
২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪৫০ বস্তা আলু জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ওই আলুর মালিক পাওয়া যায়নি। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার মগড় ইউনিয়নের খাওখীর গ্রামের উত্তর দিকে কালিজিরা খালেরপাড়ে মনির তালুকদারের জমি থেকে মালিকানাবিহীন ওই ৪৫০ বস্তা আলু জব্দ করা হয়।
জব্দ আলু মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এলাকাবাসী জানান, বুধবার রাতে অপরিচিত কয়েকজন লোক আলুভর্তি একটি বড় ট্রলার ওই খালের পাড়ে নিয়ে আসেন। পরে আলুর বস্তাগুলো ট্রলার থেকে খালের পার্শ্ববর্তী মনির তালুকদারের জমিতে উঠিয়ে রেখে খালি ট্রলার নিয়ে চলে যান। এ সময় তারা (এলাকাবাসী) ভেবেছিলেন হয়তো এই আলু কেউ কিনেছেন। তারা নিয়ে যাবেন; কিন্তু বুধবার রাত থেকে শনিবার দিন পর্যন্ত ওই আলুর বস্তা কেউ না নেওয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ওখানেই বস্তাগুলো পড়ে থাকে। পরে মগড় ইউপি সদস্য মিন্টু খানকে বিষয়টি জানানো হয়।
মগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিন্টু খান বলেন, আমি বিষয়টি জেনে এবং আলুর মালিককে খুঁজে না পেয়ে রোববার নলছিটি থানা পুলিশকে এ ঘটনা জানাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আলুর বস্তাগুলো জব্দ করে।
মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেন জানান, জব্দ আলুর বস্তাগুলো তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নলছিটি থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. আশরাফ আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ওই ৪৫০ বস্তা আলুর কোনো মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় ওই আলুর বস্তাগুলো জব্দ করে মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরে প্রশাসনকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৪৫০ বস্তা আলু জব্দ করেছে পুলিশ। তবে ওই আলুর মালিক পাওয়া যায়নি। রোববার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার মগড় ইউনিয়নের খাওখীর গ্রামের উত্তর দিকে কালিজিরা খালেরপাড়ে মনির তালুকদারের জমি থেকে মালিকানাবিহীন ওই ৪৫০ বস্তা আলু জব্দ করা হয়।
জব্দ আলু মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে এলাকাবাসী জানান, বুধবার রাতে অপরিচিত কয়েকজন লোক আলুভর্তি একটি বড় ট্রলার ওই খালের পাড়ে নিয়ে আসেন। পরে আলুর বস্তাগুলো ট্রলার থেকে খালের পার্শ্ববর্তী মনির তালুকদারের জমিতে উঠিয়ে রেখে খালি ট্রলার নিয়ে চলে যান। এ সময় তারা (এলাকাবাসী) ভেবেছিলেন হয়তো এই আলু কেউ কিনেছেন। তারা নিয়ে যাবেন; কিন্তু বুধবার রাত থেকে শনিবার দিন পর্যন্ত ওই আলুর বস্তা কেউ না নেওয়ায় পরিত্যক্ত অবস্থায় ওখানেই বস্তাগুলো পড়ে থাকে। পরে মগড় ইউপি সদস্য মিন্টু খানকে বিষয়টি জানানো হয়।
মগড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মিন্টু খান বলেন, আমি বিষয়টি জেনে এবং আলুর মালিককে খুঁজে না পেয়ে রোববার নলছিটি থানা পুলিশকে এ ঘটনা জানাই। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আলুর বস্তাগুলো জব্দ করে।
মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেন জানান, জব্দ আলুর বস্তাগুলো তার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
নলছিটি থানার পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) মো. আশরাফ আলী বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ওই ৪৫০ বস্তা আলুর কোনো মালিক খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় ওই আলুর বস্তাগুলো জব্দ করে মগড় ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জামাল হোসেনের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরে প্রশাসনকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৮
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