
০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:১৮
টাইগ্রেস পেসার জাহানারা আলমের অভিযোগের ইস্যুতে উত্তাল দেশের ক্রীড়াঙ্গন। টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্রয়াত সাবেক ইনচার্জ তাওহীদ মাহমুদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেন তিনি। তীব্র সমালোচনায় মাতেন বর্তমান নারী দলের অধিনায়ক জ্যোতিরও। এবার মঞ্জুরুল-জ্যোতিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রুমানা আহমেদ।
রুমানা দাবি করেন, জ্যোতি অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই তাকে দল থেকে বের করে দিতে চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে সফল হয়। তিনি বলেন, ‘ও (জ্যোতি) ক্যাপ্টেন হওয়ার পর থেকেই আমাকে টিম থেকে বের করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সেটা সে সফল হয়েছে। আমি টিমে নেই কেন? ম্যানেজমেন্ট আমাকে বলছে আমি পারফর্মার, কিন্তু আমি নাকি আনফিট। ওনাদের জানা উচিত একজন আনফিট খেলোয়াড় কখনও পারফর্মার হতে পারে না।’
মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাহানারা যে অভিযোগ তুলেছে সেটি এতদিন ধামাচাপা থাকায় অখুশি রুমানা। একইসঙ্গে প্রশ্ন তুলেন মঞ্জুরুলের চরিত্র নিয়েও। এ প্রসঙ্গে রুমানা বলেন, ‘আমার কাছে এটা কষ্টই লেগেছে যে, বিষয়টি এতদিন ধামাচাপা ছিল। ও (জারুহানারা) এটা এতদিন পরে তুলেছে, এটা খারাপ লেগেছে। আর ওনার (মঞ্জুরুলের) ক্যারেক্টার নিয়ে আমি আগেও বলেছি, উনি এই টাইপের। এখন ওর (জাহানারা) সঙ্গে যা করা হয়েছে সেগুলো আমার স্বচক্ষে দেখা না, আমি এটা নিয়ে জানি না। তবে আমি এইটুকু জানি, একটা মেয়ে মানুষ এইটুকু বুঝতে পারার কথা যে কখন তাকে ‘গুড টাচ’ বা ‘ব্যাড টাচ’ করা হয়।’
বর্তমান অধিনায়ক জ্যোতির কথা যারা শুনে তাদের নিয়েই দল গঠন করা হয়, এমন দাবি রুমানার। তিনি আরও জানান, অনেকেই জ্যোতির ‘খেদমত’ করে দলে জায়গা পেতে। রুমানা বলেন, ‘ও (জ্যোতি) তো জুনিয়রদের নিয়েই টিম করে। ওর কথা যারা শোনে, ও তাদের নিয়েই টিমটা গঠন করেছে সবসময়। ব্যাগ টানার কাজ আমরাও দেখেছি, জাহানারাও দেখেছে। এটা স্বেচ্ছায় করেছে, কারণ তাকে তো টিমে থাকতে হবে। জ্যোতির যদি একটু ‘খেদমত’ করতে পারে, তাহলে তো টিমে থাকতে পারবে।’
টাইগ্রেস পেসার জাহানারা আলমের অভিযোগের ইস্যুতে উত্তাল দেশের ক্রীড়াঙ্গন। টিম ম্যানেজার মঞ্জুরুল ইসলাম ও প্রয়াত সাবেক ইনচার্জ তাওহীদ মাহমুদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেন তিনি। তীব্র সমালোচনায় মাতেন বর্তমান নারী দলের অধিনায়ক জ্যোতিরও। এবার মঞ্জুরুল-জ্যোতিকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক রুমানা আহমেদ।
রুমানা দাবি করেন, জ্যোতি অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই তাকে দল থেকে বের করে দিতে চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে সফল হয়। তিনি বলেন, ‘ও (জ্যোতি) ক্যাপ্টেন হওয়ার পর থেকেই আমাকে টিম থেকে বের করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। সেটা সে সফল হয়েছে। আমি টিমে নেই কেন? ম্যানেজমেন্ট আমাকে বলছে আমি পারফর্মার, কিন্তু আমি নাকি আনফিট। ওনাদের জানা উচিত একজন আনফিট খেলোয়াড় কখনও পারফর্মার হতে পারে না।’
মঞ্জুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জাহানারা যে অভিযোগ তুলেছে সেটি এতদিন ধামাচাপা থাকায় অখুশি রুমানা। একইসঙ্গে প্রশ্ন তুলেন মঞ্জুরুলের চরিত্র নিয়েও। এ প্রসঙ্গে রুমানা বলেন, ‘আমার কাছে এটা কষ্টই লেগেছে যে, বিষয়টি এতদিন ধামাচাপা ছিল। ও (জারুহানারা) এটা এতদিন পরে তুলেছে, এটা খারাপ লেগেছে। আর ওনার (মঞ্জুরুলের) ক্যারেক্টার নিয়ে আমি আগেও বলেছি, উনি এই টাইপের। এখন ওর (জাহানারা) সঙ্গে যা করা হয়েছে সেগুলো আমার স্বচক্ষে দেখা না, আমি এটা নিয়ে জানি না। তবে আমি এইটুকু জানি, একটা মেয়ে মানুষ এইটুকু বুঝতে পারার কথা যে কখন তাকে ‘গুড টাচ’ বা ‘ব্যাড টাচ’ করা হয়।’
বর্তমান অধিনায়ক জ্যোতির কথা যারা শুনে তাদের নিয়েই দল গঠন করা হয়, এমন দাবি রুমানার। তিনি আরও জানান, অনেকেই জ্যোতির ‘খেদমত’ করে দলে জায়গা পেতে। রুমানা বলেন, ‘ও (জ্যোতি) তো জুনিয়রদের নিয়েই টিম করে। ওর কথা যারা শোনে, ও তাদের নিয়েই টিমটা গঠন করেছে সবসময়। ব্যাগ টানার কাজ আমরাও দেখেছি, জাহানারাও দেখেছে। এটা স্বেচ্ছায় করেছে, কারণ তাকে তো টিমে থাকতে হবে। জ্যোতির যদি একটু ‘খেদমত’ করতে পারে, তাহলে তো টিমে থাকতে পারবে।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৭
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১