জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যে দেশে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা পাবে।
উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে সুস্থ হয়ে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে। নিরাপদ রাস্তা পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে হাতে কাজ পাবে। যখন আরও বড় হবে দেশটাকে গড়ে তুলতে পারবে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে যার যার অবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন হবে। সবাইকে সমান দেওয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটা ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দিতে হবে- এর নাম ন্যায়বিচার। আমরা সেই বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে তার যে নির্দিষ্ট শাস্তি হবে দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তাদের ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নির্বাচন করেছেন, সুন্দর সুন্দর কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে, ওয়াদা তারা বাস্তবায়ন করেননি। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম যাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। একটা মাত্র শ্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা ন্যায় বিচার চাই।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বাঁচার জন্য অধিকার চাই। শিশুর জন্য শিক্ষা চাই। যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই। মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ভেজাল শান্তিতে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই। কৃষকের জন্য জমিতে উন্নতমানের ফসল ফলানোর জন্য সরঞ্জাম চাই। শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই। কর্ম পরিবেশ চাই।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে সবচেয়ে মজলুম। আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জনকে শেখ হাসিনা গুম করে নাই। আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই।
আর কোনো সংগঠনের অফিসগুলো তালাবদ্ধ করে রাখে নাই। আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় নাই। এটা একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘শুধু বিরোধীদলীয় নেতারাই এতোদিন মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল। ৫ তারিখের পর যখন জামায়াতে ইসলামী মুক্ত হলো তখন তারা কোনো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাই।
নির্বাচন দেওয়ার দাবি করে নাই। হাজার হাজার মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি করার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সেজদায় পড়েছে। আমরা সে রাতেই ঘোষণা করেছিলাম, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। আমাদের নেতা কর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু হারাম পথে উপার্জনের জন্য চাঁন্দাবাজি করবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না। যখন নির্বাচন আসবে, নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো। না, আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী, সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরও আমরা একদিনের জন্যও জনগণকে ছেড়ে যাইনি।
এ মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদের এখানে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি, ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছি, অফিসে ঢুকতে পারি নাই। কিন্তু বাংলাদেশে ছিলাম। ভবিষ্যতে দুর্দিন, সুদিন আসবে-আল্লাহ জানেন, কথা দিচ্ছি আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো নাই ইনশা আল্লাহ।’
জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য তামিরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফি, টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী হুমায়ুন কবির, টাঙ্গাইল-৩ আসনের এনসিপির প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুই, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল ওলামা টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-৬ আসনের ডা. একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত ও ঐক্যজোটের অন্য শরীকদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

১৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:০৭
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। ইশরাকের দাবি, তাঁকে টার্গেট করে হেয় করা হয়েছে। দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চান না বলেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকের দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি। পুরো সময়টা ঢাকা-৬ আসন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নির্মূল এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আমি পদত্যাগ করতে চাই। আমার জন্য যেন কাউকে বিব্রত হতে না হয়।’
সম্প্রতি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নামার ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর পরপরই তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে।
এর আগে রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক নিজেই দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইশরাক বলেন, গত দুই-তিন দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে কিছু সত্যের পাশাপাশি অতিরঞ্জিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কল্পকাহিনি তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছে।
ইশরাকের অভিযোগ, এসব আলোচনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন এবং এতে দলও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রিত্বের বাইরে থেকে এসব বিষয়ে বেশি সময় দিতে চান তিনি।
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণার মধ্য দিয়ে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। এখন তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ঢাকা-৬ এলাকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।’
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ইশরাক হোসেন। অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যে তাঁর এই সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে। ইশরাকের দাবি, তাঁকে টার্গেট করে হেয় করা হয়েছে। দলকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলতে চান না বলেই তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগের ঘোষণা দেন ইশরাক। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে আজকের দিন থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছি। পুরো সময়টা ঢাকা-৬ আসন ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মাদক নির্মূল এবং অন্যান্য সমস্যা নিয়ে কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী, আমি পদত্যাগ করতে চাই। আমার জন্য যেন কাউকে বিব্রত হতে না হয়।’
সম্প্রতি অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে নামার ঘটনায় আলোচনায় আসেন ইশরাক হোসেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয়। বিষয়টি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেও আলোচিত হয়। এর পরপরই তাঁর মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি সামনে আসে।
এর আগে রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে ইশরাককে ডেকে পাঠান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে। পরদিন সংবাদ সম্মেলনে ইশরাক নিজেই দায়িত্ব থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার ঘোষণা দেন।
গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ইশরাক বলেন, গত দুই-তিন দিন ধরে একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে কিছু সত্যের পাশাপাশি অতিরঞ্জিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে কল্পকাহিনি তৈরি করা হয়েছে এবং তাঁকে হেয় করার চেষ্টা হয়েছে।
ইশরাকের অভিযোগ, এসব আলোচনায় তিনি ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন এবং এতে দলও বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছে।
প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিলেও ঢাকা-৬ আসন ও আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূল এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মন্ত্রিত্বের বাইরে থেকে এসব বিষয়ে বেশি সময় দিতে চান তিনি।
ইশরাকের পদত্যাগের ঘোষণার মধ্য দিয়ে অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযান ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। এখন তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং ঢাকা-৬ এলাকার সমস্যা সমাধানে ভূমিকা কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।’

