
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মীদের ‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান এবং জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই নোটিশ জারি করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন রুহুল আমিন।
সেখানে তিনি নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে কর্মীদের বাঁশের লাঠি তৈরি ও তাতে তেল মাখিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেন। এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও আচরণবিধির পরিপন্থি উল্লেখ করে একই দিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এমএ সবুর।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। কমিটির নোটিশে বলা হয়েছে, রুহুল আমিনের বক্তব্যে লড়াই, রক্ত ঝরানো এবং বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা রয়েছে, যা জনমনে ভয়ভীতি ও সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৫ ও ১৬ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
কমিটির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, বক্তব্যে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। এটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার শামিল। প্রার্থীর মাধ্যমে নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন।
শোকজের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মো. রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বক্তব্য কাউকে ভয় দেখানোর জন্য ছিল না। তিনি বলেন, ভোট চুরি প্রতিহত করার জন্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই আমি কর্মীদের প্রস্তুতির কথা বলেছি। এটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে না, বরং একটি পরিকল্পনা মাত্র।
নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় মো. রুহুল আমিনকে সশরীরে বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উসকানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মীদের ‘বাঁশের লাঠি’ ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়ার অভিযোগে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. রুহুল আমিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির প্রধান এবং জীবননগর সিভিল জজ আদালতের বিচারক নাসির হুসাইন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এই নোটিশ জারি করেন।অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১২ জানুয়ারি দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় দলীয় এক কর্মশালায় বক্তব্য দেন রুহুল আমিন।
সেখানে তিনি নির্বাচনে জয়লাভের লক্ষ্যে কর্মীদের বাঁশের লাঠি তৈরি ও তাতে তেল মাখিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেন। এই বক্তব্যকে উসকানিমূলক ও আচরণবিধির পরিপন্থি উল্লেখ করে একই দিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেন বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এমএ সবুর।
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে। কমিটির নোটিশে বলা হয়েছে, রুহুল আমিনের বক্তব্যে লড়াই, রক্ত ঝরানো এবং বাঁশের লাঠি ব্যবহারের প্ররোচনা রয়েছে, যা জনমনে ভয়ভীতি ও সহিংসতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। এটি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৫ ও ১৬ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
কমিটির পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, বক্তব্যে জনমনে ভীতির সঞ্চার হয়েছে। এটি সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ বিনষ্ট করার শামিল। প্রার্থীর মাধ্যমে নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছেন।
শোকজের বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী মো. রুহুল আমিন দাবি করেন, তার বক্তব্য কাউকে ভয় দেখানোর জন্য ছিল না। তিনি বলেন, ভোট চুরি প্রতিহত করার জন্য এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থেই আমি কর্মীদের প্রস্তুতির কথা বলেছি। এটি আচরণবিধি লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে না, বরং একটি পরিকল্পনা মাত্র।
নোটিশ অনুযায়ী, আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় মো. রুহুল আমিনকে সশরীরে বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাখ্যা সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ করা হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। একটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ১৪০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ীতে আয়োজিত এক জনসভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দলবদল করেন।
জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১নং পাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বিএনপির একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
লাহিড়ীতে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর নেতারা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। যোগদানকারীদের স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম।
জামায়াতে যোগদানকারী নেতাকর্মীরা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তারা বিশ্বাস করেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শই দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। নতুন যোগদানকারীরা আগামী দিনে দলীয় কর্মসূচি আরও গতিশীল করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীসহ পাশের এলাকাগুলোতে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এমন সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের দলত্যাগ এবং জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি ওই এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। একটি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারিসহ বিএনপির ১৪০ নেতাকর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ীতে আয়োজিত এক জনসভায় তারা আনুষ্ঠানিকভাবে এই দলবদল করেন।
জানা গেছে, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ১নং পাড়িয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে বিএনপির একটি বড় অংশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
লাহিড়ীতে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর নেতারা তাদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। যোগদানকারীদের স্বাগত জানান ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম।
জামায়াতে যোগদানকারী নেতাকর্মীরা জানান, দেশ ও জাতির কল্যাণে ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাজনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তারা বিশ্বাস করেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীর আদর্শই দেশের মানুষের অধিকার আদায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে। নতুন যোগদানকারীরা আগামী দিনে দলীয় কর্মসূচি আরও গতিশীল করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীসহ পাশের এলাকাগুলোতে রাজনৈতিক তৎপরতা এখন তুঙ্গে। এমন সময়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের দলত্যাগ এবং জামায়াতে যোগদানের বিষয়টি ওই এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৭৮ ধারার বিধান অনুযায়ী ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে এবং ভোটগ্রহণ শেষের ৪৮ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কোনো নির্বাচনী এলাকায় জনসভা বা মিছিল করা যাবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সভা ও মিছিল নিষিদ্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও শঙ্কামুক্তভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে টাঙ্গাইলের মধুপুরে যৌথ বাহিনীর সশস্ত্র মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন এবং সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজার নেতৃত্বে টহল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে বিজিবি, র্যাব, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।
মহড়া শুরু হয় বিএডিসি কাকরাইদ বাসস্ট্যান্ড থেকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অতিক্রম করে আনারস চত্বর, জামালপুর রোড প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাবেশে শেষ হয়। এ সময় ভোটারদের নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
মধুপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন বলেন, ভোটাররা যেন নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেই লক্ষ্যে যৌথ বাহিনীর টহল ও মহড়া চলছে।
সেনাবাহিনীর মেজর রিফাত রেজা জানান, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও সিভিল প্রশাসনের সহযোগিতায় মহড়া পরিচালনা করা হয়েছে। ভোটারদের কোনো ধরনের ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
স্থানীয়রা যৌথ বাহিনীর কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকলে তারা নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৫