
১৭ আগস্ট, ২০২৫ ১২:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: একসময় বিকেল গড়ালেই পিরোজপুরের হুলারহাটসহ জেলার লঞ্চঘাটগুলোতে দেখা যেত অন্যরকম এক চিত্র। ব্যাগ কাঁধে মানুষজন সারিবদ্ধভাবে লঞ্চে উঠছেন, কেউ পরিবার নিয়ে ঢাকা যাচ্ছেন, কেউবা ব্যবসার কাজে রাজধানীর পথে।
লঞ্চের সাইরেন বাজতেই নদীর ঢেউ কেটে এগিয়ে যেত লঞ্চ। নিয়ে যেত হাজারো যাত্রীকে তাদের গন্তব্যে। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে এভাবেই নৌপথ ছিল ঢাকা-পিরোজপুর যাতায়াতের প্রধান ভরসা।
কিন্তু পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর সেই দৃশ্য এখন কেবল স্মৃতি। একসময় যেখানে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮টি লঞ্চ পিরোজপুর থেকে শত শত যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করত, সেখানে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একটিও লঞ্চ চলছে না এ রুটে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা যায়, যাত্রী সংকটের কারণে তারা লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ রেখেছে। পদ্মা সেতুর কারণে সড়কপথে যাতায়াত অনেক সহজ হওয়ায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে লঞ্চের পরিবর্তে বাসে যেতে শুরু করেছেন।
ফলে ব্যবসায়িকভাবে লঞ্চ চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পিরোজপুর থেকে ঢাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। মানুষ এ কারণে লঞ্চে সময় অপচয় করে যেতে চাইছে না। যাত্রী সংকটের কারণে প্রতিদিনের খরচ উঠছে না।
পিরোজপুর জেলার হুলারহাট, স্বরূপকাঠি, কাউখালি, ভান্ডারিয়া, ইন্দেরহাটসহ মোট আটটি ঘাট থেকে লঞ্চে যাত্রী উঠতেন। প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৮০০ যাত্রী লঞ্চে ভ্রমণ করতেন। লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব যাত্রী পড়েছেন বিড়ম্বনায়।
সরেজমিনে পিরোজপুরের হুলারহাট লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের জমজমাট এ ঘাটটি যাত্রী সংকটে অলস সময় পার করছে। আগে যেখানে সারি সারি বিলাসবহুল লঞ্চ নোঙর করা থাকতো সেখানে এখন স্থান পেয়েছে বালিবোঝাই কয়েকটি কার্গো।
তবে প্রতিদিনই কিছু যাত্রী অভ্যাসবশত ঘাটে চলে আসেন লঞ্চে উঠবেন ভেবে। কিন্তু লঞ্চ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাসে চেপে গন্তব্যে যেতে হয় তাদের। এতে যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে খরচও।
এদিকে যাত্রীদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাটকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরাও। লঞ্চ টার্মিনালকে ঘিরে দোকান, খাবারের হোটেল, ফেরিওয়ালা সবাই কোনো না কোনোভাবে নির্ভর করতেন যাত্রীদের ওপর। যাত্রী না থাকায় এখন সেই ব্যবসায়ও পড়েছে ধস।
হুলারহাট লঞ্চ টার্মিনালে বসে আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, দূরপাল্লার রুটে আমাদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ এবং আরামদায়ক হলো লঞ্চ। এখন বাসে যেতে হয় ভিড় আর দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। আমরা চাই পুনরায় ঢাকা-পিরোজপুর রুটে লঞ্চ চালু হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার শেখ বলেন, ঢাকা যেতে লঞ্চই ছিল সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। বিকেলে লঞ্চে উঠে সকালে ঢাকা পৌঁছাতাম। এখন বাধ্য হয়ে বাসে যেতে হয়। খরচ যেমন বেশি, তেমনি ঝুঁকিও বেশি। লঞ্চ আবার চালু হলে আমরা উপকৃত হবো।
হুলারহাট লঞ্চঘাটের পাশেই ছোট্ট চায়ের দোকান চালান মো. আবিদ মোল্লা। তিনি বলেন, আগে প্রতিদিন লঞ্চের যাত্রীদের ভিড়ে আমার দোকানে বিক্রি ভালো হতো। এখন যাত্রী নেই, দিনে ২০০ টাকারও বিক্রি হয় না। সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আরেকজন ব্যবসায়ী, মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু যাত্রী নয়, আমরা ব্যবসায়ীরাও বিপদে আছি। ঘাটকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের জীবিকা ছিল। এখন ঘাট ফাঁকা পড়ে আছে। আমরা চাই, আবার লঞ্চ চালু হোক।
