ঝালকাঠিতে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং সম্পাদকসহ আওয়ামীপন্থী ১৬জন আইনজীবীর সদস্যপদ বাতিল করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
সমিতির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ১৬জন আইনজীবীর সদস্যপদ বাতিলের বিষয়টি সোমবার দুপুরে নিশ্চিত হওয়া গেলেও এ সমিতির আজীবন সদস্য আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু এবং ব্যরিস্টার শাহজাহান ওমরের নাম ছিলো না বাদ পড়াদের এই তালিকায়। এ নিয়ে অনেকটা মিশ্র প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন অনেকে।
গণমাধমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার রাতে ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন। তাদের সিদ্ধান্তের বিস্তারিত ব্যখ্যা দিয়ে জানান, 'গেলো বছরের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির পুরোনো কমিটির অনেকেই গাঢাকা দেয়। সমিতির কার্যক্রম চালাতে তখন আমরা একটা অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি করি। সেই কমিটির সভায় এ সংগঠনের আজীবন সদস্যের পদে থাকা আমির হোসেন আমু এবং ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমরের সদস্যপদ বাতিল করে দেয়া হয়। সে কারনেই সোমবারের তালিকায় তাদের নাম ছিলোনা। পুর্বের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নতুন ছাপানো ওকালতনামায় আমু এবং ওমরের নামও নেই।'
এডভোকেট শাহদাৎ হোসেন আরও জানান, 'শুধু আওয়ামী লীগ নয়, বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের এ দফায় বাদ দেওয়া হয়েছে। আগামীতে আরও অনেকেই বাদ পড়তে পারেন। তবে সে সিদ্ধান্ত সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নেয়া হবে।'
আরেক প্রশ্নের জবাবে শাহাদাৎ হোসেন বলেন, 'কি কারণে বা সমিতির গঠণতন্ত্রের কোন ধারা অনুযায়ী তাঁদের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে তা চিঠিতে উল্লেখ করা সমিতির গঠনতন্ত্রে উল্লেখ নেই। ওটা রেজুলেশনে থাকবে।
সোমবার ১৬ জুন বাদ দেওয়া যাদের তালিকা প্রকাশ হয়েছে তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান রসুল, সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মো. মঞ্জুর হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. মোর্শেদ কামাল, সাবেক সরকারি কৌশলী (জিপি) তপন কুমার রায় চৌধুরী, সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম আলম খান কামাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তাফিজুর রহমান (মনু), সাবেক সভাপতি মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব জি.কে মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক এপিপি সঞ্জয় কুমার মিত্র, মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, কার্তিক চন্দ্র দত্ত, সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর শামীম, তানজিলা হক, মো. আবুল বাশার এবং জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এসএম. রুহুল আমীন রিজভী।’

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০০
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:১৫
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।
ইলিশের নিরাপদ প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর) মধ্যরাত থেকে মেঘনা নদীর নির্ধারিত এলাকায় শুরু হচ্ছে ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা। আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা চলবে। এ সময়ে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বিক্রি নিষিদ্ধ থাকবে।
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও পুলিশের পক্ষ থেকে নদী ও মাছঘাটগুলোতে প্রচারণা চালানো হয়েছে। জেলেদের সচেতন করতে বিভিন্ন এলাকায় সভা ও মাইকিং করা হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরতে না যাওয়ার জন্য জেলেদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, বছরের এই সময়ে নদীতে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকায় তাদের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক জেলে পরিবার দৈনন্দিন জীবিকা নিয়ে সংকটে পড়েন। তবে ইলিশের প্রজনন ও ভবিষ্যতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার প্রয়োজনীয়তার কথাও স্বীকার করেন তারা।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন নদীতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ ধরলে তার বিরুদ্ধে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। জেলেরা যাতে নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে না নামেন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। একই সঙ্গে মাছ আহরণ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এদিকে নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের জন্য সরকারি সহায়তা যথাযথভাবে বিতরণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা। তাদের মতে, নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে হলে জেলেদের খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
