Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৯
বছরের গ্রীষ্ম শুরু হলেই সাধারণত বাজারে কাঁচা আমের দেখা মেলে। তবে এবারে ব্যতিক্রম। শীতের শুরুতেই কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে কাঁচা আম। বাজারে নতুন মৌসুমি ফলের প্রতি ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণের কারণে দামও চড়া।
মানভেদে কাঁচা আমের কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, সাধারণত জুন মাসের শুরুতে টেকনাফে কাঁচা আম বাজারে আসে। কিন্তু এবার কয়েক মাস আগেই বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে। সরবরাহ কম ও আগাম মৌসুম হওয়ায় দামে কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।
তাদের মতে, নতুন কোনো ফল বা পণ্য বাজারে এলে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। কাঁচা আমের ক্ষেত্রেও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম হওয়ায় দাম স্বাভাবিকভাবেই বেশি।
টেকনাফের আম ব্যবসায়ী আব্দুল মোনাফ বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে আনা এসব আম আগাম জাতের।
বাড়তি দাম পাওয়ার আশায় আঁটি হওয়ার আগেই আম পাড়ছেন চাষিরা। তিনি বলেন, বৈশাখের পর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) টেকনাফ পৌরসভার বাজারে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা কাঁচা আম কেজিপ্রতি ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। দরদাম করলে কিছু দোকানে ৪৫০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচা আম বিক্রেতা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এখন যে আম বাজারে আছে, তা সবার জন্য নয়। এক শ্রেণির ক্রেতা শখ করে কিনছেন। বেশির ভাগই মেয়েদের জন্য নিচ্ছেন কেউ স্ত্রী, কেউ বোন বা বান্ধবীর জন্য। এখন বাজারে যে আম এসেছে তা বিশেষভাবে কাঁচা বিক্রির জন্যই চাষ করা হয়েছে। শিগগিরই সব ধরনের কাঁচা আম আসবে এবং দামও কমবে।’
ক্রেতা আব্দুল রায়হান শখ করে আম কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘এত আগে কাঁচা আম দেখে অবাক হয়েছি, তাই ছবি তুলে স্ত্রীকে পাঠালাম। সঙ্গে সঙ্গে সে বলল, দাম যা-ই হোক নিয়ে আসতে। আসলে মেয়েদের আমের প্রতি আকর্ষণ একটু আলাদা।’
তবে সবার পক্ষে এখন এই দাম বহন করা সম্ভব নয়। এনজিওকর্মী রাফিয়া সোলতানা মিম বলেন, ‘আগাম আম দেখে ভালো লাগল। কিন্তু দাম এত বেশি যে এখন কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। যাদের সামর্থ্য আছে তারাই কিনছে। কয়েক দিন পর দাম কমলে খাব।’
কৃষিবিদদের মতে, দেশের মধ্যে টেকনাফই একমাত্র এলাকা যেখানে বিশেষ আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে আগাম আম আসে। তারা জানান, টেকনাফের কয়েকটি গ্রামে এমন জলবায়ু আছে, যা শীতের শুরুতেই আম আসতে সহায়তা করে। তাদের গবেষণায় দেখা যায়, একই জাতের বীজ গাজীপুরে রোপণ করার পরও একই ফলন পাওয়া যায়নি। গাজীপুরে আম স্বাভাবিক মৌসুমেই ধরেছে, তবে টেকনাফে এসেছে আগাম।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির বলেন, ‘দুই বছর আগে আগাম আম ফলন নিয়ে গবেষণা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, টেকনাফের কিছু এলাকার আবহাওয়ার কারণেই আম আগেভাগে ফল দিতে পারে। অন্যত্র একই ফলন পাওয়া যায় না।’
আগাম কাঁচা আমের আগমনে টেকনাফের বাজারে এখন উৎসবের আমেজ, তবে দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই অপেক্ষায় রয়েছেন সরবরাহ বাড়লেই তারা উপভোগ করবেন মৌসুমের প্রথম আমের স্বাদ।
বছরের গ্রীষ্ম শুরু হলেই সাধারণত বাজারে কাঁচা আমের দেখা মেলে। তবে এবারে ব্যতিক্রম। শীতের শুরুতেই কক্সবাজারের টেকনাফের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি শুরু হয়েছে কাঁচা আম। বাজারে নতুন মৌসুমি ফলের প্রতি ক্রেতাদের বাড়তি আকর্ষণের কারণে দামও চড়া।
