
১৭ জুন, ২০২৫ ১২:২৫
রাতের আঁধারে জমি দখলে বাধা দেয়ায় একই পরিবারের তিন গৃহবধূকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আহতদের মধ্যে দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন আন্দারমানিক ইউনিয়নের পূর্ব ভোঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহরা হলেন- ওই গ্রামের বাসিন্দা রাজিব আকনের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩০), মিলন আকনের স্ত্রী সিমা বেগম (৩০) ও জাকির আকনের স্ত্রী কহিনুর বেগম। আহতরা সম্পর্কে ‘জা’ হন।
এদের মধ্যে হাজেরা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা মৌখিকভাবে শুনেছি।
ভুক্তভোগীদের থানায় মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আহত হাজেরা বেগমের স্বামী রাজিব আকন জানিয়েছেন, দীর্ঘ বছর ধরে জমি নিয়ে তাদের আকন পরিবার ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস পরিবারের সদস্যরা বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে প্রতিপক্ষের মৃত নাজেম আলী বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস ও ফারুক বিশ্বাস তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর তুলতে যায়। এতে বাধা দেন আকন পরিবারের তিন গৃহবধূ। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে বিশ্বাস পরিবারের লোকেরা। তারা এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই তিনজনকে।
রাজিব আকনের অভিযোগ, লিন ও ফারুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে বারেক বিশ্বাস, তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম, লিটনের স্ত্রী তানিয়া বেগম, নূর বিশ্বাসের ছেলে রিয়াদ ও রিফাত বিশ্বাস, স্ত্রী রিনা বেগম, হযরত আলী বিশ্বাসের ছেলে আলাউদ্দিন বিশ্বাস, ঘেসু বিশ্বাস, মাইদুল বিশ্বাস এবং মেয়ে রেশমা বিশ্বাসসহ অন্তত ২০-২৫ জন মিলে আকন পরিবারের তিন গৃহবধূর ওপর হামলা করে।
এদিকে হামলাকারি লিটন বিশ্বাস হচ্ছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সজিব বিশ্বাসের চাচা। তারা এতদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও ৫ আগষ্টের পর ভাইর ছেলে সজিব বিশ্বাসের ছত্রছায়ায় চলে যান।
এমনকি লিটন বিশ্বাস সম্প্রতি তার মাকে লাঞ্চিত করে। সেসময় মসজিদের ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে। লিটন বিশ্বাস ইমামকে বেশ করেকটি থাপ্পর মেরে লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগ করেন ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক।
মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, জমি দখল নিয়ে তিন গৃহবধূর ওপর হামলার খবর পেয়েছি। আহতদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাতের আঁধারে জমি দখলে বাধা দেয়ায় একই পরিবারের তিন গৃহবধূকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। আহতদের মধ্যে দু’জনকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে রোববার রাত ১০টার দিকে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার কাজিরহাট থানাধীন আন্দারমানিক ইউনিয়নের পূর্ব ভোঙ্গা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহরা হলেন- ওই গ্রামের বাসিন্দা রাজিব আকনের স্ত্রী হাজেরা বেগম (৩০), মিলন আকনের স্ত্রী সিমা বেগম (৩০) ও জাকির আকনের স্ত্রী কহিনুর বেগম। আহতরা সম্পর্কে ‘জা’ হন।
এদের মধ্যে হাজেরা বেগমের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা মৌখিকভাবে শুনেছি।
ভুক্তভোগীদের থানায় মামলা করার জন্য বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আহত হাজেরা বেগমের স্বামী রাজিব আকন জানিয়েছেন, দীর্ঘ বছর ধরে জমি নিয়ে তাদের আকন পরিবার ও পার্শ্ববর্তী বিশ্বাস পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বাস পরিবারের সদস্যরা বিরোধপূর্ণ জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে আসছে।