পদ্মা সেতু একদিকে খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা, সহজ করেছে যোগাযোগব্যবস্থা। কিন্তু তার প্রভাব পড়েছে নৌরুটের ওপর। পিরোজপুরের মানুষ এখনও আশা করে, একদিন হয়তো আবারও ঢাকার পথে লঞ্চ ছাড়বে, নদীর বুক চিরে চলবে এসব লঞ্চ দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, হুলারহাট লঞ্চঘাটটি একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী লঞ্চঘাট। তবে পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে ঘাটটিতে লঞ্চ চলাচল কমে গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় যারা লঞ্চ ব্যবসায়ী আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবসায়ীক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: একসময় বিকেল গড়ালেই পিরোজপুরের হুলারহাটসহ জেলার লঞ্চঘাটগুলোতে দেখা যেত অন্যরকম এক চিত্র। ব্যাগ কাঁধে মানুষজন সারিবদ্ধভাবে লঞ্চে উঠছেন, কেউ পরিবার নিয়ে ঢাকা যাচ্ছেন, কেউবা ব্যবসার কাজে রাজধানীর পথে।
লঞ্চের সাইরেন বাজতেই নদীর ঢেউ কেটে এগিয়ে যেত লঞ্চ। নিয়ে যেত হাজারো যাত্রীকে তাদের গন্তব্যে। দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে এভাবেই নৌপথ ছিল ঢাকা-পিরোজপুর যাতায়াতের প্রধান ভরসা।
কিন্তু পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর সেই দৃশ্য এখন কেবল স্মৃতি। একসময় যেখানে প্রতিদিন ৭ থেকে ৮টি লঞ্চ পিরোজপুর থেকে শত শত যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করত, সেখানে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে একটিও লঞ্চ চলছে না এ রুটে।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা যায়, যাত্রী সংকটের কারণে তারা লঞ্চ চলাচল সাময়িক বন্ধ রেখেছে। পদ্মা সেতুর কারণে সড়কপথে যাতায়াত অনেক সহজ হওয়ায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে লঞ্চের পরিবর্তে বাসে যেতে শুরু করেছেন।
ফলে ব্যবসায়িকভাবে লঞ্চ চালু রাখা সম্ভব হচ্ছে না। পিরোজপুর থেকে ঢাকায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ ঘণ্টায় পৌঁছানো যায়। মানুষ এ কারণে লঞ্চে সময় অপচয় করে যেতে চাইছে না। যাত্রী সংকটের কারণে প্রতিদিনের খরচ উঠছে না।
পিরোজপুর জেলার হুলারহাট, স্বরূপকাঠি, কাউখালি, ভান্ডারিয়া, ইন্দেরহাটসহ মোট আটটি ঘাট থেকে লঞ্চে যাত্রী উঠতেন। প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে ৮০০ যাত্রী লঞ্চে ভ্রমণ করতেন। লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব যাত্রী পড়েছেন বিড়ম্বনায়।
সরেজমিনে পিরোজপুরের হুলারহাট লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, এক সময়ের জমজমাট এ ঘাটটি যাত্রী সংকটে অলস সময় পার করছে। আগে যেখানে সারি সারি বিলাসবহুল লঞ্চ নোঙর করা থাকতো সেখানে এখন স্থান পেয়েছে বালিবোঝাই কয়েকটি কার্গো।
তবে প্রতিদিনই কিছু যাত্রী অভ্যাসবশত ঘাটে চলে আসেন লঞ্চে উঠবেন ভেবে। কিন্তু লঞ্চ না পেয়ে শেষ পর্যন্ত বাসে চেপে গন্তব্যে যেতে হয় তাদের। এতে যেমন কষ্ট হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে খরচও।
এদিকে যাত্রীদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘাটকেন্দ্রিক ব্যবসায়ীরাও। লঞ্চ টার্মিনালকে ঘিরে দোকান, খাবারের হোটেল, ফেরিওয়ালা সবাই কোনো না কোনোভাবে নির্ভর করতেন যাত্রীদের ওপর। যাত্রী না থাকায় এখন সেই ব্যবসায়ও পড়েছে ধস।
হুলারহাট লঞ্চ টার্মিনালে বসে আমিনুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, দূরপাল্লার রুটে আমাদের কাছে সবচেয়ে নিরাপদ এবং আরামদায়ক হলো লঞ্চ। এখন বাসে যেতে হয় ভিড় আর দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে। আমরা চাই পুনরায় ঢাকা-পিরোজপুর রুটে লঞ্চ চালু হোক।
স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার শেখ বলেন, ঢাকা যেতে লঞ্চই ছিল সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। বিকেলে লঞ্চে উঠে সকালে ঢাকা পৌঁছাতাম। এখন বাধ্য হয়ে বাসে যেতে হয়। খরচ যেমন বেশি, তেমনি ঝুঁকিও বেশি। লঞ্চ আবার চালু হলে আমরা উপকৃত হবো।
হুলারহাট লঞ্চঘাটের পাশেই ছোট্ট চায়ের দোকান চালান মো. আবিদ মোল্লা। তিনি বলেন, আগে প্রতিদিন লঞ্চের যাত্রীদের ভিড়ে আমার দোকানে বিক্রি ভালো হতো। এখন যাত্রী নেই, দিনে ২০০ টাকারও বিক্রি হয় না। সংসার চালানো কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আরেকজন ব্যবসায়ী, মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শুধু যাত্রী নয়, আমরা ব্যবসায়ীরাও বিপদে আছি। ঘাটকে কেন্দ্র করে বহু মানুষের জীবিকা ছিল। এখন ঘাট ফাঁকা পড়ে আছে। আমরা চাই, আবার লঞ্চ চালু হোক।