মানভেদে কাঁচা আমের কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, সাধারণত জুন মাসের শুরুতে টেকনাফে কাঁচা আম বাজারে আসে। কিন্তু এবার কয়েক মাস আগেই বাজারে আম পাওয়া যাচ্ছে। সরবরাহ কম ও আগাম মৌসুম হওয়ায় দামে কিছুটা বৃদ্ধি দেখা গেছে।
তাদের মতে, নতুন কোনো ফল বা পণ্য বাজারে এলে ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি থাকে। কাঁচা আমের ক্ষেত্রেও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে। চাহিদা বেশি থাকলেও সরবরাহ কম হওয়ায় দাম স্বাভাবিকভাবেই বেশি।
টেকনাফের আম ব্যবসায়ী আব্দুল মোনাফ বলেন, বিভিন্ন গ্রাম থেকে আনা এসব আম আগাম জাতের।
বাড়তি দাম পাওয়ার আশায় আঁটি হওয়ার আগেই আম পাড়ছেন চাষিরা। তিনি বলেন, বৈশাখের পর সরবরাহ বাড়লে দাম কমে আসবে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) টেকনাফ পৌরসভার বাজারে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা কাঁচা আম কেজিপ্রতি ৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন। দরদাম করলে কিছু দোকানে ৪৫০ টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।
কাঁচা আম বিক্রেতা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘এখন যে আম বাজারে আছে, তা সবার জন্য নয়। এক শ্রেণির ক্রেতা শখ করে কিনছেন। বেশির ভাগই মেয়েদের জন্য নিচ্ছেন কেউ স্ত্রী, কেউ বোন বা বান্ধবীর জন্য। এখন বাজারে যে আম এসেছে তা বিশেষভাবে কাঁচা বিক্রির জন্যই চাষ করা হয়েছে। শিগগিরই সব ধরনের কাঁচা আম আসবে এবং দামও কমবে।’
ক্রেতা আব্দুল রায়হান শখ করে আম কিনতে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘এত আগে কাঁচা আম দেখে অবাক হয়েছি, তাই ছবি তুলে স্ত্রীকে পাঠালাম। সঙ্গে সঙ্গে সে বলল, দাম যা-ই হোক নিয়ে আসতে। আসলে মেয়েদের আমের প্রতি আকর্ষণ একটু আলাদা।’
তবে সবার পক্ষে এখন এই দাম বহন করা সম্ভব নয়। এনজিওকর্মী রাফিয়া সোলতানা মিম বলেন, ‘আগাম আম দেখে ভালো লাগল। কিন্তু দাম এত বেশি যে এখন কিনে খাওয়া সম্ভব নয়। যাদের সামর্থ্য আছে তারাই কিনছে। কয়েক দিন পর দাম কমলে খাব।’
কৃষিবিদদের মতে, দেশের মধ্যে টেকনাফই একমাত্র এলাকা যেখানে বিশেষ আবহাওয়া ও মাটির গুণাগুণের কারণে আগাম আম আসে। তারা জানান, টেকনাফের কয়েকটি গ্রামে এমন জলবায়ু আছে, যা শীতের শুরুতেই আম আসতে সহায়তা করে। তাদের গবেষণায় দেখা যায়, একই জাতের বীজ গাজীপুরে রোপণ করার পরও একই ফলন পাওয়া যায়নি। গাজীপুরে আম স্বাভাবিক মৌসুমেই ধরেছে, তবে টেকনাফে এসেছে আগাম।
টেকনাফ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ূন কবির বলেন, ‘দুই বছর আগে আগাম আম ফলন নিয়ে গবেষণা হয়েছে। সেখানে দেখা গেছে, টেকনাফের কিছু এলাকার আবহাওয়ার কারণেই আম আগেভাগে ফল দিতে পারে। অন্যত্র একই ফলন পাওয়া যায় না।’
আগাম কাঁচা আমের আগমনে টেকনাফের বাজারে এখন উৎসবের আমেজ, তবে দাম বেশি হওয়ায় অনেক ক্রেতাই অপেক্ষায় রয়েছেন সরবরাহ বাড়লেই তারা উপভোগ করবেন মৌসুমের প্রথম আমের স্বাদ।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪২
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৪
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুকে সঙ্গ দিতে নিজেদের মাথা ন্যাড়া করে বন্ধুত্বের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন পাঁচ যুবক। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে এ ঘটনা ঘটে।
