
০৫ জুন, ২০২৬ ১৪:১৯
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে এমন অভিযোগ এনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি।
শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে দেওয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চললেও এতদিন তিনি নীরব ছিলেন শুধুমাত্র ভাইয়ের কথা ভেবে।
তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার প্রেক্ষিতে তিনি পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন।মাসুমা হাদি জানান, তার ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঢাকায় গিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান এবং সেখানে এক মুহূর্তের জন্যও তিনি ভাইকে ছেড়ে যাননি। তার দাবি, হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিল, তা নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়, ওমর ফারুক তখন চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন। তবে ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় ওমর ফারুক নিজেও রক্তাক্ত ছিলেন এবং একই রিকশায় থাকায় তার জীবনও ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ওমরের পোশাক ও ব্যবহৃত সামগ্রীতেও আহত ভাইয়ের রক্তের দাগ ছিল।
মামলার বাদী হওয়া প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে কীভাবে জাবের বাদী হলেন। তিনি দাবি করেন, ওসমান হাদির জীবনে তার বড় বোন হিসেবে তার ভূমিকা সবারই জানা, তাই এ বিষয়ে তাকে অবগত না করা অস্বাভাবিক।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমর ফারুকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই ওমর স্বচ্ছল জীবনযাপন করে আসছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
চিকিৎসা প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি বলেন, শুরুতে পরিবার নিজেরাই বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়। প্রথমে সিঙ্গাপুরে পাঠানো নথি গ্রহণ না হলেও পরে থাইল্যান্ডে পাঠানোর সাড়া পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসার প্রস্তুতি নেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জেনে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং শেষে সিঙ্গাপুরে নেওয়া সম্ভব হয়।
স্ট্যাটাসের শেষের দিকে মাসুমা হাদি বলেন, সম্মান করতে না পারলেও, কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
পরে তার মরদেহ দেশে আনা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
চলতি বছরের ৮ মার্চ হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইয়ের মামলার বাদী হওয়া নিয়ে ‘নোংরামি’ ও ‘মিথ্যাচার’ চলছে এমন অভিযোগ এনে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি।
শুক্রবার (০৫ জুন) সকালে দেওয়া এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, পরিবারের বিরুদ্ধে আরও ভয়ংকর ষড়যন্ত্র চললেও এতদিন তিনি নীরব ছিলেন শুধুমাত্র ভাইয়ের কথা ভেবে।
তবে গত দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা সমালোচনার প্রেক্ষিতে তিনি পুরো বিষয়টি পরিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছেন।মাসুমা হাদি জানান, তার ভাই গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঢাকায় গিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছান এবং সেখানে এক মুহূর্তের জন্যও তিনি ভাইকে ছেড়ে যাননি। তার দাবি, হাসপাতালে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও প্রশাসন কেন জাবেরের কাছ থেকে মামলার কাগজে স্বাক্ষর নিল, তা নিয়ে তার প্রশ্ন রয়েছে।
তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে তাকে জানানো হয়, ওমর ফারুক তখন চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এ ধরনের সিদ্ধান্ত পরে দেখা হবে বলে জানিয়েছিলেন। তবে ওই সময় ওমরের মানসিক অবস্থা বিবেচনায় নেওয়া উচিত ছিল।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও বলেন, গুলির ঘটনায় ওমর ফারুক নিজেও রক্তাক্ত ছিলেন এবং একই রিকশায় থাকায় তার জীবনও ঝুঁকির মধ্যে ছিল। ওমরের পোশাক ও ব্যবহৃত সামগ্রীতেও আহত ভাইয়ের রক্তের দাগ ছিল।
মামলার বাদী হওয়া প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি প্রশ্ন তোলেন, পরিবারের সদস্যদের না জানিয়ে কীভাবে জাবের বাদী হলেন। তিনি দাবি করেন, ওসমান হাদির জীবনে তার বড় বোন হিসেবে তার ভূমিকা সবারই জানা, তাই এ বিষয়ে তাকে অবগত না করা অস্বাভাবিক।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওমর ফারুকের আর্থিক অবস্থা নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগও করেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই ওমর স্বচ্ছল জীবনযাপন করে আসছেন এবং এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
চিকিৎসা প্রসঙ্গে মাসুমা হাদি বলেন, শুরুতে পরিবার নিজেরাই বিদেশে চিকিৎসার উদ্যোগ নেয়। প্রথমে সিঙ্গাপুরে পাঠানো নথি গ্রহণ না হলেও পরে থাইল্যান্ডে পাঠানোর সাড়া পাওয়া যায়।
তিনি জানান, ওমর ফারুক ব্যক্তিগতভাবে প্রায় ৫২ লাখ টাকা ব্যয়ে চিকিৎসার প্রস্তুতি নেন। পরবর্তীতে সরকার বিষয়টি জেনে চিকিৎসার দায়িত্ব নেয় এবং শেষে সিঙ্গাপুরে নেওয়া সম্ভব হয়।
স্ট্যাটাসের শেষের দিকে মাসুমা হাদি বলেন, সম্মান করতে না পারলেও, কিছু না জেনে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। উল্লেখ্য, গত বছরের ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
