
১৪ জুন, ২০২৫ ২০:৫৩
ইসরায়েলের আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যর্থ করে তেল আবিবে অবস্থিত প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইরান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে দফায় দফায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর তেহরানের এই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়।
ইসরাইলের সর্বাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম ‘আয়রন ডোম’। মূলত এটা এমন একধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম। বড় ক্ষেপণাস্ত্র তো বটেই, ক্ষুদ্র রকেটও ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলের আয়রন ডোম। ইহুদিদের কাছে তাদের এই আয়রন ডোম জাতীয় নিরাপত্তা আর গৌরবের প্রতীক। ইসরায়েলের সেই গর্বকে এবার চূর্ণ করে দিল ইরান।
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, তেল আবিবের একেবারে কেন্দ্রস্থলে আঘাত হানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা অবস্থিত। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
১৯ সেকেন্ডের ওই ক্লিপে দেখা যায়, ইসরায়েলের আয়রন ডোম একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি ওই আয়রন ডোম ভেঙে চোখের পলকে প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরে আঘাত হানে। ক্লিপটি শুরু হয় বিকট শব্দে বেরিয়ে আসা প্রজেক্টাইল দিয়ে। তারপর আলোর ঝলক এবং আগুনের একটি গোলা বিকট শব্দে ভবনটিতে আঘাত করে।
এর পেছনে তেল আবিবের কিরিয়া এলাকার মার্গানিট টাওয়ারটি দেখা যায়। যা আইডিএফ সদর দপ্তরের কাছে শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। শুক্রবার সকালে ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। এরপর ইসরাইলে প্রতিশোধ নিতে শুরু করে তেহরান।
গতকাল শুক্রবার সকালে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। এরপর ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান।
ইসরায়েলের আয়রন ডোম বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে ব্যর্থ করে তেল আবিবে অবস্থিত প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরে হামলা চালিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইরান। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইরানে দফায় দফায় ইসরায়েলি বিমান হামলার পর তেহরানের এই প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ শুরু হয়।
ইসরাইলের সর্বাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নাম ‘আয়রন ডোম’। মূলত এটা এমন একধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, যা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্রকে আকাশেই ধ্বংস করতে সক্ষম। বড় ক্ষেপণাস্ত্র তো বটেই, ক্ষুদ্র রকেটও ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলের আয়রন ডোম। ইহুদিদের কাছে তাদের এই আয়রন ডোম জাতীয় নিরাপত্তা আর গৌরবের প্রতীক। ইসরায়েলের সেই গর্বকে এবার চূর্ণ করে দিল ইরান।
সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমসের যাচাই করা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, তেল আবিবের একেবারে কেন্দ্রস্থলে আঘাত হানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, যেখানে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরসহ বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনা অবস্থিত। এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
১৯ সেকেন্ডের ওই ক্লিপে দেখা যায়, ইসরায়েলের আয়রন ডোম একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রটি ওই আয়রন ডোম ভেঙে চোখের পলকে প্রতিরক্ষা সদর দপ্তরে আঘাত হানে। ক্লিপটি শুরু হয় বিকট শব্দে বেরিয়ে আসা প্রজেক্টাইল দিয়ে। তারপর আলোর ঝলক এবং আগুনের একটি গোলা বিকট শব্দে ভবনটিতে আঘাত করে।
এর পেছনে তেল আবিবের কিরিয়া এলাকার মার্গানিট টাওয়ারটি দেখা যায়। যা আইডিএফ সদর দপ্তরের কাছে শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। শুক্রবার সকালে ইসরাইল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। এরপর ইসরাইলে প্রতিশোধ নিতে শুরু করে তেহরান।
গতকাল শুক্রবার সকালে ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ভয়াবহ হামলা চালায়। এতে ইরানের বেশ কয়েকজন সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তা এবং পরমাণুবিজ্ঞানী নিহত হন। এরপর ইসরায়েলে পাল্টা হামলা শুরু করে তেহরান।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৭
সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিকঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর বা আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এ সংবাদ সংস্থা বলেছে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় সুলতান আমির ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ১৩টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করেছে, তার মধ্যে কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিকঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক হামলা চালায় ইরান।
তাদের দাবি, ঐ অঞ্চলে বহু মার্কিন সামরিকঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বারবারই ইরানের দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরবে মার্কিন সেনা এবং বিমানঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। এ ঘাঁটিটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদর দপ্তর। এ ছাড়া বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর ফিফ্থ ফ্লিটের সদর দপ্তরেও হামলা করেছে ইরান। অন্যদিকে সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়।
সম্পাদনা/ বরিশালটাইমস।
সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিকঘাঁটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর বা আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এ সংবাদ সংস্থা বলেছে, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় সুলতান আমির ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ১৩টি সামরিক ঘাঁটি ধ্বংস করেছে, তার মধ্যে কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কুয়েতের পোর্ট শুয়াইবা, আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি এবং বুয়েরিং সামরিকঘাঁটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকেই উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একের পর এক হামলা চালায় ইরান।