একসঙ্গে ন্যাড়া হওয়া যুবকেরা হলেন— রকি, সৌরভ, মোস্তাফিজার সুভোর দেব ও ফিরোজ। নাপিতের দোকানে চুল কাটিংয়ে অস্বাভাবিক হওয়ায় বন্ধুত্বের এই ব্যতিক্রমী ও মজার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, স্থানীয় পাঁচ যুবক একসঙ্গে চুল কাটাতে বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে যান। তাদের মধ্যে একজন প্রথমে চুল কাটানোর সময় তার কাটিং এলোমেলো হয়ে যায়।
এতে তিনি বিব্রত হয়ে পড়েন এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এসময় অন্য চার বন্ধুরা তার বিব্রতকর পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তাকে একা না রেখে সবাই একসঙ্গে মাথা ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পাঁচ বন্ধুই মাথা ন্যাড়া করে দোকান থেকে বের হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে হাস্যরসের মধ্যে দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাদের বন্ধুত্বের এমন দৃষ্টান্তকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বন্ধু ফিরোজ বলেন, আমরা ৫ বন্ধু, সকলের বাড়ি পাশাপাশি।
সব সময় এক সঙ্গেই চলাফেরা করি। ঘটনার দিন চুল কাটার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম বন্ধুর চুলের কাটিং অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় সে বিব্রত বোধ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে তাকে সঙ্গ দিতে ৫ বন্ধুই তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাড়া হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব বলেন, এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। বন্ধুত্বের সম্পর্ক যে এতটা গভীর হতে পারে তা এই পাঁচ বন্ধুকে না দেখলে বিশ্বাসই করতাম না।
একজন বন্ধুর জন্য বাকিরা নিজের চুল কেটেছেন— এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে করে এলাকায় একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজনরা তাদের এই বন্ধুত্বকে সাধুবাদ জানান।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৭
জামালপুরের মেলান্দহে উঁচু গাছে উঠে ডাল কাটতে গিয়ে জ্ঞান হারালেন হজরত আলী নামের এক বৃদ্ধ। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হাতিজা এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হজরত আলী (৭০) তার নিজ বাড়ির কাছে রাস্তার পাশে একটি উঁচু গাছে ডাল কাটতে ওঠেন। গাছ থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে ভয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ওই অবস্থায় গাছের ডালের ফাঁকে আটকে ছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হজরত আলীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন।
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার দিগাবো গ্রামের কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। পাঁচ নবজাতক এবং তাদের মা সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে একে একে পৃথিবীর আলো দেখে পাঁচ নবজাতক। জন্ম নেয়া এই পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনটি ছেলে এবং দুটি মেয়ে।
সাধারণত এমন বহুমাত্রিক প্রসবে শিশুদের ওজন ও স্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। তবে এবারের চিত্রটা একেবারেই ভিন্ন। চিকিৎসকরা একে দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য ও বিরল ঘটনা বলে অভিহিত করেছেন।
সেবা প্রদানকারী চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম জানিয়েছেন, নবজাতকদের সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি। প্রতিটি শিশুর ওজন এক কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে এক কেজি ৫০০ গ্রামের মধ্যে রয়েছে। যা এই পরিস্থিতিতে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