মৎস্য বিভাগ বলছে, ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে ইলিশের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নদীতে ইলিশের প্রাচুর্য আরও বাড়বে।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:২৮
মুক্তিযুদ্ধের যে সত্য, তা লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত দিয়ে গড়া সত্য বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিশেষ সেমিনার ‘লেখকের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কলে যুক্তে হয়ে এসব কথা বলেন।
হারুন হাবীব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কখনো কখনো পরিবর্তিত হতে দেখি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। একটি শ্রেণির কাছে মুক্তিযুদ্ধ যেন শুধু একটি গোলমালের বিষয় মানে ওই বছরটায় শুধু গোলমাল হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কোনো গোলমাল নয়। মুক্তিযুদ্ধ একটি স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধ একটি জীবন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় স্বাধীনতার প্রতীক।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যখন বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। যাদের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে, তারা প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। আর সেই বিভ্রান্তির ফলেই জাতীয় গৌরবের যে অস্তিত্ব, তা তাদের কাছে ম্লান হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, খুব সচেতনভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবদমনের চেষ্টা করা হয়েছে। যুগে যুগে হয়েছে, এখনো হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পুনর্লিখনের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন করে তো মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা ঘটবে না। ইতিহাস তো ইতিহাস। নতুন করে ইতিহাস লেখা যায় না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্ভাগ্য যে আমরা ইতিহাস পুনর্লিখনের চেষ্টা করি। এটা শুধু অন্যায় নয়, জাতীয় অপরাধ।
হারুন হাবীব বলেন, সত্য যা, ঘটনা যা তার নিজস্ব একটা শক্তি থাকে। সেই সত্যকে, সত্যের ইতিহাসকে বা ইতিহাসের সত্যকে যদি কখনো চাপা দিতে চান, তাহলে কয়েক দিন, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরের জন্য তা করা সম্ভব। কিন্তু সত্যের নিজস্ব শক্তি আছে, তার প্রতিরোধের শক্তি আছে। সেই শক্তি দিয়েই সত্য আবার ফিরে আসে।
সমাজ নিয়ে যারা চিন্তা করেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সত্যকে রক্ষা করে আপনারা সবকিছু করতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসকে আঘাত করে নয়। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ইতিহাসকে আঘাত করছি। মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে আমরা আক্রান্ত করছি এবং তরুণ প্রজন্মকে সত্যিকার ইতিহাস থেকে দূরে রাখছি।
সেমিনারে লেখক, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম' নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ। এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইন।
মুক্তিযুদ্ধের যে সত্য, তা লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্ত দিয়ে গড়া সত্য বলে মন্তব্য করেছেন লেখক, সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের আয়োজনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিশেষ সেমিনার ‘লেখকের মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে তিনি ভিডিও কলে যুক্তে হয়ে এসব কথা বলেন।
হারুন হাবীব বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে কখনো কখনো পরিবর্তিত হতে দেখি। এটা আমাদের দুর্ভাগ্য। একটি শ্রেণির কাছে মুক্তিযুদ্ধ যেন শুধু একটি গোলমালের বিষয় মানে ওই বছরটায় শুধু গোলমাল হয়েছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ কোনো গোলমাল নয়। মুক্তিযুদ্ধ একটি স্লোগান, মুক্তিযুদ্ধ একটি জীবন এবং মুক্তিযুদ্ধ জাতীয় স্বাধীনতার প্রতীক।
তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধকে যখন বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। যাদের জন্ম মুক্তিযুদ্ধের অনেক পরে, তারা প্রকৃত ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্ত হয়। আর সেই বিভ্রান্তির ফলেই জাতীয় গৌরবের যে অস্তিত্ব, তা তাদের কাছে ম্লান হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরও বলেন, খুব সচেতনভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অবদমনের চেষ্টা করা হয়েছে। যুগে যুগে হয়েছে, এখনো হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পুনর্লিখনের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন করে তো মুক্তিযুদ্ধের ঘটনা ঘটবে না। ইতিহাস তো ইতিহাস। নতুন করে ইতিহাস লেখা যায় না। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য, আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক দুর্ভাগ্য যে আমরা ইতিহাস পুনর্লিখনের চেষ্টা করি। এটা শুধু অন্যায় নয়, জাতীয় অপরাধ।