তাদের দাবি, ঐ অঞ্চলে বহু মার্কিন সামরিকঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন বারবারই ইরানের দাবি ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে। কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরবে মার্কিন সেনা এবং বিমানঘাঁটিতে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। এর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাতারের আল উদেইদ বিমান ঘাঁটিতে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিশালী রাডার ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে ইরান। এ ঘাঁটিটি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের আঞ্চলিক সদর দপ্তর। এ ছাড়া বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর ফিফ্থ ফ্লিটের সদর দপ্তরেও হামলা করেছে ইরান। অন্যদিকে সৌদি আরবে প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতেও হামলা চালানো হয়।
সম্পাদনা/ বরিশালটাইমস।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৪
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মে মাসে চীন সফরে যাবেন। আট বছর পর এটি হবে তার প্রথম বেইজিং সফর। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল। খবর জিও নিউজের।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি শি জিনপিংকে স্বাগত জানাবেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক সফরগুলোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে।’
তবে এ বিষয়ে চীনের দূতাবাস জানিয়েছে, তারা এ মুহূর্তে কোনো তথ্য দিতে পারছে না। সাধারণত বেইজিং কয়েকদিন আগে পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট শি’র সফরসূচি প্রকাশ করে না।
এই বহুদিনের পরিকল্পিত সফর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা বারবার বিভিন্ন ঘটনার কারণে পিছিয়ে গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত করে, যা ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হাতিয়ার ছিল। একই মাসের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার ফলে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ চীন ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফর ছিল কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ সফর। আগামী মে মাসের এই সফরটি হবে তাদের সর্বশেষ সরাসরি বৈঠকের পর প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে তারা বাণিজ্য নিয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।
বরিশাল টাইমস
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী মে মাসে চীন সফরে যাবেন। আট বছর পর এটি হবে তার প্রথম বেইজিং সফর। চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে আগে নির্ধারিত এই সফরটি স্থগিত করা হয়েছিল। খবর জিও নিউজের।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ মার্চ) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, তিনি ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফর করবেন।
সেইসঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে ওয়াশিংটন সফরের জন্য তিনি শি জিনপিংকে স্বাগত জানাবেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক সফরগুলোর প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। আমি প্রেসিডেন্ট শি’র সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। এটি নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হবে।’
তবে এ বিষয়ে চীনের দূতাবাস জানিয়েছে, তারা এ মুহূর্তে কোনো তথ্য দিতে পারছে না। সাধারণত বেইজিং কয়েকদিন আগে পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট শি’র সফরসূচি প্রকাশ করে না।
এই বহুদিনের পরিকল্পিত সফর এবং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টা বারবার বিভিন্ন ঘটনার কারণে পিছিয়ে গেছে।
ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট প্রেসিডেন্টের শুল্ক আরোপের ক্ষমতা সীমিত করে, যা ট্রাম্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক হাতিয়ার ছিল। একই মাসের শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে যৌথ সামরিক অভিযানে যুক্ত হওয়ার ফলে বেইজিংয়ের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ চীন ইরানের প্রধান তেল ক্রেতা।
২০১৭ সালে ট্রাম্পের শেষ চীন সফর ছিল কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের সর্বশেষ সফর। আগামী মে মাসের এই সফরটি হবে তাদের সর্বশেষ সরাসরি বৈঠকের পর প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ। এর আগে গত অক্টোবরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকে তারা বাণিজ্য নিয়ে একটি সাময়িক সমঝোতায় পৌঁছেছিলেন।
বরিশাল টাইমস

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৭
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস
লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত দেখে মনে হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। এসব সংঘাত মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর বৈশ্বিক প্রভাব ধরে রাখার প্রচেষ্টার সরাসরি ফল।
মস্কোয় গোরাসকভ ফান্ডের বোর্ড বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে এমন কথা বলেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই ল্যাভরভ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখনো রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতে তাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পদ বিনিয়োগ করছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ ইতোমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাত সম্ভাব্য তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হিসেবে আখ্যায়িত করতে শুরু করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি যৌথবাহিনীর ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুধু আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাই নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক পরিবহন ব্যবস্থাও ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
তিনি জানান, রাশিয়া এ পরিস্থিতি নিয়ে ইরান ও গালফ কাউন্সিলের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও মতবিনিময় করছে।
ল্যাভরভ জোর দিয়ে বলেন, আলোচনা, ঐক্য এবং স্বার্থের ভারসাম্যের পথই মধ্যপ্রাচ্যের জন্য সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
পারমাণবিক নিরাপত্তা ইস্যুতে আইএইএ-এর ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেন, সংস্থাটি বর্তমান হুমকির যথাযথ প্রতিক্রিয়া দিতে পারছে না।
এদিকে, কিউবার ওপর বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। রাশিয়া কিউবাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা, বিশেষ করে মানবিক সহায়তা, অব্যাহত রাখবে বলে জানান।
ফিলিস্তিন ইস্যুতে ল্যাভরভ বলেন, রাশিয়া তার আরব ও মুসলিম মিত্রদের সঙ্গে কাজ করে জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ল্যাভরভের এ বক্তব্য বর্তমান বৈশ্বিক উত্তেজনা ও শক্তির দ্বন্দ্ব আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.