
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

০১ মে, ২০২৬ ১৮:৫৭
সারাদেশের ন্যায় পিরোজপুরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। দিবস টি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিও অফিস উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান মামুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দীকী, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
সারাদেশের ন্যায় পিরোজপুরেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে মহান মে দিবস। দিবস টি উপলক্ষে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের কৃষ্ণচূড়া মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সিও অফিস উপজেলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালি শেষে উপজেলা পরিষদের অডিটরিয়ামে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পিরোজপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমান মামুন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দীকী, সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান, জেলা বিএনপির আহবায়ক নজরুল ইসলাম খান, সদস্য সচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।

০১ মে, ২০২৬ ১৭:৩৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা আধুনিক বহুতল বিপণিবিতান ‘ফিশ মার্কেট’ নির্মাণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে সরকার বছরে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে ‘ফিশ মার্কেট’ নামে পরিচিত এই আধুনিক মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় মাছ ও ফল ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ঢাকা-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা মহাসড়কের পাশে এবং ফুটপাতে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছেন। এতে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কেটটির মধ্যে মোট ৮৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতা ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একাধিকবার মার্কেটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে তা থেমে যায়। তিনি প্রায়ই পৌরসভার বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ মার্কেট চালুর লক্ষ্যে একটি নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে যানজট নিরসন এবং পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। অথচ মঠবাড়িয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে মাছ ও ফলের ব্যবসা চলছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্দিষ্ট স্থানে বসতে না পারায় প্রতিদিন তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযানে প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যেও সড়কের প্রতিটি দোকান থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে কারা এ অর্থ সংগ্রহ করছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চাননি।
তারা আরও জানান, মার্কেটটি চালুর দাবিতে একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। পৌরসভার শীর্ষ কর্মকর্তারাও একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজও মার্কেটটি খুলে দেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মার্কেটটি চালু করা হোক।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আকলিমা আক্তার বলেন, ‘মার্কেটটি উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি পরিচালনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই মার্কেটটি চালু হবে। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত হয়ে যানজট নিরসনসহ মানুষের ভোগান্তিও কমে আসবে।’
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘মার্কেট উদ্বোধনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি খুলে দেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)-এর সহায়তায় প্রায় ৯ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিনতলা আধুনিক বহুতল বিপণিবিতান ‘ফিশ মার্কেট’ নির্মাণের পাঁচ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি। ফলে সরকার বছরে প্রায় কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়ভাবে ‘ফিশ মার্কেট’ নামে পরিচিত এই আধুনিক মার্কেটটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় মাছ ও ফল ব্যবসায়ীরা বাধ্য হয়ে ঢাকা-মঠবাড়িয়া-পাথরঘাটা মহাসড়কের পাশে এবং ফুটপাতে দোকান বসিয়ে ব্যবসা করছেন। এতে প্রায়ই তীব্র যানজট সৃষ্টি হচ্ছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন পথচারী ও সাধারণ যাত্রীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মার্কেটটির মধ্যে মোট ৮৬টি দোকান বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতা ও প্রভাবশালী মহলের হস্তক্ষেপের কারণে এটি চালু করা সম্ভব হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার এক কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একাধিকবার মার্কেটটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হলেও একজন রাজনৈতিক ব্যক্তির অযাচিত হস্তক্ষেপের কারণে তা থেমে যায়। তিনি প্রায়ই পৌরসভার বিভিন্ন কাজে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। সর্বশেষ মার্কেট চালুর লক্ষ্যে একটি নতুন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত রেখে যানজট নিরসন এবং পথচারীদের চলাচল নির্বিঘ্ন করতে বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় বাস্তবায়ন হচ্ছে। অথচ মঠবাড়িয়ায় বিকল্প ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর ধরে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে মাছ ও ফলের ব্যবসা চলছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, নির্দিষ্ট স্থানে বসতে না পারায় প্রতিদিন তাদের মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযানে প্রায়ই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এর মধ্যেও সড়কের প্রতিটি দোকান থেকে নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয় বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে কারা এ অর্থ সংগ্রহ করছেন, সে বিষয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে চাননি।
তারা আরও জানান, মার্কেটটি চালুর দাবিতে একাধিকবার মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে। পৌরসভার শীর্ষ কর্মকর্তারাও একাধিকবার পরিদর্শন করেছেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে আজও মার্কেটটি খুলে দেওয়া হয়নি। তাদের দাবি, প্রকৃত ব্যবসায়ীদের দোকান বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে মার্কেটটি চালু করা হোক।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক আকলিমা আক্তার বলেন, ‘মার্কেটটি উপজেলা পরিষদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একটি পরিচালনা কমিটিও গঠন করা হয়েছে। ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগিরই মার্কেটটি চালু হবে। একই সঙ্গে ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত হয়ে যানজট নিরসনসহ মানুষের ভোগান্তিও কমে আসবে।’
পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ বলেন, ‘মার্কেট উদ্বোধনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুতই এটি খুলে দেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.