরাপত্তা বিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে জানানো যাবে। বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তার আগে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।
এদিকে সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চালানো হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ২৩টি দল একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।
অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সিলিন্ডারের নিরাপত্তা বিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে জানানো যাবে। বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৪
দুর্গাপুজোর বাজেট কয়েক লক্ষ টাকা। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়া—সব ক্ষেত্রেই খরচের বহর চোখে পড়ার মতো। কিন্তু পাঁচ দিন ধরে পুজোর মূল আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের হিসাবটা কি কখনও সামনে আসে?
পুজো শেষ হলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরেন পুরোহিত। তখন অনেকের মুখে শোনা যায়, “পুজোয় তো ভালোই কামাই হয়েছে! ফল-মিষ্টি, শাড়ি-গামছাও তো পেয়েছেন।” অথচ বাস্তব চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই অন্যরকম।
২০ লক্ষ টাকার বাজেটের পুজোতেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুরোহিতের বরাদ্দ হতে পারে চারটি লালপাড় সাদা শাড়ি। সঙ্গে কয়েকটি গামছা এবং নির্ধারিত দক্ষিণা। এমনও অভিযোগ রয়েছে, পাওয়া শাড়িগুলির মধ্য থেকেও কিছু শাড়ি কমিটির পক্ষ থেকে রেখে দেওয়ার নির্দেশ থাকে। দক্ষিণার ক্ষেত্রেও থাকে নানা শর্ত ও কমিটির নিয়ন্ত্রণ।
এর মধ্যে পুজোর পাঁচ দিন পুরোহিতকে দীর্ঘ সময় ধরে উপবাস থেকে মন্ত্রোচ্চারণ করতে হয়। চণ্ডীপাঠ, হোম, পুজোর বিভিন্ন আচার—সব মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক সময় উচ্চকণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে পুজো শেষ হওয়ার আগেই বসে যায় গলার স্বর।
কিন্তু পুজো শেষ হলেই সেই পরিশ্রমের মূল্যায়ন হয় অন্যভাবে। পাড়ার পরিচিতদের কেউ বলেন, “ভালোই তো কামাই হয়েছে।” কেউ চান নারকেল, কেউ গামছা, কেউ শাড়ি। অথচ খুব কম মানুষই প্রশ্ন করেন—পাঁচ দিন ধরে যে মানুষটি অন্যের পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপবাস করে পুজো করলেন, তাঁর নিজের পরিবারের জন্য কী রইল?
পুরোহিতদের আয় নিয়ে সমাজে প্রচলিত ধারণার সঙ্গেও বাস্তবতার বড় ফারাক রয়েছে। কালীঘাট, তিরুপতি বা জগন্নাথ মন্দিরের পুরোহিতদের আয়ের উদাহরণ দিয়ে সাধারণ পুরোহিতদের বিচার করা হয়। অথচ অধিকাংশ পুরোহিত সেই আয়ের ধারেকাছেও থাকেন না।
কোনও পরিবারের মাসিক আয় দেড় লক্ষ টাকার বেশি হলেও নারায়ণ পুজোর দক্ষিণা ৫১ টাকা দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। দক্ষিণা বাড়ানোর কথা বললেই জোটে ‘পুরোহিত লোভী’ তকমা।
প্রশ্ন হল, অন্য পেশার মানুষ নিজের শ্রমের বিনিময়ে বেশি অর্থ পেলে তা স্বাভাবিক, কিন্তু পুরোহিত নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিক চাইলে সেটাই কেন লোভ?
নার্সিংহোমের বাড়তি বিল, স্কুলের ডোনেশন কিংবা বিভিন্ন পরিষেবার চড়া খরচ নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুললেও ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কেন এত কৃপণতা?
পুরোহিত কোনও যন্ত্র নন। তাঁরও পরিবার আছে, চিকিৎসার খরচ আছে, সন্তানের পড়াশোনা আছে, দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ আছে। পাঁচ দিন উপবাস করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্ত্রোচ্চারণ করাও শ্রম। সেই শ্রমের মূল্য নির্ধারণ করাও স্বাভাবিক।
দুর্গাপুজোর বাজেট যদি লক্ষ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে সেই পুজোর অন্যতম প্রধান কাজটি যিনি করেন, তাঁর ন্যায্য পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন?
‘পুরোহিত লোভী’ বলার আগে তাই একবার হিসাবটা দেখা দরকার—পুজোর মোট বাজেটের কত শতাংশ সত্যিই পুরোহিতের হাতে যায়?
দুর্গাপুজোর বাজেট কয়েক লক্ষ টাকা। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, প্রতিমা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে খাওয়াদাওয়া—সব ক্ষেত্রেই খরচের বহর চোখে পড়ার মতো। কিন্তু পাঁচ দিন ধরে পুজোর মূল আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের হিসাবটা কি কখনও সামনে আসে?