১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:১৭
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে পাঠান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এদিকে, ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিবি প্রধান জানিয়েছেন, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে। আইনগত কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকবে।
ঘটনার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। তবে পদত্যাগের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, কিংবা এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, কালবেলা, প্রথম আলো ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন।
অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নিয়ে বিতর্কের মুখে পড়া মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (১৮ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সরকার-সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে ডেকে পাঠান। সেখানে তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ বিষয়ে সরকারের দায়িত্বশীল কারও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অস্ত্র হাতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজনের হাতেও অস্ত্র দেখা যায়। অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ঘটনাটি নিয়ে বিএনপি ও সরকারের ভেতরেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্য নিয়ে আপত্তি না থাকলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব একজন প্রতিমন্ত্রীর নিজের হাতে তুলে নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
এদিকে, ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ডিবি প্রধান জানিয়েছেন, ঘটনাটি পর্যবেক্ষণ করে প্রতিবেদন দিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসককে বলা হয়েছে। আইনগত কোনো ব্যত্যয় পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় থাকবে।
ঘটনার পরদিনই প্রতিমন্ত্রীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়। তবে পদত্যাগের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না, কিংবা এ বিষয়ে পরবর্তী কোনো সরকারি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস, কালবেলা, প্রথম আলো ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন।

১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:৪৫
বরিশাল জেলা ও মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদকসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নদীভাঙন প্রতিরোধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠাসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ১০ দফা দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারের হাতে রোববার ওই স্মারকলিপি তুলে দেন এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় এবি পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওই স্মারকলিপিতে বরিশালের জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, মাদক ও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিব হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব রাকিব সিকদার, শাকিল হাওলাদার, সদস্য জসিম উদ্দিন, বাহারুল গাজী, নারী নেত্রী নাজমুন নাহার বেবী ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ, জবাবদিহিতা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বরিশাল জেলা ও মহানগরের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় এবি পার্টি সর্বদা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।'
বরিশাল জেলা ও মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, মাদকসহ অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা জোরদার, নদীভাঙন প্রতিরোধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠাসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের ১০ দফা দাবিতে বরিশাল জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি। বরিশাল জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকারের হাতে রোববার ওই স্মারকলিপি তুলে দেন এবি পার্টির জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। এসময় এবি পার্টির ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের জেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
ওই স্মারকলিপিতে বরিশালের জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, মাদক ও অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত কার্যক্রম জোরদার, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদযাপনে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা, নদীভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের জানমাল ও বসতভিটা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর তদারকির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজট নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সমস্যা সমাধানে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী, যুগ্ম-আহ্বায়ক সাকিব হোসেন, যুগ্ম সদস্য সচিব রাকিব সিকদার, শাকিল হাওলাদার, সদস্য জসিম উদ্দিন, বাহারুল গাজী, নারী নেত্রী নাজমুন নাহার বেবী ছাড়াও বাংলাদেশ ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগরের নেতৃবৃন্দ।
এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বী বলেন, 'জনগণের নিরাপত্তা, নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনদুর্ভোগ নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত উদ্যোগ, জবাবদিহিতা ও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন। বরিশাল জেলা ও মহানগরের সার্বিক উন্নয়ন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় এবি পার্টি সর্বদা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।'

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যে দেশে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা পাবে।
উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে সুস্থ হয়ে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে। নিরাপদ রাস্তা পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে হাতে কাজ পাবে। যখন আরও বড় হবে দেশটাকে গড়ে তুলতে পারবে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে যার যার অবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন হবে। সবাইকে সমান দেওয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটা ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দিতে হবে- এর নাম ন্যায়বিচার। আমরা সেই বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে তার যে নির্দিষ্ট শাস্তি হবে দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তাদের ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নির্বাচন করেছেন, সুন্দর সুন্দর কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে, ওয়াদা তারা বাস্তবায়ন করেননি। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম যাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। একটা মাত্র শ্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা ন্যায় বিচার চাই।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বাঁচার জন্য অধিকার চাই। শিশুর জন্য শিক্ষা চাই। যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই। মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ভেজাল শান্তিতে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই। কৃষকের জন্য জমিতে উন্নতমানের ফসল ফলানোর জন্য সরঞ্জাম চাই। শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই। কর্ম পরিবেশ চাই।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে সবচেয়ে মজলুম। আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জনকে শেখ হাসিনা গুম করে নাই। আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই।
আর কোনো সংগঠনের অফিসগুলো তালাবদ্ধ করে রাখে নাই। আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় নাই। এটা একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘শুধু বিরোধীদলীয় নেতারাই এতোদিন মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল। ৫ তারিখের পর যখন জামায়াতে ইসলামী মুক্ত হলো তখন তারা কোনো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাই।
নির্বাচন দেওয়ার দাবি করে নাই। হাজার হাজার মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি করার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সেজদায় পড়েছে। আমরা সে রাতেই ঘোষণা করেছিলাম, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। আমাদের নেতা কর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু হারাম পথে উপার্জনের জন্য চাঁন্দাবাজি করবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না। যখন নির্বাচন আসবে, নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো। না, আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী, সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরও আমরা একদিনের জন্যও জনগণকে ছেড়ে যাইনি।
এ মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদের এখানে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি, ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছি, অফিসে ঢুকতে পারি নাই। কিন্তু বাংলাদেশে ছিলাম। ভবিষ্যতে দুর্দিন, সুদিন আসবে-আল্লাহ জানেন, কথা দিচ্ছি আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো নাই ইনশা আল্লাহ।’
জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য তামিরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফি, টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী হুমায়ুন কবির, টাঙ্গাইল-৩ আসনের এনসিপির প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুই, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল ওলামা টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-৬ আসনের ডা. একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত ও ঐক্যজোটের অন্য শরীকদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।