বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমার রাজনীতি হলো মানুষের কষ্ট দূর করার রাজনীতি। আমার রাজনীতি মানুষের সমস্যা সমাধান করার রাজনীতি। কার কী সমস্যা, কার কী প্রয়োজন, কার কী অভাব-অভিযোগ, সেটা জানার জন্য আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমি আমার দায় ও দরদের জায়গা থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করি। আমাকে কিছু মানুষ মূল্যায়ন করে, আমার কথা শোনে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজে এমপি-মন্ত্রী না হয়েও এলাকার মানুষের জন্য কিছু কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বরিশালে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করিয়েছি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেসব কাজ দৃশ্যমান হবে।'
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিমানবন্দর প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্নার সভাপতিত্বে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের মহাসড়ক নির্মাণ কাজের প্রথম অংশ বরিশাল পর্যন্ত তদবির করে একনেকে পাস করিয়েছি। এছাড়াও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ সেতুর কাজ আবার চালু করিয়েছি। এর পাশাপাশি বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর এবং চাঁদপাশায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচিহ্ন বসতবাড়ি রক্ষা, জাদুঘর মেরামত ও সংস্কার, রহমতপুর ও বাবুগঞ্জ বাজারের রাস্তা নির্মাণ, কলেজ গেট থেকে লাকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারসহ উপজেলার ৩৬টি রাস্তা পাকাকরণ, ৬৭টি নতুন রাস্তা নির্মাণ, ৭৬টি মসজিদ-মন্দির সংস্কার, ৯৮টি টিউবওয়েল স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও সেবার মান বৃদ্ধিসহ ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। এর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পাস হয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলোর কাজও পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে।'
বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সদস্য ও চর সাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি, যুগ্ম-আহবায়ক সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের আইন সম্পাদক ও বরিশাল জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মৃধা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, সদস্য নবীন দাস, প্রকৌশলী মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ। ওই মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আগে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। #

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৬
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:০৩
আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, 'আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাস করি। আমার রাজনীতি হলো মানুষের কষ্ট দূর করার রাজনীতি। আমার রাজনীতি মানুষের সমস্যা সমাধান করার রাজনীতি। কার কী সমস্যা, কার কী প্রয়োজন, কার কী অভাব-অভিযোগ, সেটা জানার জন্য আমি মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে বেড়াচ্ছি। মানুষ হিসেবে আমি আমার দায় ও দরদের জায়গা থেকে রাজনীতি করার চেষ্টা করি। আমাকে কিছু মানুষ মূল্যায়ন করে, আমার কথা শোনে, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজে এমপি-মন্ত্রী না হয়েও এলাকার মানুষের জন্য কিছু কাজ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ইতোমধ্যে বরিশালে দেড় হাজার কোটি টাকার কাজ বরাদ্দ করিয়েছি। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেসব কাজ দৃশ্যমান হবে।'
বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার বিমানবন্দর প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্নার সভাপতিত্বে সমসাময়িক বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেনের মহাসড়ক নির্মাণ কাজের প্রথম অংশ বরিশাল পর্যন্ত তদবির করে একনেকে পাস করিয়েছি। এছাড়াও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর মধ্যবর্তী মীরগঞ্জ সেতুর কাজ আবার চালু করিয়েছি। এর পাশাপাশি বাবুগঞ্জের জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর এবং চাঁদপাশায় নদী ভাঙন প্রতিরোধ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের স্মৃতিচিহ্ন বসতবাড়ি রক্ষা, জাদুঘর মেরামত ও সংস্কার, রহমতপুর ও বাবুগঞ্জ বাজারের রাস্তা নির্মাণ, কলেজ গেট থেকে লাকুটিয়া পর্যন্ত সড়ক সংস্কারসহ উপজেলার ৩৬টি রাস্তা পাকাকরণ, ৬৭টি নতুন রাস্তা নির্মাণ, ৭৬টি মসজিদ-মন্দির সংস্কার, ৯৮টি টিউবওয়েল স্থাপন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কার ও সেবার মান বৃদ্ধিসহ ৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক সংস্কারের জন্য আবেদন করেছি। এর অনেকগুলো ইতোমধ্যে পাস হয়ে কাজ শুরু হয়ে গেছে। বাকিগুলোর কাজও পর্যায়ক্রমে দৃশ্যমান হবে।'
বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সদস্য ও চর সাধুকাঠী সিনিয়র মাদ্রাসার প্রভাষক মনিরুজ্জামান খোকনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি, যুগ্ম-আহবায়ক সুজন তালুকদার, যুগ্ম-সদস্য সচিব ডাঃ তানভীর আহমেদ, রায়হান উদ্দিন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের আইন সম্পাদক ও বরিশাল জজকোর্টের এজিপি অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মৃধা, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রুবেল সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রনি, যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও ব্র্যাক কর্মকর্তা আবু হানিফ ফকির, সদস্য নবীন দাস, প্রকৌশলী মহসিন উদ্দিন শামীম প্রমুখ। ওই মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আগে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদকে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। #
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