হারুন হাবীব বলেন, সত্য যা, ঘটনা যা তার নিজস্ব একটা শক্তি থাকে। সেই সত্যকে, সত্যের ইতিহাসকে বা ইতিহাসের সত্যকে যদি কখনো চাপা দিতে চান, তাহলে কয়েক দিন, কয়েক মাস কিংবা কয়েক বছরের জন্য তা করা সম্ভব। কিন্তু সত্যের নিজস্ব শক্তি আছে, তার প্রতিরোধের শক্তি আছে। সেই শক্তি দিয়েই সত্য আবার ফিরে আসে।
সমাজ নিয়ে যারা চিন্তা করেন, তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ঐতিহাসিক সত্যকে রক্ষা করে আপনারা সবকিছু করতে পারেন, কিন্তু ইতিহাসকে আঘাত করে নয়। আমাদের দুর্ভাগ্য, আমরা ইতিহাসকে আঘাত করছি। মুক্তিযুদ্ধের মতো একটি সুবিশাল জাতীয় ইতিহাসকে আমরা আক্রান্ত করছি এবং তরুণ প্রজন্মকে সত্যিকার ইতিহাস থেকে দূরে রাখছি।
সেমিনারে লেখক, সাংবাদিক ও মুক্তিযোদ্ধা হারুন হাবীব রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস 'প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়তম' নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ। এবং অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মোহসিনা হোসাইন।

১৭ জুন, ২০২৫ ০২:০৫
ঝালকাঠিতে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং সম্পাদকসহ আওয়ামীপন্থী ১৬জন আইনজীবীর সদস্যপদ বাতিল করেছে জেলা আইনজীবী সমিতি।
সমিতির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. নাসিমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ১৬জন আইনজীবীর সদস্যপদ বাতিলের বিষয়টি সোমবার দুপুরে নিশ্চিত হওয়া গেলেও এ সমিতির আজীবন সদস্য আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতা সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন আমু এবং ব্যরিস্টার শাহজাহান ওমরের নাম ছিলো না বাদ পড়াদের এই তালিকায়। এ নিয়ে অনেকটা মিশ্র প্রতিক্রিয়াও জানিয়েছেন অনেকে।
গণমাধমে এ সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের পর সোমবার রাতে ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন। তাদের সিদ্ধান্তের বিস্তারিত ব্যখ্যা দিয়ে জানান, 'গেলো বছরের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতনের পর ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী সমিতির পুরোনো কমিটির অনেকেই গাঢাকা দেয়। সমিতির কার্যক্রম চালাতে তখন আমরা একটা অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি করি। সেই কমিটির সভায় এ সংগঠনের আজীবন সদস্যের পদে থাকা আমির হোসেন আমু এবং ব্যারিষ্টার শাহজাহান ওমরের সদস্যপদ বাতিল করে দেয়া হয়। সে কারনেই সোমবারের তালিকায় তাদের নাম ছিলোনা। পুর্বের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নতুন ছাপানো ওকালতনামায় আমু এবং ওমরের নামও নেই।'
এডভোকেট শাহদাৎ হোসেন আরও জানান, 'শুধু আওয়ামী লীগ নয়, বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের এ দফায় বাদ দেওয়া হয়েছে। আগামীতে আরও অনেকেই বাদ পড়তে পারেন। তবে সে সিদ্ধান্ত সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নেয়া হবে।'
আরেক প্রশ্নের জবাবে শাহাদাৎ হোসেন বলেন, 'কি কারণে বা সমিতির গঠণতন্ত্রের কোন ধারা অনুযায়ী তাঁদের সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে তা চিঠিতে উল্লেখ করা সমিতির গঠনতন্ত্রে উল্লেখ নেই। ওটা রেজুলেশনে থাকবে।
সোমবার ১৬ জুন বাদ দেওয়া যাদের তালিকা প্রকাশ হয়েছে তারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খান সাইফুল্লাহ পনির, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান রসুল, সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি মো. মঞ্জুর হোসেন ও তাঁর ছেলে মো. মোর্শেদ কামাল, সাবেক সরকারি কৌশলী (জিপি) তপন কুমার রায় চৌধুরী, সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম আলম খান কামাল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ.স.ম মোস্তাফিজুর রহমান (মনু), সাবেক সভাপতি মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমিতির সদস্য সচিব জি.কে মোস্তাফিজুর রহমান, সাবেক এপিপি সঞ্জয় কুমার মিত্র, মো. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, কার্তিক চন্দ্র দত্ত, সৈয়দ মো. জাহাঙ্গীর শামীম, তানজিলা হক, মো. আবুল বাশার এবং জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এসএম. রুহুল আমীন রিজভী।’
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:১০
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:২৫
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫২
০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