পুজো শেষ হলে ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাড়ি ফেরেন পুরোহিত। তখন অনেকের মুখে শোনা যায়, “পুজোয় তো ভালোই কামাই হয়েছে! ফল-মিষ্টি, শাড়ি-গামছাও তো পেয়েছেন।” অথচ বাস্তব চিত্র অনেক ক্ষেত্রেই অন্যরকম।
২০ লক্ষ টাকার বাজেটের পুজোতেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে পুরোহিতের বরাদ্দ হতে পারে চারটি লালপাড় সাদা শাড়ি। সঙ্গে কয়েকটি গামছা এবং নির্ধারিত দক্ষিণা। এমনও অভিযোগ রয়েছে, পাওয়া শাড়িগুলির মধ্য থেকেও কিছু শাড়ি কমিটির পক্ষ থেকে রেখে দেওয়ার নির্দেশ থাকে। দক্ষিণার ক্ষেত্রেও থাকে নানা শর্ত ও কমিটির নিয়ন্ত্রণ।
এর মধ্যে পুজোর পাঁচ দিন পুরোহিতকে দীর্ঘ সময় ধরে উপবাস থেকে মন্ত্রোচ্চারণ করতে হয়। চণ্ডীপাঠ, হোম, পুজোর বিভিন্ন আচার—সব মিলিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রম করতে হয়। অনেক সময় উচ্চকণ্ঠে মন্ত্রোচ্চারণ করতে করতে পুজো শেষ হওয়ার আগেই বসে যায় গলার স্বর।
কিন্তু পুজো শেষ হলেই সেই পরিশ্রমের মূল্যায়ন হয় অন্যভাবে। পাড়ার পরিচিতদের কেউ বলেন, “ভালোই তো কামাই হয়েছে।” কেউ চান নারকেল, কেউ গামছা, কেউ শাড়ি। অথচ খুব কম মানুষই প্রশ্ন করেন—পাঁচ দিন ধরে যে মানুষটি অন্যের পরিবারের মঙ্গল কামনায় উপবাস করে পুজো করলেন, তাঁর নিজের পরিবারের জন্য কী রইল?
পুরোহিতদের আয় নিয়ে সমাজে প্রচলিত ধারণার সঙ্গেও বাস্তবতার বড় ফারাক রয়েছে। কালীঘাট, তিরুপতি বা জগন্নাথ মন্দিরের পুরোহিতদের আয়ের উদাহরণ দিয়ে সাধারণ পুরোহিতদের বিচার করা হয়। অথচ অধিকাংশ পুরোহিত সেই আয়ের ধারেকাছেও থাকেন না।
কোনও পরিবারের মাসিক আয় দেড় লক্ষ টাকার বেশি হলেও নারায়ণ পুজোর দক্ষিণা ৫১ টাকা দেওয়ার ঘটনাও সামনে আসে। দক্ষিণা বাড়ানোর কথা বললেই জোটে ‘পুরোহিত লোভী’ তকমা।
প্রশ্ন হল, অন্য পেশার মানুষ নিজের শ্রমের বিনিময়ে বেশি অর্থ পেলে তা স্বাভাবিক, কিন্তু পুরোহিত নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিক চাইলে সেটাই কেন লোভ?
নার্সিংহোমের বাড়তি বিল, স্কুলের ডোনেশন কিংবা বিভিন্ন পরিষেবার চড়া খরচ নিয়ে মানুষ প্রশ্ন তুললেও ধর্মীয় আচার সম্পন্ন করা পুরোহিতের পারিশ্রমিকের ক্ষেত্রে কেন এত কৃপণতা?
পুরোহিত কোনও যন্ত্র নন। তাঁরও পরিবার আছে, চিকিৎসার খরচ আছে, সন্তানের পড়াশোনা আছে, দৈনন্দিন জীবনযাপনের খরচ আছে। পাঁচ দিন উপবাস করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মন্ত্রোচ্চারণ করাও শ্রম। সেই শ্রমের মূল্য নির্ধারণ করাও স্বাভাবিক।
দুর্গাপুজোর বাজেট যদি লক্ষ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে সেই পুজোর অন্যতম প্রধান কাজটি যিনি করেন, তাঁর ন্যায্য পারিশ্রমিক নিয়ে প্রশ্ন উঠবে না কেন?
‘পুরোহিত লোভী’ বলার আগে তাই একবার হিসাবটা দেখা দরকার—পুজোর মোট বাজেটের কত শতাংশ সত্যিই পুরোহিতের হাতে যায়?

