
২০ জুন, ২০২৫ ১২:০৪
রাজবাড়ীর পাংশায় পাওনা টাকা না পেয়ে শ্বশুরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলার যশাই ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক তিনজন হলেন মেয়ের জামাই অভিযুক্ত মো. দাউদ মণ্ডল, তার ভাই মো. নাজমুল মণ্ডল ও বাবা মো. মিজান মণ্ডল। নির্যাতনের শিকার শ্বশুর মো. সাইদুল প্রামাণিক একই গ্রামের মো. লিয়াকত প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি বন্ধক নেওয়ার কথা বলেন ২০২৮ সালে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেন তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। টাকা নেওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও জমি দিতে পারেন না তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। পরে নিজ মেয়েকে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। পরে মামা ভাগনের সম্পর্ক গড়ায় জামাই-শ্বশুরে।
তবে পাওনা টাকা ছাড় দিতে রাজি নয় দাউদ মণ্ডল। বিয়ের ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জামাইকে সেই টাকা ফেরত দেয়নি শ্বশুর। এ টাকাকে কেন্দ্র করে দাউদের সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে শ্বশুরকে একটি সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে নির্যাতন করেন জামাই দাউদ মণ্ডল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দাউদের শ্বশুরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দাউদ মণ্ডলের মা ও সাইদুল ইসলামের বোন বলেন, আমার ভাই অনেক দিন আগে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করে। আজ আবার বাড়ির ওপর ঝামেলা করতে আসছিল তাই বেঁধে রেখেছিল আমার ছেলে।
জামাতা মো. দাউদ মণ্ডল বলেন, জমি বন্ধক দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেয় আমার মামা সাইদুল প্রামানিক। সেই টাকা আর ফেরত দেয় না।
পরে তার মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। প্রায় ৬ বছর হয়ে গেলেও আমার টাকা দেয় না। উল্টো আজেবাজে কথা বলে। তাই আজ বেঁধে রেখেছিলাম। পরে তারা পুলিশ ডেকে আনে।
পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের জামাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।
রাজবাড়ীর পাংশায় পাওনা টাকা না পেয়ে শ্বশুরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে মেয়ের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) উপজেলার যশাই ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আটক তিনজন হলেন মেয়ের জামাই অভিযুক্ত মো. দাউদ মণ্ডল, তার ভাই মো. নাজমুল মণ্ডল ও বাবা মো. মিজান মণ্ডল। নির্যাতনের শিকার শ্বশুর মো. সাইদুল প্রামাণিক একই গ্রামের মো. লিয়াকত প্রামাণিকের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি বন্ধক নেওয়ার কথা বলেন ২০২৮ সালে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নেন তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। টাকা নেওয়ার এক বছর পার হয়ে গেলেও জমি দিতে পারেন না তার মামা মো. সাইদুল প্রামাণিক। পরে নিজ মেয়েকে ভাগনে দাউদ মণ্ডলের সঙ্গে বিয়ে দেন তিনি। পরে মামা ভাগনের সম্পর্ক গড়ায় জামাই-শ্বশুরে।
তবে পাওনা টাকা ছাড় দিতে রাজি নয় দাউদ মণ্ডল। বিয়ের ৫ বছর পেরিয়ে গেলেও জামাইকে সেই টাকা ফেরত দেয়নি শ্বশুর। এ টাকাকে কেন্দ্র করে দাউদের সংসারে অশান্তির সৃষ্টি হয়। পরে উত্তেজিত হয়ে শ্বশুরকে একটি সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে নির্যাতন করেন জামাই দাউদ মণ্ডল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দাউদের শ্বশুরকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দাউদ মণ্ডলের মা ও সাইদুল ইসলামের বোন বলেন, আমার ভাই অনেক দিন আগে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইলে আমাদের ওপর অনেক নির্যাতন করে। আজ আবার বাড়ির ওপর ঝামেলা করতে আসছিল তাই বেঁধে রেখেছিল আমার ছেলে।
জামাতা মো. দাউদ মণ্ডল বলেন, জমি বন্ধক দেওয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে ২ লাখ টাকা নেয় আমার মামা সাইদুল প্রামানিক। সেই টাকা আর ফেরত দেয় না।
পরে তার মেয়ের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। প্রায় ৬ বছর হয়ে গেলেও আমার টাকা দেয় না। উল্টো আজেবাজে কথা বলে। তাই আজ বেঁধে রেখেছিলাম। পরে তারা পুলিশ ডেকে আনে।
পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের জামাইসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন।

১২ মে, ২০২৬ ১২:২৩
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।
ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর হাট ও খামারগুলোতে এবারও দেখা মিলছে ব্যতিক্রমী নামের গরু-মহিষ। সেই তালিকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে নারায়ণগঞ্জের একটি খামারের একটি বিশাল আকৃতির মহিষ, যার নাম রাখা হয়েছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’।
নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, এটি এলভিনো জাতের মহিষ। এর গায়ের গোলাপি আভাযুক্ত সাদা রং এবং সামনের দিকের চুলের বিশেষ আকৃতির কারণে মজার ছলে এই নামটি রাখা হয়েছে।
খামার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, নামটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই মহিষটি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। অনেক ক্রেতা এটি কেনার আগ্রহ দেখালেও ইতোমধ্যে একজন ক্রেতা মহিষটি বুকিং দিয়ে রেখেছেন।
খামারের কর্মচারীরা জানান, মহিষটি সাধারণ খাবার হিসেবে ঘাস, ভুট্টা ও ভুসি খায়। বিশেষ যত্নে লালন-পালন করা হয়েছে এটিকে।
স্থানীয়দের মতে, ঈদুল আজহায় বড় ও আকর্ষণীয় পশুর পাশাপাশি ব্যতিক্রমী নামের কারণে এসব পশু নিয়ে আলাদা আগ্রহ তৈরি হয়। প্রতিবছরই বিভিন্ন খামারে ‘রাজা’, ‘সুলতান’, ‘বাহুবলী’ কিংবা আলোচিত ব্যক্তিত্বদের নামে পশুর নাম রাখার প্রবণতা দেখা যায়, যা ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের মধ্যে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করে।

১১ মে, ২০২৬ ১৯:৪৫
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে স্কুল ড্রেস পরে মডেল মসজিদে গিয়ে টিকটক ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
রোববার (১১ মে) দুপুরে দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমানের সই করা এক নোটিশে ওই শিক্ষার্থীকে টিসি দেওয়ার বিষয়টি জানানো হয়।
জানা গেছে, ছাড়পত্র পাওয়া ওই শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সিনথিয়া আক্তার শান্তা। তিনি দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ভোকেশনাল শাখার জেনারেল ইলেকট্রনিক্স ট্রেডের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বিদ্যালয়ের প্রকাশিত ছাড়পত্রে উল্লেখ করা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কিছু টিকটক ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় ঐতিহ্যবাহী দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, যা বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলার পরিপন্থী।
বিদ্যালয়ের ঐতিহ্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে অন্য শিক্ষার্থীরা যেন এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াতে সাহস না পায়, সে কারণে তাকে বিদ্যালয় থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মশিহুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ও সুনাম রক্ষার্থে কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা নৈতিকতা ও শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে নিজেদের পরিচালনা করুক।

১১ মে, ২০২৬ ১৮:৪৮
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ছয়জন মারা গেছেন। তবে এই সময়ে হামে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এছাড়া চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত হামে ৬৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫০ জন।
১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন ছয় হাজার ৯৩৭ জন। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ৫০০ জন।
এখন পর্যন্ত হাম সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৮০ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৩১ হাজার ৯৯২ জন।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.