Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৭
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল রাজধানীর শাহবাগ মোড়। ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে সংহতি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বিচার সম্পন্ন করার জোরালো আশ্বাস দিলেও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার ও ‘ভারতীয় প্রভাব’ মুক্ত বাংলাদেশের দাবিতে আজ রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শাহবাগে দিনভর উত্তেজনা
শনিবার সকাল থেকেই শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সহস্রাধিক আন্দোলনকারী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর ১ নম্বর গেট থেকে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত এলাকায় অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে চলে দেশাত্মবোধক গান ও বৈপ্লবিক স্লোগান। আন্দোলনকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো—যুগে যুগে লড়ে যাব’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন।
দুপুরের দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিহত হাদির কবর জিয়ারত করতে এলে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ালেও, তিনি ফিরে যাওয়ার পরপরই পুনরায় শাহবাগ মোড় দখলে নেন নেতাকর্মীরা। এর ফলে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা।
সরকারের আশ্বাস ও চার্জশিটের ঘোষণা
শনিবার দিবাগত রাতে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শহীদ হাদির জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে এটি একটি জাতীয় বিচার নিশ্চিতের দাবি। ইনশাআল্লাহ, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারির পর এই হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বিদেশে থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ হাদির মৃত্যু ছিল অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়বিদারক। হাদিকে আমি আমার ভাই মনে করতাম। দেশের জন্য তার শহীদ হয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। যে মানুষের জানাজায় ১২ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নেয়, তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হয়তো আন্দোলনকারীদের মতো শাহবাগে বসে নেই, তবে সরকার এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। তাই এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করছি না, যা প্রতিপক্ষকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে।
গণমাধ্যমের সমালোচনা ও নতুন কর্মসূচি
রাত সাড়ে ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, অনেক মিডিয়া বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে আমরা ‘যমুনা ভবন’ ঘেরাও করতে যাচ্ছি—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা।
তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর ভরসা করবেন না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, এই অবরোধ শুধু হাদি হত্যার বিচারের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার লড়াই। আমাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও আমরা শাহাদাতের তামান্না নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছি।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ছাত্রজনতা কোনো আপস করবে না।
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো উত্তাল রাজধানীর শাহবাগ মোড়। ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে চলা এই আন্দোলনে শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) রাতে সংহতি প্রকাশ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বিচার সম্পন্ন করার জোরালো আশ্বাস দিলেও আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। হাদি হত্যার বিচার ও ‘ভারতীয় প্রভাব’ মুক্ত বাংলাদেশের দাবিতে আজ রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে একযোগে সকাল-সন্ধ্যা অবরোধের ডাক দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
শাহবাগে দিনভর উত্তেজনা
শনিবার সকাল থেকেই শাহবাগ মোড় অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন সহস্রাধিক আন্দোলনকারী। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর ১ নম্বর গেট থেকে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ পর্যন্ত এলাকায় অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করে চলে দেশাত্মবোধক গান ও বৈপ্লবিক স্লোগান। আন্দোলনকারীরা ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাইরে?’, ‘দিল্লি না ঢাকা? ঢাকা ঢাকা’, ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো—যুগে যুগে লড়ে যাব’ স্লোগানে রাজপথ কাঁপিয়ে তোলেন।
দুপুরের দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিহত হাদির কবর জিয়ারত করতে এলে আন্দোলনকারীরা সাময়িকভাবে সরে দাঁড়ালেও, তিনি ফিরে যাওয়ার পরপরই পুনরায় শাহবাগ মোড় দখলে নেন নেতাকর্মীরা। এর ফলে শাহবাগ ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও সাধারণ যাত্রীরা।
সরকারের আশ্বাস ও চার্জশিটের ঘোষণা
শনিবার দিবাগত রাতে শাহবাগের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, শহীদ হাদির জানাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে এটি একটি জাতীয় বিচার নিশ্চিতের দাবি। ইনশাআল্লাহ, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারির পর এই হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দাখিল করা হবে এবং বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হবে।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তরা বিদেশে থাকলে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হবে এবং তাদের ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, শহীদ হাদির মৃত্যু ছিল অত্যন্ত করুণ ও হৃদয়বিদারক। হাদিকে আমি আমার ভাই মনে করতাম। দেশের জন্য তার শহীদ হয়ে যাওয়াটা আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। যে মানুষের জানাজায় ১২ থেকে ১৫ লাখ মানুষ অংশ নেয়, তার হত্যার বিচার নিশ্চিত করা একটি জাতীয় দায়িত্ব।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার হয়তো আন্দোলনকারীদের মতো শাহবাগে বসে নেই, তবে সরকার এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা শত্রুপক্ষের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তদন্ত করছি। তাই এমন কোনো তথ্য প্রকাশ করছি না, যা প্রতিপক্ষকে শক্তিশালী করে তুলতে পারে।
গণমাধ্যমের সমালোচনা ও নতুন কর্মসূচি
রাত সাড়ে ১১টায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের রোববার দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে সকাল ১১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অবরোধের ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি কিছু গণমাধ্যমের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে বলেন, অনেক মিডিয়া বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে যে আমরা ‘যমুনা ভবন’ ঘেরাও করতে যাচ্ছি—যা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে দেখানোর অপচেষ্টা।
তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত কোনো সংবাদমাধ্যমের খবরের ওপর ভরসা করবেন না।
আব্দুল্লাহ আল জাবের আরও বলেন, এই অবরোধ শুধু হাদি হত্যার বিচারের জন্য নয়, এটি বাংলাদেশকে ভারতীয় প্রভাবমুক্ত করার লড়াই। আমাদের হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও আমরা শাহাদাতের তামান্না নিয়ে রাজপথে দাঁড়িয়েছি।
তিনি প্রধান উপদেষ্টার উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে ছাত্রজনতা কোনো আপস করবে না।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২১
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪০
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