এর ধারাবাহিকতায় রোববার রাত ১০টার দিকে প্রতিপক্ষের মৃত নাজেম আলী বিশ্বাসের ছেলে লিটন বিশ্বাস ও ফারুক বিশ্বাস তাদের পরিবারের লোকজন নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর তুলতে যায়। এতে বাধা দেন আকন পরিবারের তিন গৃহবধূ। এসময় ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের ওপর হামলা করে বিশ্বাস পরিবারের লোকেরা। তারা এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ওই তিনজনকে।
রাজিব আকনের অভিযোগ, লিন ও ফারুক বিশ্বাসের নেতৃত্বে বারেক বিশ্বাস, তার স্ত্রী তাসলিমা বেগম, লিটনের স্ত্রী তানিয়া বেগম, নূর বিশ্বাসের ছেলে রিয়াদ ও রিফাত বিশ্বাস, স্ত্রী রিনা বেগম, হযরত আলী বিশ্বাসের ছেলে আলাউদ্দিন বিশ্বাস, ঘেসু বিশ্বাস, মাইদুল বিশ্বাস এবং মেয়ে রেশমা বিশ্বাসসহ অন্তত ২০-২৫ জন মিলে আকন পরিবারের তিন গৃহবধূর ওপর হামলা করে।
এদিকে হামলাকারি লিটন বিশ্বাস হচ্ছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সজিব বিশ্বাসের চাচা। তারা এতদিন আওয়ামীলীগের রাজনীতি করলেও ৫ আগষ্টের পর ভাইর ছেলে সজিব বিশ্বাসের ছত্রছায়ায় চলে যান।
এমনকি লিটন বিশ্বাস সম্প্রতি তার মাকে লাঞ্চিত করে। সেসময় মসজিদের ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক এই ঘটনার প্রতিবাদ করলে। লিটন বিশ্বাস ইমামকে বেশ করেকটি থাপ্পর মেরে লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগ করেন ইমাম আবু বাকের সিদ্দিক।
মেহেন্দিগঞ্জের কাজিরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, জমি দখল নিয়ে তিন গৃহবধূর ওপর হামলার খবর পেয়েছি। আহতদের মধ্যে দু’জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। তাদেরকে থানায় মামলা করতে বলা হয়েছে। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

১২ মে, ২০২৬ ২০:০৬
মাইক্রোফাইন্যান্স দাবির অর্থায়নে কৃষাণিদের মাঝে উন্নত মানের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্র্যাক এর উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের সবজি ও ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আহসানুল হাবিব আল আজাদ জনি সহ অনেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিএম আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বীজ পেয়ে কৃষকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী বিডিসি মোঃ মনজুরুল আলম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাপড়ী বাড়ৈ , আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক,বরিশাল-২,নিশাত তাসনিম লিজা ,আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (জিজেডি) ,কিরণ চন্দ্র পান্ডে ,সিনিয়র এলাকা ব্যবস্থাপক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি), শিশির কুসার গুহ,এলাকা ব্যবস্থাপক প্রগতি , মো: ইমতিয়াজ ওয়াহিদ ,শাখা ব্যবস্থাপক.দাবি, শান্তি রঞ্জন ভদ্র,উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা,বিশ্বজিত কুমার পাল,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইলেকট্রনিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী বৃন্দ।
মাইক্রোফাইন্যান্স দাবির অর্থায়নে কৃষাণিদের মাঝে উন্নত মানের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্র্যাক এর উদ্যোগ নিয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে উন্নত জাতের সবজি ও ধানের বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ইলিয়াস সিকদার, বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আহসানুল হাবিব আল আজাদ জনি সহ অনেকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার বিএম আফজাল হোসেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষকদের স্বাবলম্বী করতে ব্র্যাক দীর্ঘদিন ধরে কৃষি সহায়তা, প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