২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪৯
ফরিদপুরের মধুখালীতে অবস্থিত ফরিদপুর চিনিকলের শ্রমিক আলোচিত শাহ মোহাম্মদ রাজন হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মির্জা মাঝহারুল ইসলাম ওরফে মিলন কারারুদ্ধ অবস্থায় থেকে ‘মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ’ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য মনোনয়নপত্র কিনেছেন।
পাশাপাশি ‘Mirza Milon’ নামে তার ফেসবুক আইডি ব্যবহার করে কারাগারে থাকার পরও প্রচারণা চালানোর বিষয়টি আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। ফরিদপুরের বিশিষ্ট আইনজীবীরা একজন দণ্ডিত ব্যক্তির কাছে ফরম বিক্রি ও ফেসবুক প্রচারণাকে আইনের দৃষ্টিতে বেআইনি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। ফেসবুক ব্যবহারের বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ ও কারা বিধি- ১৮৯৪ অনুযায়ী বিচারযোগ্য অপরাধ বলে জানিয়েছেন।
তিনি চিনিকল শ্রমজীবী ইউনিয়ন এবং মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। গত ১০ জুলাই ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালত চিনিকল শ্রমিক রাজন হত্যায় দোষী সাব্যস্ত করে মাজহারুলকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ের পর তাকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারারুদ্ধ হওয়ার দিন তার "Mirza Milon" নামের ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট দিয়ে রায় সম্পর্কে তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের আশ্বস্ত করেন।
মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলে গত সোমবার (২৫ আগস্ট) ফেসবুকে পরপর তিনটি পোস্ট দেন। সেই পোস্ট আবার নিজ আইডি থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেয়ার দেন তিনি। পোস্টগুলিতে নিজেকে সাধারণ সম্পাদক পদের প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী সমাজের কাছে ‘দোয়া, আশীর্বাদ ও সমর্থন’ প্রত্যাশা করেন।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ছিল মনোনয়নপত্র কেনার শেষ দিন। সাধারণ সম্পাদক পদে মাঝহারুলের মনোনয়নপত্র কেনেন তার বড় ভাই মির্জা শাহরিয়া লোটাস।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করার ছবিটাও মির্জা মিলনের ফেসবুক আইডিতে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আপলোড করা হয়। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আসসালামু আলাইকুম, আমার প্রিয় মধুখালী বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ।
আসন্ন বাজার পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন কিনতে বাধা দেওয়ার পরে আপনাদের দোয়া-আশীর্বাদে শেষপর্যন্ত মনোনয়ন কিনতে পেরেছি। সকলের কাছে দোয়া চাচ্ছি, আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের ভোটের মাধ্যমেই আপনাদের মাঝে ফিরে আসব, ইনশাআল্লাহ।’
হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির কাছে নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বিক্রি কতটা যুক্তিযুক্ত হয়েছে জানতে চাইলে মধুখালী বাজার ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আবু সাঈদ মিয়া বলেন, পরিষদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ফৌজদারি কোনো অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির এ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তবে নিম্ন আদালতের রায় উচ্চতর আদালতে আপিলের মাধ্যমে স্থগিত করলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিন রায়ের স্থগিতাদেশ না পেলে বাছাইপর্বে ওই মনোনয়ন বাতিল হয়ে যাবে।
কারাগারে থেকে মির্জা মিলন কিভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছেন জানতে চাইলে ফরিদপুর কারাগারের সুপার নজরুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, কারাগারে থেকে কোনো কয়েদির ফেসবুক ব্যবহার করার সুযোগ নেই। সে চালাচ্ছেও না। এটা কীভাবে চলছে আমার জানা নেই।
মাঝহারুলের পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী ভাই মির্জা শাহরিয়া লোটাস বলেন, মাঝহারুল এ রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেছেন। তাই এ নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কোনো বাধা নেই।
"মির্জা মিলন" নামে ফেসবুক আইডি ব্যবহার করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মিলনের ফেসবুক আইডিটি বর্তমানে ব্যবহার করছে তার ছেলে মুগ্ধ। বাবার অনুপস্থিতিতে ছেলে বাবার আইডি ব্যবহারে কোনো বাধা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
কারাগারে থেকেও নিজ ফেসবুক আইডি ব্যবহারের দাবির বৈধতা নাকচ করে দিয়েছেন ফরিদপুর জজ কোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, কারা বিধি (প্রিজন অ্যাক্ট) অনুযায়ী কারাগারের শৃঙ্খলাভঙ্গ করার দায়ে ওই ব্যক্তি শাস্তি পেতে পারে। পাশাপাশি সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুযায়ী ইন্টারনেটের অবৈধ প্রবেশাধিকার/অবৈধ ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত মামলাও হতে পারে।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৪৫
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:১১
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৩