পরে তার মরদেহ দেশে আনা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর হত্যাচেষ্টার মামলা করেছিলেন। পরে এটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হয়।
চলতি বছরের ৮ মার্চ হাদি হত্যায় মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:২২
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।
ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে রাজা ইলিশ। মাছটির ওজন দুই কেজি ৮০০ গ্রাম। মাছটি নিলামে ৯ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার মনপুরা ইউনিয়নের রামনেওয়াজ মৎস্য ঘাটে আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে বিক্রি করা হয়।
আড়তের ম্যানেজার নাহিদ বলেন, শনিবার সকালে কলাতলীচর আবাসন খালের কামাল মাঝিসহ সঙ্গীয় জেলেরা রামনেওয়াজ সংলগ্ন মেঘনায় মাছ শিকার করছিল। এই সময় জারে ওঠে আসে রাজা ইলিশ মাছটি। উপকূলের জেলে ও মৎস্য আড়তদাররা বড় সাইজের ইলিশকে রাজা মাছ বলে।
মৎস্য ঘাটের বেপারি আইয়ুব পাটোয়ারী বলেন, আমিসহ অন্য বেপারির উপস্থিতিতে মাছটি আমানত উল্যাহ আলমগীরের মৎস্য আড়তে নিলামে তোলা হয়। পরে সর্বোচ্চ দাম ৯ হাজার টাকায় মাছটি কিনে নেন মৎস্য ব্যবসায়ী জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী।
ব্যবসায়ী রাজিব চৌধুরী বলেন, ঢাকার পাইকারি আড়তে বড় সাইজের ইলিশের চাহিদা বেশি। ঢাকার পাইকারি আড়তে বেশি দামে মাছটি বিক্রি করতে পারব বলে আশাবাদী।
মনপুরা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উজ্জ্বল বনিক বলেন, প্রতিবছর ইলিশ প্রজনন মৌসুম সফল হওয়ায় জেলের জালে বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়েছে। সামনে বর্ষায় বৃষ্টিপাত বাড়লে আরও বড় সাইজের ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশাবাদী।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৪:৩৫
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পরও হয়নি নির্মান, ঝুঁকি নিয়েই চলছে যানবাহন।
পুরাতন এই ব্রিজটি মাঝে মাঝে জোড়াতালি দিয়ে সচল রাখা হলেও ক’দিন যেতে না যেতেই আবার যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সড়ক বিভাগ জানিয়েছে, এ ব্রীজের উন্নয়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল-খুলনা আঞ্চলিক মহাসড়কের ঝালকাঠির বাসন্ডা নদীর ওপর আশির দশকে নির্মিত বেইলি ব্রিজটি ৮ বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি দিয়ে বরিশাল বা ঝালকাঠি থেকে পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শত শত যানবহন যাতায়াত করে।
ব্রিজটির উপরে কোন যাত্রীবাহি বাস বা ট্রাক উঠলে, চালক ও যাত্রীরা অনুভব করেন ব্রিজটি দুলছে। এছাড়া এই ব্রীজের স্লাবগুলো আলগা হয়ে রয়েছে। প্রায়ই এখানে দুর্ঘটনা ঘটে। এ ব্রীজটি দ্রুত মেরামত বা নতুন করে নির্মাণ করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনার আশংকা করছেন এলাবকাবাসী।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী জানান,ডিজাইন করেছি প্রাক্লন করেছি,ডিসি অফিসের জমি অধিগ্রহনের চিঠি পেয়েছি। ওজোপাডিকোর খুটি সরানোর টিম এসেছিলো তাদের কাজ চলমান। মুল কথা হচেছ সকল কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দীর্ঘ দিনের পুরনো ও জরাজির্ণ ব্রিজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝে মধ্যে কিছু সংস্কার করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী রাখার চেস্টা করলেও তা খুব বেশি কাজে আসছেনা।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৮
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।
ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের ২৫ নেতাকর্মীর ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের এক অফিস আদেশে বলা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বার্থে ৩৩টি অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা হলো।
অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল করা আওয়ামী লীগ নেতারা হলেন- সাবেক পৌর মেয়র আফজাল হোসেন রানা, জেলা আওয়ামী লীগের অর্থ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তালুকদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ রাজ্জাক আলী সেলিম, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মুজিবুল হক আকন, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিন রেজভী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহামুদ, জেলা যুবলীগের আহবায়ক রেজাউল করিম জাকির ও যুগ্ম আহবায়ক কামাল শরিফ, কাঠালিয়া উপজেলা যুবলীগ মোহাম্মদ ফরিদুজ্জামান ও মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ঝালকাঠি উপজেলা যুবলীগ মো. সোহেল আহমেদ, সৈয়দ জরুল হক স্বপন (ঝালকাঠি সদর যুবলীগ), ইয়াসমিন রাবি পপি (যুব মহিলা লীগ নেত্রী, রাজাপুর) নার্গিস আক্তার, (ঝালকাঠি সদর) চন্দ্রশেখর হালদার (রাজাপুর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান) শাহিন মৃধা (রাজাপুর) আলম হোসেন (মেকার আলম, ঝালকাঠি সদর), আব্দুর রহিম মিয়া (কৃত্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান), আমিনুল ইসলাম খান লিটন (গাভারামচন্দ্রপুর) এম এ কুদ্দুস খান (জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা), মো. আরিফ হোসেন (কাঠালিয়া), মাজেদ হাসান (ঝালকাঠি সদর), পলাশ মন্ডল (ঝালকাঠি সদর) ও মো. লোকমান মল্লিক (কাঠলিয়া)। ঝালকাঠি থানার সেকেন্ড অফিসার আসাদ আল গালিব বলেন, লাইসেন্স বাতিল করা সব অস্ত্র ঝালকাঠি জেলার ৪ থানায় জমা রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.