
১৯ জুন, ২০২৫ ১৫:২০
পটুয়াখালী জেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩০ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া স্বাক্ষরিত ‘দৈনিক ডেঙ্গু রোগীর প্রতিবেদন’ অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিনে ৩০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ২১ জন এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন। এছাড়া কলাপাড়ায় ২ জন, গলাচিপায় ৫ জন ভর্তি হয়েছেন। দশমিনা, বাউফল ও দুমকি উপজেলায় এদিন নতুন করে কেউ ভর্তি হননি।
চলতি বছরের (১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জুন) পর্যন্ত জেলায় সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট ৪৫৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০ জন।
সরেজমিনে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ডেঙ্গু রোগীদের। এতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রোগীদের।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুমকি উপজেলার আনসার সদস্য জয়নুল আবেদিন এবং গলাচিপা উপজেলার দশম শ্রেণির ছাত্রী বিথি দেবনাথ এর মধ্যে রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এডিস মশার বিস্তার রোধে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, মশার জন্মস্থল ধ্বংস এবং ব্যক্তিগত সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি মশকনিধনে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক জুয়েল রানা জানান, এডিস মশার বিস্তার রোধে পৌরসভা নিয়মিত স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে যারা নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করে ড্রেনসহ জমে থাকা পানি অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। এছাড়া মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের শিশু, নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আলাদা ওয়ার্ডের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
পটুয়াখালী জেলায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব ক্রমেই বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ৩০ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে।
সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া স্বাক্ষরিত ‘দৈনিক ডেঙ্গু রোগীর প্রতিবেদন’ অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একদিনে ৩০ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ২১ জন এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২১ জন। এছাড়া কলাপাড়ায় ২ জন, গলাচিপায় ৫ জন ভর্তি হয়েছেন। দশমিনা, বাউফল ও দুমকি উপজেলায় এদিন নতুন করে কেউ ভর্তি হননি।
চলতি বছরের (১ জানুয়ারি থেকে ১৭ জুন) পর্যন্ত জেলায় সরকারি-বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সর্বমোট ৪৫৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৪০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫০ জন।
সরেজমিনে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ রোগীদের সঙ্গে একই ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে ডেঙ্গু রোগীদের। এতে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা রোগীদের।
ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত দুইজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুমকি উপজেলার আনসার সদস্য জয়নুল আবেদিন এবং গলাচিপা উপজেলার দশম শ্রেণির ছাত্রী বিথি দেবনাথ এর মধ্যে রয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বলা হয়েছে, এডিস মশার বিস্তার রোধে নাগরিকদের সচেতনতা জরুরি। জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ, মশার জন্মস্থল ধ্বংস এবং ব্যক্তিগত সাবধানতা অবলম্বনের পাশাপাশি মশকনিধনে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক জুয়েল রানা জানান, এডিস মশার বিস্তার রোধে পৌরসভা নিয়মিত স্প্রে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে যারা নিয়মিত এলাকা পরিদর্শন করে ড্রেনসহ জমে থাকা পানি অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে। এছাড়া মসজিদের ইমামদের মাধ্যমে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের শিশু, নারী ও পুরুষ ওয়ার্ডে রেখেই চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আলাদা ওয়ার্ডের চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.