
১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:২৮
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’
সরকারের নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইনে হাজিরা নিশ্চিত করতে গিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়েছে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার এক প্রধান শিক্ষককে।
মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় বিদ্যালয় থেকে কয়েকশ ফুট উঁচু পাহাড়ে উঠে শেষ পর্যন্ত আমগাছের ডালে বসে অনলাইনে হাজিরা পাঠাতে হয়েছে তাকে।
সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার রূপকারী ইউনিয়নের পাকুজ্জোছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকার সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনলাইন হাজিরা কার্যক্রম চালু করেছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিদিন সকাল ৯টার মধ্যে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে হাজিরা খাতার ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠাতে হবে।
সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এ নির্দেশনার প্রথম দিনেই বিপাকে পড়েন প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আবু তাহের।
তিনি জানান, তার বিদ্যালয় দুই পাহাড়ের মাঝখানে প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ ফুট নিচে অবস্থিত। বিদ্যালয়ের ছাদে উঠেও কোনো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়নি।
পরে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে বিভিন্ন স্থানে চেষ্টা করেও নেটওয়ার্ক না পেয়ে শেষ পর্যন্ত একটি আমগাছে উঠে সংযোগ পান।
তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্টে গাছের ডালে উঠে নেটওয়ার্ক পেয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার হোয়াটসঅ্যাপে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে সক্ষম হয়েছি।
তবে কিছুটা দেরি হওয়ায় আমাকে ধমকও শুনতে হয়েছে।’ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবে হাজিরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পেটের দায়ে চাকরি করি। চাকরি বাঁচাতে হলে ঝুঁকি নিতেই হবে।
চাকরি না থাকলে আমার পরিবারের চারজনের ভরণপোষণ কীভাবে চলবে?’ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্চয়ন চাকমা জানান, উপজেলার ১১৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম দিনে ৮৮টি বিদ্যালয়ের অনলাইন হাজিরা পাওয়া গেছে। বাকি ২৮টি বিদ্যালয়ের ৮৩ শিক্ষকের হাজিরা পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, ‘যেসব এলাকায় ফোর-জি নেটওয়ার্ক রয়েছে, সেখান থেকে অনলাইনে হাজিরা পাওয়া গেছে। নেটওয়ার্কবিহীন এলাকার শিক্ষকরা মোবাইল বার্তার মাধ্যমে তথ্য জানিয়েছেন। আগামী দিনে হাজিরার সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’

১৬ জুন, ২০২৬ ১৪:০৮
নড়াইলের লোহাগড়ায় সুমনা ফেরদৌসী (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে তার স্বামী লিমন মল্লিক। এ ঘটনায় লিমনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে অভিযুক্ত লিমন মল্লিককে আটক করা হয়।
নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়ার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। সুমনার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় লিমন ও সুমনার পরিচয় হয়। পরে ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল লিমনের দ্বিতীয় এবং সুমনার চতুর্থ বিয়ে। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন লিমন। তবে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পরিবারে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লিমনের প্রথম স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে রংপুরে চলে যান। এরপর চায়ের দোকান পরিচালনা ও কাঠ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাতেন লিমন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লিমনের অনুপস্থিতিতে সুমনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। সোমবার সকালে টিকটক ব্যবহার ও অনলাইনে যোগাযোগ নিয়ে দুজনের মধ্যে আবারও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে লিমনের মারধরে সুমনা আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর লিমন স্বাভাবিকভাবে কাজে চলে যান। বিকেলে বাড়ি ফিরে নিজেই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসে। খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, আটক লিমন মল্লিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
নড়াইলের লোহাগড়ায় সুমনা ফেরদৌসী (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে হত্যা করেছে তার স্বামী লিমন মল্লিক। এ ঘটনায় লিমনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে অভিযুক্ত লিমন মল্লিককে আটক করা হয়।
নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়ার চর দিঘলিয়া গ্রামের ইদ্রিস মল্লিকের ছেলে লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। সুমনার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করার সময় লিমন ও সুমনার পরিচয় হয়। পরে ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয়। এটি ছিল লিমনের দ্বিতীয় এবং সুমনার চতুর্থ বিয়ে। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন লিমন। তবে প্রথম স্ত্রী ও সন্তান থাকা সত্ত্বেও দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসায় পরিবারে বিরোধ সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লিমনের প্রথম স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে রংপুরে চলে যান। এরপর চায়ের দোকান পরিচালনা ও কাঠ কাটার শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সংসার চালাতেন লিমন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লিমনের অনুপস্থিতিতে সুমনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে বিভিন্ন ভিডিও প্রকাশ করতেন। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। সোমবার সকালে টিকটক ব্যবহার ও অনলাইনে যোগাযোগ নিয়ে দুজনের মধ্যে আবারও বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে লিমনের মারধরে সুমনা আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর লিমন স্বাভাবিকভাবে কাজে চলে যান। বিকেলে বাড়ি ফিরে নিজেই চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। চিৎকার শুনে আশেপাশের মানুষ ছুটে আসে। খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদনের পর পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যাকাণ্ড। পরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিমনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, আটক লিমন মল্লিক প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