এদিকে বিরল এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে সন্তানদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার স্বার্থে এখনই গণমাধ্যমের সামনে আসতে চাননি বাবা-মা ও স্বজনরা।
জানা গেছে, বর্তমানে মা-শিশুরা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শে ছাড়পত্র নিয়ে নিজেদের বাড়িতে ফিরেছেন। একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের সুস্থভাবে জন্ম নেয়ার এই ঘটনাকে দেশের চিকিৎসা খাতের বড় সাফল্য হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় বন্ধুকে সঙ্গ দিতে নিজেদের মাথা ন্যাড়া করে বন্ধুত্বের এক ব্যতিক্রমী উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন পাঁচ যুবক। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) উপজেলার বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে এ ঘটনা ঘটে।
একসঙ্গে ন্যাড়া হওয়া যুবকেরা হলেন— রকি, সৌরভ, মোস্তাফিজার সুভোর দেব ও ফিরোজ। নাপিতের দোকানে চুল কাটিংয়ে অস্বাভাবিক হওয়ায় বন্ধুত্বের এই ব্যতিক্রমী ও মজার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় বেশ আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, স্থানীয় পাঁচ যুবক একসঙ্গে চুল কাটাতে বড়ভিটা বাজারের একটি সেলুনে যান। তাদের মধ্যে একজন প্রথমে চুল কাটানোর সময় তার কাটিং এলোমেলো হয়ে যায়।
এতে তিনি বিব্রত হয়ে পড়েন এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছিলেন। এসময় অন্য চার বন্ধুরা তার বিব্রতকর পরিস্থিতি উপলব্ধি করে তাকে একা না রেখে সবাই একসঙ্গে মাথা ন্যাড়া করার সিদ্ধান্ত নেন। পরে পাঁচ বন্ধুই মাথা ন্যাড়া করে দোকান থেকে বের হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে হাস্যরসের মধ্যে দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই তাদের বন্ধুত্বের এমন দৃষ্টান্তকে প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। বন্ধু ফিরোজ বলেন, আমরা ৫ বন্ধু, সকলের বাড়ি পাশাপাশি।
সব সময় এক সঙ্গেই চলাফেরা করি। ঘটনার দিন চুল কাটার সিদ্ধান্ত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম বন্ধুর চুলের কাটিং অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় সে বিব্রত বোধ করছিল। সেই পরিস্থিতিতে তাকে সঙ্গ দিতে ৫ বন্ধুই তাৎক্ষণিকভাবে ন্যাড়া হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।
স্থানীয় বাসিন্দা বিপ্লব বলেন, এমন ঘটনা আগে কখনো দেখিনি। বন্ধুত্বের সম্পর্ক যে এতটা গভীর হতে পারে তা এই পাঁচ বন্ধুকে না দেখলে বিশ্বাসই করতাম না।
একজন বন্ধুর জন্য বাকিরা নিজের চুল কেটেছেন— এটা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে করে এলাকায় একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি তাৎক্ষণিক সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজনরা তাদের এই বন্ধুত্বকে সাধুবাদ জানান।
জামালপুরের মেলান্দহে উঁচু গাছে উঠে ডাল কাটতে গিয়ে জ্ঞান হারালেন হজরত আলী নামের এক বৃদ্ধ। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে প্রায় দুই ঘণ্টা পর তাকে উদ্ধার করা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার হাতিজা এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হজরত আলী (৭০) তার নিজ বাড়ির কাছে রাস্তার পাশে একটি উঁচু গাছে ডাল কাটতে ওঠেন। গাছ থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে ভয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। ওই অবস্থায় গাছের ডালের ফাঁকে আটকে ছিলেন তিনি। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল তাকে উদ্ধার করে।
ইসলামপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হজরত আলীকে উদ্ধার করে ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। তিনি কিছুটা সুস্থ আছেন।