বীজ পেয়ে কৃষকেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার দাবি জানান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী বিডিসি মোঃ মনজুরুল আলম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পাপড়ী বাড়ৈ , আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক,বরিশাল-২,নিশাত তাসনিম লিজা ,আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (জিজেডি) ,কিরণ চন্দ্র পান্ডে ,সিনিয়র এলাকা ব্যবস্থাপক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি), শিশির কুসার গুহ,এলাকা ব্যবস্থাপক প্রগতি , মো: ইমতিয়াজ ওয়াহিদ ,শাখা ব্যবস্থাপক.দাবি, শান্তি রঞ্জন ভদ্র,উপজেলা হিসাব কর্মকর্তা,বিশ্বজিত কুমার পাল,কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ইলেকট্রনিক্স প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী বৃন্দ।

১২ মে, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব চাঁদপাশা ইউনিয়নের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলামের প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা মুখে পড়েছেন উপজেলা প্রশাসন। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমি সংক্রান্ত সেবা নিতে আসা পাঞ্জাবি ও টুপি মাথায় এক বয়স্ক লোকের থেকে টাকা গ্রহন করে হাতে নিয়ে বনিবনা করছেন জহিরুল ইসলাম।
এ সময় মোবাইল দেখা তড়িঘড়ি করে টাকা পকেটে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ওই কর্মকর্তা। ইতোমধ্যে ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এতে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এলাকাবাসী। স্থানীয়রা জানান, ভূমি অফিসে সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ঘুষ দিতে বাধ্য করছেন ওই কর্মকর্তা। এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে আচরণ করেন অসৌজন্যমূলক। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি তার দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহনের সেই অভিযোগের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠেছে।
সেবা প্রত্যাশীদের অভিযোগ, অসাধু ওই কর্মকর্তার দৌরাত্ম্যে সেবা প্রার্থীরা জিম্মি হয়ে পড়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরও দৌরাত্ম্য কমেনি জহিরুল ইসলামের। সেবা প্রত্যাশীদের দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ কতৃপক্ষের। এতে প্রশাসনের উপর আস্থা ফিরে আসবে জনগণের। রহমতপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের এক কর্মচারী জানান, তহশিলদার জহিরুল ইসলাম প্রতি সপ্তাহে বিমানে ঢাকা যাতায়াতে করে অফিস করেন।
যেদিন বিমান না থাকে সেদিন স্লিপার বাস যাতায়াত করেন। জহিরুল ইসলাম এর আগে বরিশাল সদরে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকেই অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন। বরিশাল বিএম কলেজ সংলগ্ন একটি ও ঢাকার কল্যাণপুরে একটি বহুতল বাড়ি রয়েছে এবং একাধিক ফ্ল্যাট রয়েছে তার। তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন। চাঁদপাশা ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক (ছদ্মনাম) হেমায়েত উদ্দিন বলেন, আমার জামিতে ১৫০ ধারা, রেকর্ড সংশোধনের প্রতিবেদন দিতে দশ হাজার টাকা দাবি করেন তহসিলদার জহিরুল ইসলাম। আমি তিন হাজার টাকা দিয়ে এসেছি। কিন্তু বাকি টাকার জন্য দুই মাস ধরে ঘুরাচ্ছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়ে ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) জহিরুল ইসলাম মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ঘুষ লেনদেন বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না বলেন, ভিডিওটি আমি দেখেছি। ঘুষের গ্রহণের বিষয়ে তহশিলদার জহিরুলকে জিজ্ঞেস করেছিলাম তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে এড়িয়ে গেছেন। তবে আমার কাছে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা বলেন, বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। ভিডিওটি এনএসআই আমাকে পাঠিয়েছে এবং ফেসবুকে দেখেছি। এ বিষয়ে আমি ডিসি স্যারকে অবহিত করেছি।
বরিশাল দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে, ঘুষ গ্রহণের ভিডিওটি আমরা দেখছি। তবে আমার কাছে অভিযোগ আসলেই আমরা ব্যবস্থা বা তদন্ত শুরু করবো।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.