হত্যার পর ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৩২
হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে এক শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল তিন শিশুর। চার শিশুর সবাই ঢাকায় মারা গেছে।
এ সময়ে সারা দেশে আরও ৯৭২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ শিশুর। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৬ শিশু।
সোমবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৬৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট মারা গেছে ৬৫৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৮৬ হাজার ৯২৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজার ৪৬৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৭ হাজার ৮৭৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৮ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৩৭ জন।
হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা) দেশে আরও চার শিশু মারা গেছে। এর মধ্যে এক শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছিল। হামের উপসর্গ ছিল তিন শিশুর। চার শিশুর সবাই ঢাকায় মারা গেছে।
এ সময়ে সারা দেশে আরও ৯৭২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেওয়ার তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আর হাম শনাক্ত হয়েছে ৬৪ শিশুর। মোট আক্রান্ত হয়েছে এক হাজার ৩৬ শিশু।
সোমবার (১৫ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ৫৬৩ শিশুর মৃত্যুর তথ্য জানা গেছে। এ সময়ে হাম শনাক্তের পর মারা গেছে ৯৩ শিশু। মোট মারা গেছে ৬৫৬ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ৮৬ হাজার ৯২৩ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৭১ হাজার ৪৬৭ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৬৭ হাজার ৮৭৮ শিশু বাড়ি ফিরেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৮৮ জন হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছে এক হাজার ৩৭ জন।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৮
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে নিজের বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগে দুই বছর পুরোনো এক ‘ক্লুলেস’ মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (পিবিআই), চট্টগ্রাম। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নিহত ব্যক্তির ছেলে বেলাল হোসেনকে।
পিবিআই জানায়, নিহত মীর মুজিবুর রহমান (৬০) ছিলেন পেশায় একজন বাবুর্চি। জীবদ্দশায় তিনি চারটি বিয়ে করেছিলেন। দ্বিতীয় স্ত্রী ক্যান্সারে আক্রান্ত হলে চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে নিজের অধিকাংশ জমি বিক্রি করে দেন তিনি। শেষ বয়সে তার অবশিষ্ট ছিল কেবল বসতভিটার একটি ছোট অংশ। এই ভিটেমাটিই পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, মুজিবুর রহমান যখন শেষ সম্বলটুকুও বিক্রির উদ্যোগ নেন, তখন বিষয়টি জানতে পারেন তার বড় ছেলে বেলাল হোসেন। এরপর থেকেই পরিকল্পিতভাবে হত্যার ছক কষা হয় বলে দাবি করছে তদন্ত সংস্থা।
পিবিআই আরও জানায়, হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বেলাল একটি নারী বন্ধুকে ব্যবহার করে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করান। ওই নারী ফোনালাপের মাধ্যমে মীর মুজিবুর রহমানের সঙ্গে বিশ্বাসের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং দেখা করার প্রস্তাব দেন। সেই প্রলোভনে পড়ে তিনি ২০২৪ সালের ৭ জুন চট্টগ্রামে আসেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বাকলিয়া এলাকার একটি বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই বেলালের ভায়রা আবদুল জলিল উপস্থিত ছিলেন বলে জানায় পিবিআই। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাকে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করা হয়।
অচেতন অবস্থায় মুজিবুর রহমানকে প্রথমে সিএনজি অটোরিকশায় করে সিআরবি এলাকায় নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে একটি মাইক্রোবাসে তুলে হালিশহর আউটার রিংরোড এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তদন্ত অনুযায়ী, চলন্ত মাইক্রোবাসেই গামছা পেঁচিয়ে তার শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এ সময় বেলাল ও আবদুল জলিল ঘটনাটিতে সরাসরি অংশ নেন বলে দাবি পিবিআইয়ের।
হত্যার পর মরদেহটি সড়কের পাশে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। পরদিন পুলিশ অজ্ঞাতপরিচয় হিসেবে লাশ উদ্ধার করে। পরনে লুঙ্গি ও পাঞ্জাবি এবং গলায় গামছা থাকলেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়ায় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করা হয়।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে অবশেষে ঘটনার রহস্য উন্মোচন করে পিবিআই। সোমবার চট্টগ্রাম পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন পুলিশ সুপার এস এম রফিকুল ইসলাম।
এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত বেলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তে সহযোগীদের ভূমিকা নিয়েও আরও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.