ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৬
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’

২৮ অক্টোবর, ২০২৫ ২২:৩৩
ঢাকঢোল, বাদ্যযন্ত্র আর মুহুর্মুহু স্লোগানে প্রকম্পিত গোটা এলাকা। কেউ নাচছে, কেউ গাইছে, কেউবা দিচ্ছে স্লোগান। কারো হাতে ফেস্টুন, প্লেকার্ড অথবা জাতীয় বা দলীয় পতাকা। নারীরা পরেছে জাতীয় পতাকার আদলে লাল-সবুজ শাড়ি। কেউ দলীয় পতাকা দিয়ে তৈরি করেছে নিজের পোশাক। উচ্ছ্বসিত হাজারো নেতাকর্মীদের ভিড়ে যেন তিল ধারনের ঠাঁই নেই কোথাও। এ যেন যৌবনের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের এক উৎসব। এভাবেই দীর্ঘ ১৭ বছর পরে উৎসবমুখর পরিবেশে বরিশালের বাবুগঞ্জে জমকালো নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
সংগঠনের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) শোভাযাত্রা, যুব সমাবেশ, লিফলেট বিতরণ, কেক কাটা, দোয়া-মোনাজাত ও মধ্যাহ্নভোজসহ দিনব্যাপী বিভিন্ন বর্ণিল কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাজসিক ওই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই বিভিন্ন ইউনিয়ন হতে বাদ্যযন্ত্র, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানারসহ খন্ডখন্ড মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ এলাকায় হাজির হয় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এসময় বিভিন্ন বাদ্য-বাজনার তালে নেচে-গেয়ে উৎসবের এক নগরীতে পরিনত করে উপজেলা চত্ত্বর। বেলা ১২টার দিকে সমাবেশস্থল একপর্যায়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়। নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় আয়োজকদের। এসময় বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র, ব্যানার, ফেস্টুন, প্লেকার্ড ও দলীয় পতাকা শোভিত একটি যুবর্যালি উপজেলার চত্ত্বর ছাড়াও প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রা শেষে বাবুগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে এক যুব সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই প্রতিষ্ঠাবর্ষিকীর উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা (দক্ষিণ) যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান ও সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজ আহমেদ বাবলু। উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিলের সঞ্চালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, রফিকুল ইসলাম তোতা, ইসতিয়াক আহমেদ জুয়েল (ভিপি জুয়েল), এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, সদস্য সচিব ওবায়দুল ইসলাম, মুন্সি মাইনুদ্দিন সিকদার, আরিফুর রহমান ইরান, মেহেদি আসলাম খোকন, আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল প্রমুখ।
যুব সমাবেশে যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্যবৃন্দ ছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা অডিটোরিয়ামে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশালাকৃতির কেক কাটেন প্রধান অতিথি যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও জেলা (দক্ষিণ) সম্পাদক অ্যাডভোকেট এইচ.এম তসলিম উদ্দিনসহ অন্যান্য অতিথিরা। এসময় অতিথি ও আয়োজক নেতারা একে অপরকে কেক খাইয়ে দেন। পরে সেখানে এক দোয়া-মোনাজাত এবং মধ্যাহ্নভোজ অনুষ্ঠিত হয়। সকালে যুবদল কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব।
রাজসিক এই আয়োজন প্রসঙ্গে আয়োজক কমিটির প্রধান ও উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অক্টোবর মাসজুড়েই বিভিন্ন মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করেছে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল। রাষ্ট্র সংস্কারে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফার পক্ষে জনমত গঠনে কর্মশালা, সভা-সমাবেশ, গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছি আমরা। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ধারাবাহিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়। বাবুগঞ্জে ৩১ দফা এবং ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরণ সৃষ্টি করতে যুবদল অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। আজকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই নজিরবিহীন উচ্ছ্বাস-উদ্দীপনার মহামিলন যুবদলের সাংগঠনিক শক্তির বহিঃপ্রকাশ।' #
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