বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। পরীক্ষা শেষ হয়েছে সাত মাস আগে, তবুও ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। যার কারণে চাকরি ও মাস্টার্সে ভর্তি প্রক্রিয়া আটকে গেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি বছরের ১২ মার্চ পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ এপ্রিল।
এরপর থেকেই ফলাফল প্রকাশ নিয়ে চলছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা। তাদের অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষকদের গাফিলতি ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষকদের পেছনে ঘুরছি। সময়মতো পরীক্ষা শেষ হয় না, ফলাফলও আসে না।
মনে হয় কোনো অদৃশ্য বাধা আমাদের ভাগ্যে জড়িয়ে আছে।’ আরো লিখেছেন, ‘রেজাল্ট প্রকাশ কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের অধিকার। একদিন আগেও ফল পেলে হয়তো একটি চাকরির আবেদন করা যেত, কিন্তু আমরা সুযোগ হারাচ্ছি বারবার।’
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে এখন স্বপ্ন হয়ে গেছে।
জুনের পর থেকে যত চাকরির বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে, আমরা শুধু তাকিয়ে থেকেছি। এক স্যার বলছেন ফাইল অন্যজনের টেবিলে, অন্যজন বলছেন তার কাছে নেই। অন্য বিভাগ এখন মাস্টার্স ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর আমরা এখনো অনার্সের রেজাল্টের অপেক্ষায়।’
বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বাছির ফলাফল প্রকাশে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘যথাযথ সহায়তা পেলে এক সপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব।
কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা চেয়ারম্যান স্যার ভালো বলতে পারবেন।’
তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা কমিটির দুই শিক্ষকই শিক্ষা ছুটিতে থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩১
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৭
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন। পরীক্ষা শেষ হয়েছে সাত মাস আগে, তবুও ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। যার কারণে চাকরি ও মাস্টার্সে ভর্তি প্রক্রিয়া আটকে গেছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, চলতি বছরের ১২ মার্চ পরীক্ষা শুরু হয়ে শেষ হয় ১৬ এপ্রিল।
এরপর থেকেই ফলাফল প্রকাশ নিয়ে চলছে দীর্ঘ প্রতীক্ষা। তাদের অভিযোগ, বিভাগের শিক্ষকদের গাফিলতি ও প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতার কারণেই এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
একজন শিক্ষার্থী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষকদের পেছনে ঘুরছি। সময়মতো পরীক্ষা শেষ হয় না, ফলাফলও আসে না।
মনে হয় কোনো অদৃশ্য বাধা আমাদের ভাগ্যে জড়িয়ে আছে।’ আরো লিখেছেন, ‘রেজাল্ট প্রকাশ কোনো দয়া নয়, এটি আমাদের অধিকার। একদিন আগেও ফল পেলে হয়তো একটি চাকরির আবেদন করা যেত, কিন্তু আমরা সুযোগ হারাচ্ছি বারবার।’
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনার্স শেষ করে মাস্টার্সে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে এখন স্বপ্ন হয়ে গেছে।
জুনের পর থেকে যত চাকরির বিজ্ঞপ্তি বেরিয়েছে, আমরা শুধু তাকিয়ে থেকেছি। এক স্যার বলছেন ফাইল অন্যজনের টেবিলে, অন্যজন বলছেন তার কাছে নেই। অন্য বিভাগ এখন মাস্টার্স ফাইনালের প্রস্তুতি নিচ্ছে, আর আমরা এখনো অনার্সের রেজাল্টের অপেক্ষায়।’
বিভাগীয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আব্দুল আলিম বাছির ফলাফল প্রকাশে আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু প্রয়োজনীয় ‘লজিস্টিক সাপোর্ট’ না পাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
তিনি বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘যথাযথ সহায়তা পেলে এক সপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল প্রকাশ করা সম্ভব।
কেন বিলম্ব হচ্ছে, তা চেয়ারম্যান স্যার ভালো বলতে পারবেন।’
তবে বিভাগীয় চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশীদ বর্তমানে শিক্ষা ছুটিতে আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আশিকুর রহমান বলেন, ‘পরীক্ষা কমিটির দুই শিক্ষকই শিক্ষা ছুটিতে থাকায় কিছুটা দেরি হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