ছবি- সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুন) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, তার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।
এ লক্ষ্যে উভয়পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন।
এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৭
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।
ভোলার চরফ্যাশনে ডোবা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠা এক নারীর বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুলনগর ইউনিয়নের বাবুরহাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত আবুল বাশার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝের চর এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে। তিনি পেশায় গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। অভিযুক্ত সালমা বেগম একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুরহাট এলাকার বাসিন্দা।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকালে সালমা বেগম ফোন করে আবুল বাশারকে তার বাড়িতে ডেকে নেন। এরপর থেকে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে দক্ষিণ আইচা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন।
এরই মধ্যে রোববার দুপুরে সালমা বেগমের বাড়ির সামনে একটি ডোবায় আবুল বাশারের গলা ও পেটে কাটা-ছেঁড়া জখমসহ মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর ছড়িয়ে পড়লে সেখানে লোকজন জড়ো হন। একপর্যায়ে তারা সালমা বেগমের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন এবং পরে মিছিল নিয়ে বাড়িটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় সালমা বেগম ও সাইদুর রহমান নামে এক পুরুষকে আটক করে পুলিশ।
দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান কবীর বলেন, সালমা বেগম ও সাইদুর রহমানকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০২
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
ভোলার চরাঞ্চলে একের পর এক গরু-মহিষ চুরির ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন খামারিরা। ভোলা সদর উপজেলা মহিষ মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের দাবি, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর থেকে মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন চরাঞ্চলের বাথান থেকে চার শতাধিক গরু-মহিষ চুরি হয়েছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া কোনো গবাদিপশু উদ্ধার হয়নি।
চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গরু-মহিষ উদ্ধার এবং খামারিদের নিরাপত্তাসহ পাঁচ দফা দাবিতে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী খামারি ও সমিতির সদস্যরা।
বক্তারা জানান, মেঘনা-তেঁতুলিয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা চর মদনপুর, চর কালুপুর, চর গাজীপুর, চর বৈরাগী, চরকালী, চর কাঞ্চড়া, চর নেয়ামতপুর, মধুপুর ও চর কাচিয়াসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে বংশপরম্পরায় গরু-মহিষ পালন করে জীবিকা নির্বাহ করছেন তাঁরা। প্রতিকূল পরিবেশেও চড়া দামে জমি ইজারা নিয়ে বাথান পরিচালনা করছেন।
তাঁদের অভিযোগ, আগে বিচ্ছিন্নভাবে চুরির ঘটনা ঘটলেও ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পর পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। একের পর এক চুরির ঘটনায় খামারিদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
খামারিদের ভাষ্য, চুরি বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে একাধিকবার মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। চুরি যাওয়া একটি গরু বা মহিষও উদ্ধার হয়নি বলে দাবি করেন তাঁরা।
মানববন্ধনে সমাজকর্মী কামরুজ্জামান বাহাউদ্দিন, সমিতির উপদেষ্টা শাহাবুদ্দিন ফারাজি, সভাপতি আবুল কাশেম মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, সাংগঠনিক সম্পাদক শরীফ মাতাব্বরসহ সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা দ্রুত চুরি বন্ধ, চোর চক্রকে গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া গবাদিপশু উদ্ধার এবং চরাঞ্চলের খামারিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৪৫
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
কর্মজীবী বাবা-মায়ের সন্তানদের নিরাপদ পরিচর্যা, প্রাথমিক শিক্ষা ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে বরিশাল নগরীতে চালু হয়েছে ‘বরিশাল ডে কেয়ার এন্ড প্রি-স্কুল’। এক থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রতিষ্ঠিত এ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম, পড়াশোনায় সহায়তা ও খেলাধুলার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
নগরীর নতুন বাজার এলাকার সপ্ত বর্ণ কমিউনিটি সেন্টারের তৃতীয় তলায় প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গতকাল দুপুর ৩টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বর্তমানে অনেক পরিবারে বাবা ও মা দুজনই কর্মজীবী। কর্মব্যস্ততার কারণে সন্তানদের নিয়মিত দেখাশোনা ও পরিচর্যা করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে রাখার পাশাপাশি তাদের শিক্ষা ও বিকাশের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, একক অভিভাবকদের ক্ষেত্রেও সন্তান লালন-পালনে বাড়তি দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ থাকে। শিশুদের যত্নের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ও সংবেদনশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ফারজানা আক্তার মনি বলেন, এক বছর থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের এখানে ভর্তি করা যাবে। শিশুদের নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে পুরো প্রতিষ্ঠানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। অভিভাবকদের ক্যামেরার অ্যাক্সেস দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর ফলে তারা মোবাইল ফোন বা অন্য ডিভাইসের মাধ্যমে সন্তানদের কার্যক্রম লাইভ দেখতে পারবেন।
তিনি আরও বলেন, শুধু শিশুদের দেখাশোনা নয়, তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য রয়েছে খেলাধুলা ও শারীরিক চর্চার জন্য প্লে-জোন। পাশাপাশি প্রি-স্কুল কার্যক্রম ও পড়াশোনায় সহায়তার জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ফারজানা আক্তার মনি বলেন, কর্মজীবী অভিভাবকেরা কর্মস্থলে থাকা অবস্থায় যাতে সন্তানদের নিরাপদ পরিবেশে রাখা যায় এবং একই সঙ্গে তাদের শিক্ষা, খেলাধুলা ও সৃজনশীল বিকাশের সুযোগ দেওয়া যায়—সেই লক্ষ্যেই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের একান্ত ব্যক্তিগত সচিব মাসুম হাসান, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব সাকলাইন মোস্তাকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিরা।
আয়োজকদের মতে, নগরীতে কর্মজীবী অভিভাবকের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শিশুদের জন্য নিরাপদ ও পরিকল্পিত ডে কেয়ার সুবিধার প্রয়োজনীয়তাও বাড়ছে। সেই প্রয়োজন বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটিতে পরিচর্যা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বিত ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৪০
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
শনিবার (৬ জুন) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।
তিনি বলেন, তার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।
এ লক্ষ্যে উভয়পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন।
এছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর ‘টু প্লাস টু’ (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।
বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২২
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:২১
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৪
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০