Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২০ জুন, ২০২৫ ১২:০৪
রাজবাড়ীর পাংশায় পাওনা টাকা না পেয়ে শ্বশুরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলার যশাই ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক তিনজন হলেন মেয়ের জামাই অভিযুক্ত মো. দাউদ মণ্ডল, তার ভাই মো. নাজমুল মণ্ডল ও বাবা মো. মিজান মণ্ডল। নির্যাতনের শিকার শ্বশুর মো. সাইদুল প্রামাণিক একই গ্রামের মো. লিয়াকত প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি বন্ধক নেওয়ার কথা বলেন ২০২৮ সালে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেন তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। টাকা নেওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও জমি দিতে পারেন না তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। পরে নিজ মেয়েকে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। পরে মামা ভাগনের সম্পর্ক গড়ায় জামাই-শ্বশুরে।
তবে পাওনা টাকা ছাড় দিতে রাজি নয় দাউদ মণ্ডল। বিয়ের ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জামাইকে সেই টাকা ফেরত দেয়নি শ্বশুর। এ টাকাকে কেন্দ্র করে দাউদের সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে শ্বশুরকে একটি সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে নির্যাতন করেন জামাই দাউদ মণ্ডল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দাউদের শ্বশুরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দাউদ মণ্ডলের মা ও সাইদুল ইসলামের বোন বলেন, আমার ভাই অনেক দিন আগে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করে। আজ আবার বাড়ির ওপর ঝামেলা করতে আসছিল তাই বেঁধে রেখেছিল আমার ছেলে।
জামাতা মো. দাউদ মণ্ডল বলেন, জমি বন্ধক দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেয় আমার মামা সাইদুল প্রামানিক। সেই টাকা আর ফেরত দেয় না।
পরে তার মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। প্রায় ৬ বছর হয়ে গেলেও আমার টাকা দেয় না। উল্টো আজেবাজে কথা বলে। তাই আজ বেঁধে রেখেছিলাম। পরে তারা পুলিশ ডেকে আনে।
পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের জামাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
রাজবাড়ীর পাংশায় পাওনা টাকা না পেয়ে শ্বশুরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলার যশাই ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক তিনজন হলেন মেয়ের জামাই অভিযুক্ত মো. দাউদ মণ্ডল, তার ভাই মো. নাজমুল মণ্ডল ও বাবা মো. মিজান মণ্ডল। নির্যাতনের শিকার শ্বশুর মো. সাইদুল প্রামাণিক একই গ্রামের মো. লিয়াকত প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি বন্ধক নেওয়ার কথা বলেন ২০২৮ সালে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেন তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। টাকা নেওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও জমি দিতে পারেন না তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। পরে নিজ মেয়েকে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। পরে মামা ভাগনের সম্পর্ক গড়ায় জামাই-শ্বশুরে।
তবে পাওনা টাকা ছাড় দিতে রাজি নয় দাউদ মণ্ডল। বিয়ের ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জামাইকে সেই টাকা ফেরত দেয়নি শ্বশুর। এ টাকাকে কেন্দ্র করে দাউদের সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে শ্বশুরকে একটি সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে নির্যাতন করেন জামাই দাউদ মণ্ডল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দাউদের শ্বশুরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দাউদ মণ্ডলের মা ও সাইদুল ইসলামের বোন বলেন, আমার ভাই অনেক দিন আগে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করে। আজ আবার বাড়ির ওপর ঝামেলা করতে আসছিল তাই বেঁধে রেখেছিল আমার ছেলে।
জামাতা মো. দাউদ মণ্ডল বলেন, জমি বন্ধক দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেয় আমার মামা সাইদুল প্রামানিক। সেই টাকা আর ফেরত দেয় না।
পরে তার মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। প্রায় ৬ বছর হয়ে গেলেও আমার টাকা দেয় না। উল্টো আজেবাজে কথা বলে। তাই আজ বেঁধে রেখেছিলাম। পরে তারা পুলিশ ডেকে আনে।
পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের জামাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:২০
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৮
জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে সরকার। পাশাপাশি অবৈধ মজুতদারি বন্ধে তথ্য দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।
অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য দানকারীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রাহদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় না করে স্বাভাবিক ক্রয় প্রক্রিয়া বজায় রেখে সাশ্রয়ী ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করেছে সরকার। পাশাপাশি অবৈধ মজুতদারি বন্ধে তথ্য দিলে পুরস্কারের ঘোষণাও দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেলে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।
অবৈধ মজুদদারি বন্ধে তথ্য দানকারীদের জন্য পুরস্কার ঘোষণা করা হবে।
এছাড়া সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
পাশাপাশি বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় গ্রাহদের প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি ক্রয় না করে স্বাভাবিক ক্রয় প্রক্রিয়া বজায় রেখে সাশ্রয়ী ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন।
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;
২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৪
২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:২০
২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪৮
২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২