দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের ২২৪টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা চলবে টানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আয়োজিত এ নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যদিও সকালের দিকে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিত্রটি পাল্টে যাচ্ছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।
কিন্তু প্রথম কয়েক ঘণ্টা বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ শহীদ রফিক-জব্বার হল কেন্দ্রে মোট ৬৫০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন মাত্র ১৩ জন।
এ কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ভূঞা জানান, ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর নিতে কিছুটা সময় লাগায় ভোটগ্রহণে কিছুটা দেরি হয়েছে। একই অবস্থা দেখা গেছে শহীদ সালাম-বরকত হল কেন্দ্রেও। এখানে ২৯৯ জন ভোটার।
কিন্তু প্রথম এক ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ২৩টি। এ কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মওদুদ আহমেদ আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা আশা করছি, ধীরে ধীরে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে এবং একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭। ২৫টি পদের জন্য মোট ১৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ৬৭ জন পোলিং অফিসার (শিক্ষক) এবং ৬৭ জন সহকারী পোলিং অফিসার (কর্মকর্তা) দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ভোট গণনা করা হবে এবং সেখানেই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ব্যালটে ভোট নেওয়া হচ্ছে (টিক চিহ্ন)। বিশেষ ওএমআর মেশিনে ভোটগণনা করা হবে। জাকসুর মোট প্রার্থীর ২৫ শতাংশ ছাত্রী, বাকি ৭৫ শতাংশই ছাত্র। ভিপি পদে কোনো নারী শিক্ষার্থী প্রার্থী হননি। জিএস পদে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী দুজন।
সবগুলো হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থীর ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ ছাত্রী। আর মেয়েদের হলগুলোর পাঁচটিতে ১৫ পদে প্রার্থীই নেই। নির্বাচনে বাম, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের মিলিয়ে সর্বমোট আটটি প্যানেল অংশ নিয়েছে।
ছাত্রদল থেকে ভিপি ও জিএস পদে লড়ছেন যথাক্রমে শেখ সাদী হাসান ও তানজিলা হোসেন বৈশাখী। বাগাছাসের ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ থেকে লড়ছেন আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল ও আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম।
ইসলামী ছাত্রশিবির ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ নামে লড়ছে। তাদের ভিপি প্রার্থী আরিফুল্লাহ আদিব ও জিএস মাজহারুল ইসলাম। ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলে আব্দুর রশিদ জিতু ভিপি এবং মো. শাকিল আলীর জিএস পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলে জিএস পদে শরণ এহসান, এজিএস (পুরুষ) পদে নুর এ তামীম স্রোত এবং এজিএস (নারী) পদে ফারিয়া জামান নিকি লড়বেন। এ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী অমর্ত্য রায় জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আদালত। ছাত্র ইউনিয়ন-ছাত্রফ্রন্টের ‘সংশপ্তক পর্ষদে’ জিএস পদে জাহিদুল ইসলাম ঈমন, এজিএস-নারী পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস লড়াই করছেন।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৮
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে ধারাবাহিকভাবে উচ্ছেদ অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। তিনি বলেছেন, নগরবাসীর স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করতে যেসব এলাকায় ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সেসব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে। উচ্ছেদের পর কেউ আবার ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ডিএনসিসি প্রশাসক।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাত দখল করে চকি-মাচা, দোকানসহ নানা স্থাপনা বসানোর কারণে পথচারীদের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। নগরবাসীর চলাচলের অধিকার নিশ্চিত করতেই এসব দখল সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ডিএনসিসি প্রশাসক জানান, সম্প্রতি ডিএনসিসির অন্যতম দখলকবলিত এলাকা ১০ নম্বর থেকে হোপ মার্কেট পর্যন্ত ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগিতা করেছেন।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার পর সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, দীর্ঘ ১৩ থেকে ২০ বছর ধরে তারা ওইভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটতে পারেননি। ফুটপাত উন্মুক্ত হওয়ায় তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
শুধু উচ্ছেদ অভিযান নয়, দখলমুক্ত ফুটপাত পুনরায় দখল ঠেকাতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণ, সিটি কর্পোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশের সমন্বয়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম প্রতিদিন সকাল, দুপুর, বিকেল ও সন্ধ্যায় ফুটপাতগুলো পর্যবেক্ষণ করছে। পাশাপাশি ফুটপাতে কাউকে বসতে না দেওয়ার বিষয়ে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
ফার্মগেটসহ ডিএনসিসির বিভিন্ন এলাকায় এখনও কিছু ফুটপাত দখলে রয়েছে বলে জানান শফিকুল ইসলাম খান। এসব এলাকায় আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট দখলও সরানো হবে বলে জানান তিনি।
তার ভাষায়, যেখানে ফুটপাত দখলমুক্ত করা প্রয়োজন, সেখানেই প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করা হবে। নগরবাসীর চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে এ ক্ষেত্রে কারও অনুমতির প্রয়োজন নেই।
ফুটপাত দখলের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ প্রসঙ্গে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার উদ্যোগ সিটি কর্পোরেশনই নিয়েছে। নিজের রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, তিনি বিএনপির একজন কর্মী এবং সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজ করছেন।
দীর্ঘদিনের অবৈধ দখল, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার কার্যক্রম সাময়িক নয়। পর্যায়ক্রমে নগরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চলবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় ফুটপাত দখলের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