পদ্মা সেতু একদিকে খুলে দিয়েছে নতুন সম্ভাবনা, সহজ করেছে যোগাযোগব্যবস্থা। কিন্তু তার প্রভাব পড়েছে নৌরুটের ওপর। পিরোজপুরের মানুষ এখনও আশা করে, একদিন হয়তো আবারও ঢাকার পথে লঞ্চ ছাড়বে, নদীর বুক চিরে চলবে এসব লঞ্চ দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রশীদ বলেন, হুলারহাট লঞ্চঘাটটি একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী লঞ্চঘাট। তবে পদ্মাসেতু নির্মাণের ফলে ঘাটটিতে লঞ্চ চলাচল কমে গেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় যারা লঞ্চ ব্যবসায়ী আছেন তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবসায়ীক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:২৮
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’
পিরোজপুর ২ (ভান্ডারিয়া, কাউখালী ও নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি বিএনপি নেতা মাহমুদ হোসেন। একই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়েছেন আপন ছোট ভাই জাতীয় পার্টির (জেপি) ভান্ডারিয়া উপজেলা শাখার কার্যনির্বাহী সভাপতি মাহিবুল হোসেন।
স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেন লড়বেন ঘোড়া প্রতীক নিয়ে। অন্যদিকে তার ভাই জেপি মনোনীত প্রার্থী মাহিবুল হোসেন বাইসাইকেল প্রতীকে লড়বেন।
পিরোজপুর ২ আসনে জেপি চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হাসেন মঞ্জু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এই আসনের দুই প্রার্থী মাহমুদ হোসেন এবং মাহিবুল হোসেন তার চাচাতো ভাই।’

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে পিরোজপুরের তিনটি সংসদীয় আসনে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১২ টায় পিরোজপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক সাইফ মিজান স্মৃতি সভা কক্ষ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ সময় প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ। অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রার্থীবৃন্দ।
এ সময় পিরোজপুর জেলার রিটানিং কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, পিরোজপুর তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে পিরোজপুর-১ আসনে ২ জন দলীয় প্রার্থী, পিরোজপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাহমুদ হোসেনসহ ৬ জন ও পিরোজপুর-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌহিদুজ্জামানসহ ৬জন, এই ১৪ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৩
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।
পিরোজপুরের কাউখালী-স্বরূপকাঠি সড়কের সিএনবি রোডের কচুয়াকাঠী খালের উপর অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেইলি ব্রিজটি বর্তমানে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
ব্রিজের উপরের স্টিলের পাটাতনগুলো আলগা হয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এই পথ দিয়ে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চরম আতঙ্কে যাতায়াত করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্রিজের মাঝখানের পাটাতনগুলো সরে গিয়ে ফাঁক হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় মরিচা ধরে ভেঙে পড়েছে। কয়েক মাস পর-পর জোড়া তালি দিয়ে গেলেও তা আবার টিকছে না।
ভারী যানবাহন বাস, ট্রাক ও পরিবহনের গাড়িতো দূরের কথা, আটো বা রিকশা চলাচলের সময়ও পুরো ব্রিজটি বিকট শব্দে কাঁপতে থাকে। স্থানীয়রা জানান, রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা যাতায়াত করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। যেকোনো মুহূর্তে পুরো ব্রিজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তাজুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "এই ব্রিজটি দীর্ঘ দিন ধরে সংস্কার না করায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। অসুস্থ রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া এখন দুষ্কর হয়ে পড়েছে।
আটো গাড়ী চালক আবুল হোসেন সহ চালকদের অভিযোগ, ব্রিজের এই অবস্থার কারণে নিয়মিত গাড়ির যন্ত্রাংশ নষ্ট হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে।
জরুরি ভিত্তিতে এই জরাজীর্ণ বেলি ব্রিজটি সংস্কার বা নতুন একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকাবাসী ও সচেতন মহল।
দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জেলার সাথে স্বরূপকাঠি ও কাউখালীর মধ্যকার সড়ক যোগাযোগ যেকোনো সময় বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
পিরোজপুরের সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী তানভীর আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি, অবিলম্বে সংস্কার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