এ সময় কিছু মহল সিটি কর্পোরেশন ও সংশ্লিষ্টদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের ভেতরে কিংবা বাইরে কেউ দুষ্কৃতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, ফুটপাত দখলমুক্ত করার খবর প্রকাশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়াও তুলে ধরতে হবে। এতে নগরবাসীর মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।
নগরবাসী সচেতন হয়ে সিটি কর্পোরেশনকে সহযোগিতা করলে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা এবং নগরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ডিএনসিসির অঞ্চল-৫-এর সহকারী প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা, ডেঙ্গু ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, রেড ক্রিসেন্ট ও বিডি ক্লিনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৮
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাদক সেবনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলা আহ্বায়ক মো. নাজমুল ঠাকুরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সংগঠনের সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকেও তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির দপ্তর সম্পাদক রাতুল নাহিদ ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নাজমুল ঠাকুরের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতি ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দারের পরামর্শে এবং কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবিরের নির্দেশক্রমে এ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এনসিপির কিশোরগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক শেখ খায়রুল কবির বলেন, নাজমুল ঠাকুরের মাদক সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি দলের নজরে আসে। পরে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তবে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে নাজমুল ঠাকুরের ভিন্ন বক্তব্যও পাওয়া গেছে। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি ভিডিওটিকে ‘মিথ্যা ও ভিত্তিহীন’ দাবি করে বলেছেন, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি তিনি নন। বিষয়টি যাচাই করতে ভিডিওটি বিশেষজ্ঞদের কাছে পাঠানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৩
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শুরু হয়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের ২২৪টি বুথে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যা চলবে টানা বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
দীর্ঘ ৩৩ বছর পর আয়োজিত এ নির্বাচনকে ঘিরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যদিও সকালের দিকে বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি কম ছিল, তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চিত্রটি পাল্টে যাচ্ছে এবং ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।
কিন্তু প্রথম কয়েক ঘণ্টা বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ শহীদ রফিক-জব্বার হল কেন্দ্রে মোট ৬৫০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন মাত্র ১৩ জন।
এ কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান ভূঞা জানান, ব্যালট পেপারে স্বাক্ষর নিতে কিছুটা সময় লাগায় ভোটগ্রহণে কিছুটা দেরি হয়েছে। একই অবস্থা দেখা গেছে শহীদ সালাম-বরকত হল কেন্দ্রেও। এখানে ২৯৯ জন ভোটার।
কিন্তু প্রথম এক ঘণ্টায় ভোট পড়েছে মাত্র ২৩টি। এ কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা এস এম মওদুদ আহমেদ আশা প্রকাশ করে বলেন, আমরা আশা করছি, ধীরে ধীরে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়বে এবং একটি সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হবে।এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭। ২৫টি পদের জন্য মোট ১৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।
নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য ৬৭ জন পোলিং অফিসার (শিক্ষক) এবং ৬৭ জন সহকারী পোলিং অফিসার (কর্মকর্তা) দায়িত্ব পালন করছেন। ভোটগ্রহণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ভোট গণনা করা হবে এবং সেখানেই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
ভোটাররা কেন্দ্রীয় ও হল সংসদ মিলিয়ে মোট ৪০টি ব্যালটে ভোট নেওয়া হচ্ছে (টিক চিহ্ন)। বিশেষ ওএমআর মেশিনে ভোটগণনা করা হবে। জাকসুর মোট প্রার্থীর ২৫ শতাংশ ছাত্রী, বাকি ৭৫ শতাংশই ছাত্র। ভিপি পদে কোনো নারী শিক্ষার্থী প্রার্থী হননি। জিএস পদে ১৫ জন প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী দুজন।
সবগুলো হল সংসদ মিলিয়ে মোট প্রার্থীর ২৪ দশমিক ৪ শতাংশ ছাত্রী। আর মেয়েদের হলগুলোর পাঁচটিতে ১৫ পদে প্রার্থীই নেই। নির্বাচনে বাম, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের মিলিয়ে সর্বমোট আটটি প্যানেল অংশ নিয়েছে।
ছাত্রদল থেকে ভিপি ও জিএস পদে লড়ছেন যথাক্রমে শেখ সাদী হাসান ও তানজিলা হোসেন বৈশাখী। বাগাছাসের ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’ থেকে লড়ছেন আরিফুজ্জামান উজ্জ্বল ও আবু তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম।
ইসলামী ছাত্রশিবির ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ নামে লড়ছে। তাদের ভিপি প্রার্থী আরিফুল্লাহ আদিব ও জিএস মাজহারুল ইসলাম। ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’ প্যানেলে আব্দুর রশিদ জিতু ভিপি এবং মো. শাকিল আলীর জিএস পদে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলে জিএস পদে শরণ এহসান, এজিএস (পুরুষ) পদে নুর এ তামীম স্রোত এবং এজিএস (নারী) পদে ফারিয়া জামান নিকি লড়বেন। এ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী অমর্ত্য রায় জনের প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আদালত। ছাত্র ইউনিয়ন-ছাত্রফ্রন্টের ‘সংশপ্তক পর্ষদে’ জিএস পদে জাহিদুল ইসলাম ঈমন, এজিএস-নারী পদে সোহাগী সামিয়া জান্নাতুল ফেরদৌস লড়াই করছেন।
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৪৫
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:১১
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০৩